BRUR

BRUR Begum Rokeya University, Rangpur, starting its journey on 12 October, 2008
Mailing Address:
[email protected]

Begum Rokeya University, Rangpur named after a legendary woman scholar Begum Rokeya who pioneered and promoted female education in Indo-Pak-Bangla subcontinent, is located in the city of Rangpur, in the north east zone of Bangladesh. With its so-called connotations of impoverishment, deprivation and poverty, Rangpur is a culturally vibrant place – an excellent center of arts, culture and education

. It prides itself on its rich heritage of numerous contributions and achievements of many scholars, poets, novelists, social and political thinkers and philanthropists. Here are a good number of age-old educational institutions and cultural organizations. The construction of Begum Rokeya University, Rangpur is still continuing in its own campus on the outskirts of Rangpur in the south. Rangpur, a peaceful and tranquil town, is just a 6 hours’ drive from the bustling, crowded city of Dhaka. However, it has good transportation facilities – train, bus and airlines. It is easily accessible because of its interconnecting transportation routes and linkages between all the districts of the country. Since 1947, a university in this region has been a long cherished dream. A popular demand for a kind of university which can reach out to a large number of students desiring higher education in this vast region has always been intensely felt but has never been fulfilled. Fortunately, on October 12, 2008 Begum Rokeya University, Rangpur (initially named as Rangpur University) was founded and started its academic activities from the session 2008 – 2009, following the semester system. Each academic year consists of 2 semesters (one semester lasting for 6 months including holidays and vacations). At the beginning of the university, about 18000 (eighteen thousand) students from different parts of Bangladesh contested for only 300 seats in the first admission test of this university. These three hundred students were enrolled into 6 departments under 2 faculties – Bangla, English, Economics and Business Administration under the Faculty of Arts and Social Science; and Mathematics and Computer Science and Engineering under the Faculty of Science and Engineering


Begum Rokeya University, Rangpur has a good faculty of lecturers, assistant professors, associate professors and professors who were educated and earned their degrees at home and abroad. In the process of its expansion, the University is still recruiting more teachers and officials. With the patronage of the local philanthropists, Begum Rokeya Scholarlship Foundation has been formed for the talented students. Within a very short time, Begum Rokeya University has successfully organized different events and programs – Bangla New Year, Rabindra-Nazrul Birth Anniversary, Inter-Department Debate and Football Competitions, National Mourning Day and so on. The university hopes to go a long way to meet the needs for quality education, and to be an excellent center for research and other social activities.

21/08/2026

নবনির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বেরোবির মাননীয় আচার্যকে অভিনন্দন।

নবনির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বেরোবির মাননীয় আচার্যকে অভিনন্দন।
21/08/2026

নবনির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বেরোবির মাননীয় আচার্যকে অভিনন্দন।

 #বেরোবির_শহীদ_আবু_সাঈদ_গেট_রাত_১০টা_পর্যন্ত_খোলা_রাখা এবং  #ক্যাম্পাসের_নষ্ট_লাইট_মেরামত_করার_জন্য_স্মারকলিপি_প্রদানবেগ...
20/08/2026

#বেরোবির_শহীদ_আবু_সাঈদ_গেট_রাত_১০টা_পর্যন্ত_খোলা_রাখা
এবং
#ক্যাম্পাসের_নষ্ট_লাইট_মেরামত_করার_জন্য_স্মারকলিপি_প্রদান

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরের (বেরোবি) শহীদ আবু সাঈদ গেট রাত ৮টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা এবং ক্যাম্পাসের নষ্ট লাইটগুলো দ্রুত মেরামতের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। বেরোবি ছাত্রদল নেতা সজিব ও সামিউলের নেতৃত্বে এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। বুধবার (২০ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কাছে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এ স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আবু সাঈদ গেট প্রতিদিন রাত ৮টায় বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে সংলগ্ন সরদার পাড়া ও আশপাশের এলাকার শিক্ষার্থীদের চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে রাতে লাইব্রেরি, ল্যাব ও একাডেমিক কার্যক্রম শেষে শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস থেকে বের হতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন সড়কের অনেক লাইট দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট থাকায় রাতে ক্যাম্পাসে অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি দুর্ঘটনার আশঙ্কাও তৈরি হচ্ছে বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।

শিক্ষার্থীরা শহীদ আবু সাঈদ গেট রাত ৮টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা এবং ক্যাম্পাসের নষ্ট হয়ে থাকা লাইটগুলো দ্রুত মেরামত করে রাতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, শিক্ষার্থীদের চলাচলের সুবিধা, নিরাপত্তা এবং স্বাভাবিক একাডেমিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা জরুরি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

২৫৫ ভোট পেয়ে ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
20/08/2026

২৫৫ ভোট পেয়ে ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

 ্তৃপক্ষ_কি_আদৌ_শিক্ষার্থ_বান্ধব_প্রশ্ন_বেরোবি_শিক্ষার্থীরশহীদ ফেলানী হল, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়,রংপুর।  মেয়েদের এ...
20/08/2026

্তৃপক্ষ_কি_আদৌ_শিক্ষার্থ_বান্ধব_প্রশ্ন_বেরোবি_শিক্ষার্থীর

শহীদ ফেলানী হল, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়,রংপুর। মেয়েদের এই হল টা নিয়ে বরাবরই প্রশাসনের অবহেলা। হল কর্তৃপক্ষ কি আদৌ শিক্ষার্থী বান্ধব পরিকল্পনা করে? বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালীন এই হলটিতে প্রায় ৫০০+ শিক্ষার্থীর আবাসন ব্যবস্থা করা হয়েছে। অথচ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা করার একমাত্র রিডিং রুমে মাত্র ১২-১৫ জন শিক্ষার্থী বসতে পারে। এতোটা বছর পার হলেও এটা নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এই বছরের গত মে মাসে মেয়েরা আন্দোলনে নামলে প্রশাসন বিষয়টা নিয়ে অবগত হয় এবং রিডিং রুমের কাজ শুরু করে। যেটা এখনো সম্পূর্ণ হয়নি।

এর মধ্যেই হল কর্তৃপক্ষ কিছু রুমে টাইলস বসানোর কাজ শুরু করেছে। নিতান্তই ভালো কাজ। কিন্তু মূল কথা হচ্ছে, কোনো সুনির্দিষ্ট নোটিস ছাড়াই যে মেয়েদেরকে হুট করে রুম ছেড়ে অন্যত্র থাকার কথা বলা হচ্ছে , এটা কতটা যৌক্তিক? রুমে কাজ শুরু করার আগের দিন জানানো হচ্ছে । যেই রুম গুলায় কাজ শুরু হয়েছে , এতো গুলা মেয়ে থাকবে কোথায়?

যেখানে আমাদের হল এর অধিকাংশই এক বেড এ দুইজনের সিট। একজনের বেড এ দুইজনের সিট করা হয়েছে সেখানে আবার অন্যদের কীভাবে থাকার ব্যবস্থা করা সম্ভব? এছাড়া এখন প্রায় প্রত্যেকটা ডিপার্টমেন্ট এ এক্সাম চলছে। রিডিং রুমে জায়গা পাওয়া যায় না। তাদের জন্য এই অল্প সময়ে পড়াশোনা + থাকার ব্যবস্থা করা টা কষ্টকর । আমাদের রুমে আমরা ৪টা বেড এ ৮জন থাকি, যেখানে ৬ জন এরই এক্সাম চলছে।

আমাদেরকে কাজ শুরু করার আগের দিন জানানো হয়েছে, রুম খালি করে অন্য কোথাও থাকার ব্যবস্থা করার জন্য। অফিস কর্তৃপক্ষ কে আমরা জানিয়েছি সমস্যার কথা। কিন্তু তাদের সে ব্যাপারে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। আমাদেরকে বলা হয়েছে প্রভোস্ট ম্যাম এর নির্দেশ, তারা কাজ শুরু করবে। অন্তত রিডিং রুম টা সম্পূর্ণ করার পর যদি এই উদ্যোগ টা নেওয়া হতো তবুও মেয়েদের এক্সাম এর মধ্যে পড়াশোনা করার একটা ব্যবস্থা হতো। প্রশাসনের কাছে আমাদের অনুরোধ , যেকোনো উদ্যোগ নেওয়ার আগে শিক্ষার্থীদের সমস্যার কথা একটু বিবেচনায় নিবেন।

ভুলত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। ধন্যবাদ।

~Mst Jesmin Khatun
Finance and Banking

 #বুলিং_একটি_সুস্থ_শিক্ষাবান্ধব_পরিবেশের_জন্য_বড়_বাধা‘বুলিং একটি সুস্থ শিক্ষাবান্ধব পরিবেশের জন্য বড় বাধা। এটি একজন শি...
20/08/2026

#বুলিং_একটি_সুস্থ_শিক্ষাবান্ধব_পরিবেশের_জন্য_বড়_বাধা

‘বুলিং একটি সুস্থ শিক্ষাবান্ধব পরিবেশের জন্য বড় বাধা। এটি একজন শিক্ষার্থীর আত্মবিশ্বাস, সামাজিক সম্পর্ক এবং মানসিক সুস্থতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এটি প্রতিরোধে সচেতনতার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও জরুরি।’ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ২৭তম ব্যাচের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘জাগরণ: বুলিংবিরোধী ক্যাম্পেইন ২০২৬’-এ বক্তারা এসব কথা বলেন।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে বুলিং প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি এবং একটি নিরাপদ, সহানুভূতিশীল ও ইতিবাচক ক্যাম্পাস পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী এ কর্মসূচির স্লোগান ছিল ‘শক্তি দেখাও, সহানুভূতিতে’। এতে বুলিংয়ের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করা, পারস্পরিক সহমর্মিতা বৃদ্ধি এবং ক্যাম্পাসে ইতিবাচক সম্পর্ক ও নিরাপদ পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আয়োজকরা জানান, ‘জাগরণ’ নামটি বেছে নেওয়ার পেছনে মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ ও মনুষ্যত্বের জাগরণ তৈরি করা। কেউ বুলিংয়ের শিকার হলে তা প্রত্যক্ষকারী শিক্ষার্থীরা কীভাবে দায়িত্বশীল ও বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারে এবং বুলিংয়ের বিরুদ্ধে কীভাবে দাঁড়াতে পারে, এ বিষয়েও সচেতনতা তৈরির লক্ষ্য রয়েছে ক্যাম্পেইনটির।

ক্যাম্পেইনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং মার্কেটিং বিভাগের ২৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আবিদা আঞ্জুম বলেন, ক্যাম্পেইনের নাম ‘জাগরণ’ রাখার মূল কারণ হলো আমাদের মধ্যে মনুষ্যত্বের জাগরণ তৈরি করা। আমাদের সামনে যখন কাউকে বুলিংয়ের শিকার হতে দেখি, তখন আমরা কী করলে সে বুলিংয়ের শিকার হবে না, সেই বুদ্ধিমত্তার জাগরণ ঘটানোই আমাদের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ‘অনেকেই মনে করেন শুধু মুখে কিছু বলা বা মন্তব্য করাই বুলিং। কিন্তু বুলিংয়ের বিভিন্ন দিক রয়েছে। এটি মৌখিক, শারীরিক, মানসিক, সামাজিক, শিক্ষাগত কিংবা সাইবার, বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। অনেকেই এসব বিষয় সম্পর্কে জানেন না। তাই বুলিংয়ের বিভিন্ন ধরন সম্পর্কে সবাইকে সচেতন করা এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ড কীভাবে বন্ধ করা যায়, তার কৌশল সম্পর্কে ধারণা দেওয়াই আমাদের ক্যাম্পেইনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

আবিদা আঞ্জুম আরও বলেন, আমরা চাই, শিক্ষার্থীরা বুলিংয়ের বিরুদ্ধে কেবল কথা বলবে না, বরং কৌশলগতভাবে এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এর বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে যেন কেউ বুলিংয়ের শিকার না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সিরাজুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড লিগ্যাল স্টাডিজের পরিচালক ও আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহনাজ হুদা এবং ক্লিনিক্যাল ও কাউন্সেলিং মনোবিজ্ঞানী মো. আসাদুজ্জামান রাজু আকন।

এছাড়া আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসির করপোরেট ডিভিশনের ইউনিট হেড মো. মাহবুবুর রহমান এবং সাজেদা ফাউন্ডেশনের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ‘স্বজন’-এর হেড অব ডিজিটাল হেলথ মো. মনোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

দিনব্যাপী আয়োজনে বুলিং প্রতিরোধ, শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা এবং পারস্পরিক সহমর্মিতা নিয়ে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের অংশগ্রহণে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীরা যাতে মানসিক চাপ, উদ্বেগ, সম্পর্কজনিত সমস্যা ও অন্যান্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও সহায়তা পেতে পারে, সেদিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. সিরাজুল হক বলেন, ‘বুলিং একটি সুস্থ শিক্ষাবান্ধব পরিবেশের জন্য বড় বাধা। একটি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু জ্ঞান অর্জনের জায়গা নয়; এখানে শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধও গড়ে উঠতে হয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বুলিংয়ের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং এ ধরনের আচরণ প্রতিরোধে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’

বিশেষ অতিথি অধ্যাপক ড. শাহনাজ হুদা বলেন, ‘বুলিং প্রতিরোধে সচেতনতার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও জরুরি। ক্যাম্পাসে কেউ যেন ভয়, অপমান বা হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।’

ক্লিনিক্যাল ও কাউন্সেলিং মনোবিজ্ঞানী মো. আসাদুজ্জামান রাজু আকন বলেন, ‘বুলিং একজন শিক্ষার্থীর আত্মবিশ্বাস, সামাজিক সম্পর্ক এবং মানসিক সুস্থতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বুলিংয়ের ঘটনা ঘটার পর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি আগে থেকেই শিক্ষার্থীদের সচেতন করা প্রয়োজন। কোনো শিক্ষার্থী বুলিং বা মানসিক চাপে থাকলে তাকে দোষারোপ না করে মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পেশাদার সহায়তার ব্যবস্থা করতে হবে।’

আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসির করপোরেট ডিভিশনের ইউনিট হেড মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, তরুণদের জন্য একটি নিরাপদ ও ইতিবাচক শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করা সমাজের সবার দায়িত্ব। বুলিংবিরোধী সচেতনতা তৈরিতে ‘জাগরণ’ যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা অত্যন্ত সময়োপযোগী।

সাজেদা ফাউন্ডেশনের মানসিক স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ‘স্বজন’-এর হেড অব ডিজিটাল হেলথ মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, বুলিং শুধু একটি আচরণগত সমস্যা নয়, এটি একজন শিক্ষার্থীর মানসিক সুস্থতা ও আত্মবিশ্বাসের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনের সময় মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও যথাযথ সহায়তার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

আয়োজক আবিদা আঞ্জুম জানান, শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমানো এবং নিজেদের মানসিকভাবে সুস্থ রাখার বিষয়টিকেও ক্যাম্পেইনে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা কীভাবে বিভিন্ন চাপ ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারে এবং প্রয়োজনে কীভাবে সহায়তা নিতে পারে, সে বিষয়েও সচেতন করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, ক্যাম্পেইনটি বাস্তবায়নে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন সহযোগিতা করেছে। এর মধ্যে শিরোনাম পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসি, সহযোগী পৃষ্ঠপোষক হিসেবে সাজেদা ফাউন্ডেশনের ‘স্বজন’, ক্লাব পার্টনার হিসেবে ঢাকা ইউনিভার্সিটি ক্যারিয়ার ক্লাব (ডিইউসিসি), স্ন্যাকস পার্টনার হিসেবে প্রাণ এবং টেকনিক্যাল পার্টনার হিসেবে মনের বন্ধু সহযোগিতা করেছে।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বুলিংয়ের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সহমর্মিতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চা বাড়ানোই ‘জাগরণ’ ক্যাম্পেইনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। ক্যাম্পাসে একটি নিরাপদ ও সহানুভূতিশীল পরিবেশ গড়ে তুলতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন বলেও জানান তারা।

 #বেরোবির_ভিসির_বাংলোর_পুকুরে_মাছের_খাবারে #তিন_বছরে_ব্যয়_প্রায়_৪_লাখ_টাকারংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উ...
20/08/2026

#বেরোবির_ভিসির_বাংলোর_পুকুরে_মাছের_খাবারে
#তিন_বছরে_ব্যয়_প্রায়_৪_লাখ_টাকা

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্যের বাংলোর পুকুরের মাছের খাদ্য বাবদ ব্যয়ের আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেটের ব্যয় খাত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত তিন অর্থবছরে শুধু মাছের খাদ্য কিনতেই ব্যয় হয়েছে ৩ লাখ ৮৬ হাজার টাকা।

সম্প্রতি ‘বেরোবির ভিসির বাংলোর পুকুরের মাছের খাবারে ব্যয় দেড় লাখ টাকা, আগামী বছরে চাহিদা ৫ লাখ ’ শীর্ষক সংবাদ প্রকাশিত হলে এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গত কয়েক বছরের বাজেটের ব্যয়ের তথ্য বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজেটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরে উপাচার্যের বাংলোর পুকুরের মাছের খাদ্য বাবদ ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১ লাখ ২৮ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে। অর্থাৎ এই তিন অর্থবছরে মোট ব্যয় হয়েছে ৩ লাখ ৮৬ হাজার টাকা।

এ ছাড়া ২০২৪-২৫ অর্থবছরে একই খাতে আরও ২৮ হাজার টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে। তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মাছের খাদ্য বাবদ কত টাকা ব্যয় হয়েছে, সে তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

এই খাতে ২০২৫-২৬ ও ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৫ লাখ টাকা করে ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ১০ লাখ টাকা বরাদ্দের জন্য চাহিদা পাঠালেও ইউজিসি এ খাতে প্রতি বছর ৫০ হাজার টাকা করে আগামী দুই বছর ১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট শাখার প্রধান উপপরিচালক খন্দকার আশরাফুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘গত অর্থবছরের মাছের খাবারের ব্যয়ের হিসাব এখনো তৈরি করা হয়নি।’
তবে গত অর্থবছরের ব্যয়ের হিসাব তৈরি না করেই কীভাবে নতুন অর্থবছরের বাজেট বরাদ্দ পাওয়া গেল, এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য না করে কৌশলে এড়িয়ে যান।

এদিকে, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শীতকালে পুকুরটিতে বেশিরভাগ সময় পানি থাকে না। পানি কমে গেলে মাঝে মাঝে বৈদ্যুতিক মোটরের মাধ্যমে পুকুরে পানি দেওয়া হয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে পুকুরটির তলায় অল্প পরিমাণ পানি রয়েছে।

মাছের খাদ্য বাবদ ব্যয় নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা পুকুরে মাছের অস্তিত্ব ও এত টাকা ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

আবদুল করিম রাজা নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘ওখানে কি মাছ আছে, নাকি রাক্ষস আছে?’

তানভীর আহমেদ নামের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘পুকুরে তো পানিই নেই, আবার মাছ কোথা থেকে এলো?’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলীকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, ‘এগুলো আগের বছরের। এ ভিসির না।’

২০২৫-২৬ অর্থবছরে মাছের খাদ্য বাবদ ব্যয়ের হিসাব জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘হিসাব আছে। অর্থ দপ্তর থেকে নিতে হবে।’

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব দপ্তরে যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ওই হিসাব এখনো প্রস্তুত করা হয়নি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একই দপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা তো তিন মাস অন্তর বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের হিসাব ইউজিসিকে পাঠাই। অডিটের সময় এসে সেই কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়।

এ বিষয়ে আপনার অভিমত কমেন্ট করে জানাতে পারেন।

শারিকার মায়ের চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ালেন বেরোবি ছাত্রদল নেতা রাফি, ৫০ হাজার টাকা অনুদানের ব্যবস্থাবেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে...
19/08/2026

শারিকার মায়ের চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ালেন বেরোবি ছাত্রদল নেতা রাফি, ৫০ হাজার টাকা অনুদানের ব্যবস্থা

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) অর্থনীতি বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী শারিকার মা দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত। বিষয়টি জানতে পেরে তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বেরোবি শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিফাত রাফি এবং শাখা ছাত্রদলের সহ-সম্পাদক আলভি এবং অর্থনীতি বিভাগের একটি ক্রাউডফান্ডিং টিম উপস্থিত ছিলেন।

শারিকার মায়ের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব এ্যাড মাহফুজ উন নবী ডনের বিশেষ সুপারিশে সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরে আবেদন করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শারিকার পরিবার ৫০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান পাবে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বেরোবি শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিফাত রাফি বলেন, “বেরোবি ছাত্রদল সবসময় শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করে। এরই ধারাবাহিকতায় শারিকার মায়ের অসুস্থতার বিষয়টি জানতে পেরে তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিই। ছোট বোন শারিকার মায়ের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা সংগ্রহের উদ্দেশ্যে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব এ্যাড মাহফুজ উন নবী ডন ভাইয়ের কাছে যাই। বিষয়টি জানার পর তিনি অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন এবং বিশেষ সুপারিশ করেন।তিনি নিজে গিয়ে অনুদানের বিষয়টি সম্পন্ন করে দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন। আমরা এমন একজন নগরপিতা চাই, যিনি নগরের সাধারণ মানুষের সমস্যা ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন এবং তাদের পাশে দাঁড়াবেন।”

শাখা ছাত্রদলের সহ-সম্পাদক আলভি বলেন, “একজন শিক্ষার্থীর পরিবারের এমন সংকটের সময়ে পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। শারিকার মায়ের চিকিৎসার জন্য সহযোগিতার উদ্যোগ নিতে পেরে আমরা স্বস্তি বোধ করছি। আশা করি, সমাজের বিত্তবান ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিরাও এ ধরনের মানবিক কাজে এগিয়ে আসবেন। শিক্ষার্থীদের যেকোনো সংকটে বেরোবি ছাত্রদল সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে থাকার চেষ্টা করবে।”

 #শিষ্টাচার_বিষয়ে_বেরোবি_শিক্ষার্থীর_আবেগঘন_পোস্ট গতকাল সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত  ক্লাস ছিল। দীর্ঘ সময় ক্লাস করা...
19/08/2026

#শিষ্টাচার_বিষয়ে_বেরোবি_শিক্ষার্থীর_আবেগঘন_পোস্ট

গতকাল সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ক্লাস ছিল। দীর্ঘ সময় ক্লাস করার পর ক্লান্ত শরীর নিয়ে আনুমানিক পৌনে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে গেলাম কিছু ওষুধ নেওয়ার জন্য। এর আগেও বহুবার মেডিকেল সেন্টারে গিয়েছি, কিন্তু আজকের মতো এমন অভিজ্ঞতা আগে কখনো হয়নি।

প্রেসক্রিপশনের টোকেন নিয়ে ভিতরে গিয়ে দেখলাম, তখন শুধু ৩ নম্বর কক্ষেই ডাক্তার ছিলেন—ডা. সুলতানা তারান্‌নুম নিজামী ম্যাম। ভিতরে একজন রোগী থাকায় যথারীতি দরজার পাশে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলাম। কিছুক্ষণ পর আরেকজন ছেলে এসে আমার সঙ্গে অপেক্ষা করতে লাগলেন।

এরপর হঠাৎ একজন মেয়ে এসে সরাসরি আমার সামনে দাঁড়িয়ে গেলেন। হয়তো তাঁর কোনো জরুরি প্রয়োজন ছিল, তাই কিছু বলিনি, বিষয়টি এড়িয়ে গেলাম। একটু পর আরেকটা ছেলে প্রবেশ করল, তখন আপুটি সেই ছেলেকে বললেন "ভাইয়া সিরিয়াল মেইনটেইন করেন"। তখন আমার খানিকটা হাসি পেল। যাইহোক ভিতরের রোগী বের হওয়ার পর আপুটি দ্রুত কক্ষে ঢুকে গেলেন। উনার পরে আমি ডাক্তার দেখালাম।

ডাক্তার দেখানো শেষে ওষুধ নেওয়ার জন্য বহিরাংশের নির্ধারিত জায়গায় গিয়ে দেখি, একজন ওষুধ নিচ্ছেন। তাই তার পাশে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলাম। কিন্তু তিনি ওষুধ নেওয়া শেষ করার আগেই আরেকজন এসে হঠাৎ আমার সামনে দাঁড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেন এবং দাঁড়িয়ে গেলেন।

বিষয়টি দেখে সত্যিই একটু অবাক হলাম। কারণ একজন যখন আগে থেকেই ওষুধ নেওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন, তখন তাঁর সামনে এসে দাঁড়িয়ে যাওয়াটা অন্তত আমার কাছে শিষ্টাচারসম্মত মনে হলো না। অন্তত একজন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্র বা ছাত্রীর কাছ থেকে এধরনের আচরণ প্রত্যাশিত নয়। যদি সত্যিই তাড়া থাকে, খুব সহজেই বলা যেত—“ভাই, একটু তাড়া আছে, আমাকে কি আগে নিতে দেবেন?”—আমি নিশ্চিত, আমি কেন কেউই আপত্তি করত না।

আমারও যেহেতু ক্লান্তি লাগতেছিল,তাই আমি বললাম, "ভাইয়া, আমি তো ওষুধের জন্য দাঁড়িয়ে আছি। আপনি একটু সাইডে দাঁড়ান, আমার পরে নেন" তিনি অবশ্য পরে সরে গেলেন।

ঘটনাগুলো খুব ছোট—হয়তো কারও কাছে এগুলো নিয়ে লেখার মতো কিছুই নয়। কিন্তু আমার কাছে বিষয়টি একটু বেশিই দৃষ্টিকটু মনে হলো। কারণ আমরা একটা সময় এমনকি এখনোও লাইনে দাঁড়ানো, অন্যের আগে না যাওয়া, সিনিয়রকে সম্মান করা কিংবা অন্তত সামনে থাকা মানুষটির প্রতি সৌজন্য দেখানো—এসবকে খুব স্বাভাবিক আচরণ হিসেবেই দেখি।

আজকের এই ছোট ছোট ঘটনাগুলো দেখে মনে হলো, সময়ের সঙ্গে হয়তো অনেক কিছুই বদলে গেছে। প্রজন্ম বদলেছে, আচার-আচরণের ধরনও বদলেছে। শিষ্টাচার, ভদ্রতা আর অন্যের প্রতি ন্যূনতম সম্মানবোধের সংজ্ঞাও বদলেছে

হয়তো ঘটনাগুলো খুব সাধারণ। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের আসলে এমন ছোট ছোট আচরণই পরবর্তী জীবনে অনেক বড় প্রভাব পরে। তাই মূলত লিখতে বসেছি, তাড়াহুড়ো থাকলেও একটু বলে নেওয়া, লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষটির জায়গাটুকু সম্মান করা, কিংবা অযথা কাউকে অস্বস্তিতে না ফেলা—এগুলো খুব বড় কোনো ব্যাপার নয়, ছোট ছোট আচরণের পরিবর্তনই একদিন আমাদের বড় হতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ সবাইকে।

[যাদের কথা বললাম তারা খুব সম্ভবত ১৬ অথবা ১৭ তম ব্যাচের হবে]

লেখাঃ
সংগৃহীত।

 #ডেঙ্গু_ঠেকাতে_জাবি_অধ্যাপকের_অভিনব_উদ্ভাবন একটি কালো-লাল প্লাস্টিকের নল। দেখতে সাধারণ পাত্রের মতো। ওপরের দিকে একাধিক গ...
19/08/2026

#ডেঙ্গু_ঠেকাতে_জাবি_অধ্যাপকের_অভিনব_উদ্ভাবন

একটি কালো-লাল প্লাস্টিকের নল। দেখতে সাধারণ পাত্রের মতো। ওপরের দিকে একাধিক গোলাকার প্রবেশপথ। ভেতরে থাকে পানি ও দেশি উদ্ভিদ দিয়ে তৈরি বিশেষ উপাদান। যাতে আকৃষ্ট হয়ে ডিম পাড়তে আসে এডিস মশা; কিন্তু সেই ডিম থেকে আর কোনো মশা জন্মাতে পারে না।

এডিস মশার বংশবিস্তার ঠেকানোর এই ফাঁদের কাগুজে নাম ‘ডেন-এক্স ট্র্যাপ’। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশারের নেতৃত্বে প্রায় পাঁচ বছর গবেষণার পর তৈরি হয়েছে এই ফাঁদ।

গবেষকদের দাবি, ফাঁদটি এমনভাবে তৈরি, যাতে স্ত্রী এডিস মশা এটিকে নিরাপদ প্রজননস্থল মনে করে সেখানে ডিম পাড়ে; কিন্তু ডিম পাড়ার পরই ফাঁদের ভেতরের বিশেষ উপাদানের প্রভাবে সেগুলো নষ্ট হয়ে যায়। ফলে মশার বংশবিস্তার বন্ধ হয়।
সংগৃহীত।

Address

Ashratpur, Cadet College, Rangpur City Corporation
Rangpur
5404

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BRUR posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to BRUR:

Shortcuts

Share