Bivery Builders Ltd

Bivery Builders Ltd রিয়েল এস্টেট শিল্পে বিশ্বস্ততার অগ্রদত, নির্ভরতা আর আস্থার প্রতিক "বিভেরী বিল্ডার্স লিমিটেড"

04/05/2025

শিক্ষনীয় পোস্ট ঃ
বাড়ি নির্মাণ করছেন বা করবেন?

এই পোষ্ট অবশ্যয় টাইমলানে রেখে দিন নির্মাণ কাজে সহযোগী হবে
আপনার বাড়িটা যেন শুধু মাত্র মাথা গোজার স্থান না হয়। আপনার বাড়ি করতে হবে ভেবে চিন্তে প্রকৌশলীর পরামর্শে। বাড়ি করার পূর্বে মূল শর্ত হলো প্ল্যানিং। প্ল্যান করে বাড়ি করা হলে আপনি আপনার জমির সঠিক মূল্যায়ন করতে পারবেন ।

বাড়ি করার ক্ষেত্রে আপনাকে কিছু বিষয় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে।

* বিভিন্ন রুমের আদর্শ এবং সর্বনিম্ন মাপ
* রুমের অবস্থান
* সৌন্দর্য
* পর্যাপ্ত আলো বাতাস এর সুব্যাবস্থা
* নিরাপত্তা
* ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
* আপনার এলাকার নিয়ম অনুযায়ী কতটুকু জমি ছেড়ে বাড়ি করতে হবে , তার পরিমাণ ।
★★ রুমে মাপ এবং অবস্থানঃ

#বেড_রুম :
বেড রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত ১০ ফিট বাই ১২ ফিট।
~অবস্থান : যেদিকে সর্বোচ্চ ন্যাচারাল গিফট পাওয়া যাবে অর্থাৎ পর্যাপ্ত আলো বাতাস যেদিকে পাওয়া যায়। যেনো ব্যালকনি তে বসলেই ভেসে আসে দখিনা বাতাস । তবে সাধারণত একটা বিল্ডিং এর কর্ণার সাইডে বেড রুম দেওয়া হয় । এক বেড রুম থেকে আরেক বেড রুমের দূরত্ব বা অবস্থান এমন হবে যেন সম্পূর্ণ প্রাইভেসি বজায় থাকে। অর্থাৎ এক রুমের থেকে অন্য রুমের ভ্যান্তরীন দৃশ্য সহজেই দৃষ্টি-গোচর হবে না ।
#গেষ্ট_রুম :
গেস্ট রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই নয় ফিট
~অবস্থান : সিঁড়ির কাছাকাছি ।
#ডায়নিং :
ডায়নিং রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই দশ ফিট
~অবস্থান :রান্না ঘরের পাশে হলে ভাল হয় ।
#বাথরুম_টয়লেট :
বাথ রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত
ছয় ফিট বাই চার ফিট ।
~অবস্থান :
কমন বাথরুম হলে সবাই যাতে সহজেই ব্যাবহার করতে পারে এমন স্থানে ।
টয়লেটে অবশ্যই এগজস্ট ফ্যান ব্যাবহার করবেন । এটা এয়ার ভেন্টিলেশনের মাধ্যমে টয়লেটের দূর্গন্ধ দূর করার পাশাপাশি আপনার টয়লেট এর ফ্লোর শুকনা রাখবে ।
#কিচেন :
কিচেন রুমের সর্বনিম্ন সাইজ হওয়া উচিত আট ফিট বাই সাত ফিট
~অবস্থান :
কিচেনে রান্নার সময় রান্নার গ্যাস বা ধোয়া যেন অন্য রুমে প্রবেশ না করতে পারে ।
রান্না ঘরের পরিবেশ ফ্রেস রাখার জন্য, কিচেনেও এগজস্ট ফ্যান ব্যাবহার করা উচিত ।
#ব্যালকনি :
চওড়া তিন ফিটের কম নয় ।
#সিড়ি :
আট ফিট চওড়া হলে ভাল হয় অবস্থান : মেইন রাস্তার পাশে অথবা রাস্তা থেকে সর্বনিম্ন দূরত্বে।

বাড়ি করার ক্ষেত্রে অবশ্যই একজন আর্কিটেক্ট এর মাধ্যমে বাড়ির প্ল্যান এবং একজন স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার এর মাধ্যমে বাড়ির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন করা উচিত। এছাড়া মোটামুটি এইসব ধারনা গুলো নিয়ে আপনি আর্কিট্যাক্ট ও ইঞ্জিনিয়ার এর সাথেও আপনার চাহিদা শেয়ার করতে পারেন ।
৬/৭ তলা বিল্ডিং এর জন্য প্রয়োজনীয় হিসাব নিকাশ
অবশ্যই আপনার টাইমলাইনে রেখে দিন। A TO Z
১। আর সি সি (১:২:৪) ইটের খোয়া ৫০% সিলেট বালি,পিকেট = ৮৬০ পিচ,সিলেট বালি = ২২.৫০ ঘনফুট
২। ইটের সোলিং ১০০ বর্গফুট,ইট= ৩০০ পিচ,বালি = ৫ ঘনফুট
৩।৫" ইটের গাথুনী (১:৪) ১০০বর্গফুট, ইট = ৫০০ পিচ
লোকাল বালি = ১৭ ঘনফুট ,সিমেন্ট = ২.৬০ ব্যাগ
৪। ইটের এজিং ১০০ রানিং ফুট ইট = ২৫০ পিচ
৫। আর সি সি (১:১.৫:৩) পাথর, ১০০%সিলেট বালি,পাথর = ৮২ ঘনফুট
সিলেট বালি = ৪১ ঘনফুট,সিমেন্ট = ২১ ব্যাগ
৬। আর সি সি (১:১.৫:৩) পাথর ৫০%,সিলেট বালি ,পাথর = ৮২ ঘনফুট

সিলেট বালি = ২০.৫০ ঘনফুট,লোকাল বালি = ২০.৫০ ঘনফুট সিমেন্ট = ২১ ব্যাগ

# # # #******★
বিল্ডিং যদি জি+৬ সাত তলা হয়- ১০০ ঘনফুট ও বর্গফুট কাজ করতে উল্লেখিত মালামাল সমূহ প্রযোজন হয়। তবে এগুলো আপেক্ষিক একটি ধারণা মাত্র। যে কোন কিছুতে এগুলো পরিবর্তনশীল...
# # # # # # #★★

বাড়ি করলেই হয় না, সেটার হতে হবে শান্তির ও নিরাপদ

07/01/2025

বিল্ডিং এর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কাজের ধাপ সমূহ:-

১। সীমানা নির্ধারন
২। লে-আউট, রাজউক সেট ব্যাক চেক
৩। পাইলিং
ক) পাইল পয়েন্ট সেন্টার করা
খ) বোরিং করা
গ) খাচা বাধা
ঘ) ব্লক দেওয়া
ঙ) ওয়েল্ডিং করা
চ) খাচা ঢুকানো
ছ) ঢালায়
৪। মাটি কাটা
৫। ড্রেসি, লেভেলিং, কম্পেকশন
৬। সোলিং, সিসি ঢালায়
৭। সাটারিং রড বাধায় সহ পাইল ক্যাপ বা ফুটিং ঢালায়
৮। সাটারিং রড বাধায় সহ সট কলাম, ম্যাট ঢালায়
৯। সাটারিং রড বাধায় সহ আন্ডার গ্রাউন্ড পানির ট্যাংক ঢালায়
১০। মাটি, বালি ভরাট ও কম্পেকশন
১১। লেভেলিং, সোলিং, সাটারিং রড বাধায় সহ গ্রেডবীম ঢালায়, কিউরিং
১২। বালি ভরাট ও কম্পেকশন
১৩। গ্রাউন ফ্লোর কলাম ও লিফ্ট ওয়াল
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
১৪। কলামে চট মোড়ানো, কিউরিং
১৫। গ্রাউন ফ্লোর বীম ছাদ বা ফ্লাট ছাদ
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড ঙ) আউট লাইন চেক
চ) ইলেকট্রিক পাইপ চেক
ছ) ঢালায়
জ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া
১৬। ফাস্ট টু সিক্স ফ্লোর কলাম ও লিফ্ট ওয়াল
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
১৭। কলামে চট মোড়ানো, কিউরিং
১৮। ফাস্ট টু সিক্স ফ্লোর বীম ছাদ বা ফ্লাট ছাদ
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড
ঙ) আউট লাইন চেক
চ) ইলেকট্রিক পাইপ চেক
ছ) ঢালায় (ছাদের ঢালাইয়ের সময় ইলেকট্রিক পাইপ লাইন গুলো চেক) জ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া
১৯। চিলাকুটার কলাম
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
২০। লিফ্ট মেশিন রুম অভার হেড পানি ট্যাংক
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড
ঙ) আউট লাইন চেক
চ) ঢালায়
ছ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া
২১। জলছাদ
ক) ছাদ চিপিং
খ) পানি দিয়ে ধোয়া
গ) চুন ফোটানো
ঘ) চুন চালা
ঙ) খোয়া, সুরকি, চুন দিয়ে
শুকনা অবস্থায় কাটা
চ) রসুন, তেতুল, চিটাগুড়
মেশানো পানি দিয়ে
ভেজানো
ছ) কম পক্ষে সাতটা কাটা
দেওয়া
জ) ভাল ভাবে পচানো
ঝ) রেইন ওয়াটার পাইপের
দিকে ঢাল দিয়ে বিছানো
ঞ) ভাল ভাবে পিটানো
ট) হালোট দেওয়া
ঠ) সিমেন্ট ও চুন দিয়ে
তালের ব্রাস দিয়ে
ফিনিশিং দেওয়া
ড) খড়, কচুরী পানা চট দিয়ে
পানি দিয়ে ছাদ ঠান্ডা
রাখা
ঢ) প্যরাপেট গাথুনী ও প্লাষ্টার
২২। গাথুনী করা
ক) গাথুনীর লে- আউট দেওয়া
খ) ক্লাইন্ট লেন্ডওনার দিয়ে চেক
গ) ইট ভেজানো
ঘ) সঠিক অনুপাতে মসলা
মিশানো
ঙ) কিউরিং করা
২৩। লিন্টেল
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) ঢালায়
ঙ) কিউরিং
২৪। ফলস স্ল্যাব
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) ঢালায়
ঙ) কিউরিং
২৫। লিন্টেল, ফলস স্ল্যাবের উপর গাথুনী
২৬। চৌকাঠ, গ্রীল, রেলিং ফিটিং
ক) সল চেক
২৭। ইলেকট্রিক ওয়াল পাইল ও ইস্টীল বক্স ফিটিং
ক) গুরুপ কাটা
খ) পাইপ জ্যাম
গ) ইস্টীল বক্স ফিটিং
২৮। প্লাষ্টার
ক) গাথুনী পরিষ্কার ও ভেজানো
খ) বালি চালা ও ধৌয়া
গ) সঠিক অনুপাতে মসলা
মিশানো
ঘ) সিলিং, বীম, কলাম চিপিং
ঙ) প্লাষ্টার
চ) কিউরিং
২৯। টাইলস চয়েজ ক্লাইন্ট, ল্যান্ডওনার
৩০। ওয়াল টাইলস
ক) স্যানিটারী ইন্টারনাল ওয়ারিং
খ) পেসার চেক
গ) ভাটিক্যাল পাইপ
ঘ) টাইলস ফিটিং
ঙ) কিউরিং
চ) পয়েন্টিং
৩১। ফ্লোর টাইলস
ক) চিপিং
খ) পানি দিয়ে ধোয়া
গ) ডিস টেলিফোন ক্যাবল দেওয়া
ঘ) বাথ রুমের ফ্লোরে স্লোপ দেওয়া
ঙ) কিউরিং
চ) পয়েন্টিং
৩২। বেসিন সিংক ফিটিং
৩৩। মার্বেল গ্রানাট ফিটিং
৩৪। রং
ক) পাথর ও ৩২০ পেপার দিয়ে ঘোষা
খ) পরিষ্কার
গ) সিলার
ঘ) পুটি
ঙ) ঘোষা
চ) ফাস্ট কোট
ছ) সেকেন্ড কোট
জ) ফাইনাল কোট
৩৫। পলিশিং
ক) ভাল ভাবে ঘোষা
খ) আস্তর দেওয়া
গ) পুটি কাটা
ঘ) পলিশ করা
৩৬। থাই ফিটিং
ক) আউটার লাগানো
খ) গ্লাস পাল্লা ফিটিং
গ) সিলিকন গাম দেওয়া
৩৭। দরজার পাল্লা ফিটিং
৩৮। ইলেকট্রিক ক্যাবল টানা
৩৯। সুইচ সকেট, ব্রকার লাগানো
৪০। গ্রাউন্ট ফ্লোরে ৬"~৮" লাইন টানা
৪১। পিট করা, মিটার পিট, মাষ্টার পিট করা
৪২। বাউন্ডারী ওয়াল করা
৪৩। মেন গেইট লাগানো
৪৪। কোম্পানীর নাম সহ লোগো লাগানো
৪৫। বাগান করা
৪৬। স্যানিটারী ফিটিং ফিকসার লাগানো
৪৭। লিফ্ট, সাব ইস্টেশন, জেনারেটর ফিটিং
৪৮। ওয়াসা কানেকশন
৪৯। ইলেকট্রিক কানেকশন
৫০। ধোয়া পুছা পরিষ্কার করে আনুষ্ঠানিক ভাবে হেন্ড ওভার দেওয়া।
সর্বদা আপনার পাশে-
বিভেরী বিল্ডারস লিমিটেড

রিয়েল এস্টেট শিল্পে বিশ্বস্ততার অগ্রদত, নির্ভরতা আর আস্থার প্রতিক "বিভেরী বিল্ডার্স লিমিটেড"

18/11/2024

ফ্ল্যাট কেনার সময় অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন, যাতে আপনি ভবিষ্যতে কোনো ঝামেলায় না পড়েন। নিম্নলিখিত বিষয়গুলো নজরে রাখা খুবই জরুরি:

◼️ ১. আইনি বৈধতা ও কাগজপত্র

- ফ্ল্যাটের মালিকানার কাগজপত্র: ফ্ল্যাটের ডেভেলপারের কাছে প্রয়োজনীয় জমির দলিল, প্রকল্পের অনুমোদনপত্র, এবং অন্যান্য কাগজপত্র চেক করা অত্যন্ত জরুরি।

- খতিয়ান ও পর্চা: জমির বৈধতা নিশ্চিত করতে জমির খতিয়ান ও পর্চা যাচাই করতে হবে। এটি ভূমির প্রকৃত মালিকের প্রমাণ দেয়।

- সিটি কর্পোরেশন বা RAJUK অনুমোদন: ফ্ল্যাটের নকশা এবং নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন থাকা আবশ্যক।

- BNBC (বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড): ফ্ল্যাটের নির্মাণ BNBC-এর নিয়ম মেনে হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করুন। এটি ফ্ল্যাটের স্থায়িত্ব এবং নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

◼️ ২. প্রকল্পের অবস্থান ও পরিবেশ

- অবস্থান: ফ্ল্যাটের লোকেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিকটবর্তী স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, মার্কেট, এবং অফিস থেকে দূরত্ব লক্ষ্য করুন। এছাড়াও পরিবহন সুবিধা, রাস্তা, এবং নিকটবর্তী যানজটের অবস্থা বিবেচনা করুন।

- ভবিষ্যৎ উন্নয়ন: এলাকার উন্নয়ন সম্ভাবনা আছে কিনা তা বিবেচনায় রাখুন, যেমন রেলওয়ে, মেট্রোরেল, বা অন্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প।

◼️ ৩. বিল্ডিংয়ের মান ও নির্মাণের গুণগত মান**

- নির্মাণ সামগ্রী: ফ্ল্যাট নির্মাণে ব্যবহার করা সামগ্রী (সিমেন্ট, ইট, রড ইত্যাদি) ভালো মানের কিনা তা নিশ্চিত করুন। নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহৃত হলে ভবিষ্যতে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

- প্লাম্বিং এবং বৈদ্যুতিক কাজ: ভবনের ভিতরে যে প্লাম্বিং এবং ইলেকট্রিক্যাল কাজ করা হয়েছে, তা ভালোভাবে চেক করুন। পানির প্রবাহ, ইলেকট্রিক্যাল ওয়্যারিং, এবং ফিটিং সঠিক মানের কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে।

◼️ ৪. জমির মালিকানার স্ট্যাটাস ও প্রকল্পের আইনি অবস্থান

- জমির মালিকানার স্ট্যাটাস: জমির উপরে কোনো আইনি সমস্যা (মামলা, বিরোধ) আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন। প্রয়োজনে আপনার আইনজীবীর মাধ্যমে জমির মালিকানার খোঁজ নিতে পারেন।

- ডেভেলপারের রেপুটেশন: ডেভেলপারের পূর্ববর্তী প্রকল্প এবং তাদের রেপুটেশন যাচাই করুন। ডেভেলপার নির্দিষ্ট সময়ে ফ্ল্যাট ডেলিভারি দিতে সক্ষম হয়েছে কিনা তা দেখুন।

◼️ ৫. ফ্ল্যাটের ডিজাইন ও ফ্যাসিলিটিজ

- ইন্টেরিয়র ডিজাইন: ফ্ল্যাটের ডিজাইন, ঘরের আকার, প্রয়োজনীয় বাথরুম এবং বেডরুমের সংখ্যা, এবং অন্যান্য ফ্যাসিলিটিজ চেক করুন।

- উত্তরণ ও আলো-বাতাসের ব্যবস্থা: ফ্ল্যাটে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস প্রবেশ করছে কিনা, এবং প্রতিদিনের রোদ-বাতাসের প্রবাহ কেমন, তা যাচাই করুন।

- সার্ভিস সুবিধা: লিফট, জেনারেটর, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, পার্কিং, এবং কমন স্পেসের অবস্থা যাচাই করতে হবে। পার্কিংয়ের জন্য আলাদা ফি বা জায়গার ব্যবস্থা আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।

◼️ ৬. ফ্ল্যাটের মূল্যের সাথে তুলনা

- মূল্য নির্ধারণ: ফ্ল্যাটের দাম বাজারের সঙ্গে তুলনা করে দেখুন। একই এলাকায় অন্যান্য ফ্ল্যাটের মূল্য কত, তা জেনে নেওয়া ভালো।

- EMI বা লোন সুবিধা: ব্যাংক লোনের মাধ্যমে ফ্ল্যাট কিনতে চাইলে সেই অপশনগুলি সম্পর্কে জানতে হবে। কোন ব্যাংক কত শতাংশ ইন্টারেস্টে লোন দিচ্ছে তা যাচাই করা প্রয়োজন।

◼️ ৭. রক্ষণাবেক্ষণ খরচ

- মাসিক বা বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ: ডেভেলপার বা অ্যাসোসিয়েশন রক্ষণাবেক্ষণ খরচ নেয় কিনা এবং তা কী কী সার্ভিসের জন্য, তা আগে থেকেই জেনে নিতে হবে।

◼️ ৮. প্রকল্পের ডেলিভারি সময়

- নির্ধারিত সময়: ফ্ল্যাট নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে কিনা তা নিয়ে ডেভেলপারের কাছ থেকে নিশ্চিত হতে হবে। সময়মতো ডেলিভারি না পেলে কীভাবে সমাধান হবে, সেই শর্তগুলো চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

◼️ ৯. অ্যামেনিটিস

- কমন ফ্যাসিলিটিজ: ভবনের কমন ফ্যাসিলিটিজ যেমন কমিউনিটি হল, গার্ডেন, সুইমিং পুল ইত্যাদি আছে কিনা তা জেনে নিন। এই সুবিধাগুলোর জন্য অতিরিক্ত ফি লাগবে কিনা তাও জানুন।

◼️ ১০. রেজিস্ট্রেশন ও নামজারি খরচ

- ফ্ল্যাট কেনার সময় স্ট্যাম্প ডিউটি, রেজিস্ট্রেশন ফি, ভ্যাট, এবং নামজারি খরচ কত হবে তা আগেই হিসাব করে নিন।

এসব বিষয়গুলো ভালোভাবে যাচাই করলে, ফ্ল্যাট কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া অনেক সহজ ও নিরাপদ হবে।
জনসার্থে
বিভেরী বিল্ডার্স লিমিটেড

09/11/2024

জমা খারিজ ও নামজারি (mutation):

✅'নামজারি (mutation)' বলতে-কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোন বৈধ পন্থায় ভূমি/জমির মালিকানা অর্জন করলে সরকারি রেকর্ড সংশোধন করে তার নামে রেকর্ড আপটুডেট (হালনাগাদ) করাকেই নামজারি বলা হয়।

✅ 'জমা খারিজ’: যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে। অন্য কথায় মূল থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।

✅এছাড়াও কোন রেকর্ডীয় মালিকের মৃত্যুতে তার নামের পরিবর্তে ঐখতিয়ানেই তার নাম কর্তন দিয়ে মৃত ব্যক্তির ওয়ারিশদের নাম বসিয়ে রেকর্ড হালনাগাদ করাকে নামজারি /mutation বলা হয়। এছাড়াও রেকর্ডীয় মালিকের জমি বিক্রি বা অন্যকোন কারনে হস্তান্তর হলে হস্তান্তরগ্রহীতার নামে রেকর্ড হালকরণ করাও নামজারি।

✅কোন ব্যক্তির নামজারি সম্পন্ন হলে তাকে একটি নামজারি খতিয়ান দেয়া হয়, যেখানে তার অর্জিত জমির একখানি সংক্ষিপ্ত হিসাব বিবরণী উল্লেখ থাকে। উক্ত হিসাব বিবরণী অর্থাৎ খতিয়ানে মালিকের নাম, কোন মৌজা, মৌজার নম্বর (জে এল নম্বর), জরিপের দাগ নম্বর, দাগে জমির পরিমান, একাধিক মালিক হলে তাদের নির্ধারিত হিস্যা ও প্রতি বছরের ধার্যকৃত খাজনা (ভূমি উন্নয়ন কর) ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে।

✅STATE ACQUISITION AND TENANCY ACT, 1950 অনুসারে নামজারিকে আমরা তিন ভাগে ভাগ করতে পারি যা ১১৬,১১৭ এবং ১৪৩ ধারায় আলোকপাত করা হয়েছে।

✅নিম্নে নামজারি এর প্রকারভেদ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছেঃ-

১। নামজারি
২। জমা খারিজ ও নামজারি
৩। জমা একত্রীকরণ
৪। নামজারির গুরুত্ব

✅১। শুধুমাত্র কোন দলিলের মাধ্যমে অর্জিত মালিকানার ভিত্তিতে অথবা ওয়ারিশ হিসেবে পিতা-মাতার জমিতে দখলসূত্রে থাকলেই সরকারি রেকর্ডে উক্ত ভূমিতে তাঁর মালিকানা নিশ্চিত হয় না। কোন ভূমিতে বৈধ ওয়ারিশ বা ক্রয়সূত্রে মালিক হবার পর পূর্বের মালিকের নাম হতে নাম কেটে বর্তমান মালিকের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হয়, তাহলেই তার মালিকানা সরকার কর্তৃক নিশ্চিত হয়। আর এটিই হল নামজারি পদ্ধতি। এটি না করলে নতুন দলিল তৈরি করে যে-কেউ নামজারি করে নিতে পারে।

✅২। আপনি যদি ওয়ারিশ হিসাবে বা ক্রয়সূত্রে কোন জমির মালিক হন কিন্তু নামজারি না করান, তবে আপনার অজান্তে কোনভাবে এক/একাধিক দলিল সম্পাদন করে কোন স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি আপনার আগে নামজারি করে ফেলতে পারে। তাতে আপনি পরবর্তীতে নামজারি করতে গেলে। স্বাভাবিকভাবেই সমস্যায় পড়বেন। বাস্তবক্ষেত্রে জটিলতা আরো বাড়তে দেখা গেছে যখন উক্ত স্বার্থানেষী ব্যক্তি অপর এক বা একাধিক ব্যক্তির নিকট ঐ জমি ইতোমধ্যে বিক্রয় করে ফেলেছে। বর্তমানে এরকম ঘটনা অহরহ ঘটছে। এসব ক্ষেত্রে নানারকম মামলা মোকদ্দমার সৃষ্টি হয়ে থাকে যা দীর্ঘদিন যাবৎ অর্থ, সময় ও মানুষে-মানুষে সম্পর্কের অবনতি ঘটায়।

✅৩। সাধারণভাবে ক্রেতাদের ধারণা, দলিল সম্পাদন হলেই কাজ শেষ। নামজারির দরকার কী? এটি অত্যন্ত ভুল ধারণা। দলিল সম্পাদনের মাধ্যমে শুধুমাত্র মালিকানা হস্তান্তর হয়, সরকারের খাতায় মালিক হিসাবে স্বীকৃতি পাওয়া যায় না।

✅৪। রেজিস্ট্রেশন দপ্তরটি আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি অফিস। সকল প্রকার দলিল সম্পাদন, রেজিস্ট্রিকরণ উক্ত দপ্তরের কাজ। দলিল রেজিস্ট্রিকরণের ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত যিনি বিক্রেতা তিনি আদৌ উক্ত জমির মালিক হিসাবে সরকারের রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত আছেন কী না তার কোন রেকর্ড জেলা রেজিস্টার বা সাব-রেজিস্টারের দপ্তরে নেই। ফলে ভুলবশত: একই জমির এক বা একাধিক দলিলের মাধ্যমে বিক্রয়ের ঘটনা ঘটে। অপরদিকে ভূমি অফিসগুলি ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন যার কাছে সরকারের কাছে রেকর্ডভুক্ত মালিকদের নাম, পূর্ববর্তী নামজারিকৃত মালিকদের নাম, নথিসহ বিস্তর তথ্য থাকে। ফলে একবার নামজারি করাতে সক্ষম হলে একই জমির একাধিকবার বিক্রয় হলেও মূল মালিকের আর ক্ষতিগ্রস্ত বা হয়রানী হবার সম্ভাবনা কম থাকে।

✅৫। নামজারি আবেদনের (application) মাধ্যমে আবেদনকারি যে স্বত্বলিপি অর্জন করেন, যাকে প্রচলিত ভাষায় আমরা 'খতিয়ান' বলে থাকি, এর মাধ্যমে তার উক্ত জমিতে মালিকানা স্বত্ব প্রমাণে নিশ্চয়তা লাভ করেন যা অন্য কোন দালিলিক মাধ্যমে লাভ করেন না।

✅৬। নামজারি করা না থাকলে শুধু একাধিক বিক্রয়ের আশঙ্কাই বিদ্যমান থাকেনা, পরবর্তীতে আপনার অর্জিত সম্পত্তিতে দখলে থাকলেও পরবর্তীতে আপনার অবর্তমানে আপনার উত্তরাধিকারগণ উক্ত সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হবার আশঙ্কা থাকে।

✅৭। যে কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ঋণ নিতে গেলে জমি বন্ধকের ক্ষেত্রে খতিয়ান ছাড়া আবেদন গ্রহণ করা হয় না।

✅৮। ওয়ারিশনমূলে প্রাপ্ত জমির মালিকরা যদি নামজারি না করান তাহলে তাদের মধ্যে বিশেষত: নারী অংশীদারগণ এবং ভবিষ্যতে তাদের ওয়ারিশগণদের মধ্যে মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি হয়। এ জন্য ওয়ারিশগণ সমঝোতার মাধ্যমে প্রথমেই নামজারি সম্পন্ন করে রাখলে পরবর্তীতে অনেক জটিলতা পরিহার করা সম্ভব হয়।

✅নামজারি করতে যা যা প্রয়োজন

1. মূল দলিল বা দলিলের সার্টিফাইড কপি বা দলিলের ফটোকপি
2. আইডি কার্ড (NID), অথবা জন্মসনদ এন্ড ছবি (২ কপি)
3. জমির খতিয়ান আরএস (RS), এসএ (SA)
4. বিএস (BS) খতিয়ান লাগবে
5. আরএস (RS) খতিয়ান হতে বর্তমান মালিক পর্যন্ত বায়া অথবা রেফেরেন্স দলিলের ফটোকপি
6. পৈত্রিক সম্পত্তি নামজারির জন্য ওয়ারিশসনদ বা বণ্টননামা দলিল লাগবে
7. সব ডকুমেন্ট দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে (আপনার খরিদা সম্পত্তি / ওয়ারিশান সম্পত্তি যদি আর এস থেকে বর্তমান/ হাল রেকর্ড পর্যন্ত সকল কাগজপত্র স্বচ্ছ এবং স্বাভাবিক থাকে তাহলে আপনি নিজেই অনলাইন এ জমা দিয়ে হাজিরায় উপস্থিত হয়ে এই টাকার মধ্যে নিজেই করতে পারবেন। (অনলাইন খরচ, হাজিরায় উপস্থিত হতে গাড়ি ভাড়া, আনুষাঙ্গিক)

✅নামজারীর প্রয়োজনীয় ফি

১। আবেদনের সাথে কোর্ট ফি-২০ (বিশ) টাকা,
২। নোটিশ জারী ফি- ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা,
৩। রেকর্ড সংশোধন বা হালকরণ ফি- ১০০০ (এক হাজার) টাকা
৪। প্রতি কপি নামজারি খতিয়ান (Khatian) সরবরাহ বাবদ- ১০০ (একশত) টাকা।
৫। মোট ১১৭০ টাকা।

(বিঃদ্রঃ আবেদন পত্রের কোর্ট ফি ছাড়া বাকিগুলো ডিসিআর এর মাধ্যমে আদায় করা হবে।)

ভবনের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি ( ক্রস ভেন্টিলেশন) :-১. ভবনের দিক নির্ধারণ হতে পারে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের একটি প্রা...
07/11/2024

ভবনের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি ( ক্রস ভেন্টিলেশন) :-
১. ভবনের দিক নির্ধারণ হতে পারে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের একটি প্রাথমিক পদক্ষেপ। বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে বাতাস আসে। পূর্বদিকে সুর্যালোক সংক্রান্ত সমস্যা থাকায় সাধারণত দক্ষিণমুখীভাবে খোলা রাখলে ঘরে বাতাস প্রবেশ করা সহজ হয়। ভবনের সামনে রাস্তা যেদিকেই থাকুক না কেন, নকশা করার সময় তাই চেষ্টা করা উচিত যেন নিচতলা বাদে প্রতিটি ইউনিট কিছুটা দক্ষিণ দিক পায় ও উত্তর-দক্ষিণ বরাবর যথেষ্ট খোলা (দরজা, জানালা, বারান্দা) থাকে।

২। তিন বা চার ইউনিটের ভবনে প্রতিটি ইউনিটকে দক্ষিণ দিক দেয়া সম্ভবপর হয় না। সেক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ভবন তাপমাত্রা গ্রহণ করে ও রাত্রে ত্যাগ করে ভোর নাগাদ ঠাণ্ডা হয়। তাই পশ্চিম দিকে তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়। এ দিকটি যথাসম্ভব বন্ধ রাখতে চেষ্টা করা উচিৎ বাকি তিনদিকে খোলার পরিমাণ বৃদ্ধি করে। যদি দিক নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়, অন্তত বেশি ব্যবহার হবে এমন কক্ষগুলো সঠিক দিকে বসানো উচিত।

৩। অনেক ক্ষেত্রে নানা কারনে এর কোনোটিই সম্ভবপর না হতে পারে। সেক্ষেত্রে সবচেয়ে দরকারি হচ্ছে ক্রস ভেন্টিলেশন নিশ্চিত করা। প্রতিটি ঘরে দুটি দিক যদি বাইরের সাথে খোলা থাকে তাহলে প্রতি দেয়ালে একটি করে জানালা দেয়া উচিত। যদি সম্ভবপর না হয়, একই দেয়ালে দুটি জানালা দিয়ে বা জানালার আয়তন বাড়িয়ে ক্রস ভেন্টিলেশান নিশ্চিত করা যায়। ক্ষেত্রবিশেষ এ দরজা-জানালা মিলিতভাবেও ক্রস ভেন্টিলেশানের কাজ করতে পারে। কক্ষের ভেতরের বাতাস প্রবাহমান রাখতে পারলে তাপমাত্রা অবশ্যই নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ফ্যান কোনো নতুন বাতাস তৈরি করে না। শুধুমাত্র ঘরের বাতাস প্রবাহমান রাখে। তাই দরজা জানালা খোলা রেখে ফ্যান চালালে সেটি অধিক কার্যকর হয়।

৪। ঘরে সূর্যের আলো প্রবেশ করলেই ঘর অধিকতর গরম হবে তা সত্যি নয়। সূর্যালোককে যদি স্তিমিত করে ঘরে প্রবেশ করানো যায় তাহলে তা যেমন আলোর চাহিদা পূরণ করবে, তেমনি ঘরের তাপমাত্রাও বাড়বে কম। এটি করতে সূর্যালোক ঘরের বেষ্টনির যে তলগুলোতে পড়ছে সেটিসেগুলো ছায়া রাখতে পারলে ঘরের তাপমাত্রা অনেক কম থাকবে। আমরা আজকাল সব বাসাতেই থাই গ্লাসের জানালা ব্যবহার করে থাকি। এটি জানালার আয়তন অর্ধেক করে ফেলে এবং ফিক্সড কাচের ব্যবহারের কারণে ঘরে তাপ আটকে থাকে বেশি। আমাদের ঐতিহ্যবাহী পাল্লা ধরনের জানালার ব্যবহার তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পালন করতে পারে দুর্দান্ত ভূমিকা।

৫। ভবনের উপরের দিকের বাসিন্দারা গ্রীষ্মকালে বেশি সমস্যা বোধ করেন। বিশেষ করে একদম উপরের তলায় যারা থাকেন, তাদের জন্য সারাদিন ধরে দেয়ালের পাশাপাশি ছাদ ও গরম হয়ে যাওয়ায় তাপমাত্রা বেড়ে যায় অনেকগুণ। এক্ষেত্রে শীতলীকরণের বিশেষ ব্যবস্থা করাটা দরকারি। জলছাতের প্রক্রিয়াটি অনেকদিন ধরেই এদেশে করা হচ্ছে। এর সাথে সাথে ফাঁপা ইট বা হলো ব্রিক-এর সাহায্যে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। দেয়ালের উপরের দিকে যত খোলা বা ফাকা জায়গা তৈরি করা যাবে ঘর থেকে তাপ বিকীরণ তত সহজ হয়। এছাড়া ছাদে যত বেশি এলাকা জুড়ে বাগান করা যাবে তত কম ছাদ গরম হবে।

৬। অবশ্যই বাক্স আকারে ফ্ল্যাটের ইউনিট নকশা করা উচিত নয়। পর্যাপ্ত বারান্দা, ইনডোর আউটডোর কানেকশন সহ জায়গা, সানশেড ও কার্নিশ ব্যবহার করতে হবে যদি একটি ভবনে বাসিন্দারা তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান। কংক্রিট ইটের চেয়ে বেশি তাপ ধারণ করে। নির্মাণ সামগ্রী নির্মানেও সেগুলোর হীট ফ্যাক্টর দেখে নেয়া উচিত।
আর মনে রাখবেন- ডিগ্রিধারী ও যোগ্য স্থপতি ছাড়া আপনার জীবনযাত্রার সাথে বাড়ির সম্পর্কের ব্যাপারে আর কোনো পেশার মানুষই যথেষ্ট জ্ঞান রাখেন না। তাই নকশার মধ্যে তাপমাত্রা জনিত সকল ইস্যু সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিকল্পনার স্বার্থে নকশা করান শুধুমাত্র লাইসেন্সধারী স্থপতির সাহায্যে।

05/06/2024
02/06/2024

শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন..

কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস?
➥১. পর্চা বা খতিয়ান।
➥২. দলিল।
➥৩. ম্যাপ বা নকশা।

এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি বিক্রয় বা হস্তান্তর করতে পারবেন না। ব্যাংক লোন নিতেও নানান সমস্যা হয়।
তাই জমির খতিয়ান, দলিল সহ সকল কাগজপত্র সংগ্রহে রাখার জন্য সরকারি নানান দপ্তর রয়েছে, যারা ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখে। এখন আপনার কাজ হলো ঐ সকল দপ্তরগুলো কে নিশ্চিত করে তাদের কাছ থেকে কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করা।

কোথায়, কীভাবে এবং কত সময়ের মধ্যে আপনি জমির খতিয়ান, দলিল ও নকশা সংগ্রহ করতে পারবেন তা নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলোঃ
➥প্রথমত,আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন.?
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত চারটি অফিসে পাবেন-
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।

➤ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিসঃ
ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসড়া খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন। এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।

➤উপজেলা ভূমি অফিসঃ
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসড়া খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতেও খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।

➤জেলা ডিসি অফিসঃ
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

➤সেটেলমেন্ট অফিস
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।

❖প্রশ্নঃ খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর। তবে সিটি জরিপের জন্য ১০০ টাকা খরচ হবে। বর্তমানে অনলাইনে আবেদনের মাধ্যমে ১০০ টাকার বিনিময়ে অনলাইন কপি ও সার্টিফাইড কপি পেতে পারেন।

➥দ্বিতীয়ত, আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন?
দলিলের সার্টিফাইড কপি বা অবিকল নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়-
১/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
২/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

➤উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসঃ
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

➤জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুমঃ
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।

❖ প্রশ্নঃ দলিল তুলতে কত টাকা খরচ হয়.?
উত্তরঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।

➥ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা কোথায় পাবেন?
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন-
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর (DLRS), ঢাকা।

➤জেলা ডিসি অফিসঃ
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।
সংগ্রহ করতে যা লাগবে আবেদন ফরম +২০ টাকার কোর্ট ফি এবং ৫০০ টাকা নগদ জমা বাবদ বা ডি.সি.আর বাবদ। অর্থাৎ ৫৩০ টাকায় মৌজা ম্যাপ তুলতে পারবেন।

➤ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকাঃ
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়। ম্যাপ তুলতে খরচ আবেদন ফরম + কোর্ট ফি + ডি.সি.আর মোট= ৫৫০/= টাকা মাত্র। বর্তমানে অনলাইনে আবেদন করে ডাক সেবার মাধ্যমে ডাক মাশুল সহ ৬৩০ টাকায় ম্যাপ পাওয়া যায়।

❖প্রশ্নঃ ম্যপ তুলতে কতদিন সময় লাগে?
উত্তরঃ ম্যানুয়ালি আবেদন করার দিন হতে, ৫-৮ কার্য দিবসের ভিতরে ম্যাপ পাবেন।

শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রেখে দিন ও অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন।

ধন্যবাদান্তেঃ
জকিগঞ্জ ল্যান্ড সার্ভে অফিস।
WhatsApp: 01886-643384

20/02/2024

বহুতল ভবনের পাইলিং নিয়ে বিস্তারিত কিছু আলোচনাঃ

১/ প্রথমে পাইলের জন্য পর্যাপ্ত মালামাল সাইটে আছে কি না তা দেখতে হবে।
২/ যারা পাইল করবে তাদের জনবল এবং যন্ত্রপাতি ঠিক মতো আছে কি না তা দেখতে হবে ।
৩/ তার পরে কলামের সেন্টার লাইন থেকে মাপ নিয়ে পাইলের পয়েন্ট দিতে হবে।
৪/ এবং পাইল পয়েন্টে ১০মিমি ১' রডের টুকরা পুঁতে দিয়ে টা ঢালাই করি দিতে হবে।
৫/ তার পরে বোরিং এর সময় চিজেল টা কে তাদের যে তেপায়া টা আছে। ওটায় সেট করতে হবে। এবং ওই তিন পায়ার সব গুলো পায়ার নিছে কাঠ বা বালির বস্তা দিয়ে সঠিক ভাবে বসাতে হবে যাতে এটি নড়ে না যায় এটি নড়ে গেলে বোরিং ঠিক হবে না।
৬/ চিজেলের মাথা পাইলের জন্য পুঁতে দেওয়া রডের সেন্টারে এনে চিজেলের মাথায় পানি দিতে হবে যদি পানি গুলো রডের মাথায় ঠিক ভাবে পড়ে তা হলে বুঝতে হবে চিজেল সঠিক অবস্থানে আছে। তবে এই ক্ষেত্রে চিজেলের মাথা টা ভালো করে দেখতে হবে যাতে এটাতে কোন বাকা না থাকে। যদি বাকা থাকে তা হলে সমস্যা হবে। বোরিং ঠিক মতো হবে না। তারপর পাইলের ডায়গোনাল চেক দিতে হবে। এরপর ১.৫ মিটার পর্যন্ত আনকেস্ড অবস্থায় বোরিং করা হয় তার পর কেসিং প্রবেশ করানো হয়।
৭/ বোরিং কাজ শেষ হলে মিনিমাম ৩০ মিনিট পাইল ওয়াশ দিতে হবে তবে যতক্ষন পরিষ্কার পানি না বের হয় ততক্ষণ ওয়াশ দিতে হবে ।
৮/ প্রয়োজন বেঁধে পাইল ওয়াশ দেওয়ার সময় পানির সাথে বেন্টনাইট কেমিক্যাল ব্যবহার করা যেতে পারে ।এতে ওয়াশের সময় পাইলের পাশ্ব হতে মাটি ভেঙ্গে পড়বে না।
৯/বোরিং কত টুকু হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আপনাকে তারা যখন তাদের বোরিং যন্ত্রপাতি সাইটে আনবে তখন সেই গুলো মাপ দিয়ে নিতে হবে।
১০/ পাইলের খাঁচা বাধার সময় দেখেতে হবে spiral রড গুলোর ওয়েল্ডিং ঠিক ভাবে করেছে কি না৷এটা পরিক্ষার জন্য একটা হাতুড়ি দিয়ে জয়েন্ট গুলোতে আঘাত করলে যদি জয়েন্ট ছুটে যায় তা হলে আবার ওয়েল্ডিং করিয়ে নিতে হবে। যদি ডিজাইনে একটা স্পাইরাল ওয়েল্ডিং আরেকটা বুনন তার দিয়ে বাঁধাই করতে বলে, তাহলে ডিজাইন মতে কাজ করতে হবে।
১১/স্পাইরাল রড গুলো ল্যাপিং যেই খানে হবে ওখানে যাতে মিনিমাম দুইটা মেইন রড এর শেষে ল্যাপিং যেনো শেষ হয়। এবং লেপিং করা পুরো জায়গায় ওয়েল্ডিং করিয়ে নিতে হবে।
১২/ পাইলের স্পাইরাল টাই বাঁধার সময় মেইন রড গুলো কে সোজা রেখে বাঁধাই করতে হবে না হলে ওয়েলডিং এর পর পাইলের খাঁচা মোচড় অবস্থা হয়ে থাকবে।
১৩/ মিনিমাম ৫' পর পর পাইলের ৩ দিকে ৩" পরিমান কাভারিং ব্যবহার করা হয়।
১৪/ পাইলের মেইন রডের ল্যাপিং মিনিমাম ২.৫'/৩' দেওয়া উচিত এবং ল্যাপিং এর জায়গায় ১.৫"-২" এর মতো ওয়েল্ডিং করা ৩ স্থানে উচিত।। তবে এই ক্ষেত্রে ডিজাইন ফলো করতে হবে।
১৫/ খাঁচা ঢুকানোর সময় যাতে সোজা করে খাঁচা ঢুকায় যদি বাঁকা করে খাঁচা ঢুকায় তখন কাভারিং ব্লক গুলো ভেঙ্গে যাবে।।
১৬/ এবং পাইলের যেই স্থানে ধরে পাইলটির খাঁচা বোরিং এ ঢুকাবে ওই জায়গায় স্পাইরাল গুলো ভালো করে ওয়েল্ডিং করে দিতে হবে।
১৭/ ডিজাইন মতো রডের ডায়া এবং স্পাইরাল গুলোর স্পেসিং ঠিক আছে কি না দেখতে হবে।
১৮/ কাস্টিং এর সময় ট্রিমি পাইপ টি পাইলের বটম থেকে ৬" উপর থেকে কংক্রিট ফেলা উচিত এর বেশি উপর থেকে কংক্রিট ফেললে কংক্রিটের সাথে কাঁদা পানি মিশে কংক্রিটে শক্তি কমিয়ে দিবে।
১৯/ ট্রিমি পাইপের ডায়া মিনিমাম ৬" হয়ে থাকে
২০/ কিছুক্ষন কংক্রিটিং করার পর ট্রিম্বি পাইপ টি কে উপর নিছে উঠা নামা করে ভাইব্রেট করে দিতে হবে যাতে পাইলে ভয়েড না থাকে।
২১/ পাইলের সাধারণত ১ঃ১.৫ঃ৩ রেশিও তে কংক্রিটিং করা হয়ে থাকে।
২২/ কংক্রিটিং এর সময় ট্রিম্বি পাইপ টি কে পরিস্কার করে নিতে হবে যাতে আগের কোন কংক্রিট এর ভিতর না থাকে।
২৩/ ২৪ ঘন্টার ভিতর ১০' এর মধ্যে অন্য পাইল করা যাবে না এতে নতুন করা পাইলটি ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
২৪/পাইলের Cut of level এ রেশিও ১ঃ২ঃ৪ রাখতে হবে। কারন এটি ভেঙ্গে ফেলা হয়।

নির্মাণ সম্পর্কিত যে কোন পরামর্শ এবং তথ্যর জন্য যোগাযোগ করুনঃ
বিভেরী বিল্ডার্স লিমিটেড

06/01/2024

জমি কিনবেন, নাকি টেনশন কিনবেন? সিদ্ধান্ত আপনার।
🏡প্লট বা ফ্ল্যাট কিনবেন জেনে নিন প্রয়োজনীয় সব তথ্য 📢
মানুষের কাছে জীবনের পর যে বিষয়টি অতি মূল্যবান তা হল ভূমি বা একটা নিরাপদ Flat আবাস্থল। প্রায় সব মানুষই চায় নিরাপদভাবে বসবাস করতে।বর্তমানে কেউ কেউ এর চাহিদা মেটাতে গিয়ে রিয়েল এস্টেটের দিকে ঝুঁকছেন অর্থাৎ প্লট বা ফ্ল্যাট ক্রয় করার কথা চিন্তা করছেন। যদি প্লট বা ফ্ল্যাট ক্রয় করার কথা চিন্তা করে থাকেন তাহলে আর দেরী কেন? এখনই এই সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সব নিয়মকানুন জেনে নিন।বেসরকারী উদ্যোগে অথবা সরকারী-বেসরকারী যৌথ উদ্যোগে কিংবা বিদেশী অর্থায়নে রিয়েল এস্টেট প্লট অথবা এপার্টমেন্ট বা ফ্ল্যাট বা শিল্প বা বাণিজ্যিক প্লট বা ফ্ল্যাট বা প্রাতিষ্ঠানিক বা মিশ্র ফ্লোর স্পেস জাতীয় স্থাবর ভূ-সম্পত্তির উন্নয়ন, ক্রয়-বিক্রয় নিয়ন্ত্রণ, বরাদ্দ, নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি সংক্রান্ত ব্যাপারে রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ নামে একটি আইন প্রণয়ন করা হয়।
এতে রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার নিবন্ধন, ডেভেলপারের দায়-দায়িত্ব, ভূমির মালিক কর্তৃক রিয়েল এস্টেট নির্মাণ, রিয়েল এস্টেট ক্রয়-বিক্রয়ের শর্তাবলী, হস্তান্তর দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশন করা, ভূমি মালিক ও ডেভেলপারের মধ্যে চুক্তি, রিয়েল এস্টেট এর সুবিধাদি, রিয়েল এস্টেট এর মূল্য পরিশোধের নিয়মাবলী, রিয়েল এস্টেট এর সেবাসমূহ, ক্রেতা কর্তৃক এককালীন মূল্য বা কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থতা, ডেভেলপার কর্তৃক রিয়েল এস্টেট হস্তান্তরে ব্যর্থতা, ক্রেতা কর্তৃক অর্থ ফেরত গ্রহণের নিয়মাবলী, স্থাপত্য নকশা বা দখল হস্তান্তর পত্র প্রদান, অপরাধ, বিচার ও দন্ড ইত্যাদি বিষয় রয়েছে। এখানে রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইনের শুধু মাত্র গুরুত্বপূর্ণ সব অংশ পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলঃ
ডেভেলপারের দায়-দায়িত্ব
সকল নিবন্ধিত ডেভেলপারকে তাদের প্রস্তুতকৃত প্রসপেক্টাসে রিয়েল এস্টেট এর নিবন্ধন নম্বরসহ তার নাম, ঠিকানা ও যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত নকশার অনুমোদন নম্বরসহ স্মারক নম্বর ও তারিখ উল্লেখ করতে হবে। কোন ডেভেলপার কর্তৃপক্ষ কতৃর্ক রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন এবং ডেভেলপার কর্তৃক হস্তান্তর দলিল সম্পাদনের ক্ষমতা বা অধিকার প্রাপ্তির পূর্বে রিয়েল এস্টেট ক্রয়বিক্রয়ের জন্য প্রকল্পের বিজ্ঞপ্তি গণমাধ্যমে প্রচার করতে পারবে না।
প্রকল্প অনুমোদনের পূর্বে ক্রেতার নিকট ডেভেলপার কোন রিয়েল এস্টেট বিক্রয় করতে বা বিক্রয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হতে পারবে না। প্রত্যেক ডেভেলপার ক্রেতাকে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট জমির মালিকানা সংক্রান্ত দলিলপত্র প্রদর্শন করবে। অনুমোদিত নকশা ব্যতীত অন্যান্য সহযোগী স্থাপত্য নকশা, কাঠামোগত নকশাসহ অন্যান্য বিল্ডিং সার্ভিসেস ডিজাইন ও দলিলাদি ডেভেলপার কর্তৃক প্রতিস্বাক্ষরিত হতে হবে।
বেসরকারী বা সরকারী-বেসরকারী যৌথ উদ্যোগে আবাসিক প্লট প্রকল্পের আওতাধীন জমির মালিকানা স্বত্ব ও ক্ষতিগ্রস্থদের পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে বেসরকারী আবাসিক প্রকল্পের ভূমি উন্নয়ন বিধিমালা, ২০০৪ প্রয়োজনীয় সংশোধন সাপেক্ষে অনুসরণ করতে হবে। প্রত্যেক ডেভেলপারকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট হতে বেসরকারী আবাসিক প্রকল্পের ভূমি উন্নয়ন বিধিমালা,২০০৪ প্রয়োজনীয় সংশোধন সাপেক্ষে এবং প্রযোজ্য ইমারত নির্মাণ সংক্রান্ত বিধিমালা অনুযায়ী রিয়েল এস্টেট এর নকশার অনুমোদন, রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন প্রকল্প উন্নয়ন, সংশোধন, পুনঃঅনুমোদন বা নবায়ন করতে হবে।
বেসরকারী বা সরকারী-বেসরকারী যৌথ উদ্যোগে নির্মিত রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন প্রকল্পের লে-আউট প্ল্যান নির্ধারিত পদ্ধতিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে। রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন প্রকল্পের ক্ষেত্রে বেসরকারী আবাসিক প্রকল্পের ভূমি উন্নয়নবিধিমালা, ২০০৪ অনুযায়ী নাগরিক সুবিধাদি যতদূর সম্ভব নিশ্চিত করতে হবে। প্রত্যেক ডেভেলপারকে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি-বিধান অনুযায়ী রিয়েল এস্টেট উন্নয়নপ্রকল্প এমনভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে যাতে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট যে কোন প্রকারের অবকাঠামো বা প্লট বা ফ্ল্যাট বা রাস্তাঘাট, বৈদ্যুতিক সংযোগ, পানি সরবরাহ, পয়ঃ ও পানি নিষ্কাশন, গ্যাস সরবরাহ এবং টেলিফোন সংযোগ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধার কোনরূপ ক্ষতি সাধন না হয়।
ভূমির মালিক কর্তৃক রিয়েল এস্টেট নির্মাণ
কোন ডেভেলপার জমি ক্রয় করে ওই জমিতে মালিক হয়ে উক্ত জমির উপর বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রিয়েল এস্টেট নির্মাণ করলে এই আইনের সকল বিধি-বিধান তার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। কোন ব্যক্তি এককভাবে বা কয়েকজন ব্যক্তি যৌথভাবে কোন রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান না হয়েও তার বা তাদের নিজস্ব ভূমির উপর ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রিয়েল এস্টেট নির্মাণ করলে, তার বা তাদের ক্ষেত্রেও, যতদূর প্রযোজ্য হয়, এই আইনের বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে।
রিয়েল এস্টেট ক্রয়-বিক্রয়ের শর্তাবলী
প্রসপেক্টাসে বা বরাদ্দপত্রে রিয়েল এস্টেট এর বিক্রয়যোগ্য এলাকার বিভাজনসহ যথাযথ ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ উল্লেখ করতে হবে। রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত বিস্তারিত শর্ত, পক্ষদের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিতে উল্লেখ করতে হবে। কোন ডেভেলপার ক্রেতার সম্মতিক্রমে বরাদ্দকৃত নির্দিষ্ট প্লট বা ফ্ল্যাট পরিবর্তন করতে পারবে। কোন ডেভেলপার ক্রেতার নিকট হতে চুক্তিতে উল্লিখিত শর্তের বাহিরে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করতে পারবে না। তবে শর্ত থাকে যে, যদি কোন পক্ষ পরবর্তীতে কোন উন্নতমানের সরঞ্জামাদি সংযোজনের প্রস্তাব করে পরস্পর সম্মত হয়ে এই মর্মে কোন সম্পূরক চুক্তি সম্পাদন করলে এই বিধান কার্যকর হবে না।
হস্তান্তর দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশন
(১) রিয়েল এস্টেটের সমুদয় মূল্য পরিশোধের পর ডেভেলপার অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) মাসের মধ্যে ক্রেতাকে রিয়েল এস্টেটের দখল হস্তান্তর, দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে দিবে।
(২) রিয়েল এস্টেট এর দখল হস্তান্তরকালে এর আয়তন কম বা বেশি হলে তার মূল্য ক্রয়কৃত দর অনুযায়ী ৩ (তিন) মাসের মধ্যে সমন্বয় করতে হবে।
(৩) কোন ডেভেলপার কোন ভূমির মালিকের নিকট হতে বা পক্ষে আম-মোক্তারনামা দলিলবলে ভূমি প্রাপ্ত হয়ে ঐ ভূমিতে রিয়েল এস্টেট নির্মাণ এবং সেই অংশে প্রাপ্ত রিয়েল এস্টেট ক্রেতাগণের নিকট বিক্রয়ের.....
বাকি অংশ পরবর্তীতে দেওয়া হবে,,,,

Address

505 Fair Plaza
Mirpur
1216

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bivery Builders Ltd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share