Civil engineers problem

Civil engineers problem Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Civil engineers problem, Structural Engineer, Hat Naogaon.

সাব-স্টেশন সম্পর্কিত ২০টি গুরুত্বপূর্ণ টেকনিক্যাল প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হলো:---*১. সাব-স্টেশন কী?উত্তর: সাব-স্টেশন হলো এম...
27/06/2025

সাব-স্টেশন সম্পর্কিত ২০টি গুরুত্বপূর্ণ টেকনিক্যাল প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হলো:

---

*১. সাব-স্টেশন কী?
উত্তর: সাব-স্টেশন হলো এমন একটি স্থাপনা যেখানে বিদ্যুৎকে ট্রান্সফর্ম, কন্ট্রোল ও ডিস্ট্রিবিউশন করা হয়।

*২. সাব-স্টেশনে মূলত কোন ভোল্টেজ রেঞ্জ কাজ করে?
উত্তর: সাধারণত 11kV থেকে 0.415kV পর্যন্ত।

*৩. ট্রান্সফরমারের কাজ কী?
উত্তর: ভোল্টেজকে পরিবর্তন করা — হাই থেকে লো বা লো থেকে হাই।

*৪. CT ও PT এর পার্থক্য কী?
উত্তর: CT কারেন্ট মাপে, PT ভোল্টেজ মাপে।

*৫. VCB কী এবং কোথায় ব্যবহার হয়?
উত্তর: Vacuum Circuit Breaker, 11kV বা তার বেশি ভোল্টেজ লাইন ব্রেকিং-এ ব্যবহৃত হয়।

*৬. LBS মানে কী?
উত্তর: Load Break Switch — এটি লোড সহ লাইন অন-অফ করতে পারে।

*৭. PFI প্যানেল কী কাজে লাগে?
উত্তর: Power Factor উন্নয়নে সহায়তা করে, ক্যাপাসিটার ব্যাংকের মাধ্যমে।

*৮. SF6 সার্কিট ব্রেকার কী?
উত্তর: এটি SF6 গ্যাস দিয়ে আরক কন্ট্রোল করে, হাই ভোল্টেজের জন্য উপযুক্ত।

*৯. সিস্টেম আর্থিং কেন জরুরি?
উত্তর: সেফটি ও ফল্ট কারেন্ট নির্গমনের জন্য।

*১০. LA (Lightning Arrester) কী?
উত্তর: বজ্রপাত বা সার্জ থেকে সিস্টেমকে রক্ষা করে।

*১১. MDB ও SDB কী?
উত্তর: MDB (Main Distribution Board), SDB (Sub Distribution Board) — পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ড।

*১২. RMU কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
উত্তর: Ring Main Unit, ফিডার কন্ট্রোল ও ব্যাকআপের জন্য।

*১৩. Busbar কেন ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: বিভিন্ন লোডে বিদ্যুৎ সাপ্লাইয়ের জন্য একধরনের কন্ডাক্টর।

*১৪. ONAN ট্রান্সফরমার কী?
উত্তর: Oil Natural Air Natural কুলিং সিস্টেম যুক্ত ট্রান্সফরমার।

*১৫. ফায়ার এক্সটিংগুইশার কোথায় থাকে?
উত্তর: ট্রান্সফরমার ও প্যানেল রুমে বাধ্যতামূলক থাকে।

*১৬. ক্যাবলের টাইপ ও সাইজ কীভাবে নির্ধারণ হয়?
উত্তর: লোড, দূরত্ব ও নিরাপত্তা অনুযায়ী।

*১৭. কিভাবে সাব-স্টেশনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়?
উত্তর: Proper earthing, fencing, signage ও protection device দিয়ে।

*১৮. DG ও সাব-স্টেশন একসাথে চালানো কি যায়?
উত্তর: ATS এর মাধ্যমে সঠিকভাবে চালানো যায়।

*১৯. Sub-station এর মেইন্টেন্যান্স কিভাবে হয়?
উত্তর: নির্ধারিত সময়ে oil level, breaker test, earthing check ইত্যাদি করতে হয়।

*২০. সোলার সাব-স্টেশন কি সম্ভব?
উত্তর: হ্যাঁ, হাই ক্যাপাসিটি সোলার ইনভার্টার ও ব্যাটারির মাধ্যমে সাব-স্টেশন চালানো সম্ভব।

26/06/2025

Celebrating my 3rd year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

প্রশ্নঃপাঙাশ মাছ খেতে নিষেধ করা হয় কেন? পাঙাশ মাছ খেলে কী হয়?উত্তর: পাংগাস মাছ একটি অত্যন্ত সুস্বাদু তেল জাতীয় মাছ। এর প...
29/06/2022

প্রশ্নঃপাঙাশ মাছ খেতে নিষেধ করা হয় কেন? পাঙাশ মাছ খেলে কী হয়?

উত্তর: পাংগাস মাছ একটি অত্যন্ত সুস্বাদু তেল জাতীয় মাছ। এর পুষ্টির মান অতি উচ্চ। ওমেগা থ্রি ও সিক্স দুটোই ভালো পরিমানে পাওয়া যায়। ওমেগা সিক্সের চেয়ে ওমেগা থ্রি ভালো বেশি। পাংগাস নিয়মিত খান। আমিষ, ওমেগা থ্রি, চোখের জন্য উপকারী মিনারেল সব পাবেন পাংগাস মাছে।

তেল জাতীয় সব মাছ স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। রুই মাছের চেয়ে পাংগাস মাছ দামে কম কিন্তু পুষ্টিতে বেশি। ইলিশ মাছ, পাংগাস মাছ এসব মাছে তেল থাকে অনেক। তাই এই মাছগুলো স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ করে হার্টের জন্য অনেক উপকারী। মাছের তেল সাধারন তেল নয়। এই তেল খেলে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। তাই বেশি বেশি তেলযুক্ত মাছ খান তবে অবশ্যই সেটা যেনো মোটা হওয়ার কারন না হয় সেটা লক্ষ্য রেখেই খান।

পাংগাস মাছ খেতে কেউ কেউ নিষেধ করে এর চাষের প্রক্রিয়ার কারণে। ময়লা পানিতে পাংগাস মাছ হয় এমন একটা মিথ্যা তথ্য দিয়ে পাংগাস মাছের পুষ্টি থেকে বঞ্চিত করার চক্রান্ত করছে ।
রুই, কাতল অন্যান্যও মাছ অবশ্যই ভালো তবে পাংগাস মাছ আরো ভালো পুষ্টিকর মাছ। নোংরা জায়গায় অন্যসব মাছও হতে পারে, তেলাপিয়াও চাষ হতে পারে তাই বলে মাছ খাওয়া বন্ধ করবো? পাংগাস পুকুরে চাষ করা হয় এবং ভালো খাবার খেয়ে বেড়ে উঠে। শুধু শুধু ব্যবসা নষ্ট করতে মাছ ব্যবসায়ীরা একটা ভুয়া তথ্য দিয়ে ক্রেতাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে।

তাছাড়া যে কোন মাছ যখন ভালোভাবে পরিষ্কার করে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রান্না করা হবে মাছের মধ্যে খারাপ কিছু থাকলে সব ধ্বংস হয়ে যায়। তাই নিশ্চিন্তে পাংগাস মাছ খান।

©_____ 20 Minute Medical

সাইট ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য দরকারি সব প্রশ্নের উওর:..............................................................১। Specifi...
26/06/2022

সাইট ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য দরকারি সব প্রশ্নের উওর:..............................................................
১। Specification কি?
উ: কি ভাবে, কি অনুপাতে কাজ করতে হবে তার বিস্তারিত বিবরণ যে নির্দেশিকায় লেখা থাকে তাকে specification বলে।
২।সিডিউল কি?
উ:যে নির্দেশিকায় specification, BOQ ও রেট লেখা থাকে তাকে সিডিউল বলে।
৩।project lauch করতে হলে কি কি দরকার হয়?
উ:ড্রইং, ডিজাইন,জায়গা,ডিসিশন, লোকবল ও মালামালের দরকার হয়।
৪। Method of procurement কত প্রকার ও কি কি?
উ:৬ প্রকার, যথা-
Open tendering method ( OTM)
Restricted tendering method (RTM)
Request for quotation method(RFQM)
Direct procurement method(DPM)
Two stage tendering method (TSTM)
Internal tendering method(ITM)
৫।লে আউট কি?
উ:ড্রয়িং সিটে যে ড্রইং করা আছে তা হুবহ মাঠে সেট করাকে লে আউট বলে।
৬।গ্রিড লাইন কাকে বলে?
উ:কাজ করার সুবিধার জন্য ড্রইং এ নির্দিষ্ট দূরে দূরে উওর -দক্ষিণ ও পূর্ব পশ্চিমে যে রেখাগুলো টানা হয় তাকে গ্রিড লাইন বলে।
৭।সেন্টার লাইন কাকে বলে?
উ:যে রেখা কলাম বা ফুটিং এর ঠিক মাঝ বরাবর টানা হয় তাকে সেন্টার লাইন বলে।
৮.একটি কলাম ফুটুং এর কোন স্থানে বসবে?
উ:কলামের সেন্টার লাইন ও ফুটিং এর সেন্টার লাইন অবশ্যই একই বিন্দুতে থাকতে হবে। বিশেষ কোন কারণ ছাড়া এর ব্যতিক্রম হতে পারবে না।
৯।layout করার সময় মাটাম পরীক্ষা কিভাবে করা হয়?
উ:প্রতি কর্ণারে সুতার সাহায্যে একটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি করতে হবে। যার দুই বাহুর পরিমাপ যথাক্রমে ৩' ও ৪' এবং এর অতিভুজের পরিমাপ ৫'। এর সাহায্যে প্রত্যেক কর্ণারে ৯০ ডিগ্রি সেট করা যাবে ।
১০।পাইল লে আইট কিভাবে করতে হয়?
উ: বিল্ডিং লে আউট ফাইনাল করার পর পাইল লে আউট দিতে হবে। ড্রইং অনুসারে পাইল পয়েন্ট দিতে হবে। পাইল পয়েন্ট ঠিক রাখার জন্য প্রতি পয়েন্ট এ একটি করে ৮মিমি/১০ মিমি রড ১ ফুট পরিমাণ ফুঁতে দিতে হবে। রডটির ১ বা ১.৫" বাহির করে গোড়ায় সামান্য পরিমাণ ঢালাই করে দিতে হবে। যাতে পাইল পয়েন্ট দুরে সরে না যায়।
১১।১৮" ডায়া পাইল এ কতটুকু চিসেল ব্যবহার করতে হবে?
উ: ১৬" ডায়া চিসেল ব্যবহার করতে হবে।
১২। যে পাইপ দিয়ে পাইল ঢালাই করা হয় তার নাম কি?
উ: ত্রিমি পাইপ
১৩।ত্রিমি পাইপের ডায়া কত?
উ: ৬" থেকে ৭"
১৪। কত সময় বোরিং ওয়াস করতে হবে?
উ:কমপক্ষে আধাঘন্টা বা যতক্ষণ পানিতে কাদা আসে ততক্ষণ বোরিং ওয়াস করতে হবে।
১৫।প্রত্যেকটি পাইলে মাটির নিচে রডের মাথা কিভাবে একই সমানে রাখাযাবে?
উ:প্রজেক্টে এর সুবিধামত জায়গায় ২' উচ্চতা বিশিষ্ট একটি লেভেলিং পিলার তৈরি করতে হবে এর ভিত্তিতে ওয়াটার পাইপ বা লেভেলিং মেশিনের সাহায্যে ক্যাসিং পাইপের মাথায় লেভেল দিতে হবে। পাইলিং রডের খাচার মধ্যে একটি ১০ মিমি ব্যাসের রডের হুক লাগিয়ে লেভেলের পরিমাপ মত একটি রড ক্যাসিং পাইপের মাথায় হুক করে লাগাতে হবে।
১৬।এগ্রিগেট হিসাবে পাইলে কি ব্যবহার করা হয় এবং অনুপাত কত?
উ:পাইল এগ্রিগ্রেড হিসাবে stone chips/singles ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ইহার অনুপাত সাধারণত 1:1.5:3 হয়ে থাকে।
১৭। কাট অফ লেভেলে কেন কম রেশিং তে কাস্টিং করা হয়?
উ: কাস্টিং করার পর কাট লেভেল ভেঙ্গে ফেলতে হয়, সেজন্য কম রেশিও তে অর্থাৎ ১:২:৪ বা ১:৩:৬ অনুপাতে কাস্টিং করতে হয়।
১৮। একটি পাইল বোরিং করার পর কতটুকু দুরে পরের পাইলটি করা যেতে পারে?
উ: একটি পাইল হতে আরেকটি পাইলের ডিসট্যান্স মিনিমাম ৬' হতে হবে, বেশি হলে আরও ভাল হয়।
১৯।একদিনে একটি মেশিনে সাধারণত কয়টি পাইল করতে পারে?
উ: ৫০ ফুটের নিচে হলে তিনটা এবং এর উপরে হলে দুইটা করা যেতে পারে।
২০। পাইলের ভারবহন ক্ষমতা বলতে কি বোঝায়?
উ: একটি পাইল প্রতি বর্গফুটে যত টুকু ভার নিরাপদে বহন করতে পারে, তাকে পাইলের ভারবহন ক্ষমতা বলে।
২১।ফুটিং এর মাটি কাটার পূওর্বে একজন সাইট ইঞ্জিনিয়ারকে কি চিন্তা করতে হবে?
উ: যে ফুটিং এর গভীরতা বেশি সেই ফুটিং এর মাটি আগে কাটতে হবে, এবং মাটির অবস্থা দেখে সেফটির ব্যবস্থা নিতে হবে।
২২।শোরিং কি?
উ: রাস্তা বা নেওলের মাটি কে বাঁধা দেওয়ার জন্য ইহার দুইপাশে খাড়া ভাবে কাঠের তক্তা ব্যবহার করা হয়, একে শোরিং বলে।
২৩। ফেরু - সিমেন্ট কি?
উ: Expended metal বা coil rod দিয়ে খাচা তৈরি করে এর উপর সিমেন্ট ও সিলেট স্যান্ড দিয়ে হালকা কাস্টিং করাকে ফেরু সিমেন্ট বলে। ইহা সাধারণত ১" -২" পর্যন্ত ওয়াল থিকনেস তৈরির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ইহা সাধারণত ছাদের উপরে পানির ট্যাংক হিসাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
২৪।ব্লিডিং কি ও লেটেন্স কি?
উ: কংক্রিট হতে সিমেন্ট থিতিয়ে পড়াকে ব্লিডিং বলে। ইহার ফলে কংক্রিট এ হানিকম ও হেয়ার crack দেখা দিতে পারে।
আর কংক্রিটে ওয়াটার সিমেন্ট রেশিও বেশি হলে, কখনও কখনও ঢালাইয়ের উপরের অংশে ফেনার মত দেখা যায়, একে লেটেন্স বলে।
২৫। slump cone ও cylinder এর সাইজ কত?
উ: স্লাম্প কোন এর উপরের মাথা ৪", নিচের মাথা ৮" এবং উচ্চতা
১২" আর সিলিন্ডারের সাইজ ৪" ডায়া, ৮" লম্বা।
২৬। সিমেন্টের কয়েকটি টেস্ট এর নাম বল?
উ:
* compressive strength
* Bonding strength
* intial setting time
* Final setting time
* Finess test ইত্যাদি।
২৭।একই লেভেলে কতটুকু ল্যাপিং দেয়া যাবে?
উ: একই লেভেলে ২৫% এর বেশি ল্যাপিং দেয়া যাবে না।
২৮।সেপারেটর হিসাবে কত ইঞ্চি ডায়া রড ব্যবহার করতে হবে?
উ: ২৫ মিমি ডায়া রড।
২৯। সানশেড এর বাউন্ডার রড, মেইন রডের কোন দিকে দিতে হয়?
উ: বাইন্ডার মেইন রডের নিচে দিতে হয়।
আর রিটেইনিং ওয়াল ও শিয়ার ওয়ালের ক্ষেত্রে মেইন রডের বাহিরে বাইন্ডার দিতে হয়।
৩০। কংক্রিটের শক্তির উপর অনুপাতের কোন প্রভাব আছে?
উ: হ্যাঁ আছে।
১:২:৪ অনুপাতে 3000 psi এবং ১:১.৫:৩ অনুপাতে 3500 psi চাপশক্তি পাওয়া যায়।
৩১.এক গ্যালন পানির ওজন কত?
উ: ১০ পাউন্ড বা ৪.৫ কেজি।
৩২.এক পাউন্ড সমান কত কেজি?
উ: ০.৪৫ কেজি।
৩৩.১ ঘনমিটার কত ঘনফুট?
উ: ৩৫.২৮ ঘনফুট।

খুব সহজে করুন সিড়ির ড্রয়িং থেকে এস্টিমেটঃ   =========================  একটি সিড়ির ম্যাটেরিয়ালস এর পরিমান নির্নয় করতে কয়ে...
25/06/2022

খুব সহজে করুন সিড়ির ড্রয়িং থেকে এস্টিমেটঃ ========================= একটি সিড়ির ম্যাটেরিয়ালস এর পরিমান নির্নয় করতে কয়েকটি ধাপ অনুসরন করতে হয় কারন সিড়ির কম্পোনেন্ট গুলো সব ই ভিন্ন ভিন্ন সাইজের।তাই সব গুলো জিনিস আলাদা আলাদা ভাবে হিসেব করতে হবে। . ধাপ গুলো হলোঃ ১/ বেড বা Waist slab ২/ ল্যানডিং এরিয়া ৩/লবি ৪/ ট্রেড ও রাইস . Waist slab Estimation: ================== Data, ট্রেডের লেনথ = 3.5’ ট্রেডের উইডথ (Width/চওড়া) = 10” রাইসারের উচ্চতা = 6” ট্রেডের সংখ্যা = 11 রাইসের সংখ্যা=12 . ওয়েস্ট স্ল্যাব এর লেনথ = √(〖(10x11)〗^2+〖(6x12)〗^2 ) =10.92’ . কনক্রিট ভলিউম=10.92x3.5x0.5x2 =38.22cft . ল্যান্ডিংঃ ======= ল্যান্ডিং এর কনক্রিট ভলিউম= Length x Breadth x Depth = 7.5x4x0.5 = 15cft . লবি ======= লবির এর কনক্রিট ভলিউম = Length x Breadth x Depth = 7.5x3’10”x0.5 x2 = 28.72cft . Trade & Rise : ============== প্রতিটি স্টেপ এর ভলিউম = 1/2 x Base x Height x Depth (যেহেতু স্টেপ গুলো ত্রিভুজাকার) =0.5x10”x6” x3.5' =0.729 cft . মোট স্টেপ্স = 22 টি স্টেপ এর মোট কনক্রিট ভলিউম = 22 x 0.729=16.04 cft . সুতরাং মোট কনক্রিট = 38.22cft +15cft +28.72cft +16.04 cft =97.98 cft . ওয়েট ভলিউম = 1.5x 97.98 =146.97 cft . ৫ তলা বিল্ডিং এর জন্য =146.97 cft x 5 story =734.860cft . Let,Ratio= 1:1.5:3 . Total materials quantity, Cement= 1/5.5x734.860 cft =146.97 cft =118 bag . Sand= 1.5/5.5x734.860 cft =2240.45 cft . Brick Chips Volume=3/58x734.860 cft=440.91 cft =3970 nos brick .সংগ্রহ Design integrity

((সিমেন্ট))----------------------------------------------------------------------------------------ক.     সিমেন্ট কি?খ. ...
24/06/2022

((সিমেন্ট))
----------------------------------------------------------------------------------------

ক. সিমেন্ট কি?
খ. সিমেন্ট কত প্রকার কী কী?
গ. মাঠ পর্যায়ে সিমেন্টের পরীক্ষা
পদ্ধতি কী কী?
ঘ. ল্যাবরেটরিতে সিমেন্টের পরীক্ষা
কী কী?
ঙ. পোর্টল্যান্ড সিমেন্টের অম্ল ও
ক্ষারকীয় উপাদানের তালিকা
তৈরি কর।
চ. OPC ও PCC সিমেন্টের পার্থক্য কী কী?
ছ. বিভিন্ন প্রকার পোর্টল্যান্ড
সিমেন্টের ব্যবহার।
জ. বাংলাদেশে উৎপাদিত কয়েকটি
পোটল্যান্ড সিমেন্টের নাম।
ঝ. অতি সংক্ষিপ্ত ১-২০ পর্যন্ত।

উত্তর:::-----

ক. সিমেন্ট কি
উত্তরঃ - সিমেন্ট হল সেই সকল গুঁড়া
জাতীয় পদার্থের সাধারণ নাম,
যাদেরকে পানি বা অন্য কোন তরলের
সাথে মিশ্রিত করলে কাদার মত নমনীয়
পদার্থ পাওয়া যায় এবং তা কিছু
সময়ের মধ্যে জমে গিয়ে বিভিন্ন
দৃঢ়তার শক্ত পদার্থ গঠন করে। প্রায় সকল
ধরনের প্রকৌশল কাজেই সিমেন্টের
ব্যবহার হয়ে থাকে।এর সাহায্যে কাজ
করা সহজ এবং কাজের
স্হায়িত্বশীলতাও অধিক। কাজের ধরন ও
মান অনুযায়ী সিমেন্ট পাওয়া যায়।

খ. প্রকারভেদ :-
উত্তরঃ - সিমেন্ট প্রধানত দুই প্রকার
যথা :
১।প্রাকৃতিক সিমেন্ট
২।কৃত্রিম সিমেন্ট
প্রাকৃতিক সিমেন্ট :- ২৫% থেকে ৪০%
কর্দম এবং বাদ বাকি কার্বনেট অব
লাইমযুক্ত প্রাকৃতিক চুনাপাথর পুড়িয়ে
এবং মিহি পাউডারে চূর্ণ করে
প্রাকৃতিক সিমেন্ট পাওয়া যায়।
কৃত্রিম সিমেন্ট :-চুনা পাথরের সাথে
সঠিক অনুপাতে মাটি মিশিয়ে গুঁড়া
করা হয় এবং মিশ্রণকে চুল্লিতে উত্তপ্ত
করলে ক্লিঙ্কারে পরিণত হয়।এ
ক্লিঙ্কার মিহি করে গুঁড়া করলে
কৃত্রিম সিমেন্ট পাওয়া যায়।বিভিন্ন
ধরণের কৃত্রিম সিমেন্টের মধ্যে
পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট বেশি ব্যবহৃত হয়।

গ. মাঠ পর্যায়ে সিমেন্টের পরীক্ষা
পদ্ধতি গুলো :-
১।সিমেন্টের বস্তায় হাত দিলে
ঠান্ডা অনুভূত হলে সিমেন্ট ভালো।
২।পানিতে মুঠোবদ্ধ সিমেন্ট ফেললে
ডুবে গেলে ভালো সিমেন্ট।
৩।দু'আঙ্গুলের মাঝে নিয়ে ঘষলে,
মিহি পাউডার মনে হলে সিমেন্ট
ভালো।
৪।সিমেন্ট মুঠোতে জড়ো করলে, জড়ো
হয়ে থাকলে সিমেন্ট ভালো।

ঘ. ল্যাবরেটরিতে সিমেন্টের যে
পরীক্ষা করা হয়ে থাকে:-
১।Setting time test
২।Soundness test
৩।Fineness test
৪।Tensile strength test
৫।Compressive strength test
৬।Chemical composition test

ঙ. পোর্টল্যান্ড সিমেন্টের অম্ল ও
ক্ষারকীয় উপাদানের তালিকা হলো:-
১।ক্যালসিয়াম অক্সাইড - ৬৩%
২।সিলিকা-২২%
৩।অ্যালুমিনা - ৭%
৪।আয়ন অক্সাইড - ৩%
৫।ম্যাগনেশিয়াম অক্সাইড - ৫।ম্যাগনেশিয়াম অক্সাইড - ২%
৬।সালফার ট্রাই - অক্সাইড - ২%
৭।ক্ষারকীয় পদার্থ - ১%

চ. OPC এবং PCC সিমেন্টের পার্থক্য
আলোচনা করা হলো।
১। OPC - Ordinary Portland Cement.
২।OPC সিমেন্টে ক্লিংকারের
পরিমাণ ৯৫-১০০ শতাংশ থাকে।
৩।এতে জিপসাম ০-৫ শতাংশ।
৪।OPC সিমেন্টে ফ্লাই এ্যাশ, লাইম
স্টোন ইত্যাদি থাকে না।
৫।OPC সিমেন্ট ঢালাই কাজে বহুল
পরিমাণে ব্যবহার হয়।
৬।PCC এর চাইতে OPC সিমেন্টের
কমপ্রেসিভ স্টেন্থ বেশি আসে।
৭।এই সিমেন্টে ২৮ দিনে পূর্ণ শক্তি
অর্জন করতে পারে।
৮।এই সিমেন্টের সেটিং টাইম দ্রুত
তাই নির্দিষ্ট সময় পর শাটারিং খুলতে
কোন সমস্যা হয়না।

১।PCC - Portland Composite Cement
২।PCC সিমেন্টে ক্লিংকারের
পরিমাণ ৬৭-৭৯ শতাংশ।
৩। জিপসামের পরিমাণ ২-৭ শতাংশ।
৪।PCC সিমেন্টে ফ্লাই এ্যাশ,লাইম
স্টোন ২১-৩৫ শতাংশ।
৫।গাঁথুনিও প্লাস্টারের কাজে
ব্যাপকভাবে এই সিমেন্ট ব্যবহার হচ্ছে।
৬।এই সিমেন্ট ঢালাই কাজেও ব্যবহার
করা হয়,কিন্তু একই অনুপাতে OPC এর
চাইতে PCC এর কম্প্রেসিভ স্ট্রেন্থ কম
আসে।
৭।২৮ দিনে PCC পূর্ণ শক্তি অর্জন করতে
পারে না, এতে ২৮ দিনের বেশি সময়
লাগে।

ছ.

বিভিন্ন প্রকার পোর্টল্যান্ড
সিমেন্টের ব্যবহার নিম্নে আলোচনা
করা হলো
১।High early strength portland cement - দ্রুত
জমাট বাঁধার জন্য।
২। Clay cement - সামুদ্রিক নির্মাণ
কাজে।
৩।Colour cement - বিভিন্ন মোজাইক
কাজে তথা বিভিন্ন সৌন্দর্যবর্ধক
কাজে।
৪।Aluminous cement - ২৪ ঘন্টায় শতকরা ৭৫%
শক্তি অর্জন করে।
৫।Pazzolanic silica cement - অগ্নি
প্রতিরোধক পৃষ্ঠ নির্মাণে।
৬।White cement - মোজাইক, সুইমিং পুল,
গোসলখানা ইত্যাদিতে অলংকার মূলক
সৌন্দর্যবর্ধক কাজে।

জ. বাংলাদেশে উৎপাদিত কয়েকটি
সিমেন্টের নাম হলো:-
১।স্ক্যান সিমেন্ট
২।হোলসিম সিমেন্ট
৩।সেভেন রিংস সিমেন্ট
৪।শাহ সিমেন্ট
৫।বসুন্ধরা সিমেন্ট
৬।প্রিমিয়ার সিমেন্ট
৭। আনোয়ার সিমেন্ট
৮। আকিজ সিমেন্ট
৯।মেট্রোসেম সিমেন্ট
১০।ক্রাউন সিমেন্ট

অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন


১।শুষ্ক পদ্ধতিতে সিমেন্ট তৈরির জন্য
উপাদানসমূহের মিশ্রণকে 'র - মিক্স'
বলে।
২।Ordinary portland cement এর Initial setting
time ৩০ মিনিট।
৩। Ordinary portland cement এর final setting time
১০ ঘন্টা।
৪। প্রতি ব্যাগ হোয়াইট সিমেন্টের ওজন
৪০কেজি।
৫।সিমেন্টের এক বস্তার উপর এক বস্তা
এরূপে ১০ বস্তার অধিক রাখা যাবে
না।
৬।উৎপাদনের তিন মাস পরে সিমেন্ট
কাজে লাগালে জমাটবদ্ধতার সময় ও
শক্ততা ২% হ্রাস পায়।
৭।এক ঘনমিটার সিমেন্টের ওজন ১৪৪০
কেজি/ঘনমিটার।
৮।এক ব্যাগ সিমেন্টের ওজন ৫০ কেজি।
৯।এক ব্যাগ সিমেন্ট ১.২২ cft।
১০।এক ঘনমিটার সিমেন্ট ৩০ ব্যাগ।
১১. সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়
পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট।
১২.সিমেন্ট তৈরির মূল উপাদান হলো
দুইটি - চুনজাত ও কাদাজাত।
১৩.সিমেন্ট শব্দটির উৎপত্তি রোমানস
থেকে।
১৪. সিমেন্টের জমাটবদ্ধতা ত্বরান্বিত
করে অ্যালুমিনা।
১৫.সিমেন্ট ২ টি পদ্ধতিতে তৈরি করা
হয়।
১৬.সিমেন্টের জমাটবদ্ধতা সময়
নিরাপণে ভাইকেট যন্ত্র ব্যবহার করা
হয়।
১৭. ড্যাম নিমার্ণে লো- হিট সিমেন্ট
ব্যবহার করা হয়।
১৮.পদ্মা সেতু নির্মাণে বসুন্ধরা
সিমেন্ট ব্যবহার হয়।
১৯.বরফ আচ্ছাদিত এলাকায় Air entraining
cement ব্যবহার হয়।
২০।শক্তিশালী নির্মাণ কাজে Ordinary
portlan ব্যবহার হয়।

 #কলাম ঢালাইআপনি যখন কোন নির্মাণ সাইটের একজন নতুন সাইট ইঞ্জিনিয়ার। তখন অপচয় রোধ করার জন্য আপনাকে একটু সচেতন হতে হবে। ধরু...
23/06/2022

#কলাম ঢালাই

আপনি যখন কোন নির্মাণ সাইটের একজন নতুন সাইট ইঞ্জিনিয়ার। তখন অপচয় রোধ করার জন্য আপনাকে একটু সচেতন হতে হবে। ধরুনআজ আপনার সাইটে মোট 15 টি কলাম ঢালাই দিতে হবে, যার সাইজ 20"x25" আর উচ্চতা 8'-3". উচ্চতা 5'-0" এর বেশি হলে দুই লিফটে ঢালাই করা উচিৎ।

রডের বর্ণনা ড্রইং এ দেওয়া আছে। অনুপাত হবে (1:1.5:3) পাথরের ঢালাই, সাথে 100% সিলেট বালি।

1. কলামের ক্ষেত্রে প্রথম আসে কলাম কিকার। গ্রীড লাইনের সুতার সাথে কলামের প্লেসমেন্ট ঠিক করে কিকার ঢালাই দিয়ে নিবেন। কিকারের ঢালাই অবশ্যই নিচ্ছিদ্র ও টাইট হতে হবে। পারলে কিকারের অংশের ভিতরে কলামে একটি রিং পরিয়ে ঢালাই দিবেন। কিকারের সাইজ মূল কলামের সাইজ হতে উভয় দিকে 6 মিঃমিঃ কম হবে।
2. পরের দিন কিকারের সাটার খুলে ফেলতে পারেন। তবে কিউরিংটা মিস করবেন না।
3. এইবার রড মিস্ত্রিকে ডেকে কলামের মেইন রড ও রিং গুলো বাধতে নির্দেশ দিন। তাকে ড্রইং মোতাবেক রড বাধতে সহায়তা করুন।
4. সাটার সেট করার আগে কিকারের ঢালাইয়ের আউট বরাবর চারপার্শ্বে ফোম লাগিয়ে নিন ডাকু গাম দিয়ে।
5. সাটার সেট করার আগেই আপনি কলামের রড, রিং, ল্যাপিং প্রভৃতি চেক করে নিবেন।
6. মিস্ত্রিরা সাটার সেট করার পর আপনাকে ডাকবে কলামের উল্লম্বতা চেক করার জন্য। আপনি ওলন কিংবা ইটের আধলা কিংবা ব্লক ঝুলিয়ে দিয়ে উল্লম্বতা চেক করবেন। সর্বচ্চ দুই মিঃমিঃ পর্যন্ত ছাড় দিতে পারেন।
7. এরপর কলামের টানা ও ঠেলা গুলো মজবুত আছে কিনা দেখে নিবেন। সাথে কলামের সাটার লিকেজ মুক্ত আছে কিনা দেখবেন। কলামের কভারিং ঠিক করে নিবেন।
8. ঢালাই দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিবেন। আগে থেকেই হিসাব করে নিবেন কতটুকু ঢালাই লাগবে।
= 15x1'-8"x2'-1"x8'-3" = 429.44 Cft মোট লাগবে।
এখন আপনি দেখুন (1:1.5:3) অনুপাতে এক লোড মসলা তৈরি করলে এর আয়তন হবে 4.583 Cft.
তাহলে আপনার লোড দরকার = 429.44/4.583
= 93.70 = 94 লোড।
এই অবস্থায় আপনি মিক্সার মেশিন চালনাকারীকে আপনার হিসাবটি বলুন। তিনি একটানা 85 লোড মসলা তৈরি করবেন। বাকিটা আপনি পরে হিসাব করে নিবেন।
কম বললাম কারন কলামের ভিতরে রড আছে, তাই ঢালাইয়ের আয়তন কমে যাবে।
9. ঢালাই টানার লেবারেরর গতির সাথে সম্পর্ক রেখে ঢালাই তৈরি করতে হবে। ঢালাই ঢালার আগে কলামের ভিতরে পানি স্প্রে করতে হবে। এবং কিছুক্ষন পরেই সিমেন্ট গ্রাউটিং ঢেলে দিতে হবে।
10. ঢালাই ঢালতে থাকবে আর পর্যায়ক্রমে ভাইব্রেটর করতে থাকবে। তবে শুধুমাত্র ঢালাই সমান হওয়া ও বাতাসের বুদবুদ বের হয়ে আসা পর্যন্তই ভাইব্রেটর করা উচিৎ। বেশিক্ষন ধরে রাখলে খোয়া নীচে চলে যাবে আর বালি, সিমেন্ট উপরে চলে আসবে।
11. একই ভাবে সমস্ত কলাম ঢালাই করবেন। ঢালাইয়ের সাথে সাথেই কলাম সোজা আছে কিনা চোখের নজরে ও ওলন দিয়ে দেখে নিবেন। ঢালাইয়ের পর কভারিং আবার দেখবেন।
12. 85 লোড তৈরি করার পর অবশিষ্ঠ কলামের পরিমাপ নিয়ে, আর কতলোড মসলা দরকার সেইটা আবার বলে দিবেন। তাহলে দেখবেন কোন অপচয় হবেনা।
13. পরের দিন সাটার খুলবেন না। 1 দিন সময় দিন শক্ত হতে। তবে সকালেই কলামের মাথার উপর পানির পাইপ দিয়ে পানি দিবেন।
14. তৃতীয় দিন সাটার খোলার পরে যদি দেখেন পরিস্কার একটা সারফেস হয়েছে। তখন আপনার নিজের কাছেই ভালো লাগবে। আমারোও ভালো লাগতো।
15. এরপর কলামের গায়ে চট পেচিয়ে কিউরিং করুন।

#সাবধানতা
1. ঢালাই শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরে পড়বেন না। তাহলে লেবাররা আপনাকে ফাসাইতে, কলামের ভিতরে মাটিও দিতে পারে।
2. কলামের ল্যাপিং এর রড উপর থেকে সরিয়ে দিয়ে, আপনার নামে বসের কাছে নালিশ করতে পারে।
3. ইচ্ছা করেই ভাইব্রেটর করবেনা। এবং ঢালাইয়ের পরেই সাটার বাকা করে দিবে ইত্যাদি। তবে সবাই সমান নয়।

 # আসুন প্রথমে যেনে নেওয়া যাক মাটি পরিক্ষা(Soil Test) কি?সয়েল টেস্ট’ এর বাংলা অর্থ হলো মাটি পরীক্ষা, তবে ইঞ্জিনিয়ারিং ভা...
23/06/2022

# আসুন প্রথমে যেনে নেওয়া যাক মাটি পরিক্ষা(Soil Test) কি?

সয়েল টেস্ট’ এর বাংলা অর্থ হলো মাটি পরীক্ষা, তবে ইঞ্জিনিয়ারিং ভাষায় স্থাপনা বা বিল্ডিং এর ভূনিন্মস্থ মাটির পরীক্ষা করাকে ‘সয়েল টেস্ট’ বা ‘সাব-সয়েল ইনভেস্টিগেশন’ বলে।

# আসুন এবার যেনে নেওয়া যাক কীভাবে খুব সহজেই Soil Test এর N ভেল্যু দেখে মাটির অবস্থান জানা যায়।

১/N এর value ২ এর চেয়ে কম হলে, বুঝতে হবে মাটি খুব নরম (Very Soft)। যার ভার বহন ক্ষমতা প্রতি বর্গমিটারে মাত্র ২ টন।

২/ N এর value ২ থেকে ৫ এর মধ্য হলে নরম (Soft) মাটি। যার ভারবহন ক্ষমতাও ২ থেকে ৫ টন প্রতি বর্গমিটারে (Ton/Sqm)।

৩/ N এর value ৫ থেকে ৯ এর মধ্য হলে কম নরম (Mrdium) মাটি। যার ভারবহন ক্ষমতাও ৫ থেকে ১০ টন প্রতি বর্গমিটারে (Ton/Sqm)।

৪/N এর value ৯ থেকে ১৭ এর মধ্য হলে শক্ত (Stiff) মাটি। যার ভারবহন ক্ষমতাও ১০ থেকে ২০ টন প্রতি বর্গমিটারে (Ton/Sqm)।

৫/N এর value ১৭ থেকে ৩৩ এর মধ্য হলে খুবই শক্ত (Very Stiff) মাটি। যার ভারবহন ক্ষমতাও ২০ থেকে ৪০ টন প্রতি বর্গমিটারে (Ton/Sqm)।

৬/ N এর value ৩৩ এর চেয়ে বেশী হলে খুবই কঠিন শক্ত (Hard) মাটি। যার ভারবহন ক্ষমতাও ৪০ টনের চেয়ে বেশী হবে প্রতি বর্গমিটারে (Ton/Sqm)।

(Reff. BNBC, Soil & Foundation)

# আসুন এবার যেনে নেওয়া যাক মাটি পরিক্ষার জন্য জমিতে কত গুলো বোরহোল করা দরকার।

১/ ৩ কাঠা পর্যন্ত জমির জন্য ৩ টি বোরহোল করতে হয়।

২/ ৩থেকে ৫ কাঠার জমির জন্য ৫টি বোরহোল করতে হয়।

৩/ ৫ থেকে ১০ কাঠার জমির জন্য ৮ টি বোরহোল প্রযোজ্য।

ধন্যবাদ।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং চাকরি।সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং চাকরির কর্মক্ষেত্র সমূহ ও পড়াশোনাসিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং যে সকল কাজ গুলো সাধারণ...
23/06/2022

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং চাকরি।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং চাকরির কর্মক্ষেত্র সমূহ ও পড়াশোনা

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং যে সকল কাজ গুলো সাধারণত করে থাকেন।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারা সাধারণত নির্মাণ কাজের প্রোজেক্ট এর পরিকল্পনা, ডিজাইন, কাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করে থাকে। যে কোন প্রোজেক্ট এর কাজ শুরু করতে হলে, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার প্রোজেক্ট এর জন্য জরিপের কাজ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এমনি কি প্রোজেক্ট ব্যাবস্থাপক এর কাজও করে থাকে। ইঞ্জিনিয়ারিং জগতে সবচেয়ে পুরাতন প্রকৌশল বিজ্ঞান হল সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং। এই জন্য পুরকৈশলকে সকল ইঞ্জিনিয়ারিং এর মা বলা হয়।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাবহারিক প্রযোগ।

যে কোন দেশে প্রায় যত গুলো বড় বড় প্রোজেক্ট এর কাজ সরকার করে থাকেন। তার বেশির ভাগ প্রোজেক্ট এর কাজ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারাই করে থাকে। যেমন, রাস্তা নির্মাণের কাজ, সেতু বা ব্রীজের কাজ, রেলওয়ের কাজ, পানি ও নদী গবেষণার কাজ, পরিবেশ রক্ষণাবেক্ষণের কাজ, বন ও পরিবেশ নিয়ন্ত্রণের কাজ, নদী বাঁধ রক্ষার কাজ, আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ, আবহাওয়া, এছাড়া আরো অনেক প্রোজেক্ট এর কাজ সিভিল ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা করা হয়। এছাড়া বাড়ির বা বিল্ডিং নির্মাণের কাজ এমনি পারমাণবিক বিদ্যুৎ তৈরি প্রোজেক্ট এর জন্যও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের প্রযোজন হয়।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের সরকারি চাকরির কর্মক্ষেত্র সমূহ।

১) গণপূর্ত অধিদপ্তর।

২) সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর।

৩) সেচ অধিদপ্তর।

৪) জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।

৫) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বাের্ড।

৬) বিদ্যুৎ উন্নয়ন বাের্ড।

৭) ঢাকা ওয়াসা।

৮) হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশন।

৯) স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর।

১০) শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর।

১২) ডাক ও টেলিযােগাযােগ মন্ত্রণালয়।

১৩) প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর।

১৪) দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

১৫) পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় অধিদপ্তর।

১৬) বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)।

১৭) বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক)।

১৮) সার্ভে অব বাংলাদেশ।

১৯) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

২০) পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় ইত্যাদি আরো ও অনেক আছে......

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের স্বায়ত্তশাসিত সরকারি কর্মক্ষেত্র সমূহ।

১) তিতাস গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড।
২) জালালাবাদ গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড।
৩) রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।
৪) ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড।
৫) নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড।
৬) ইলেকট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানি অব বাংলাদেশ।

৭) পাওয়ার গ্রীড কোম্পানি বাংলাদেশ আরো ও অনেক আছে......

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের বেসরকারি কর্মক্ষেত্র সমূহ।

১) মিস্টিক ষ্টীল বিল্ডিংস।
২) জেকে কন্ট্রাকশন ফার্ম ।
৩) ফেয়ার টেক ষ্টীল বিন্ডিংস।
৪) ডট ষ্টীল লিমিটেড।
৫) বিভিন্ন দেশী ও বিদেশী কন্সট্রাকশন ফার্ম গুলােতে আরও অনেক আছে....

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং টাকা উপার্জনের ১৪ টি উপায়।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং সাতটি বিভাগ নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা।

১।স্ট্রাকচারাল (Structural Civil Engineering) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং।

২।কন্সট্রকশন (Construction Civil Engineering) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং।

৩।ট্রান্সপোর্টেশন (Transportation Civil Engineering) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং।

৪।জিওটেকনিক্যাল (Geo technical Civil Engineering) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং।

৫।এনভায়রনমেন্ট (Environmental Civil Engineering) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং।

৬।আরবান এবং কমিনিটা প্লানিং (Urban and Community Planning Civil Engineering) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং।

৭।ওয়াটার রিসোর্স (Water Resource Civil Engineering) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং।

১।স্ট্রাকচারাল সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং।

সেতু বা ব্রীজ, কালভ্রাট, টাওয়ার, বাড়ি, বিল্ডিং ইত্যাদি নির্মাণের পুর্বে এগুলো উপর নিজস্ব ভার বহন বা ভার প্রতিরোধ ক্ষমতাসহ বাতাস, পানি, ভূমিকম্প, তাপমাত্রা এই সমস্যা থেকে রক্ষার জন্য হিসাব নিকাশ করে কাঠামো বা নকশা তৈরি করাই হল স্ট্রাকচারাল সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের কাজ।

২।কন্সট্রকশন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং।

স্ট্রাকচারাল সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং সে নকশা বা ডিজাইন করে থাকেন। সেই ডিজাইন অনুসারে কন্সট্রকশন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার সিমেন্ট, বালি, রি-ইনফোর্সমেন্ট, কাঠ, ও অন্যন্য মালামাল যন্তপাতি মিলে সঠিক ভাবে কাঠামো তৈরি করে প্রোজেক্ট বাস্তবায়ন করাই হল কন্সট্রকশন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর কাজ।

৩।ট্রান্সপোর্টেশন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং।

যে কোন দেশেকে উন্নতি ও আধুনিক ভাবে গড়ে তুলতে হলে। যে সমস্যাটা সামনে আসে, সেটা হল যোগাযোগ ব্যাবস্থার সমস্যা। তাই ট্রান্সপোর্টেশন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর কাজ হল, ব্রীজ, কালভ্রাট, রাস্তা, রেলওয়ে, বিমান বন্দর, ইত্যাদির ডিজাইন ও গবেষণা করে নিরাপদ এবং দুর্ঘটনা মুক্ত যোগাযোগ ব্যাবস্থা করা।

৪।জিওটেকনিক্যাল সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রায় বেশির ভাগ বিভাগে জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রযোজন হয়। কারণ যে কোন নির্মাণ কাজ শুরু করতে হয় ভুমির উপরে।আর সেই ভুমির ভৌগোলি অবস্থা, মাটির ভূ-গর্ভের সিপেজ, ভূমিকম্পের প্রভাব, স্থিতিশিলতা, মাটি পরিক্ষা, ইত্যাদি নিয়ে জিওটেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ কাজ করেন। এছাড়া নদীর বাঁধ, রিটেইনিং দেওয়াল, ফাউন্ডেশন ইত্যাদির আংশিক ডিজাইন করেন জিওটেকনিক্যাল সিভিল ইঞ্জিনিয়ার।

৫।এনভায়রনমেন্ট সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং।

পৃথিবীতে যে কোন প্রাণীকে সুস্থ ভাবে বেচে থাকতে হলে সুন্দর অনুকূল পরিবেশের প্রযোজন হয়। আর এনভায়রনমেন্ট সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং সকল প্রকার প্রাণীকে সুন্দর ভাবে জীবন ধারণের জন্য সেই পরিবেশ বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করে থাকেন। এনভায়রনমেন্ট সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পানি দূষণ, বায়ু দূষণ, বর্জ্য মল মূত্র ইত্যাদি অপসারণ এবং বিশুদ করণ নিয়ে কাজ করে থাকেন।

৬।আরবান এবং কমিনিটা প্লানিং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং।

একটি শহর বা নগরকে কিভাবে সুন্দর করে গড়ে তুলতে হয়। সেই সকল বিষয়ে আরবান এবং কমিনিটা প্লানিং সিভিল ইঞ্জিনিয়াররা পূর্বে থেকে পরিকল্পনা করে থাকেন। শহরে স্কুল, কলেজ, মাদ্রসা, মসজিদ, মুন্দির, গির্জা, খেলার মাঠ, পার্ক, হোটেল, মার্কেট ইত্যাদি কোথায় কিভাবে হবে। সেটা আরবান এবং কমিনিটা প্লানিং সিভিল ইঞ্জিনিয়ার নির্ধারণ করে থাকেন।

৭।ওয়াটার রিসোর্স সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং।

পানির অপর নাম জীবন, এটা একটি সাধারণ কথা আমরা সবাই জানি। আবার এই পানি দুষিত হয়ে আমাদের মরণও ডেকে অনতে পারে। পানি সম্পদ প্রকৌশল পানির ভৌত অবস্থা নিয়ে আলোচনা করে। ওয়াটার রিসোর্স সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বন্যা, শহরের- কারখানা, সেচ পানি সরবরাহ, নদী ভাঙ্গন রোধ, নদী শাষন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। ছাড়া হাইড্রলিক পাওয়ার, বাঁধ, খাল, ইত্যাদির নির্মাণের জন্য ডিজাইনও করে থাকেন।

সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং চাকরির জন্য পূর্ব প্রস্তুতি।
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অধ্যায়ন রত ছাত্ররা ভর্তি হয়েই ভাবেন যে তিনি খুব শিঘ্রই এক জন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হয়ে যাবেন। কিন্তু এক বছর যেতেই তাদের চোখের উপর থেকে পর্দা সরে যায়। তারা বুঝতে শুরু করেন যে তারা তাদের জীবনে কি ভুলটাই না করছেন। আর যারা বুঝতে পারেন না তারা ভাবেন যেমন চলছে চলুক, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া শেষে নিশ্চিত চাকরি হবেই।

অনেকের ধারণা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পার্শ করলেই চাকরি পাওয়া যায় তবে বাস্তবতা এত সহজ নয়। ভাল ব্যবহারিক জ্ঞান না থাকায় প্রায় বেশির ভাগ ছাত্র, যে কোন ইঞ্জিনিয়ারিং পার্শ করেও বেকার হয়ে বসে আছে।

তাই আপনাদের নিকট আগাম সতর্কবার্তা যে আপনারা আগে থেকেই সাবধান হয়ে যান, আর নিজের ক্যারিয়ার গড়ার প্রতি নিজে সচেতন হন। ইন্টানিং এর আগেই শিখে ফেলুন আপনার বিষয় ভিত্তিক প্রাক্টিক্যাল কাজ। তাহলে চাকরি আর অপর কহে সােনার হরিণ হবে না, আর ঘরে বসে দিতে হবে না বয়স্ক বাবা-মাকে কষ্ট, আর খেতে হবে না গালমন্দ।

ফার্স্ট ইয়ার ডােন্ট কেয়ার।

এরূপ চিন্তা ভাবনা মন থেকে মুছে ফেলুন। দেখবেন শুরু থেকেই টাকা উপার্জন করতে শিখেছেন। কারণ আমাদের মধ্য অনেক ব্যাচমেট দেখা যায়, প্রথম এক বছরে অটোক্যাড ড্রয়িং শিখে দ্বিতীয় বছর থেকেই উপার্জনের সাথে সমপৃক্ত হয়েছেন। কারন তারা জানে ইঞ্জিনিয়ারিং শিখে কিভাবে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

চাকুরি বা টাকা উপার্জন এতাে সহজ নয়। এখন ইন্টারভিউ বোর্ডে আপনার রেজাল্টকে যতটা জানতে চায়। তার চেয়ে আপনি কি কি কাজ পারেন বা ব্যাবহারিক কাজ এর অভিজ্ঞতা কতটুকু সেটাই বেশি যাচাই করা হয়। তাই নিজেকে আগে ভাগেই চাকুরির যােগ্য করে গড়ে তুলুন।

কিভাবে আপনি একজন সফল সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হবেন।

এখানে এক জন কন্সট্রকশন ও স্ট্রাকচারাল সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং হতে হলে। যে সকল গুনগুলো আপনার মধ্য থাকা উচিত সে গুলো নিম্নে দেওয়া হল।

১। আপনাকে প্রথমে অবশ্যই প্রফেশোনাল ভাবে অটোক্যাড শিখতে হবে। যদি অটোক্যাড শিখতে না পারেন তাহলে মনে রাখবেন। আপনি কখনো পরিপুন্য এক ইঞ্জিনিয়ার হতে পারবেন না।কারণ একজন প্রকৌশলীর ড্রয়িং করতে অবশ্যই জানতে হবে। আর অটোক্যাডে ড্রয়িং করতে পারলে। আপনার চাকরি পাওয়ার সুযোগ অনেক গুন বেড়ে যাবে।

২। বিভিন্ন কনস্ট্রাকশন সাইটের কাজ গুলাে পর্যবেক্ষণ করবেন। কনস্ট্রাকশন সাইটে অনেক ফোরম্যান কাজ করে যাদের ড্রয়িং সম্পকে ভাল অভিজ্ঞতা আছে বা বােঝে তাদের কাছ থেকে সহযােগিতা নিতে পারেন।

৩। তারপর যেটা করতে হবে সেটা হলাে এস্টিমেট। এস্টিমেট অনেক সহজ একটা বিষয়। ড্রয়িং এর বিস্তারিত তথ্য ভালভাবে বুঝলে এস্টিমেট করা সহজ হবে। অটোক্যাড জানা থাকলে ড্রয়িং বােঝা আরও সহজ হবে।

৪। ড্রয়িং হাতে পাওয়ার পর নিজে একবার চোখ বুলিয়ে নিন। যে বিষয়গুলাে বুঝা কষ্টকর সেগুলাে দাগিয়ে রাখুন। তারপর সেগুলাে সম্পর্কে জানার চেষ্টা করবেন। প্রয়ােজনে ড্রয়িং এর ফটোকপি তুলে নিয়ে পাশের বড় ভাই, বন্ধু বা কম্পানির সিনিয়ার ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে যােগাযােগ করতে পারেন।

৫। ড্রয়িং নিজের কালেকশনে রাখুন এবং নিজের শখে পরিণত করুন।

৬। আপনার ডির্পাটমেন্ট এর কাজ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখুন। পেশা জীবনে নিজেদেরকে কি কি কাজ করতে হয় সে বিষয়ে খোঁজ খবর রাখুন।


৭। আপনার আশে পাশে নিজেদের টেকনােলজি সম্পর্কিত যেসব কাজ হচ্ছে সেগুলাে দেখুন। প্রয়ােজনে মিস্ত্রিদের কাছ থেকে উক্ত কাজ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন। কত ডায়ার রড কি পরিমাণ ব্যবহার করা হচ্ছে, টাই/স্টিরাপ এর স্পেশিং কোন জায়গায় কত, বিম ও কলামের সাইজ, মাটির উপরে ও নিচে ক্লিয়ার কভার কত ইত্যাদি।

একজন দক্ষ প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ারের কি কি কাজ করতে হয়।
১। প্রোজেক্ট ড্রয়িং ডিজাইন সংগ্রহ করতে হবে এবং সেই অনুসারে কাজ শুরু করতে হবে।

২। আর্কিটেচারাল ও স্ট্রাকচারাল ডিজাইন মিলিয়ে দেখতে হবে। কোন সমস্যা থাকলে ডিজাইনারকে জানাতে হবে।

৩। সাইটে কোন মালামাল আসলে তার গুনগত মান ঠিক আছে কি না সেটা প্রথমিক ভাবে পরিক্ষা করে দেখতে হবে।কোন রকম সমস্যা থাকলে অফিসে জানাতে হবে।

৪। সাইটে কোন মালামাল প্রয়ােজন হলে আগে থেকে রিকুয়িজেশন দিতে হবে।

৫। মালামাল যেমন, পাথর, সিলেট বালি, লােকাল বালি, খােয়া, ইট, রড ডায়া | অনুযায়ী পৃথক পৃথক ভাবে গুছিয়ে রাখতে হবে।

৬। সাইটের ইলেকট্রিক তারের লাইন নিরাপদ স্থান দিয়ে নিতে হবে এবং সাইট পরিষ্কার ও গোছালো ভাবে রাখতে হবে।

৭। স্যানিটারী ও পানির পাইপ লাইনে কোন সমস্যা আছে কি না সেটা লক্ষ্য রাখতে হবে।

৮। ইলেক্ট্রিক তার লাগানাের সময় আর এম অনুসারে দেওয়া হচ্ছে কি না চেক করতে হবে। যেমন এসি ৩/৪ আর এম। পাওয়ার পয়েন্ট ৩/২.৫ আর এম। লাইট ও ফ্যান পয়েন্ট ১.৫ আর এম ইত্যাদি।

৯। সাইটে নিজেদের জন্য সাইট অফিস রুম ও মালামাল রাখার জন্য গােডাউন তৈরী করতে হবে।

১০। রড কাটার আগে সাইটের ফোরম্যান ও হেড মিস্ত্রি সহ মিটিং করতে হবে যেন রড়ের টুকরা কম হয়। রডের অপ্রয়ােজনীয় টুকরাগুলাে গুছিয়ে গােডাউনে রাখতে হবে।

১১। সিমেন্ট রাখার জন্য উঁচু স্থানে ভাল গোডাউন রুম তৈরি করতে হবে। যাতে করে সিমেন্টের সংপর্শে পানি আসতে না পারে।এবং সিমেন্ট নষ্ট না হয়।

১২। ইটের গাথুনি, প্লাষ্টার, কলাম, শেয়ার ওয়াল, লিফটের ওয়াল এছাড়া জানালা-দরজার চৌকাঠ, গ্রীল ও সিড়ির রেলিং এ সকল ভার্টিক্যাল কাঠামােগুলােকে ওয়াটার লেভেল ও সল-সুতা দ্বারা ভাল ভাবে চেক করতে হবে।



১৩। সকল ফিটিং সেট করার আগে উচ্চতা চেক করতে হবে। যেমন, সুইচ বাের্ড, লাইট পয়েন্ট, পাওয়ার পয়েন্ট, বিব কর্ক ও কনসিল স্টপ কর্ক।

১৪। টাইলস লাগানাের আগে, লাইট পয়েন্ট, ওয়াস্ট ওয়াটার লাইন, কমড লাইন, বেসিন লাইন, পাইপ লাইন ও লাইনের পেসার চেক করে নিতে হবে।

১৫। রঙ করার আগে রং সিলেকশন করতে হবে। কোন রুমে কি রং হবে। ভাল ভাবে ঘষা হয়েছে কি না। পুটি ঠিক ভাবে মিক্স ও লাগাতে হবে। এছাড়া প্রথম কোট, দ্বিতীয় কোট, ফাইনাল কোট শেষে চেক করতে হবে।

নির্মাণ প্রজেক্ট শুরুর পুর্বে যে কাজ গুলো অবশ্যই করণীয়।

গাছপালা কাটা।

নির্মাণ সাইটের পাশে এবং ভেতরে গাছপালা থাকলে কাটে ফেলতে হবে। কারণ গাছের শিকড় প্রজেক্টের ভেতরে কাঠামাের ক্ষতি করতে পারে।

বাউন্ডারী ওয়াল।

সাইটের নিরাপত্তার জন্য প্রজেক্টের চার পাশে শক্ত ভাবে বাউন্ডারি দেওয়াল নির্মাণ করতে হবে।এবং লােকজনের যাতায়াতের জন্য শক্ত একটি গেট বানাতে হবে।

সাইট অফিস।

সাইট ইঞ্জিনিয়ার ও কর্মকতাদের বসার জন্য একটি অস্থায়ী সাইট অফিস তৈরি করতে হবে। সেখানে কয়েকটি চিয়ার, টেবিল ও ফ্যানের ব্যবস্থা করতে হবে।

স্টোর রুম।

সাইটের সকল প্রকার মালামাল রাখার জন্য ভাল মানের দরজা যুক্ত করে একটি ষ্টোর ঘর বানাতে হবে।

লেবার সেড।

সাইটে কাজের লোকদের থাকার জন্য একটা সেড তৈরি করতে হবে। সেটা অবশ্যই পানিরােধী হতে হবে।

সিকিউরিটি সেড।

সিকিউরিটিদের থাকার জন্য ভাল করে ঘর তৈরি করে দিতে হবে। আর এটা লেবারদের সেড থেকে দুরে করাই ভাল।

সাইট পরিষ্কার করা।

পুবাতন বিল্ডিং থাকলে ভাঙ্গার ব্যবস্থা করতে হবে। পুরাতন বিল্ডিং এর বেজ থাকলে তা তুলে সাইট পরিষ্কার করে ফেলতে হবে তা না করলে পাইলিং করা বা নতুন বেজ এর মাটি কাটার সময় ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হবে।

পানির ব্যবস্থা করা।

সাইটে পাইলিং করা, ঢালাই করা, লেবারদের গােছল করা, রান্ন করা থেকে শুরু করে সকল কাজে পানির প্রয়ােজন হবে। সে কারনেই সাইটে পানির সংযােগ নিতে হবে।



বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা।

সাইটে লাইটিং এর ব্যবস্থা করা ওয়েল্ডিং মেশিন চালানাে ও পাম্প মেশিন চালানাের জন্য বিদ্যুতের সংযােগ নিতে হবে।

গ্যাস সংযোেগ করা।

সাইটের লেবারদের রান্না করার প্রয়ােজনে গ্যাসের সংযােগ নিতে হবে। তাছাড়া ভবিষ্যতে বিল্ডিং এ গ্যাসের প্রয়ােজনের কারণে গ্যাসের সংযােগ নিতে হবে।

সাইট সমতল করা।

লে-আউট দেওয়ার জন্য প্রজেক্টে বালি ফেলে সমতল করতে হবে।

ড্রয়িং ডিজাইন সংগ্রহ করা।

সব শেষে কাজ শুরু করার জন্য সকল প্রকার ড্রয়িং সংগ্রহ করতে হবে।

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং সনদের মান।

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং সনদের মান কত জন হয়তাে অনেকরই অজানা। তাদের মাঝে একটা সংকোচ আছে। ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারি সনদের মান এইচ এস সি সমমান নাকি ডিগ্রীর সমমান। তবে বাংলাদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বাের্ডের সরকারি ওয়েব সাইট ঘুরে দেখা যায়। যে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের মান গ্রেড-১৪ আর এইচ এস সি এর মান গ্রেড মান -১২ এবং অনার্সের মান গ্রেড ১৬।এছাড়া এইচ এস সি কে দেখানাে হয়েছে মাধ্যমিক শিক্ষা স্তরে আর ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কে দেখানাে হয়েছে মাধ্যমিক এবং উচ্চ শিক্ষা স্তরের মাঝামাঝি স্থানে।

চাকরি ক্ষেত্রে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং।

একজন এইচ এসসি সনদধারী তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী হিসেবে চাকরিতে প্রবেশ করেন এবং তাকে সারাজীবন একই পদে চাকরি করে যেতে হয় অর্থাৎ তার কোন পদোন্নতি হয় না। আর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা দ্বিতীয় শ্রেনীর কর্মকর্তা হিসেবে চাকরিতে প্রবেশ করেন এবং তারা ক্রমে ক্রমে পদোন্নতি পেয়ে প্রথম শ্রেনীর কর্মকর্তা হতে পারেন। যা সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত কাউকে পেতে হলে অন্ততপক্ষে মাস্টার্স অথবা বি সি এস ডিগ্রী ধারী হতে হয়।

আমরা যদি ডিপ্লোমা পড়ে আবার বিএসসি করি তবে জেনারেলদের চেয়ে আমাদেরকে দুই বছর বেশি সময় ব্যয় করতে হয়। হ্যাঁ কথা সত্য। তবে এখানে আপনি দুটি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী পাচ্ছেন। (ক) ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী। (খ) বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী।

গ্রামে অনেকেই আছেন যারা, অনার্স-মাস্টার্স কমপ্লিট করেও টু টু করে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। নিজের সম্মানটুকু বাচানাে যায় এমন একটা চাকরি পাচ্ছেন না। আর যিনি ডিপ্লোমা পড়েছেন তিনি পাশ করার দু-চার মাসের মাথায় একটা চাকরি পেয়ে যান। ৩ থেকে ৪ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এক জন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার বেতন পাচ্ছেন প্রায় ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা। এর পরেও কি বলবেন ডিপ্লোমা পড়া উচিত নয়। এছাড়া এক জন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার ইন্টার পাশের মান দিয়ে যেকোন অফিসে চাকার করতে পারবে অথচ্য এক জন ইন্টার পাশ ব্যাক্তি কখনই ইঞ্জিনিয়ারিং চাকরি করতে পারবে না।

বি ,এস, সি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তির জন্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।

√. Dhaka University of Engineering & Technology (DUET)
√.AMIE

এছাড়া আরো প্রযুক্তি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থাকতে পারে।আপনারা একটু গুগোলে সার্চ করে খুঁজলেই পাবেন। যেখানে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে ভর্তি হয়ে পড়াশোন করতে পারবেন।

বি ,এস, সি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তির জন্য প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়।

✔️ International University of Business Agriculture and Technology

✔️ Ahsanullah University of Science & Technology

✔️ American International University-Bangladesh

✔️ Stamford University Bangladesh

✔️ Daffodil International University

✔️ Northern University Bangladesh

✔️ Green University of Bangladesh

✔️ World University of Bangladesh

✔️ Dhaka International University

✔️ University of Asia Pacific

✔️ North South University

✔️ Presidency University

✔️ BRAC University

এছাড়া আরো অনেক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থাকতে পারে।আপনারা একটু গুগোলে সার্চ করে খুঁজলেই পাবেন। যেখানে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে ভর্তি হয়ে পড়াশোন করতে পারবেন।

এই প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ভর্তির পূর্বে অবশ্যই শিক্ষার্থীর যোগ্যতা, অর্থনৈতিক সামর্থ্য, উদ্দেশ্য, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা অনুযায়ী সাবজেক্ট ও ইউনিভার্সিটি সিলেক্ট করে ভর্তি হতে পারেন।

স্টুডেন্ট ভর্তির পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যায় ও জীবন যাত্রা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নিতে পারেন। এতে করে ভর্তির পর স্টুডেন্টকে ভোগান্তিতে পড়তে হবে না

(Collected)

ভূল ত্রুটিগুলো মার্জনীয়।।।

Address

Hat Naogaon

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Civil engineers problem posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share