Sulu's Home

Directions

Sulu's Home Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sulu's Home, Tree Cutting Service, Jamur.
(1)

01/10/2026


available now...order for inbox.

সারা বছর অগনিত ফুল দেয় এই নয়ন তারা, দেখতে মাশাল্লাহ। বনসাই আকারে রাখা যায় ঝোপালো খুব সুন্দর লাগে দেখতে। নিতে চাইলে নক দি...
30/09/2026

সারা বছর অগনিত ফুল দেয় এই নয়ন তারা, দেখতে মাশাল্লাহ। বনসাই আকারে রাখা যায় ঝোপালো খুব সুন্দর লাগে দেখতে। নিতে চাইলে নক দিন।ধন্যবাদ।

29/09/2026

শীতকালে এডেনিয়ামে খুব কম পানি দিতে হবে। মাটি একদম শুকিয়ে গেলে তবেই সামান্য পানি দিন।অতিরিক্ত পানি দিলে গাছের শেকড় ও কড...
28/09/2026

শীতকালে এডেনিয়ামে খুব কম পানি দিতে হবে। মাটি একদম শুকিয়ে গেলে তবেই সামান্য পানি দিন।অতিরিক্ত পানি দিলে গাছের শেকড় ও কডেক্স (caudex) পচে যেতে পারে।গাছের পাতায় বা কোডেক্সে দীর্ঘক্ষণ পানি বা কুয়াশা জমে থাকতে দেবেন না।
গাছটিকে এমন জায়গায় রাখুন যেখানে সারাদিন পর্যাপ্ত রোদ পায়। রোদ পেলে গাছ উষ্ণ থাকে এবং শীতের ধকল সহজে সামলাতে পারে।অতিরিক্ত ঠাণ্ডা ও কুয়াশা থেকে বাঁচাতে রাতেরবেলা গাছটি ঢাকা স্থানে বা ঘরের ভেতরে (যেখানে আলো-বাতাস আসে) রাখতে পারেন।
শীতকালে এডেনিয়ামের ডাল ছাঁটাই (pruning) বা টব বদল (repotting) করা থেকে বিরত থাকুন। এই সময়ে নতুন শেকড় গজাতে সমস্যা হয়।
শীতের আর্দ্রতা ও কুয়াশার কারণে গাছে ছত্রাক (fungus) ও মিলিবাগের আক্রমণ বেশি হয়।তাই ১৫ থেকে ২০ দিন অন্তর গাছের গোড়ায় ও পাতায় ভালো মানের ছত্রাকনাশক (যেমন: সাফ) স্প্রে করতে পারেন। পোকার আক্রমণ দেখলে কীটনাশক ব্যবহার করুন।
শীতঘুমে যাওয়ার কারণে এডেনিয়ামের পাতা হলুদ হয়ে ঝরে যেতে পারে। গাছের গোড়া পরিষ্কার রাখুন এবং ঝরে পড়া বা পচা পাতাগুলো টব থেকে সরিয়ে ফেলুন।

ক্যাপসিকাম বা মিষ্টি মরিচ সফলভাবে চাষ করার জন্য উর্বর মাটি তৈরি, সঠিক পরিচর্যা এবং সময়মতো রোগবালাই দমন অত্যন্ত জরুরি। নি...
28/09/2026

ক্যাপসিকাম বা মিষ্টি মরিচ সফলভাবে চাষ করার জন্য উর্বর মাটি তৈরি, সঠিক পরিচর্যা এবং সময়মতো রোগবালাই দমন অত্যন্ত জরুরি। নিচে এ বিষয়ে বিস্তারিত দেওয়া হলো:

ক্যাপসিকাম লাগানোর মিডিয়া বা মাটি তৈরি
ক্যাপসিকাম গাছের বৃদ্ধির জন্য ঝুরঝুরে ও সুনিষ্কাশিত মাটি প্রয়োজন। টব বা ড্রামে লাগানোর জন্য মাটির মিশ্রণ তৈরি করার নিয়ম:

দোআঁশ বা বেলে-দোআঁশ মাটি: ৫০ ভাগ ভালো মানের মাটি।
জৈব সার: ৩০ ভাগ পচা গোবর বা ভার্মিকম্পোস্ট (কেঁচো সার)।
নরম ও হালকা উপাদান: ২০ ভাগ কোকোপিট (নারিকেলের ছোবড়ার গুঁড়ো) বা পরিমাণমতো বালু, যা মাটিতে পানি জমতে দেয় না কিন্তু আর্দ্রতা ধরে রাখে।
অতিরিক্ত পুষ্টি: মাটির সাথে সামান্য পরিমাণ টিএসপি, হাড়ের গুঁড়ো এবং নিমকুড়ো মিশিয়ে ২-৩ দিন রেখে দিলে মাটি শোধন ও উর্বর হয়।
গাছের পরিচর্যা
আলো ও তাপমাত্রা: ক্যাপসিকাম গাছ রোদ পছন্দ করে, তবে প্রখর ও তীব্র রোদ সহ্য করতে পারে না। তাই ছাদ বা বারান্দায় এমন জায়গায় রাখুন যেখানে ৫-৬ ঘণ্টা হালকা রোদ পায়।

পানি সেচ: মাটিতে সবসময় পরিমিত আর্দ্রতা রাখবেন। তবে অতিরিক্ত পানি বা জলাবদ্ধতা যেন না হয়, কারণ এতে শিকড় পচে যায়। মাটি শুকিয়ে এলে তবেই পানি দিন।
খুঁটি দেওয়া: গাছ বড় হয়ে ফুল ও ফলের ভারে হেলে পড়তে পারে, তাই একটি ছোট লাঠি বা বাঁশের কঞ্চি দিয়ে গাছ বেঁধে বা সাপোর্ট দিয়ে রাখবেন।
আগাছা দমন: টবের মাটি পরিষ্কার রাখুন এবং নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার করুন।

প্রয়োজনীয় ওষুধ ও সার ব্যবস্থাপনা
জৈব ও রাসায়নিক সার: চারা লাগানোর ২০ দিন পর থেকে ১৫ দিন অন্তর হালকা জৈব সার বা তরল সার দিতে পারেন। ফুল ও ফল আসার সময় পটাশিয়াম ও বোরন সার প্রয়োগ করলে ফুল ঝরে পড়া কমে এবং ফল শক্ত হয়।

পোকামাকড় ও রোগবালাই এবং ওষুধ:
জাব পোকা ও সাদা মাছি: ক্যাপসিকাম গাছে রস চোষক পোকার আক্রমণ বেশি হয়, যার ফলে পাতা কুঁকড়ে যায়। প্রতিকারের জন্য নিয়মিত নিম তেল (Neem Oil) পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। আক্রমণ বেশি হলে ইমিডাক্লোপ্রিড জাতীয় কীটনাশক ব্যবহার করা যেতে পারে।
ছত্রাকজনিত রোগ: পাতা ও ফল পচা রোগ বা দাগ দেখা দিলে ম্যানকোজেব (Mancozeb) বা কপার অক্সিক্লোরাইড জাতীয় ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে নিয়ম করে দিতে পারবেন।

স্নেক প্লান্ট এর মিডিয়া সহ পরিচর্যাআজ বলবো স্নেকপ্লান্ট এর বিষয়  কি কি করতে হয়।আদর্শ মাটি বা মিডিয়া তৈরিস্নেক প্লান্টের...
28/09/2026

স্নেক প্লান্ট এর মিডিয়া সহ পরিচর্যা
আজ বলবো স্নেকপ্লান্ট এর বিষয় কি কি করতে হয়।

আদর্শ মাটি বা মিডিয়া তৈরি

স্নেক প্লান্টের শিকড় পচে যাওয়া রোধ করতে এমন মাটি তৈরি করতে হবে যা পানি জমিয়ে রাখে না।

দোআঁশ মাটি: ৪০ ভাগ সাধারণ দোআঁশ বা বেলে-দোআঁশ মাটি।

বালি: ৩০ ভাগ মোটা দানার বালি বা পার্লাইট (যা পানি দ্রুত নিষ্কাশন করতে সাহায্য করে)।

জৈব সার: ২০ ভাগ ভালোভাবে পচা গোবর সার বা ভার্মিকম্পোস্ট।

অন্যান্য: ১০ ভাগ কোকোপিট (সামান্য আর্দ্রতার জন্য) এবং সামান্য কাঠের কয়লার গুঁড়ো বা ইটের খোয়ার টুকরো। [1]

আলো ও তাপমাত্রা

আলো: স্নেক প্লান্ট উজ্জ্বল কিন্তু পরোক্ষ আলোতে সবচেয়ে ভালো বাড়ে। তবে এটি কম আলো বা ইনডোর পরিবেশেও টিকে থাকতে পারে। সরাসরি কড়া রোদে এটি রাখবেন না।

তাপমাত্রা: ১৫° থেকে ৩০° সেলসিয়াস (৬০°-৮৫° ফারেনহাইট) তাপমাত্রা এই গাছের জন্য আদর্শ। অতিরিক্ত ঠাণ্ডা বা তুষারপাত এই গাছের ক্ষতি করে।

পানি দেওয়ার নিয়ম

নিয়ম: গাছের মাটির ওপরের ২ থেকে ৩ ইঞ্চি অংশ সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেলে তারপরই কেবল পানি দিন।

শীতকাল: শীতকালে গাছের বৃদ্ধি ধীর থাকে, তাই মাসে মাত্র ১ বার বা মাটি সম্পূর্ণ শুকনো দেখলে পানি দিন।

সতর্কতা: অতিরিক্ত পানির কারণে স্নেক প্লান্টের শিকড় পচে পাতা হলুদ ও নরম হয়ে যেতে পারে। টবের নিচে ভালো ড্রেনেজ বা পানি বের হওয়ার ছিদ্র থাকা আবশ্যক।

সার ও অন্যান্য যত্ন

সার প্রয়োগ: বসন্ত ও গ্রীষ্মকালে (বৃদ্ধি বেশি হয় যখন) মাসে একবার পাতলা তরল জৈব সার বা ব্যালেন্সড হাউজপ্লান্ট ফার্টিলাইজার দিতে পারেন। শীতে সার দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

পাতা পরিষ্কার: নরম ভেজা কাপড় দিয়ে পাতার ওপর জমে থাকা ধুলাবালি মাঝে মাঝে মুছে ফেলুম।

21/09/2026

Zohad Ahmed Nayem

গাছ প্রেমিদের জন্য খাজানা চলে এসেছে 🤩নিতে হলে নক করবেন।
20/09/2026

গাছ প্রেমিদের জন্য খাজানা চলে এসেছে 🤩
নিতে হলে নক করবেন।

Address

Jamur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sulu's Home posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share