Plant Store BD

Plant Store BD গাছ লাগান, নিজেকে ও পরিবেশকে বাঁচান।

28/08/2026

স্টেভিয়া চারা ডেলিভারির জন্য রেডি হচ্ছে। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত স্টেভিয়া চারা আছে। কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সারা দেশে হোম ডেলিভারি দেয়া হয়। #স্টেভিয়া #চিনিপাতা #মধুপাতা 01749-769596

এতো ছোট কলার গাছে কত বড় কাঁদি বের হয়েছে। এই ছোট ছোট চারা গুলো কত দিনে বড় হয়ে কলা ধরে?এগুলো জি 9 কলার টিস্যু কালচার চ...
25/08/2026

এতো ছোট কলার গাছে কত বড় কাঁদি বের হয়েছে।
এই ছোট ছোট চারা গুলো কত দিনে বড় হয়ে কলা ধরে?
এগুলো জি 9 কলার টিস্যু কালচার চারা। এই চারা রোপণ করে উপযুক্ত পরিচর্যা করলে 8/9 মাসে মোচা বের হয় এবং 11/12 মাসে কলা কাটা যায়। পরিচর্যার কারণে সময় কিছুটা কম বেশি হতে পারে।
সবচেয়ে বড় বিষয় হলো এই টিস্যু কালচার কলার চারা ভাইরাস প্রতিরোধি এবং দেশীয় জাতের যেকোনো কলার চেয়ে ফলন অনেক বেশি হয়।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা এই টিস্যু কালচার কলার চারা আমরা বিক্রয় করছি। কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সারা দেশে হোম ডেলিভারি দেয়া হয়। চারা নিতে যোগাযোগ করুন ইনবক্সে অথবা হোয়াটসঅ্যাপে। #জি৯ #কলারচারা #টিস্যুকালচার

পার্সিমন গাছের অল্প কিছু বীজের চারা বা রুট আছে। বিক্রয় হবে। যোগাযোগ করুন ইনবক্সে অথবা হোয়াটসঅ্যাপে 01749-769596  #পার্...
20/08/2026

পার্সিমন গাছের অল্প কিছু বীজের চারা বা রুট আছে। বিক্রয় হবে। যোগাযোগ করুন ইনবক্সে অথবা হোয়াটসঅ্যাপে 01749-769596
#পার্সিমন #কাকিফল

এভোকাডোর(Avocado) রুট বা বীজের চারা রেডি হয়েছে। যারা নিতে চান যোগাযোগ করুন ইনবক্সে অথবা হোয়াটসঅ্যাপে 01749-769596
17/08/2026

এভোকাডোর(Avocado) রুট বা বীজের চারা রেডি হয়েছে। যারা নিতে চান যোগাযোগ করুন ইনবক্সে অথবা হোয়াটসঅ্যাপে 01749-769596

15/08/2026

স্টেভিয়া বা চিনি পাতা গাছের চারা। #স্টেভিয়া

14/08/2026

জি 9 কলার টিস্যু কালচার চারা। #জি৯ #কলারচারা

স্টেভিয়া একটি অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর ও ভেষজ উদ্ভিদ, যা প্রাকৃতিক মিষ্টি বা "মিষ্টি পাতা" নামে পরিচিত। এর পাতা চিনির চেয়ে ...
14/08/2026

স্টেভিয়া একটি অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর ও ভেষজ উদ্ভিদ, যা প্রাকৃতিক মিষ্টি বা "মিষ্টি পাতা" নামে পরিচিত। এর পাতা চিনির চেয়ে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ গুণ বেশি মিষ্টি, অথচ এতে কোনো ক্যালরি নেই এবং এটি রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায় না।
নিচে স্টেভিয়ার চাষ পদ্ধতি ও এর বহুমুখী ব্যবহার বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
১. স্টেভিয়ার চাষ পদ্ধতি
আবহাওয়া ও মাটি
* মাটি: জৈব পদার্থসমৃদ্ধ, সুনিষ্কাশিত বেলে-দোআঁশ বা দোআঁশ মাটি স্টেভিয়া চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। টবে চাষের ক্ষেত্রে হালকা ও মাটি ঝুরঝুরে রাখা জরুরি, কারণ শেকড়ে পানি জমলে গাছ পচে যায়।
* সূর্যের আলো: এটি সূর্যের আলো পছন্দ করে। প্রতিদিন অন্তত ৫-৬ ঘণ্টা সরাসরি রোদ পায় এমন জায়গায় এটি রোপণ করা উচিত।
* তাপমাত্রা: ১৫° সে. থেকে ৩০° সে. তাপমাত্রা স্টেভিয়ার জন্য আদর্শ।
* চারা সংগ্রহ ও রোপণ: আমাদের নার্সারিতে এই গাছের পর্যাপ্ত পরিমান চারা আছে। কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সারা দেশে হোম ডেলিভারি দেয়া হয়।
চারা পাওয়ার পর গাছের গোড়া ভালো ভাবে পানিতে ভিজিয়ে দিতে হবে। অন্তত দু'দিন ছায়ায় রেখে তারপর রোপণ করতে হবে।
* রোপণের সময়: সাধারণত স্টেভিয়া চারা সারা বছর রোপণ করা যায়।
* দূরত্ব: জমিতে চাষ করলে গাছ থেকে গাছের দূরত্ব হবে ৮/১০ ইঞ্চি এবং সারি থেকে সারির দূরত্ব ১৮ থেকে ২০ ইঞ্চি।
পরিচর্যা ও সেচ
* সেচ: স্টেভিয়ার শেকড় মাটির বেশি গভীরে যায় না, তাই মাটিতে সবসময় হালকা আর্দ্রতা বজায় রাখতে হয়। তবে মাটিতে অতিরিক্ত পানি যেন জমে না থাকে।
* সার প্রয়োগ: রাসায়নিক সারের চেয়ে পচা গোবর, কম্পোস্ট বা কেঁচো সার (ভার্মিকম্পোস্ট) ব্যবহারে পাতার উৎপাদন ও স্বাদ ভালো হয়।
* মাথা ছাঁটাই (Pruning): গাছ ১০–১২ ইঞ্চি লম্বা হলে ওপরের ডগা কেটে (Pinching) দিতে হয়। এতে গাছ ঝোপালো হয় এবং শাখা-প্রশাখা বৃদ্ধি পেয়ে পাতার ফলন বাড়ে।
* ফুল আসা রোধ: গাছে ফুল এলে পাতা মিষ্টি ভাব হারিয়ে তিতা হতে শুরু করে। তাই কুঁড়ি আসামাত্র তা ভেঙে বা ছেঁটে ফেলা ভালো।
পাতা সংগ্রহ ও সংরক্ষণ
* একবার পাতা সংগ্রহ করার পর ৪৫–৬০ দিন পর আবার পাতা তোলার উপযোগী হয়।
* ফুল আসার ঠিক আগেই পাতায় মিষ্টির পরিমাণ (Stevioside) সবচেয়ে বেশি থাকে।
* পাতা তুলে ছায়ায় বা হালকা রোদে ভালো করে শুকিয়ে নিতে হয়। শুকানো পাতা গুঁড়ো করে কাঁচের বয়ামে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়।
২. স্টেভিয়ার ব্যবহার
স্টেভিয়া সাধারণত প্রক্রিয়াজাত পাউডার, তরল নির্যাস (Liquid extract) অথবা শুকানো পাতা গুঁড়ো আকারে ব্যবহার করা হয়।
* চা বা কফিতে: চিনি বা কৃত্রিম সুইটনারের বিকল্প হিসেবে ১/৪ চা চামচ বা এক চিমটি স্টেভিয়া পাউডারই এক কাপ চা বা কফির জন্য যথেষ্ট।
* মিষ্টি ও রান্নাবান্নায়: পায়েস, সেমাই, দই, শরবত, ফ্রুট জুস ও অন্যান্য ডেজার্ট তৈরিতে সরাসরি স্টেভিয়া ব্যবহার করা যায়।
* ডায়াবেটিস ও ওজন নিয়ন্ত্রণে: এতে জিরো-ক্যালরি থাকায় ডায়াবেটিস রোগী এবং যারা ওজন কমাতে চান (Keto Diet বা Low-carb diet গ্রহণকারী), তারা কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই নিশ্চিন্তে এটি চিনির বদলে খেতে পারেন।
* প্রাকৃতিক ভেষজ হিসেবে: শুকানো কাঁচা পাতা গরম পানিতে ফুটিয়ে লিকার তৈরি করে সরাসরি স্বাস্থ্যকর লিকার চা হিসেবে পান করা যায়।
> পরামর্শ: প্রথমবার বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষ করতে চাইলে ছোট পরিসরে চাষ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করা সবচেয়ে ভালো। চারা নিতে যোগাযোগ করুন ইনবক্সে অথবা হোয়াটসঅ্যাপে 01749-769596 #স্টেভিয়া #চিনিপাতা #মধুতুলসি

স্টেভিয়া (Stevia) একটি প্রাকৃতিক ও ক্যালোরিমুক্ত মিষ্টতাকারক ভেষজ উদ্ভিদ। এটি চিনির বিকল্প হিসেবে বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত জনপ...
10/08/2026

স্টেভিয়া (Stevia) একটি প্রাকৃতিক ও ক্যালোরিমুক্ত মিষ্টতাকারক ভেষজ উদ্ভিদ। এটি চিনির বিকল্প হিসেবে বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত জনপ্রিয়, কারণ এর পাতা চিনির চেয়ে অনেক গুণ বেশি মিষ্টি এবং পাতা থেকে সংগৃহীত নির্যাস চিনির চেয়ে ৩০০-৪০০ গুণ পর্যন্ত মিষ্টি হতে পারে।
১. স্টেভিয়া চাষ পদ্ধতি
জলবায়ু ও মাটি
* মাটি: নিস্কাশন সুবিধাযুক্ত উর্বর দোআঁশ বা বেলে-দোআঁশ মাটি স্টেভিয়া চাষের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বেশি হওয়া ভালো।
* সূর্যের আলো: স্টেভিয়া গাছ সম্পূর্ণ সূর্যালোকে ভালো বাড়ে। প্রতিদিন অন্তত ৫–৬ ঘণ্টা রোদের প্রয়োজন হয়।
* জলাবদ্ধতা: গাছ জমা পানি একেবারেই সহ্য করতে পারে না, তাই টব বা জমিতে পানি নিষ্কাশনের সঠিক ব্যবস্থা থাকতে হবে।
বংশবৃদ্ধি ও চারা রোপণ
* বংশবৃদ্ধি: বীজ এবং কাটিং (ডাল কাটিং) — দুইভাবেই বংশবৃদ্ধি করা যায়। তবে বীজ থেকে চারা গজানোর হার খুব কম হওয়ায় টিস্যু কালচার পদ্ধতিতে উৎপাদিত চারা দিয়ে চাষ করা সবচেয়ে লাভজনক।
* রোপণ সময়: সারা বছর এই গাছের চারা রোপণ করা যায়।
* দূরত্ব: সারি থেকে সারির দূরত্ব ১.৫ থেকে ২ ফুট এবং চারা থেকে চারার দূরত্ব ৯ থেকে ১২ ইঞ্চি রাখা ভালো।
পরিচর্যা ও সার ব্যবস্থাপনা
* পানি সেচ: মাটিতে আর্দ্রতা বজায় রাখতে নিয়মিত হালকা সেচ দিতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন গোড়ায় পানি না জমে।
* সার প্রয়োগ: পচা গোবর, কম্পোস্ট, এবং সামান্য পরিমানে জৈব সার মাটির সাথে মিশিয়ে নেওয়া শ্রেয়। রাসায়নিক সারের ব্যবহার কম করাই ভালো।
* আগাছা ও কুঁড়ি ছাঁটাই: গাছের বৃদ্ধি বাড়াতে গোড়ার আগাছা নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। গাছে ফুল আসার আগেই পাতার অগ্রভাগ (Pinching) ছেঁটে দিলে ডালপালা বেশি গজায় এবং পাতা ঘন হয়।
পাতা সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ
* রোপণের ১.৫–২ মাস পর থেকে পাতা সংগ্রহ করা যায়। গাছে ফুল আসার ঠিক আগের মুহূর্তে পাতায় মিষ্টির পরিমাণ (Stevioside) সবচেয়ে বেশি থাকে।
* মাটি থেকে কয়েক ইঞ্চি ওপরে কাণ্ডসহ কেটে পাতা সংগ্রহ করতে হয়।
* সংগ্রহ করা পাতা ভালোভাবে ধুয়ে কড়া রোদে বা ছায়ায় শুকিয়ে গুঁড়ো করে সংরক্ষণ করা যায়।
২. স্টেভিয়ার বহুমুখী ব্যবহার
স্বাস্থ্য ও খাদ্যে ব্যবহার
* ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে: স্টেভিয়ার মিষ্টি উপাদান রক্তে শর্করার মাত্রা (Glucose Level) বা ইনসুলিনের ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না, তাই এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য চিনির সেরা বিকল্প।
* ওজন নিয়ন্ত্রণে: এতে কোনো ক্যালোরি নেই, ফলে যারা ওজন কমাতে চান বা ফিট থাকতে চান তারা নিশ্চিন্তে এটি ব্যবহার করতে পারেন।
* উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ: স্টেভিয়ায় থাকা উপাদান রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
* দাঁতের যত্ন: এটি ক্যাভিটি (Cavity) বা দাঁতের ক্ষয় সৃষ্টি করে না, ফলে টুথপেস্ট ও মাউথওয়াশেও এটি ব্যবহৃত হয়।
দৈনন্দিন খাবার ও পানীয় প্রস্তুতকরণ
* চা, কফি ও শরবতে: চিনি বা কৃত্রিম সুইটনারের বদলে কাঁচা পাতা, শুকনো পাতার গুঁড়ো বা স্টেভিয়া ড্রপ সরাসরি পানীয়তে মেশানো যায়।
* রান্না ও বেকিংয়ে: মিষ্টান্ন, পায়েস, কেক, পুডিং বা বিস্কুট তৈরিতে স্টেভিয়া ব্যবহার করা যায় (তবে রান্নায় এর সঠিক পরিমাণ জানা জরুরি, কারণ অল্প স্টেভিয়াই অনেক বেশি মিষ্টি তৈরি করে)।
* বাণিজ্যিক খাদ্য শিল্পে: সফট ড্রিংকস, এনার্জি বার, জ্যাম, জেলি এবং চুইংগামে জিরো-ক্যালোরি সুইটনার হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
* চারা সংগ্রহ: আমাদের নার্সারিতে এই গাছের পর্যাপ্ত চারা আছে। কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সারা দেশে হোম ডেলিভারি দেয়া হয়। চারা নিতে যোগাযোগ করুন ইনবক্সে অথবা হোয়াটসঅ্যাপে 01749-769596
#স্টেভিয়া

ইনসুলিন গাছ (বিজ্ঞানসম্মত নাম: Costus igneus বা Chamaecostus cuspidatus) মূলত এর ভেষজ গুণের জন্য পরিচিত। চিকিৎসাবিজ্ঞানে...
09/08/2026

ইনসুলিন গাছ (বিজ্ঞানসম্মত নাম: Costus igneus বা Chamaecostus cuspidatus) মূলত এর ভেষজ গুণের জন্য পরিচিত। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এটিকে টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকর একটি উদ্ভিদ হিসেবে গণ্য করা হয়।
ইনসুলিন গাছের প্রধান প্রধান উপকারিতাগুলো নিচে দেওয়া হলো:
* রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ: এই গাছের পাতায় এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান (যেমন- করসোইক এসিড ও ফাইটোকেমিক্যাল) থাকে, যা অগ্ন্যাশয়ে (Pancreas) বেটা-সেলকে উদ্দীপ্ত করে ইনসুলিন নিঃসরণে সাহায্য করে। এর ফলে রক্তের গ্লুকোজ লেভেল নিয়ন্ত্রণে থাকে।
* অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট গুণে সমৃদ্ধ: এতে প্রচুর পরিমাণে ফ্ল্যাভোনয়েড ও ফেনলিক উপাদান রয়েছে, যা শরীরের ক্ষতিকর ফ্রি-র‌্যাডিক্যাল দূর করে এবং কোষগুলোকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে।
* কোলেস্টেরল ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: ইনসুলিন গাছের পাতা নিয়মিত ও পরিমিত খেলে রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে এবং রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।
* হজমশক্তি বৃদ্ধি ও মেটাবলিজম: এই পাতার নির্যাস হজম প্রক্রিয়ার উন্নতি ঘটায় এবং বিপাকক্রিয়া (Metabolism) বাড়াতে ভূমিকা রাখে।
* লিভার ও কিডনির সুরক্ষা: গবেষণায় দেখা গেছে, এই গাছের প্রাকৃতিক উপাদান শরীরের বিষাক্ত পদার্থ (Toxins) বের করে দিতে সাহায্য করে, যা লিভার ও কিডনির সুস্থতায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
* অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ: এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক ছোটখাটো ইনফেকশন বা জীবাণুর আক্রমণ প্রতিরোধেও অত্যন্ত কার্যকর।
সেবন পদ্ধতি ও সতর্কতা:
* সাধারণত সকালে খালি পেটে ১-২টি তাজা পাতা ভালো করে ধুয়ে চিবিয়ে খাওয়া হয় অথবা পাতাকে থেঁতলিয়ে রস বের করে পানিতে মিশিয়ে সেবন করা হয়।
* বিশেষ সতর্কতা: যাদের রক্তে শর্করার মাত্রা খুব বেশি ওঠানামা করে বা যারা ইতোমধ্যে ইনসুলিন ও কড়া ডায়াবেটিসের ওষুধ খাচ্ছেন, তাদের নিয়মিত এটি সেবনের পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক; তা না হলে রক্তে শর্করার মাত্রা অতিরিক্ত কমে যাওয়ার (Hypoglycemia) ঝুঁকি থাকে।
চারা সংগ্রহ: আমাদের নার্সারিতে এই গাছের পর্যাপ্ত চারা আছে। কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সারা দেশে হোম ডেলিভারি দেয়া হয়। চারা নিতে যোগাযোগ করুন ইনবক্সে অথবা হোয়াটসঅ্যাপে 01749-769596 #ইনসুলিন_প্লান্ট #ডায়াবেটিস #হার্বপ্লান্ট

07/08/2026

জি-৯ (Grand Naine) হলো একটি উচ্চফলনশীল টিস্যু কালচার কলার জাত, যা রোগমুক্ত, দ্রুত বর্ধনশীল এবং একসঙ্গে একই সময়ে ফসল দেয়। সঠিক পরিচর্যা ও নিয়ম মেনে চাষ করলে প্রতি কাঁদিতে ৫০-৬০ কেজি পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব।
১. জমি নির্বাচন ও প্রস্তুতকরণ
* জমি: উঁচু, সুনিষ্কাশিত এবং দোআঁশ বা বেলে-দোআঁশ মাটি নির্বাচন করুন। যেখানে পানি জমে থাকে সেখানে কলা চাষ করা যাবে না।
* জমি চাষ: ২-৩ টি গভীর চাষ ও মই দিয়ে জমি ঝুরঝুরে ও সমতল করে নিতে হবে।
* মাদায় দূরত্ব: সারি থেকে সারির দূরত্ব ৬ ফুট এবং চারা থেকে চারার দূরত্ব ৬ ফুট (৬ × ৬ ফুট) রাখতে হবে। এতে বিঘা (৩৩শতক)প্রতি প্রায় ৪০০টি চারা রোপণ করা যায়।
২. গর্ত তৈরি ও সার প্রয়োগ (প্রতি গর্তের হিসাব)
রোপণের ১৫-২০ দিন আগে ১.৫ × ১.৫ × ১.৫ ফুট মাপের গর্ত খুঁড়তে হবে।
* পচা গোবর/কমপোস্ট: ১০-১৫ কেজি
* টিএসপি (TSP): ২৫০ গ্রাম
* এমওপি (MOP/পটাশ): ২৫০ গ্রাম (প্রাথমিক ধাপে অর্ধেক)
* ইউরিয়া: ৩০০ গ্রাম (কিস্তিতে প্রয়োগযোগ্য)
* জিপসাম: ১০০ গ্রাম
* জিঙ্ক ও বরন: ১০ গ্রাম করে
গর্তের মাটির সাথে সার ভালোভাবে মিশিয়ে গর্ত ভরাট করে রেখে দিতে হবে এবং হালকা সেচ দিলে ভালো হয়।
৩. চারা রোপণ পদ্ধতি
1. চারা প্রস্তুতকরণ
পলিথিন ব্যাগ সরাতে সাবধানতা
পলিথিন ব্যাগটি সাবধানে কেটে ফেলে দিন অথবা কাপে থাকলে সাবধানে চারা বের করুন যেন চারার গোড়ার মাটির বলটি ভেঙে না যায় বা মূল ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
2. রোপণ ও মাটি শক্ত করা
গর্তের মাঝখানে পলিথিনের গভীরতা অনুযায়ী গর্ত করে চারা বসান। গোড়ার মাটি হাত দিয়ে চেপে শক্ত করে দিন যাতে চারা হেলে না পড়ে।
3. সেচ ও ছত্রাকনাশক স্প্রে
চারার গোড়ায় সঙ্গে সঙ্গে হালকা সেচ দিন। ছত্রাকের আক্রমণ রোধে কার্বেনডাজিম জাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমন: বাভিস্টিন/নোইন) ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে গোড়ায় দিয়ে দিন।
৪. পরিচর্যা ও সার প্রয়োগ সূচি
| সময় | দেওয়াসারের নাম ও পরিমাণ (প্রতি গাছে) | বিশেষ পরিচর্যা |
|---|---|---|
| ৩০ দিন পর | ইউরিয়া ৫০ গ্রাম + পটাশ ৫০ গ্রাম | চারার চারপাশ হালকা কুপিয়ে সার দিন ও সেচ দিন |
| ৯০ দিন পর | ইউরিয়া ১০০ গ্রাম + পটাশ ১০০ গ্রাম | পাশের অতিরিক্ত চোষক/পোয়া কেটে ফেলুন |
| ১৫০ দিন পর | ইউরিয়া ১০০ গ্রাম + পটাশ ১০০ গ্রাম | গাছের গোড়ায় মাটি তুলে দিন |
| মোচা বের হওয়ার সময় | পটাশ ১০০ গ্রাম | কাইন বা কাঁদি বের হলে বাঁশ দিয়ে প্রোপিং (ঠেকা) দিন |
৫. সেচ ও পানি নিষ্কাশন
* টিস্যু কালচার কলায় সুষম সেচ প্রয়োজন। শুষ্ক মৌসুমে ৭-১০ দিন পর পর সেচ দিতে হবে।
* বর্ষাকালে যেন গাছের গোড়ায় পানি না জমে, তার জন্য ড্রেন বা নালা পরিষ্কার রাখতে হবে।
৬. পোকা ও রোগ ব্যবস্থাপনা
* বিটল পোকা ও জাবপোকা: পাতার রস চুষে খায়। প্রতিরোধে ইমিডাক্লোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক (যেমন: অ্যাডমায়ার) স্প্রে করুন।
* সিগাটোকা (পাতা পোড়া রোগ): পাতায় হলুদ বা বাদামি দাগ দেখা যায়। এটি রোধে ম্যানকোজেব বা টিল্ট (Propiconazole) ০.৫ মি.লি./লিটার পানিতে মিশিয়ে ১২-১৫ দিন পর পর স্প্রে করতে হবে।
* ফসল সংগ্রহ: রোপণের ১১-১২ মাসের মধ্যে প্রথম ফলন সংগ্রহ করা যায়।
* চারা সংগ্রহ: জি 9 কলার টিস্যু কালচার চারা থেকে সর্বাধিক ফলন পাওয়া যায়। আমাদের নার্সারিতে এই গাছের চারা আছে। কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সারা দেশে হোম ডেলিভারি দেয়া হয়। #জি৯_কলা #কলা

Address

Dhagram, Patgram
Lalmonirhat
5540

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Plant Store BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category