02/08/2026
APN ISMAT solar
গ্যারান্টি সহকারে ৭৮,০০০ সরকারি সাবসিডি ।
আপনাকে পাইয়ে দিয়ে আপনার বাড়িতে সোলার প্যানেল ইনস্টল করে দেব।
বাকি টাকার জন্য রয়েছে সহজ ইএমআই সুবিধা। যে টাকা দিয়ে আজ ইলেকট্রিক বিল দিচ্ছেন, প্রায় সেই টাকাতেই ইএমআই দিতে পারবেন।
মাত্র ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে আপনার সোলার সিস্টেমের খরচ উঠে আসতে পারে। এরপর ২৫ বছর ধরে প্রায় শূন্য বিদ্যুৎ বিলের সুবিধা উপভোগ করুন।
সঙ্গে থাকছে ২৫ থেকে ৩০ বছরের ওয়ারেন্টি।
আর দেরি নয়। বিস্তারিত জানতে এখনই আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে মেসেজ করুন।
*Dear Partner,*
*Greetings from APN Solar !*
*Its pleasure to have u on board as our Distributor Partner we wish you Good Luck and happy to serve you with our services*
*Kindly check the bank details mention below*
Bank Name: AXIS Bank Ltd
Account Name: APN Solar Energy Private Limited
Account Number: 925020008335672
IFSC Code: UTIB0003146
Branch: Kanakia Road, Mira Road (E)
Account Type: Current Account
সোলার প্যানেল। %=
সোলার প্যানেল হচ্ছে দু'রকম হয়।
ডিসিয়ার
নন ডিসিয়ার
ডিসিআর এই প্যানেলের উপর সরকার শুধুমাত্র ভর্তুকি দেয়।
নন ডিসিয়ার
প্যানেল ওপর সরকার কোন ভর্তুকি দেয় না এগুলোর দাম কম এবং এগুলো বাইরের দেশের মাল মনে চায়না জাপান থেকে ইমপোর্ট করতে হয়।
আর আমরা যে প্যানেলগুলি ব্যবহার করব সোলার সেগুলোর নাম টপকন সোলার।
এই সোলার গুলো পানি হোক বা হালকা আলো মেঘলা আকাশ এতেও বিদ্যুৎ তৈরি করবে।
একটি এক কিলোওয়াট এর সোলার প্যানেল প্রতিদিন সাড়ে চার থেকে পাঁচ ইউনিট কারেন্ট তৈরি করবে।
২ কিলো ওয়াটের নয় থেকে দশ মিনিট তিন কিলোওয়াট এর ১৪ থেকে ১৫ ইউনিট কারেন্ট তৈরি করবে প্রতিদিন।
3 কিলোওয়াট এর সোলার প্যানেল প্রতিদিন ১৫ ইউনিট কারেন্ট তৈরি করবে মানে এক মাসে ৪০০ থেকে সাড়ে চারশো ইউনিট।
এই হলো সোলার প্যানেল এর সমস্ত ডিটেলস।
এরপর সোলার প্যানেল যে লাগানো হয় এটা দুটো ভাবে লাগানো হয়। একটা হচ্ছে অনগ্রিড সোলার সিস্টেম আরেকটা হচ্ছে অফ গ্রিড।
অন গিরিট সোলার সিস্টেম প্যানেল,,%=
।
অন গ্রিড সোলার সিস্টেম এর উপর গভমেন্ট ভর্তুকি দেয় পিএম সূর্য ঘর সরকারি এই প্রকল্পটির মাধ্যমে এক কিলোওয়াট সোলারের উপর ৩০ হাজার টাকা সরকার ভর্তুকি দেয়।
২ কিলোওয়াট সোলার এর উপর সরকার ষাট হাজার টাকা ভুতু কি দেয়।
তিন কিলোওয়াট এর উপর সরকার ৭৮ হাজার টাকা ভর্তুকি দেয়।
তিন কিলোওয়াট এর উপরে সরকার কোন ভর্তুকি দেয় না পাবলিকের পর যত খুশি তার লোড অনুযায়ী সোলার প্যানেল বসাতে পারে, পাঁচ কিলো 10 কিলো, এক কিলো।
পিএম সূর্য ঘর অধীনে মানে অনগ্রেড সোলার
কোন কারেন্ট ব্যাকআপ থাকে না কারেন্ট চলে গেলে লাইন চলবে না।
এটা হচ্ছে তোমার ছাদে যে সোলার প্যানেল বসানো হয়েছে এর থেকে তিন কিলোওয়াট এর সোলার প্যানেল থেকেপ্রতিদিন যে ১৫ মিনিট কারেন্ট তৈরি হবে। এটা সরকার কিনে নেবে।
মানে একটি তিন কিলো ওয়াট এর সোলার প্যানেল প্রতি মাসের সাড়ে চারশ ইউনিট কারেন্ট তৈরি করবে যেই কারেন্ট টা আপনি সরকারকে বিক্রি করবেন।
আপনার বাড়িতে ইলেকট্রিসিটি বোর্ড থেকে একটি নেট মিটার বসিয়ে দেবে এই সমস্ত কাগজপত্রের কাজ আমরা করে দেব।
এই মিটার টির নাম হচ্ছে ইমপোর্ট এক্সপোর্ট মিটার।
এই মিটারের মাধ্যমে আপনি কতটা বিদ্যুৎ তৈরি করলেন আপনার ছাদে এবং আপনার বাড়িতে কতটা খরচ হলো? দুটি প্লাস মাইনাস করে আপনার বিল আসবে।
এতে আপনার ইলেকট্রিক খরচ ৯০% গ্যারান্টি সহকারে কমে যাবে।
মাছের শেষে আপনি আপনার বাড়িতে যত কারেন্ট পোড়ালেন এবং আপনি যত কারেন্ট তৈরি করলেন দুটো প্লাস মাইনাস হয়ে আপনার বিল হবে।
আপনার একটা মিনিমাম কারেন্ট বিল আসবে যেমন মিটার রেন্ট।
এই অনগ্রিড সোলার সিস্টেম এর মেন উদ্দেশ্য কারেন্ট বিল কমানো বাড়ির ছাদকে কাজে লাগিয়ে সৌর বিদ্যুৎ তৈরি করা।
আসলে অনগ্রেড সোলার সিস্টেম হচ্ছে একটি পাওয়ার প্লান্ট এর ব্যবসা।
আপনি একবার ইনভেস্ট করে সোলার প্যানেল লাগিয়ে নিলেন তারপর ২৫ থেকে ৩০ বছর কন্টিনিউ আপনি এটা থেকে বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারবেন।
বিক্রি কিভাবে করবেন না আপনার বাড়িতে কারেন্ট বিল আছে সেটা থেকে মাইনাস হয়ে যাবে
সরকার কেন ভর্তুকি দিচ্ছে তার কারণ হচ্ছে জ্বালানি সংকট।
গার্লফ কান্ট্রিতে যে যুদ্ধ হচ্ছে তার জন্য তেলের আমদানির সটেজ কয়লার সটেজ।
এর ফলে আমাদের কারেন্ট উৎপাদনের ব্যাঘাত হচ্ছে, তাই সরকার মানুষকে উৎসাহিত করছে প্রত্যেকের বাড়িতে যাতে সোলার প্যানেল লাগিয়ে বিদ্যুৎ তৈরি করে সারাদেশের বিদ্যুতের ঘাটতি মেটানো যায়।
অফলাইন বা অফ্ গিরিড সোলার সিস্টেম,%
নরমাল সোলার সিস্টেম এর সাথে ইলেকট্রিক অফিসের মিটারের কোন সম্পর্ক থাকবে না আপনি বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল লাগাবেন এবং বাড়িতে একটা ব্যাটারি লাগানো থাকবে আপনার যে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হবে সেটা ব্যাটারিতে ব্যাকআপ হিসেবে জমা থাকবে যখন কারেন্ট চলে যাবে আপনি ব্যাটারি থেকে লাইন চালাতে পারবেন এখানে কোন রকম সরকারি ভর্তুকি দেওয়া হয় না। এটার খরচ অনেকটা বেশি কারণ ব্যাটারি লাগাতে হয় এর মেইনটেনেন্স চার্চ বেশি কারণ প্রতি পাঁচ বছর অন্তর অন্তর ব্যাটারি খারাপ হয়ে যাবে একটি ৫ কিলোওয়াট বা তিন কিলোওয়াট এর ব্যাটারির দাম ৪০ থেকে ৫০ হাজার বা তারও বেশি।
।
আপনি কি জন্য সোলার সিস্টেম আপনার বাড়িতে বসাবেন। %
এর প্রথম যেটা উপকারিতা সেটা হচ্ছে ইলেকট্রিক বিল থেকে মুক্তি আপনি একবার বসিয়ে নিলে ৩০ থেকে ৩৫ বছর আমি ইলেকট্রিক বিল থেকে মুক্তি পাবেন হয়তো আপনার ৫০০০ বিল আসছে সে বিলটা আপনার 500 টাকা আসবে।।
এখন সবকিছু ইলেকট্রিক গ্যাসের দাম বাড়ছে আপনি ইন্ডাকশনে রান্না করতে পারবেন সোলার প্যানেল বসিয়ে।
আপনি গ্যাসের খরচ থেকে মুক্তি পাবেন
এখন গাড়ি সব ইলেকট্রিক আপনি গাড়ি চার্জে দিতে পারবেন।
আর দ্বিতীয়তঃ সরকার এই যে সাবসিডিটি এটি ২০27 ৩১ শে মার্চ অব্দি দেবে তারপর কিন্তু সরকার আর সাবসিটি দেবেনা।
এই ডেটের আগে আগে যারা সরকারি পোর্টালে গিয়ে পিএম সূর্য ঘরে আবেদন করবে তারা তারা এই অনগ্রিড সোলার সিস্টেম এর উপর সরকার যে ভর্তুকি দিচ্ছে সেই ভর্তুকি পাবে.
এগুলো সরকারি প্রকল্প পেতে গেলে প্রথমদিকে যারা এপ্লাই করবে তারা কিন্তু পেয়ে যায় পরে আর পাবেন না.
বর্তমানে মাঠের যে সোলার প্যানেল পাম সাবমারসিবল পাম্প বসানো হতো সেগুলো এখনো চলছে কিন্তু সরকারি ভর্তুকি এখন দিচ্ছে না.
এক কিলো ওয়াট সোলার থেকে আপনি কি কি চালাতে পারবেন।
ছটি পাখা চলবে পার্টি সিএফএল বাল্ব জ্বলবে। যাদের প্রতি মাসে ১০০ ইউনিট বা তিন মাসে 300 ইউনিট অব্দি বিল পুড়ে তাদের বাড়িতে এক কিলোওয়াট যথেষ্ট।
একটি এক কিলোওয়াট এর সোলার প্যানেল প্রতি মাসে ১২০ থেকে ১৩০ মিনিট কারেন্ট তৈরি করবে।
খরচ%
একটি এক কিলোওয়াট অনব্রিড সোলার প্যানেল বসাতে খরচা হবে আশীহাজার টাকা।
এখান থেকে সরকার ভর্তুকি দেবে ৩০ হাজার টাকা মানে আপনার পকেট থেকে লাগবে ৫০০০০ টাকা
এটা হল আপনার অনগ্রিডের খরচ।
এক কিলোওয়াট অফ গ্রিড সোলার প্যানেল মানে ব্যাটারি সমেত এর খরচ পড়বে এক কিলোওয়াটে এক লক্ষ টাকা।
২ কিলোওয়াট সোলার প্যানেল%=
একটি দুই কিলোওয়াট এর সোলার প্যানেল থেকে আপনি পাঁচ থেকে ছয়টি ফ্যান পাঁচ থেকে ছয়টি সিএফএল বাল্ব।
একটি বাড়ির মটর অথবা আপনি ইন্ডাকশন দিনের বেলায় চালাতে পারবেন। দুটো একসাথে চালাবেন না আলাদা আলাদা ভাবে চালাতে হবে একটি চালালে অপরটি অফ রাখতে হবে।
আপনি অন আছে সারাদিন চালাতে পারবেন।
২ কিলোওয়াট সোলার সিস্টেমের খরচ অনগ্রেডে পড়বে এক লাখ চল্লিশ হাজার টাকা।
সরকারি ভর্তুকি ৬০০০০ টাকা।