22/09/2026
পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ এর অধিকতর সংশোধনকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ জারি হয়েছে
যেহেতু সংসদ অধিবেশনে নাই এবং রাষ্ট্রপতির নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইয়াছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে; সেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করিলেন যা-
📚এই অধ্যাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ নামে অভিহিত হইবে। যা ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জারি করা হয়েছে।
অধ্যাদেশে-
"ইকনোমিক অপারেটর" (Economic operator) এবং গত ২০ বছরে ক্রয়ে সুযোগবঞ্চিতদের জন্য "সুযোগবঞ্চিত ব্যক্তি"-এর নতুন সংজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে।
🌿“সুযোগবঞ্চিত ব্যক্তি” অর্থ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ কার্যকর হইবার তারিখের পূর্ববর্তী অনধিক ২০ (বিশ) বৎসরের মধ্যে বৈধ নিবন্ধন বা লাইসেন্স থাকা সত্ত্বেও সরকারি ক্রয় কার্যে অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয় সুযোগ বা অনুকূল পরিবেশের অভাবে কোনো সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারে নাই অথবা অংশগ্রহণ করে নাই এমন কোনো ব্যক্তি;”🤏
দেশীয় শিল্পের বিকাশ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্যকে সরকারি ক্রয়ে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিধান যুক্ত হয়েছে (ধারা ২৫ক)। এছাড়া, নতুন, ক্ষুদ্র ও নারী দরপত্রদাতাদের জন্য যোগ্যতার শর্ত শিথিল করার সুযোগ রাখা হয়েছে।
বিদেশি দরদাতাদের ক্ষেত্রে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথ উদ্যোগ বা জয়েন্ট ভেঞ্চার গঠন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
🧲 All OTM is Now 📩OSTETM সকল উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির পরিবর্তে একধাপ দুই খাম পদ্ধতি চালু হইল। অর্থাৎ উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে (OTM) এখন OSTETM পদ্ধতির মতো কারিগরি ও আর্থিক প্রস্তাব আলাদাভাবে দাখিল করতে হবে এবং কারিগরি মূল্যায়নে উত্তীর্ণদেরই আর্থিক প্রস্তাব উন্মুক্ত করা হবে। বিশেষ ক্ষেত্রে দেশীয় ক্ষুদ্র শিল্প ও সুযোগবঞ্চিতদের জন্য সীমিত দরপত্র পদ্ধতি (LTM) প্রয়োগের বিধান আনা হয়েছে।
চুক্তি ব্যবস্থাপনায় অবহেলা বা ব্যর্থতার জন্য ক্রয়কারী ও প্রকল্প ব্যবস্থাপকদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।
দুর্নীতি, প্রতারণা, জবরদস্তি বা কার্য সম্পাদনে ব্যর্থ হলে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়ে নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য সরকারি ক্রয়কার্যে অযোগ্য ঘোষণার বিধান যুক্ত হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজন বা বিপর্যয়ের সময় অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সুপারিশক্রমে বিকল্প ক্রয় ব্যবস্থা (Alternative Procurement Arrangement) বা সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অনুসরণের ক্ষমতা সরকারকে দেওয়া হয়েছে।
অধ্যাদেশের কিছু চুম্বক অংশের ছবি প্রকাশ করা হলো।