Engineering Infrastructure & Developments Limited

Engineering Infrastructure & Developments Limited Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Engineering Infrastructure & Developments Limited, Tangail.
(1)

Project Management (Primavera P6 & MS Project Specialist)
Design Solution (Architectural & Structural)
Dredging Solution
Digital Survey Consultants
Soil & Foundation Consultants
Equipment Supply Services
Export & Import Services
Computer Training Services

02/10/2023

রডের কাজ অনুসারে ল্যাপিং
#কমপ্রেশন জোন
কলাম : ৪০ D
শেয়ার ওয়াল : ৪০ D
লিফ্ট ওয়াল : ৪০ D
#টেনশন জোন
বীম : ৬০ D
স্ল্যাব : ৬০ D
*কলামে সাধারনত ১৬, ২০, ২২, ২৫, ৩২ মিমি রড ব্যবহার হয়ে থাকে
*তাহলে কলামে ল্যাপিং
*১৬ মিমি = ৪০x১৬ = ৬৪০ মিমি ২'-২"
*২০ মিমি = ৪০x২০ = ৮০০ মিমি ২'-৮"
*২২ মিমি = ৪০x২২ = ৮৮০ মিমি ৩'-০"
*২৫ মিমি = ৪০x২৫ = ১০০০ মিমি ৩'-৪"
*৩২ মিমি = ৪০x৩২ = ১২৮০ মিমি ৪'-৩"
**বীমে সাধারনত ১৬, ২০, ২২, ২৫ মিমি রড ব্যবহার হয়ে থাকে
তা হলে বীমের ল্যাপিং
১৬ মিমি = ৬০x১৬ = ৯৬০ মিমি ৩'-২"
২০ মিমি = ৬০x২০ = ১২০০ মিমি ৪'-০"
২২ মিমি = ৬০x২২ = ১৩২০ মিমি ৪'-৫"
২৫ মিমি = ৬০x২৫ = ১৫০০ মিমি ৫'-০"
*স্ল্যাবে সাধারন্ত ১০, ১২, মিমি রড ব্যবহার হয়ে থাকে
*তা হলে স্ল্যাবের ল্যাপিং
*১০ মিমি = ৬০x১০ = ৬০০ মিমি ২'-০"
*১২ মিমি = ৬০x১২ = ৭২০ মিমি ২'-৫"

কলাম কিকার কি   ?--------------------------------------------- #কিকারঃ ফুটিং,স্ল্যাব ও বিমের উপর একটি কলাম রেডি করার পূর...
24/07/2023

কলাম কিকার কি ?
---------------------------------------------
#কিকারঃ ফুটিং,স্ল্যাব ও বিমের উপর একটি কলাম রেডি করার পূর্বে তার নিচে স্বল্প উচ্চতার যে কলামটি ঢালাই করা হয়,তাকে কিকার বলে।

>> মূলত কলাম এর পজিশন,এলাইনমেন্ট,ফর্মওয়ার্ক ঠিক রাখার জন্য কিকার তৈরি করা হয়।
>> কাঠ/স্টিলের সাটারের সাথে ফর্মওয়ার্ক তৈরী করা হয়।

>> কিকারের উচ্চতা 3"-4" হয়।তবে স্টিল সাটার ব্যবহার করলে 6"-9" পর্যন্ত উচ্চতার কিকার তৈরী করা যায়।

>> সাটার লাগানের পূর্বে কলামের মূল রড,টাই ও ভিতরের সকল ময়লা স্টিল ব্রাস ও ফোর্স ওয়াটার দিয়ে পরিস্কার করে নিতে হবে।

>> কিকার তৈরীর স্থানে কোন অবস্থাতেই পানি থাকবে না।

>> কলামের পজিসন ও এলাইনমেন্ট ঠিক রাখার জন্য পূর্ববর্তি ছাদ/বিমের কাষ্টিং এর পূর্বেই যদি কলামের মূল রডগুলোকে ভার্টিক্যাল রেখে পর্যাপ্ত পরিমানে টাই পরিয়ে নেয়া যায়,তবে clear cover সঠিক রাখতে সুবিধা হবে।

>> সাটার পরিস্কার করে সাটারটি 2:1 Ratio ফলো করে ডিজেল:লুব্রিক্যান্ট অয়েল মিশ্রণ দিয়ে মুছে নিতে হবে।এই প্রলেপটি যেনো পুরু না হয়।কারন,তাতে কংক্রিটের গুণগত মাণ নষ্ট হতে পারে।

>> সাটারের সাইটগুলোকে লিকপ্রূফ করতে জুট টেপ ও ফোম ব্যবহার করা হয়।এবং খেয়াল রাখতে হবে যেন, এর Axis ঘুরে না যায়।

>> সাটার স্থাপন হয়ে গেলে Project/Site Engineer দ্বারা অবশ্যই অবশ্যই চেক করতে হবে যেঃ সাটারটি সুদৃঢ় ও ক্লিয়ার কভার ঠিক আছে কি না।

>> সাটার ঠিক রাখার জন্য GI তার & CC Block ব্যবহার করা হয়।

20/07/2023
13/07/2023
সিভিল ও আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্টের নতুন ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য A to Z Cad Solutions নিয়ে এলো প্রফেশনাল অটোক্যাড প্রি-রেকর্...
12/07/2023

সিভিল ও আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্টের নতুন ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য A to Z Cad Solutions নিয়ে এলো প্রফেশনাল অটোক্যাড প্রি-রেকর্ডেড মাস্টার কোর্স।

কোর্সটি নিতে চাইলে ইনবক্স করুন।।

আপনি বাড়ি করবেন, নির্মান মালামালের হিসাব  আপনি নিজেই বের করুন সহজে।১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং...
11/06/2023

আপনি বাড়ি করবেন, নির্মান মালামালের হিসাব আপনি নিজেই বের করুন সহজে।

১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি

তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি

আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি

সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭

সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি
= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)

বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি

খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)

রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি
= ২.০৮২ টন

আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে

৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ১২০+১
= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৩০ ফিট

৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৭২+১
= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৫০ ফিট

মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট
=৭২৮০ ফিট

রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)

মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি
= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি
= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)
সবাইকে ধন্যবাদ।
এই রকম আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে পেইজে ফলো দিয়ে রাখতে পারেন। আশা করি আপনার উপকারে আসবে।

✅✅Static axial compressive pile load test : (শেয়ার করুন)পাইল ড্রাইভ করার পর পাইল তার ডিজাইন অনুযায়ী লোড বহনে সক্ষম কিনা ...
10/06/2023

✅✅Static axial compressive pile load test : (শেয়ার করুন)

পাইল ড্রাইভ করার পর পাইল তার ডিজাইন অনুযায়ী লোড বহনে সক্ষম কিনা তা জানার জন্য স্ট্যাটিক এ্যক্সিয়াল কম্প্রেসিভ পাইল লোড টেস্ট করা হয়।
ধরুন পাইলের সাইজ ১৬" * ১৬"।
বিবরণ ঃ

১। পাইল ড্রাইভ করার পর পাইলের উপর থেকে ১ ফিট পর্যন্ত ভেঙে নতুন করে মাথা লেভেল করে ঢালাই করুন।
২। এবার পাইলের উপর হাইড্রলিক জ্যাক বসান।
৩। চিত্র অনুযায়ী জ্যাকের উপরে আই জয়েস্টের মাধ্যমে প্লাটফর্ম তৈরি করুন এবং বালুর বস্তা দিয়ে লোড চাপান।
৪। পাইলের যে পরিমাণ লোড বহন করার কথা তার ৩ গুন লোড বালির বস্তার মাধ্যমে দেন।
৫। ধরুন পাইলকে 700 KN লোড বহন করতে হবে তাহলে 2100 KN লোড দেন অর্থ্যাত ২১৪ টন লোড দেন।
৬। এবার জ্যাকের দুইপাশে ম্যাগনেট বসানোর জন্য স্টিল চ্যানেল দিয়ে ম্যাগনেটিক বেজ রেডি করুন।
৭। ম্যাগনেটিক বেজ দুটি অবস্যই ওয়াটার লেভেলে থাকবে।
৮। এবার ম্যাগনেট দুইটির সাথে দুইটি ডায়াল গেজ যুক্ত করুন।( ডায়াল গেজের সাহায্যে পাইলের বসনের পরিমাণ জানা যায়)
৯। এবার যে মেশিন দিয়ে হাওয়া দিয়ে হাইড্রলিক জ্যাক উঠা নামান করা হবে সেই পাম্প দেওয়া মেশিনের সাথে প্রেসার গেজ লাগান।
১০। প্রেসার গেজের সাহায্যে কি পরিমান প্রেসার আপনি পাইলে দিচ্ছেন এবং এই প্রেসারে কি পরিমান লোড পাইলে পড়ছে তা জানা যায়।
১১। এবার প্রেসার গেজের সাহায্যে ডিজাইন লোডের ২৫% লোড দিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন এবং ১০ মিনিট পর পর পাইলের কি পরিমাণ বসন হচ্ছে তা ডায়াল গেজ দিয়ে দেখে লিপিবদ্ধ করুন।
১২। ৩০ মিনিট পর আবার ডিজাইন লোডের ৫০% লোড দিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন এবং ১০ মিনিট পর পর রিডিং নিন।
১৩। ৩০ মিনিট পর এবার ৭৫% লোড দিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন।
১৪। ৩০ মিনিট পর এবার ডিজাইন লোডের ১০০% লোড দিন এবং ১ ঘণ্টা রাখুন এবং ১০ মিনিট পর পর রিডিং নিন।
১৫। ১ ঘণ্টা পর এবার লোড কমাতে হবে, মানে
পুনরায় ৭৫% লোড ৩০ মিনিট, ৫০% লোড ৩০ মিনিট, ২৫% লোড ৩০ মিনিট, ০% লোডে ৩০ মিনিট রেখে ১০ মিনিট পরপর রিডিং নিতে হবে।
১৬। লোড বারানোর ফলে পাইলের বসন হবে। যেমনঃ ২,২.৫,৩....৬ মিলি।
ঠিক তেমনি লোড কমাতে থাকলে মাটির ইলাস্টিসিটি গুনের কারনে পাইল পুনরায় উপরের দিকে উঠে আসবে।যেমনঃ ৬,৫....৩ মিলি।
১৭। এবার আবার লোড বারান,আবার ৫০%, ১০০%, ১২৫%, ১৫০%, ১৭৫%,২০০%, ২২৫% লোড দিয়ে যথাক্রমে ৩০ মিনিট করে রাখুন এবং ১০ মিনিট পরপর রিডিং নিয়ে তা লিপিবদ্ধ করুন।
১৮। এবার ডিজাইন লোডের ২৫০% লোড দিন এবং ১২ ঘণ্টা এই লোডে রাখুন। এই ১২ ঘন্টার ২ ঘন্টা ১০ মিনিট পর পর রিডিং নিবেন এবং বাকি ১০ ঘন্টা ৬০ মিনিট পরপর রিডিং নিন।
১৯। ১২ ঘন্টা অতিবাহিত হওয়ার পর পুনরায় লোড রিলিজ করুন।অর্থ্যাত,
১৭৫%, ১৫০%, ১২৫%, ১০০%, ৫০% লোডে ৩০ মিনিট করে রাখুন এবং ১০ মিনিট পরপর পাঠ নিন।
২০। এবার ০% লোডে ২ ঘন্টা রাখুন এবং ১০ মিনিট পরপর রিডিং নিন।

ফলাফলঃ এই পরীক্ষায় প্রাপ্ত রিডিং থেকে আমরা জানতে পারব আমাদের পাইল নিরাপদ আছে কিনা।
তবে ২৫০% লোডে পাইলের বসন ২০ মিলি পর্যন্ত গ্রহণীয় এবং ০% লোডে মাটির ইলাস্টিসিটির জন্য পাইলের পুনরায় ৩ মিলি এর জায়গায় ফিরে আসা গ্রহণীয়।

ভুল হলে জানিয়ে সংশোধন করার এবং আরো জানলে জানার সুযোগ দিন।

মোঃ মারুফুল ইসলাম।
ইইডি- ২০১৮ ব্যাচ।

✅✅✅অথবাঃ

.
.
#পাইল_লোড_টেস্ট।।

যে কোন ফাউন্ডেশন ডিজাইন করার সময় দুইটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হয়। ১। ফাউন্ডেশনের ভারবহন ক্ষমতা, ২। লোড চাপানোর পর ফাউন্ডেশনের সেটেলমেন্ট।

পাইল যখন ডিজাইন করা হয় তখন, কত লোডের বিপরীতে কত সেটেলমেন্ট হতে পারবে তা নির্ধারন করে দেওয়া হয়। এই দুটি বিষয় পরীক্ষা করার জন্যই পাইল লোড টেস্ট করা হয়।

পাইলের ডিজাইন ক্যাপাসিটি পরীক্ষা করার জন্য সাইটে একটি টেস্ট পাইল করা হয়। টেস্ট পাইলটির লোড টেস্ট করে দেখা হয় পাইলটি প্রয়োজনীয় ভারবহনে সক্ষম কিনা। প্রথমে এস্টিমেটেট লোড অনুযায়ী সয়েল টেস্টের রিপোর্ট অনুযায়ী পাইল ডিজাইন করা হয়। তারপর সেই ডিজাইন অনুযায়ী টেস্ট পাইল করে লোড টেস্ট করা হয়। ফলাফল অনুযায়ী ডিজাইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হয়।

আমাদের দেশে এ্যাংকর পদ্ধতি বহুল প্রচলিত তাই এই পদ্ধতি নিয়েই আলোচনা করি। যদিও এই পদ্ধতিটি দীর্ঘ্য সময় ব্যাপি।

প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি/মালামাল : বিয়ারিং প্লেট, হাইড্রলিক জ্যাক, রকার বা মাস্টার বীম, প্রাইমারী বা মেইন বীম বা লোড বীম, সেকেন্ডারি বীম, রেফারেন্স বীম, ডায়াল গেজ, হাইড্রলিক পাম্প, প্রেসার গেজ,ক্রীব ওয়াল, বালির বস্তা (চাপানো লোড)।

পদ্ধতি : প্রয়োজনীয় পরিমান মাটি খনন করে পাইলের মাথা বের করে পরিষ্কার করতে হবে। তারপর পাইলের মাথাটি সমতল করে বিয়ারিং প্লেট বসাতে হবে। বিয়ারিং প্লেটের উপর হাইড্রলিক জ্যাক স্থাপন করতে হবে।হাইড্রলিক জ্যাকের উপর রকার বসিয়ে তার উপর লোড বীম স্থাপন করতে হবে। লোড বীমের সাথে আড়াআড়ি ভাবে সেকেন্ডারি বীম বসিয়ে তার উপর সীট স্থাপন করে বালির বস্তা (লোড) চাপাতে হবে।
লোড বীম ও প্রাইমারী বীম গুলো প্রাথমিক ভাবে ক্রীব ওয়ালের উপর অবস্থান করে। ক্রীব ওয়াল সাধারনত ইটের গাঁথুনীর হয়, বালির বস্তা দিয়েও করা হয়ে থাকে।
পাইলের সেটেলমেন্ট পরিমাপ করার জন্য রেফারেন্স বীম ও হাইড্রলিক জ্যাকের সাথে ডায়ালগেজ স্থাপন করা হয় (অধিক সূক্ষ্ম পরিমাপের জন্য দুই পাশে দুইটি) । লক্ষ্য রাখতে হবে টেস্ট শুরু হওয়ার পর কোন ভাবেই রেফারেন্স বীম নড়াচড়া করা যাবে না। সকল সেটআপ শেষে হাইড্রলিক পাম্প দিয়ে পাম্প করে হাইড্রলিক জ্যাকের মাধ্যমে পাইলের উপর ধাপে ধাপে (০%, ২৫%, ৫০%, ৭৫%, ১০০%) লোড প্রয়োগ করা হয়। প্রত্যেকবার লোড প্রয়োগের পর ১০মিনিট পরপর (পরপর দুই রিডিং-এর মান কাছাকাছি হলে পরবর্তী লোড প্রয়োগ করতে হয়) সেটেলমেন্ট পরিমাপের জন্য ডায়াল গেজের রিডিং নেওয়া হয়। ১০০% লোড দেওয়ার পর প্রাপ্ত সেটেলমেন্ট হলো গ্রস সেটেলমেন্ট। তারপর ধাপে ধাপে আন-লোডিং করতে হয় এবং একই ভাবে সেটেলমেন্টের রিডিং নেওয়া হয়। লোডের পরিমান ০ (শূন্য) কারার পর স্থায়ীভাবে যে সেটেলমেন্ট পাওয়া যায় তাই নেট সেটেলমেন্ট। আবার লোডিং শুরু করতে হয়। সাধারনত এভাবে ডিজাইন লোডের ১৫০% থেকে ২০০% পর্যন্ত লোড প্রয়োগ করা হয়।
লোড প্রয়োগের পর যদি চাহিদা অনুরুপ ফলাফল না পাওয়া যায় তবে ডিজাইন সংশোধন করা হয়।

বি:দ্র: ছবিগুলো দেখা জরুরী।

আজকের বিষয় কিউরিং বা পানি ছিটানো।।কিউরিং একটি ইংরেজি শব্দ এর বাংলা শাব্দিক অর্থ হল পানি খাওয়ানো অর্থাৎ এটি একটি পদ্ধতি এ...
06/06/2023

আজকের বিষয় কিউরিং বা পানি ছিটানো।।

কিউরিং একটি ইংরেজি শব্দ এর বাংলা শাব্দিক অর্থ হল পানি খাওয়ানো অর্থাৎ এটি একটি পদ্ধতি এর মাধ্যমে নতুন কংক্রিট পৃষ্ঠে পানির আদ্রতা বজায় রাখা হয়। কিউরিং যদি ভালো না হয় তাহলে কংক্রিট পূর্ণ শক্তি অর্জন করতে পারে না এবং ঢালাই এ ফাটল সৃষ্টি হয়। গাথুনী এবং প্লাস্টার প্রয়োজনীয় শক্তি অর্জন করতে না পারলে দুর্বল গাথুনী হয় এবং প্লাস্টার জ্বরে পড়ে।। অন্যথায় কিউরিং যদি ভালো হয় তবে কংক্রিট পূর্ণ মাত্রায় শক্তি অর্জন করে , স্থাপনার স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পায়, ফাটল হয় না এবং প্রতিকুল আবহাওয়ায় স্থাপনা টিকে থাকার শক্তি অর্জন করে।

কিউরিং এর পদ্ধতি সমুহঃ
১। ছায়া পদ্ধতি

এই পদ্ধতিতে কংক্রিট পৃষ্ঠকে সরাসরি সূর্যের তাপ থেকে ডেকে রাখা হয় যাতে করে কংক্রিট এর মধ্যে থাকা পানি গুলো সূর্যের তাপে উড়ে না যায়।

২। ছালা বস্তা আচ্ছাদন পদ্ধতিঃ

এই পদ্ধতিতে কংক্রিটের উলম্ভ মেম্বার যেমন কলাম/পিলার কে ছালার বস্তা দ্বারা আচ্ছাদিত করা করা হয়। এই পদ্ধতিতে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যেন ছালার আচ্ছাদন না শুকিয়ে যায় সেই জন্য কিছু সময় পর পর পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখতে হয়।

৩। পানি ছিটানো পদ্ধতিঃ

এই পদ্ধতিতে প্রচুর পরিমাণ পানি দরকার হয়। নিদিষ্ট সময় পর পর পাম্পের সাহায্যে পানি ছিটিয়ে দেওয়া হয়।

৪। পুকুর তৈরি পদ্ধতি ঃ

আনুভুমিক মেম্বার যেমন ফ্লোর, ছাদ, রোড এর জন্য এই পদ্ধতিটি খুব উপযোগী । এই পদ্ধতিতে পুকুরের মত ঘের তৈরি করা হয় যাতে সব সময় পানি ধরে রাখা যায়। কিউরিং এর নিদিষ্ট সময় পর্যন্ত এই ঘের রাখা হয়।

৫। মেমব্রেন /ঝিল্লি /পর্দা কিউরিং পদ্ধতিঃ

মেমব্রেন কিউরিং পদ্ধতিতে কংক্রিট এর স্তরকে আচ্ছাদিত করা হয় পানি রোধী একটি পর্দা দিয়ে যা এক সপ্তাহের জন্য রাখা হয়। এই মেমব্রেন টি কংক্রিট থেকে পানি উবে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।

মোম ইমালসন , বিতুমেন ইমালসন, বিতুমেন এর পানি রোধী পেপার, এবং পলিথিন হচ্ছে কমন কিছু মেমব্রেন মেম্বার।

কতো দিন কিউরিং করবেন আপনার বাড়িতেঃ-
১/ ছাদ ঢালাইর ২৪ ঘন্টা পর থেকে ঢালা পানি দিয়ে রাখবেন ১৪ থেকে ২১ দিন পর্যন্ত।
১/ ইটের গাথুনী এবং প্লাস্টার করার ২৪ ঘন্টা পর থেকে ৭ থেকে ১০ দিন পানি ছিটাবেন। প্রতি দিন ২থেকে ৩ বার করে পানি ছিটাবেন।

এই ধরনের আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে পেইজে ফলো দিয়ে রাখতে পারেন। আশা করি উপকারে আসবে আপনাদের।

সাটারিং এর পরিমাণ নির্নয় করুন সহজেই। ----------------টাইমলাইনে রাখুন----------------সাটারিং  কি------------------------...
06/06/2023

সাটারিং এর পরিমাণ নির্নয় করুন সহজেই।
----------------টাইমলাইনে রাখুন----------------
সাটারিং কি
-------------------------
শাটারিং হচ্ছে একটা বিল্ডিং এর বিভিন্ন অংশ কন্সট্রাকশন করার জন্যে নির্মিত অস্থায়ী স্ট্রাকচার।যখন কনক্রিট পরিমিত স্ট্রেন্থ পায় তখন শাটারিং খুলে ফেলা হয় ।
শাটারিং করার জন্য নিম্নোক্ত ম্যাটেরিয়ালগুলো ব্যবহার করা হয়।
-
Plywood (সাটারিং প্লেট হিসেবে )
Nails
wooden battens,
beam bottom plates,
shuttering oil etc.
সাটারিং এর পরিমান নির্নয়
----------------------------------------

একটি স্ল্যাব এর জন্যে শাটারিং এর পরিমান নির্নয়

শাটারিং এর ধরন – কাঠের শাটারিং

ধরি,
স্ল্যাবের লেন্থ = 50 feet.
স্ল্যাবের প্রস্থ = 30 feet.

টোটাল এরিয়া = Length x Width
= 50 feet x 30 feet.
= 1500 sft.

সাটারিং দরকার
-----------------------------------
১। Plywood:
প্লাই-উডের সাধারন সাইজ= 8’x4′ ও থিকনেস= 12 mm.

প্লাই-উড দরকার = এরিয়া x 0.02 (Thumb rule)
= 1500 x 0.02 = 30 no’s

২.কাঠের কাঠামো

কাঠের কাঠামো সাইজ= 3″x3″

কাঠের কাঠামো দরকার = Covered area x Thumb rule = 1500 x 0.04 = 600 rft

৩. Nails ( তার-কাটা/পেরেক )

তার-কাটা/পেরেক দরকার= এরিয়া x 0.02 = 1500 x 0.02 = 30 kg.

৪। বিম এর নিচের কাঠামো

বিম এর নিচের কাঠামোর থিকনেস= 1.5″

বিম এর নিচের কাঠামোর দরকার= এরিয়াx 0.24 = 1500 x 0.24 = 360 rft.

৫. কাঠের গুড়ি বা বাশ

বিম এর জন্য কাঠের গুড়ি বা বাশ দরকার = বিম এর নিচের কাঠামো এরিয়া x 0.5

= 360 x 0.5 = 180 no’s

ছাদ এর জন্য কাঠের গুড়ি বা বাশ দরকার = ছাদ এর নিচের কাঠামো এরিয়া x 0.16
= 1500 x 0.16 =240 no’s

৬. ক্ল্যাম্প :

ক্ল্যাম্প দরকার = এরিয়া x 0.08
=1500 x 0.08 = 120 no’s

৭। তেল

সাটারিং এর তেল = এরিয়া x 0.006 = 1500 x 0.006 = 9 liters

শেয়ার করে পাশে থাকুন।
টাইমলাইনে রাখেন কাজে লাগবে❤️❤️

BNBC 2020 তে খুব ক্লিয়ার করে বিল্ডিং এর ক্লাসিফিকেশন করা আছে এবং বিল্ডিং ডিজাইন সাইন করার জন্য কত বছরের অভিজ্ঞ আর্কিটেক্...
31/05/2023

BNBC 2020 তে খুব ক্লিয়ার করে বিল্ডিং এর ক্লাসিফিকেশন করা আছে এবং বিল্ডিং ডিজাইন সাইন করার জন্য কত বছরের অভিজ্ঞ আর্কিটেক্ট ও প্রকৌশলী বা সার্ভেয়ায় বা সয়েল টেস্ট করার জন্য কত তলা বিল্ডিং এ কত বছরের অভিজ্ঞ প্রকৌশলী থাকতে হবে সবই দেওয়া আছে টেবিল নং ২.৩.৩ এবং ২.৩.৪ এ।

Building Category 1 : দুই তলা পর্যন্ত যেসব বিল্ডিং সিটি করপোরেশন, পৌরসভা আওতাধীন নয় । সোজা বলতে গেলে গ্রামে , যেটা এখন পর্যন্ত চেয়ারম্যানের অনুমতি লাগতে পারে কোন ক্ষেত্রে কিছুই লাগে না । ( 2700 স্কয়ার ফিট) এক্ষেত্রে ইঞ্জিনিয়ার , আর্কিটেক্ট কারোর ই তেমন অভিজ্ঞতা লাগে না । ডিগ্রি থাকলেই সাইন করতে পারবে ।

Building Category 2: পাচঁ তলা পর্যন্ত ( সর্বোচ্চ ১০,০০০ স্কয়ার ফিট) , এটা গ্রাম , শহর যে কোন জায়গায় হতে পারে । ডিপ্লোমা আর্কিটেক্ট যদি আর্কিটেচারাল ডিজাইনে সাইন করতে চায় তবে তার -০৫ বছরের অভিজ্ঞতা লাগবে । স্ট্রাকচারাল ডিজাইনে সাইন করতে বি এসসি ডিগ্রিধারী স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারের ২ বছর অভিজ্ঞতা থাকতে হবে ।

Building Category 3: ১০ তলা পর্যন্ত । এক্ষেত্রে সয়েল টেস্ট, সার্ভে থেকে শুরু আর্কিটেকচারাল ও স্ট্রাকচারাল ডিজাইন সুপার ভিশন সব কিছুতেই প্রফেশনালদের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে টেবিল ২.৩.৪ অনুযায়ী । স্ট্রাকচারাল ডিজাইনের জন্য ইঞ্জিনিয়ারের নুন্যতম ০৪ বছর এই কাজে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে । ডিপ্লোমা আর্কিটেক্টরা এ ধরনের ডিজাইন সাইন করার সুযোগ নেই । আর্কিটেকচারে ব্যাচেলর ডিগ্রি ধারীরা ২ বছর অভিজ্ঞ হলে সাইন করতে পারবে।

Building Category -04 : ১০ তলার উপরে যে কোন উচ্চাতার বিল্ডিং । স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার , আর্কিটেক্ট বা অন্যান্য সকল প্রফেশনের অবশ্যই নুন্যতম ০৮ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে ।

বি:দ্র:
1. এখানে Diploma Architect এবং Diploma Engineer বলতে যার Diploma In Architecture/Engineering ডিগ্রি থাকবে যে কোন পলিটেকনিক থেকে এবং যিনি অবশ্যই ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের প্রফেশনাল প্রতিষ্ঠান IDEB একজন মেম্বার ।
2. Engineer বলতে ইঞ্জিনিয়ারিং এ ব্যাচেলর ডিগ্রি আছে সাথে তিনি অবশ্যই প্রকৌশলীদের প্রফেশনাল প্রফেশনাল প্রতিষ্ঠান IEB এর একজন মেম্বার ।
3. Architect বলতে যার আর্কিটেকচার থেকে ব্যচেলর ডিগ্রি আছে এবং আর্কিটেক্টদের প্রফেশনাল প্রতিষ্ঠান IAB এর মেম্বার ।
4. Planner বলতে যার প্লানিং এর উপর ব্যাচেলর বা পোস্টগ্রেড ডিগ্রি আছে এবং তিনি প্লানারদের প্রফেশনাল প্রতিষ্ঠান BIP এর মেম্বার ।
5. Plumbing Engineer বলতে ( সিভিল / মেকানিক্যাল ) ইঞ্জিনিয়ার হতে পারেন যার এই সেক্টরে অভিজ্ঞতা আছে
6. Construction Supervisor : বলতে ডিপ্লোমা আর্কিটেক্ট বা ইঞ্জিনিয়ার যার কনস্ট্রাকশন সুপারভিশনে অভিজ্ঞতা আছে

আরও বিস্তারিত জানতে নিচে দেওয়া ছকগুলো দেখুন ।

এটা সবারই উচিত ডেস্ক এর কাছে প্রিন্ট করে লাগিয়ে রাখা ।

Address

Tangail
1900

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Engineering Infrastructure & Developments Limited posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Engineering Infrastructure & Developments Limited:

Share