Al Shefa Construction & Piling Technology

  • Home
  • Al Shefa Construction & Piling Technology

Al Shefa Construction & Piling Technology Situ Pile, Pre-Cast Pile, Bolly Pile, Digital Survey, Soil Test, Earthing Boring, Deep Tube Well etc.

09/02/2024
05/08/2023

গাথুনী এবং প্লাস্টারের হিসাব(টাইমলাইনে রেখে দিন)
আল-শেফা কনস্ট্রাকশান এর সাথেই থাকি প্রয়োজনীয় কিছু শিখি👆
১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ১০ টি ইট লাগে।
০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে।
গাথুনী এর প্লাস্টারে ০১ বস্তা সিমেন্টে ০৪ বস্তা বালি। তবে ০৫ বস্তাও দেওয়া যায়।
নিচের ছলিং এ প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট) এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে।পিকেট ইট দিয়ে খোয়া করতে হয়।
০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ০১ সিএফটি খোয়া হয়।সিএফটি অর্থাৎ ঘনফুট।
এসএফটি অর্থাৎ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্তের দিক দিয়ে।কলাম এবং লিংটেল এর হিসাব সিএফটি তে করতে হয়।
ইঞ্চিকে প্রথমে ফুটে আনতে হবে। ( ১০” ÷ ১২ = ০.৮৩৩)এবং গাথুনীতে ও প্লাস্টারের হিসাব এসএফটি তে করতে হয়।* ১ ঘনমিটার ইটের গাথুনীর ওজন ১৯২০ কেজি।
* ১ ব্যাগ সিমেন্টে পানি লাগে ২১ লিটার।
* ১০০ এস,এফ,টি প্লাষ্টারে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট লাগে ২ ব্যাগ।
* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়। সিলিং প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট দিতে হয়।
* প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে = ০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।
* মসলা ছাড়া ১ টি ইটের মাপ = (৯ ১/২”*৪ ১/২”*২ ৩/৪”)
মসলাসহ = (১০”*৫”৩”)10 mm =1 cm
100 cm = 1 m (মিটার)Convert
1″ = 25.4 mm
1″ = 2.54 cm
39.37″ = 1 m
12″ = 1′ Fit
3′ = 1 Yard (গজ)
1 Yard = 36″
72 Fit = 1 bandil.
রডের পরিমান নির্ণয় করার পদ্ধতি
10 mm = 0.616 kg/m = 3 suta
12 mm = 0.888 kg/m = 4 suta
16 mm = 1.579 kg/m = 5 suta
20 mm = 2.466 kg/m = 6 suta
22 mm = 2.983 kg/m = 7 suta
25 mm = 3.854 kg/m = 8 suta
রডের ওজন
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।
২৫ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন =১.১৭৪৭ কেজি।
উপরে যে কনভার্ট সিস্টেম দেয়া হয়েছে, এর প্রতিটি যদি আপনার জানা থাকে তাহলে বাস্তবে কাজ করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে।যেমন, ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেমে রডের আন্তর্জাতিক হিসাব করা হয় kg/m এ।আবার বাংলাদেশে সাধারন লেবারদের সাথে কাজ করার সময় এই হিসাব জানা একান্তই জরুরী এছাড়া ও নিম্নোক্ত বিষয় টিও জেনে রাখুন . . . .
8 mm -7 feet -1 kg
10 mm -5 feet - 1kg
12mm-3.75 feet -1kg
16mm-2.15 feet - 1kg
20mm -1.80 feet- 1kg
22mm- 1.1 feet - 1kg

রডের মাপ kg মেপে ফিট বের করা হয়।এই সূত্রটি মনে রাখুন ( রডের ডায়া ^2 /53136) যেকোনো ডায়া রডের এক ফিটের ওজন বের হবে।এখানে অবশ্যই রডের ডায়া মিলি মিটারে প্রকাশ করতে হবে।

18/04/2023

Trustworthy construction firm in Bangladesh.

09/01/2022

বাড়ি নির্মাণ: সয়েল টেস্ট কী, কেন, কীভাবে
সয়েল টেস্ট’ কথাটির আভিধানিক অর্থ হলো ‘মাটি পরীক্ষা’। নিজের জমিতে যেকোনো ধরনের স্থাপনার কাজে যখন যাবেন, একজন প্রশিক্ষিত স্থপতি এবং প্রকৌশলী আপনার কাছে প্রথমেই দুটি জিনিস চাইবেন। এর একটি হচ্ছে জমির ডিজিটাল সার্ভে। আর দ্বিতীয়টি হলো এই ‘সয়েল টেস্ট’।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরিভাষায় একে কখনো বলা হয় সয়েল টেস্ট, আবার কখনো বলা হয় সাব সয়েল ইনভেস্টিগেশন। যেকোনো ধরনের স্থাপনার কাজের আগে জমির সয়েল টেস্ট বা মাটি পরীক্ষা করে নেওয়া বাধ্যতামূলক। শুধুমাত্র ভবন তৈরিই নয়, ব্রিজ বা কালভার্ট, হাইওয়ে বা দুই লেন বা তার চেয়ে বেশি চওড়া পাকা রাস্তা, রেলপথসহ সব ধরনের কাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রেও মাটি পরীক্ষা অপরিহার্য। যেকোনো স্থপতিই আপনাকে জানাবেন যে নকশার কাজে হাত দেবার আগে অবশ্যই সয়েল টেস্ট করাতে হবে। কিন্তু কেন এই পরীক্ষণ এতটা গুরুত্বপূর্ণ?
বিয়ারিং ক্যাপাসিটি এবং ফাউন্ডেশন টাইপ দুটিই ফলাফলে উল্লেখ করা থাকে। এর সাথে SPT, মাটির ধরন, মাটির বিভিন্ন স্তরের বিবরণ, মাটিতে উপাদানের উপস্থিতিসহ বোরিং পয়েন্ট লে-আউটও উল্লেখ থাকে এই ফলাফলে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, এই পরীক্ষণ না করলে ফাউন্ডেশনের নকশা করা প্রায় সম্ভব। সঠিক ফাউন্ডেশনের অভাবে ভবনের নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে:

স্থাপনা মাটিতে দেবে যাবার সম্ভাবনা।
ফাউন্ডেশন দেবে বা বেঁকে যাওয়ার ফলে বা অতিরিক্ত চাপের কারণে ফাটল তৈরি হতে পারে।
ভূমিকম্পের প্রভাবে মাটি সরে যাওয়া সম্পর্কে ধারণা বা জ্ঞানের অভাব রয়ে যেতে পারে।
বন্যার সম্ভাবনা ও মাটিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি সম্পর্কেও জানা না থাকতে পারে।
বাংলাদেশে সাধারণভাবে মাটির ভার বহন ক্ষমতা প্রতি বর্গমিটারে ৯-১০ টন হয়ে থাকে। অনেকে ছোট ভবনের ক্ষেত্রে মাটি পরীক্ষা না করেই ভবন তৈরি করতে চাইতে পারেন, কারণ, ভবনের ভার এর চেয়ে বেশি হওয়া প্রায় অসম্ভব। তবে ভবিষ্যৎ নির্মাণের সম্ভাবনা ও নিরাপত্তার স্বার্থে অবশ্যই এই পরীক্ষণ করানো উচিত। একটি সয়েল টেস্টিং সেটে এই পরীক্ষাগুলো সাধারণত পাওয়া যায়:

সয়েল ক্লাসিফিকেশন
পার্টিকেল সাইজ ডিস্ট্রিবিউশন
ময়েশ্চার কন্টেন্ট ডিটারমিনেশন
স্পেসিফিক গ্র্যাভিটি
লিকুইড লিমিট আর প্লাস্টিক লিমিট টেস্ট
ময়েশ্চার কন্টেন্ট
পার্টিকেল সাইজ আর স্পেসিফিক গ্র্যাভিটি টেস্ট
সাধারণত সয়েল টেস্টিং করার জন্য আলাদা কোম্পানি থাকে। অনেক ক্ষেত্রে জমির সার্ভে কোম্পানি লাইসেন্স থাকা সাপেক্ষে এটি করতে পারে। আপনি আপনার জমির নকশায় নিযুক্ত স্থপতি ও প্রকৌশলীর কাছ থেকে এরকম দক্ষ কোম্পানির সন্ধান পেতে পারেন। বাংলাদেশে জমির মাটি পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি যে পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তার নাম ‘ওয়াশ বোরিং’ পদ্ধতি। এখানে যা যা করা হয় তা অনেকটা এরকম:
পানির সাহায্যে দুই ইঞ্চি ব্যাসের একটি নলকে চাপ প্রয়োগ করে মাটিতে প্রবেশ করানো হয়।
প্রতি পাঁচ ফুট বা দেড় মিটার পর পর ঘাত সংখ্যা ও মাটির নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
প্রতি পাঁচ ফুট পর পরবর্তী দেড় ফুট পাইপ মাটির অভ্যন্তরে প্রবেশ করাতে যে পরিমাণ আঘাত করতে হয়, তা সাধারণত বিবেচনায় নেয়া হয় না। এর পরের ১২ ইঞ্চি মাটির ভিতরে পাইপ প্রবেশ করাতে প্রয়োজনীয় আঘাতের সংখ্যাকেই বলা হয় N এর মান।
সাধারণত N এর মান ১৫ এর কম হয়ে থাকে। তবে ১৫ এর বেশি হলে মাটি শক্ত বলে বিবেচনা করা হয়। N এর মান অনুসারে মাটির ভার বহন ক্ষমতা অনেকটা এরকম:
N এর মান মাটি সম্পর্কে মন্তব্য মাটির ভার বহন ক্ষমতা
২ বা কম খুবই নরম ২-৫ টন/প্রতি বর্গ মিটারে
৫-৯ মাঝারি ৫-১০ টন/প্রতি বর্গ মি.
৯-১৭ শক্ত মাটি ১০-২০ টন/প্রতি বর্গ মি.
১৭-৩৩ খুবই শক্ত মাটি ২০-৪০ টন/প্রতি বর্গ মি.
৩৩ বা উপরে কঠিন মাটি ৪০ টন/প্রতি বর্গ মি.বা বেশি
জমির মালিক হিসাবে সচেতন থাকা উচিৎ যেন জমির মাপ অনুসারে সুষমভাবে সঠিক সংখ্যায় বোরিং হোল করার মাধ্যমে সয়েল টেস্ট এর মান নিয়ন্ত্রণ করা হয়। জমির মাপ অনুসারে বোরিং হোলের সংখ্যা হবে:
জমির মাপ বোরিং হোলের সংখ্যা
তিন কাঠা পর্যন্ত ৩টি
তিন থেকে পাঁচ কাঠার মধ্যে ৫টি
পাঁচ থেকে ১০ কাঠার মধ্যে ৮টি
১০ কাঠার উপরে ১২টি
স্বাভাবিকভাবে কিছু বিষয় সয়েল টেস্টার বা সার্ভেয়ার খেয়াল রাখছেন কিনা তাও নিশ্চিত হয়ে নিন।

*চাপ প্রয়োগকারী হাতুড়ির ওজন ৬৩.৫ কেজি হতে হবে।
কমপক্ষে ৩০ ইঞ্চি উচ্চতা থেকে এটিকে আঘাতের সময় নামিয়ে
আনতে হবে।
*প্রতি ৫ ফুট পর পর আলাদা নমুনা সংগ্রহ করতে হবে এবং তাদের
আলাদা আলাদা প্যাকেটে সংরক্ষণ করতে হবে।
*প্রতিটি ক্ষেত্রে N এর মান আলাদাভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
মাটি ভালো থাকলেও কমপক্ষে ৬০ ফুট পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহ করতে
হবে।

ইটের বিবরণ::আমাদের দেশে সাধারণত ৯.৫"×৪.৫"×২.৭৫" সাইজের ইট, যা‌ মিলি মিটারে ( ২৩৮×১১৪×৭০) বাংলা ইট ব্যবহার করা হয়ে থাকে ...
28/04/2021

ইটের বিবরণ::
আমাদের দেশে সাধারণত ৯.৫"×৪.৫"×২.৭৫" সাইজের ইট, যা‌ মিলি মিটারে ( ২৩৮×১১৪×৭০) বাংলা ইট ব্যবহার করা হয়ে থাকে এবং মসলা সহ ১০"×৫"×৩"( ২৫০×১২৫×৭৬)
ইট সাধারণত পাঁচ ধরনের হয়ে থাকে::
১) প্রথম শ্রেণীর ইট।
২) দ্বিতীয় শ্রেণীর ইট।
৩) তৃতীয় শ্রেণীর ইট।
৪) ঝামা ইট।
৫) পিকেট ইট।
**মাঠ পর্যায়ে ইট পরীক্ষা করার পদ্ধতি::
*ইট হাতে নিয়ে আঁচড় কাটার চেষ্টা করলে তারমধ্যে আঁচড় পড়বে না।
*একটি ইটকে অন্য একটি ইট দিয়ে আঘাত করলে ধাতব শব্দ উৎপন্ন হয়।
*দুইটি ইটকে টি (T) এর মতো করে ২ মিটার উঁচু থেকে ফেলে দিলে ভাঙবে না।
*একটি ইটকে ভেঙ্গে টুকরা করলে টুকরো গুলোর রঙ একই রকম হবে।
*ইটের পৃষ্ঠ মসৃণ ও সমতল হবে।
*ইটের ওজন ৩.৫ কেজির বেশি হবে না।
*ইটের মাপ আদর্শ থাকবে(৯.৫"×৪.৫"×২.৭৫")
***
ইটের কাজের পরিমাণ বাহির করার একক পদ্ধতি::
প্রতি ১০০ স্কয়ার ফিট জায়গায় ইটের ৫ ইঞ্চি গাঁথুনিতে ইট লাগে=৫০০ টি।
প্রতি ১০০ স্কয়ার ফিট জায়গায় ইটের ১০ ইঞ্চি গাঁথুনিতে ইট লাগে=১১৫০ টি।
প্রতি ১০০ স্কয়ার ফিট জায়গায় হেরিং বোন বন্ড করতে ইট লাগে=৫০০ টি।
প্রতি ১০০ স্কয়ার ফিট জায়গায় সলিং করতে ইট লাগে=৩০০ টি

25/12/2020

ভবন নির্মাণে সতর্ক হতে হবেঃ

রাজধানী সহ সারা দেশের জনসংখ্যা বেড়ে চলছে দ্রুত। জনসংখ্যা শুধু ঢাকাতেই দুই কোটির কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। আজ জনসংখ্যার ভার অনুযায়ী রাজধানীবসীর আবাসন চাহিদা মেটাতে গড়ে উঠেছে কাঁচা অনিরাপদ ঘরবাড়ি। আশপাশে নিচু জমি বা সম্পূর্ণ জলাভূমি ভরাট করে নির্মিত হচ্ছে অসংখ্য বহুতলবিশিষ্ট ভবন। এসবের অধিকাংশের নির্মাণ নকশা বা ডিজাইনে রাজউকের অনুমোদন নেই। আবার অনুমোদন নিয়েও সে অনুযায়ী ভবন নির্মাণকালে তা অনুসরণ করা হয় না। নির্মাণ শ্রমিক এবং ভবন মালিক নিজের পছন্দমতো বাড়ি বানিয়ে ফেলেন। কখনও দোতলা বা তিনতলা ভবনের অনুমোদন নিয়ে নির্মিত হয় ৭-৮ তলা ভবন। এ ক্ষেত্রে নেওয়া হয় না বিশেষ কোনো প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ। বিল্ডিং কোড না মেনে এবং ভূকম্পন প্রতিরোধক ব্যবস্থা গ্রহণ ছাড়াই অহরহ তৈরি করা হয় বহুতল ভবন। সাম্প্রতিককালে খাল-বিল, নদী-নালাসহ নিচু জমি ভরাট করে কোনো রকম মাটি দৃঢ়করণ ছাড়াই নির্মিত হচ্ছে বহুতলবিশিষ্ট বাড়ি, নগর অবকাঠামো। অনেক ক্ষেত্রেই পাইলিং বা অন্য কোনো ধরনের বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা না নিয়ে গড়ে উঠছে বড় বড় আবাসিক ভবন, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে হাজার হাজার মানুষ বসবাস করছে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলোয় নির্বিঘ্নে চলছে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প-কারখানা। পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, নির্মাণাধীন ভবনের মাটি পরীক্ষা, পাইল না করার কারণে প্রায়ই ভবন ধসের ঘটনা ঘটছে। রাজউক এসব নিয়ন্ত্রণে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করতে পারছে না। ফলে প্রায়ই ভবন হেলে বা ধসে পড়ার ঘটনা ঘটছে। ভূমিকম্প প্রবণ এলাকার মধ্যে যে বাংলাদেশের নাম রয়েছে, এর লক্ষণও মাঝে মাঝে দেখা যাচ্ছে। ভূমিকম্প প্রতিরোধ এবং ভূমিকম্পের পূূর্বাভাস দেওয়ার মতো বৈজ্ঞানিক কোনো সংকেত দেওয়া অদ্যাবধি আবিস্কৃত হয়নি। তাই ভূমিকম্প বা যে কোনো কারণে ভবন ধস এড়াতে নিরাপদ বাসযোগ্য বাড়িঘর নির্মাণের বিকল্প নেই। দেশজুড়ে ভবন মালিকদের বাড়িঘর নির্মাণে নগর পরিকল্পনাবিদদের ডিজাইনে বিল্ডিং কোড মেনে ভূমিকম্প সহনীয় ভবন নির্মাণের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।সামান্য খরচ বাচাতে অনেকে সয়েল টেস্ট এবং পরবর্তীতে পাইলং করেন না,যার কারনে আপনার ভবন হয়ে উঠছে ঝুকিপূর্ণ।

23/08/2020

পাইলিং কি এবং কেন করা হয় ?
‘পাইলিং’ হচ্ছে বিল্ডিং বা স্থাপনার এক ধরনের
ফাউন্ডেশন যা স্থাপনার নিচে মাটির গভীরে লোড
স্থানান্তর করে স্থাপনাকে দৃঢ় ভিত্তি প্রদান করে।
এটা সাধারণত করা হয়ে থাকে যেসব জমিতে মাটির
ভারবহন ক্ষমতা কম কিন্তু স্থাপনাটি বহুতলভিত্তিক।
এটাকে স্থাপনার কলামের সাথে তুলনা করা যায় যা মাটির
গভীরে স্থাপিত হয়।
পাইলিং কয়েক ধরনের হতে পারে। যেমনঃ
কাস্ট-ইন-সিটু পাইল
স্যান্ড পাইল
প্রি-কাস্ট পাইল
শোর পাইল
টিম্বার পাইল
এগুলোর মধ্যে কাস্ট-ইন-সিটু পাইল সবচেয়ে
বেশী প্রচলিত। এটা সাধারনত সিলিন্ডারাকৃতির হয়ে
থাকে যার ব্যাস বা ডায়া ১৮ ইঞ্চি থেকে ৩০ ইঞ্চি
পর্যন্ত হয়। তবে ক্ষেত্রবিশেষে এটা আরো
বেশি হতে পারে। আর দৈর্ঘ্য নির্ভর করে মাটির
লেয়ারের উপর যা সয়েল টেস্ট রিপোর্টে পাওয়া
যায়। বাংলাদেশে বেশিরভাগ বহুতল স্থাপনার ভিত্তিতে
এই পাইলিং ব্যবহৃত হয়েছে।
স্যন্ড পাইলের ধারণাটি অপেক্ষাকৃত নতুন হলেও
ক্ষেত্রবিশেষে এটি বেশ কার্যকর। সাধারনত কম
তলা বিশিষ্ট স্থাপনা যেখানে মাটির ভারবহন ক্ষমতা কম
সেখানে স্যন্ড পাইল করে সেটা বৃদ্ধি করা যায়।
তবে অনেক তলাবিশিষ্ট ভবনের ক্ষেত্রে এটি
ব্যাবহার করা যায় না।
প্রি-কাস্ট পাইলের ক্ষেত্রে সম্পুর্ন পাইল আগে
কাস্টিং বা ঢালাই করা হয় সুবিধামত স্থানে (মাটির
অভ্যন্তরে নয়) । তারপর এট মেশিনের সাহায্যে বা
হ্যমারিং করে সাইটের ভুমিতে যথাস্থানে
ঢোকানো হয়।
শোর পাইল করা হয় মাটির পার্শ্বচাপ প্রতিরোধ করার
জন্য। যেই সমস্ত স্থাপনায় বেসমেন্ট থাকে, কিংবা
অন্য কোন কারনে মাটি কাটতে হয়, সেখানে
পাশের মাটি যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তাই এই ব্যবস্থা
করা হয়। এটার সাথে শেয়ার ওয়ালের তুলনা করা যায়।
এটা প্রি কাস্ট বা কাস্ট ইন সিটু বা টিম্বার পাইল হতে
পারে।
টিম্বার পাইল হলো গাছকে (সাধারণত শাল গাছের
কান্ড) পাইল হিসেবে ব্যবহার করা। এটা ব্যবহার করা
হয় কমতলা বিশিষ্ট ভবনে।

Address


1212

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801911308621

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Shefa Construction & Piling Technology posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Al Shefa Construction & Piling Technology:

  • Want your business to be the top-listed Contractor?

Share