Studio Incenso

Studio Incenso STUDIO INCENSO is a design company practicing architecture, interior, and landscape design.

★ বাড়িতে ফ্যান, এসি (এয়ার কন্ডিশনার) এবং লাইটের মতো যন্ত্রাংশের জন্য সাধারণত ৩/২২ গেজ (গেজ) অথবা ২.৫ মিমি² মাপের তার ব...
29/09/2025

★ বাড়িতে ফ্যান, এসি (এয়ার কন্ডিশনার) এবং লাইটের মতো যন্ত্রাংশের জন্য সাধারণত ৩/২২ গেজ (গেজ) অথবা ২.৫ মিমি² মাপের তার ব্যবহার করা হয়, তবে এসি-এর মতো উচ্চ ক্ষমতার যন্ত্রের জন্য আরও মোটা তার যেমন ৩/২০, ৩/১৮ গেজ বা ৪ মিমি² প্রয়োজন হতে পারে। সঠিক তারের আকার নির্ভর করে লোডের পরিমাণ (অ্যাম্পিয়ার) এবং সংযোগের পদ্ধতির ওপর।

☑️ তারের প্রকার ও ব্যবহার:
আর.এম (Rm) তার: এটি সাধারণত ওয়েলিং বা সংযোগের কাজে ব্যবহার করা হয়।
আর.ই (Re) তার:এটি আর্থিং বা ভূমিতে সংযোগ দেওয়ার কাজে ব্যবহার করা হয়।
সাধারণভাবে ব্যবহৃত তারের আকার:
★ লাইট ও ফ্যান:এদের জন্য প্রায়শই ৩/২২ (তিনটি ২২ গেজের তন্তু দিয়ে তৈরি) বা ২.৫ মিমি² (২.৫ মিলিমিটার স্কোয়ার) তামার তার ব্যবহার করা হয়।
★ এসি (AC) ও উচ্চ ক্ষমতার লোড:এসি সাধারণত উচ্চ লোড (অ্যাম্পিয়ার) ব্যবহার করে, তাই এর জন্য thicker তারের প্রয়োজন হয়। সাধারণত ৩/২০, ৩/১৮ গেজ বা ৪ মিমি² বা তার চেয়েও মোটা তার ব্যবহার করা যেতে পারে।

★ তারের আকার নির্ধারণের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
লোডের পরিমাণ (Current Capacity):আপনি যে যন্ত্রাংশটি সংযোগ করছেন, সেটি কতটুকু বিদ্যুৎ ব্যবহার করে (অ্যাম্পিয়ার) তা দেখে তারের আকার নির্ধারণ করতে হয়।

★ সংযোগ পদ্ধতি:তারটি দেওয়ালের ভেতরে (কনসিল্ড ওয়্যারিং) নাকি বাইরে (সারফেস মাউন্টিং) বসানো হচ্ছে, তার ওপরও তারের ক্ষমতা নির্ভর করে।
★ পরিবেষ্টনের তাপমাত্রা:যেখানে তার বসানো হচ্ছে, সেখানকার তাপমাত্রা বেশি হলে তারের ক্ষমতা কমে যেতে পারে।

Mordan House
26/06/2025

Mordan House

26/06/2025

**🧱 গাথুনির দেয়াল কিউরিং (Curing): সম্পূর্ণ গাইড সহজ ভাষায়**

গাথুনির কাজ শেষে **সিমেন্টের পূর্ণ শক্তি পেতে কিউরিং জরুরি**। ভুল কিউরিং হলে দেয়ালে **ফাটল, দুর্বল বন্ধন** বা **নমনীয়তা কমে** যায়। আসুন জেনে নেই সঠিক পদ্ধতি:

**🌧️ কিউরিং কেন করবেন?**
- সিমেন্টের **হাইড্রেশন প্রক্রিয়া** সম্পূর্ণ করে
- শক্তি বাড়ায় (৭ দিন কিউরিং = ৫০% শক্তি, ২৮ দিন = ৯০% শক্তি)
- ফাটল ও পানি প্রবেশ রোধ করে

---

**⏳ কিউরিংয়ের সময়সীমা:**
| **গাথুনির ধরন** | **ন্যূনতম কিউরিং সময়** |
|-------------------------------|------------------------------|
| ইটের দেয়াল (সাধারণ) | ৭-১০ দিন |
| সিমেন্ট ব্লক/এএসি ব্লক | ৩-৫ দিন |
| প্লাস্টার করা দেয়াল | ১০-১৪ দিন |

> 📌 **গরম আবহাওয়ায়:** দিনে ৩-৪ বার পানি দিন

---

**💦 কিউরিংয়ের ৩টি সহজ পদ্ধতি:**

*১. পানি ছিটানো (Sprinkling)**
- **সর্বোত্তম পদ্ধতি**
- দিনে **২-৩ বার** পানি ছিটান (সকাল-বিকাল)
- **কীভাবে?**
- গামছা/স্প্রে মেশিন দিয়ে ভেজান
- **প্রথম ৩ দিন** অবশ্যই নিয়মিত পানি দিন

**২. ভেজা কাপড়/গামছা ব্যবহার**
- দেয়ালে **ভেজা গামছা বা জুটের বস্তা** চাপা দিন
- **সুবিধা:** পানি কম লাগে, বাষ্পীভবন রোধ হয়

**৩. কিউরিং কম্পাউন্ড (Chemical Curing)**
- **প্যারাফিন/অ্যাক্রিলিক বেসড** তরল স্প্রে করুন
- **সুবিধা:** ১ বার স্প্রেই করলেই ৭ দিন কিউরিং হয়

---

**⚠️ কিউরিংয়ের সময় যেসব ভুল এড়াবেন:**
❌ **অতিরিক্ত পানি দেওয়া** → প্লাস্টার নরম হয়ে খসে পড়ে
❌ **কিউরিং বন্ধ করে দেওয়া** → দ্রুত শুকালে **ফাটল** দেখা দেয়
❌ **সকালে পানি না দেওয়া** → রোদে বাষ্পীভবন বেশি হয়

---

**📈 কিউরিংয়ের প্রভাব (ডাটা সহ):**
| **কিউরিং সময়** | **সিমেন্টের শক্তি (%)** |
|----------------|------------------------|
| ৩ দিন | ৩০-৪০% |
| ৭ দিন | ৫০-৬০% |
| ২৮ দিন | ৯০-১০০% |

---

# # # **🌿 প্রাকৃতিক কিউরিং টিপস:**
- **বর্ষাকালে:** বাড়তি কিউরিং প্রয়োজন নেই (প্রাকৃতিক ভেজা আবহাওয়া)
- **শীতকালে:** পানি হালকা গরম করে দিন (হাইড্রেশন ত্বরান্বিত করে)

---

** #গাথুনি_কিউরিং #দেয়াল_নির্মাণ #সিভিল_ইঞ্জিনিয়ারিং**


-"আপনার এলাকায় দেয়ালে কতদিন কিউরিং করা হয়?"*
#নির্মাণ_সচেতনতা` ` #বাড়ি_বানাচ্ছেন?`

> 🏗️ *"সঠিক কিউরিং = দীর্ঘস্থায়ী দেয়াল + ফাটলমুক্ত গাথুনি"*

ভূমি বিষয়ক নিম্নের তথ্যাবলী প্রত্যেকেরই জানা উচিত ! “পর্চা”, “দাগ”, “খতিয়ান”, “মৌজা”, “জমা খারিজ”, “নামজারি”, “তফসিল” ...
20/01/2024

ভূমি বিষয়ক নিম্নের তথ্যাবলী প্রত্যেকেরই জানা উচিত !
“পর্চা”, “দাগ”, “খতিয়ান”, “মৌজা”, “জমা খারিজ”, “নামজারি”, “তফসিল” ইত্যাদি বিষয়ের ডেফিনেশন এবং জেনে নিন ভূমি বিষয়ক জরুরী সব তথ্য ।
১!“নামজারী” বা মিউটেশন কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
২!“জমা খারিজ”কাকে বলে ?
যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
৩!“খতিয়ান” কাকে বলে ?
ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “খতিয়ান” বলে।
খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক। আমাদের দেশে CS, RS, SA এবং সিটি জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। এসব জরিপকালে ভূমি মালিকের তথ্য প্রস্তত করা হয়েছে তাকে “খতিয়ান” বলে। যেমন CS খতিয়ান, RS খতিয়ান…
ভূমি জরিপ: CS, RS, PS, BS কি ?
৪!ভূমি বা Land কাকে বলে ?
“ভূমি কাকে বলে?”- এর আইনী সংজ্ঞা রয়েছে। The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- এর ২(১৬)- ধারা মতে, “ভূমি (land) বলতে আবাদি, অনাবাদি অথবা বছরের যেকোন সময় পানিতে ভরা থাকে এবং ভূমি হতে প্রাপ্ত সুফল, ঘরবাড়ি বা দালান কোঠা বা মাটির সঙ্গে সংযুক্ত অন্যান্য দ্রব্য অথবা স্হায়ীভাবে সংযুক্ত দ্রব্য এর অন্তর্ভুক্ত বুঝাবে।”
৫! ভূমি জরিপ/রেকর্ড কাকে বলে ? ভূমি জরিপ হচ্ছে ভূমির মালিকানা সম্বলিত ইতিহাসের সরেজমিন ইতিবৃত্ত।
আইনী সংজ্ঞা হচ্ছে, The Survey Act, 1875 এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী সরকারের জরিপ বিভাগ সরেজমিন জরিপ করে ভূমির মালিকানার যে বিবরণ
এবং নকশা তৈরী করে তাই রেকর্ড বা জরিপ। অর্থাৎ রেকর্ড বা জরিপ হচ্ছে মালিকানার বিরবণ এবং নকশার সমন্বয়। একটি ভূমির মালিক কে এবং তার সীমানা কতটুকু এটা ভূমি জরিপের মাধ্যমে নকশা/ম্যাপ নির্ণয় করা হয়। এই নকশা এবং ম্যাপ অনুসারে মালিকানা সম্পর্কিত তখ্য যেমন ভূমিটি কোন মৌজায় অবস্থিত, এর খতিয়ান নাম্বার, ভূমির দাগ নাম্বার, মালিক ও দখলদারের বিবরণ ইত্যাদি প্রকাশিত হয় যাকে খতিয়ান বলে। রেকর্ড বা জরিপ
প্রচলিতভাবে খতিয়ান বা স্বত্ত্বলিপি বা Record of Rights (RoR) নামেও পরিচিত। রেকর্ড বা জরিপের ভিত্তিতে ভূমি মালিকানা সম্বলিত বিবরণ খতিয়ান হিসেবে পরিচিত। যেমন CS খতিয়ান, RS খতিয়ান, ইত্যাদি। আমাদের দেশে পরিচালিত ভূমি জরিপ বা রেকর্ড গুলো হচ্ছে;
1. CS -Cadastral Survey
2. SA- State Acquisition Survey (1956)
3. RS -Revitionel Survey
4. PS – Pakistan Survey
5. BS- Bangladesh Survey (1990)
ক) সি.এস. জরিপ/রেকর্ড (Cadastral Survey)
“সিএস” হলো Cadastral Survey (CS) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। একে ভারত উপমহাদেশের প্রথম জরিপ বলা হয় যা ১৮৮৯ সাল হতে ১৯৪০ সালের মধ্যে পরিচালিত হয়। এই জরিপে বঙ্গীয় প্রজাতন্ত্র আইনের দশম অধ্যায়ের বিধান মতে দেশের সমস্ত জমির বিস্তারিত নকশা প্রস্তুত করার এবং প্রত্যেক মালিকের জন্য দাগ নম্বর উল্লেখপুর্বক খতিয়ান প্রস্তুত করার বিধান করা হয়। প্রথম জরিপ হলেও এই জরিপ প্রায় নির্ভূল হিসেবে গ্রহণযোগ্য। মামলার বা ভূমির জটিলতা নিরসনের ক্ষেত্রে এই জরিপকে বেস হিসেবে অনেক সময় গণ্য করা হয়।
খ) এস.এ. জরিপ (State Acquisition Survey)
১৯৫০ সালে জমিদারী অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাশ হওয়ার পর সরকার ১৯৫৬ সালে সমগ্র পূর্ববঙ্গ প্রদেশে জমিদারী অধিগ্রহনের সিদ্ধান্ত নেয় এরং রায়েতের সাথে সরকারের সরাসরি সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে জমিদারদের প্রদেয় ক্ষতিপুরণ নির্ধারন এবং রায়তের খাজনা নির্ধারনের জন্য এই জরিপ ছিল।
জরুরী তাগিদে জমিদারগন হইতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই জরিপ বা খাতিয়ান প্রণয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল।
গ) আর.এস. জরিপ ( Revisional Survey)
সি. এস. জরিপ সম্পন্ন হওয়ার সুদীর্ঘ ৫০ বছর পর এই জরিপ পরিচালিত হয়। জমি, মলিক এবং দখলদার ইত্যাদি হালনাগাদ করার নিমিত্তে এ জরিপ সম্পন্ন করা হয়। পূর্বেও ভুল ত্রুটি সংশোধনক্রমে আ. এস জরিপ এতই শুদ্ধ হয় যে এখনো জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের ক্ষেত্রে আর, এস জরিপের উপর নির্ভর করা হয়। এর খতিয়ান ও ম্যাপের উপর মানুষ এখনো অবিচল আস্থা পোষন করে।
ঘ) সিটি জরিপ (City Survey)
সিটি জরিপ এর আর এক নাম ঢাকা মহানগর জরিপ। আর.এস. জরিপ এর পর বাংলাদেশ সরকার কর্তিক অনুমতি ক্রমে এ জরিপ ১৯৯৯ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে সম্পন্ন করা হয়। এ যবত কালে সর্বশেষ ও আধুনিক জরিপ এটি। এ জরিপের পরচা কম্পিউটার প্রিন্ট এ পকাশিত হয়।
৬!“পর্চা” কাকে বলে ?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হ তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।
৭!“মৌজা” কাকে বলে ?
যখন CS জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।
৮!“তফসিল” কাকে বলে ?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
৯!“দাগ” নাম্বার কাকে বলে ? যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়।
১০!“ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাকে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
১১!“খানাপুরি” কাকে বলে ? জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
১২!“আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিযুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
১৩!“কিস্তোয়ার” কাকে বলে ?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
১৪!“খাজনা” ককে বলে ?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।
১৫!“দাখিলা” কাকে বলে?
ভূমি কর/খাজনা আদায় করে যে নির্দিষ্ট ফর্মে ( ফর্ম নং১০৭৭) ভূমি কর/খাজনা আদায়ের প্রমান পত্র বা রশিদ দেওয়া হয় তাকে দাখিলা বলা হয়।
১৬!"DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
১৭!“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
১৮!“নাল জমি” কাকে বলে ?
২/৩ ফসলি সমতল ভূমিকে নাল জমি বলা হয়।
১৯!“খাস জমি” কাকে বলে ?
সরকারের ভূমি মন্ত্রনালয়ের আওতাধিন যে জমি সরকারের পক্ষে কালেক্টর বা ডিসি তত্ত্বাবধান করেন এমন জমিকে খাস জমি বলে।
২০!“চান্দিনা ভিটি” কাকে বলে ?
হাট বাজারের স্থায়ী বা অস্থায়ী অকৃষি জমির যে অংশ প্রজার প্রতি বরাদ্ধদ দেওয়া হয় তাকে চান্দিনা ভিটি বলে।
২১!“ওয়াকফ” কাকে বলে ?
ইসলামি বিধান অনুযায়ী কোন ভূমি তার মালিক কর্তৃক ধর্মীয় ও সমাজ কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের ব্যয় ভার বহন করার উদ্দেশ্যে কোন দান করাকে ওয়াকফ বলে।
২২!“মোতওয়াল্লী” কাকে বলে ?
যিনি ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধান করেন তাকে মোতওয়াল্লী বলে। ওয়াকফ প্রশাসকের অনুমতি ব্যতিত মোতওয়াল্লী ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে না।
২৩!“দেবোত্তর” সম্পত্তি কাকে বলে ?
হিন্দুধর্ম মতে, ধর্মীয় কাজের জন্য উৎসর্গকৃত ভূমিকে দেবোত্তর সম্পত্তি বলে।
২৪!“ফরায়েজ” কাকে বলে ?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফরায়েজ বলে।
২৫!“ওয়ারিশ” কাকে বলে ?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলে তার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
২৬! “সিকস্তি” কাকে বলে ?
নদী ভাঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকস্তি বলে। সিকস্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকস্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।
২৭!“পয়ন্তি” কাকে বলে ?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।
২৮!“দলিল” কাকে বলে ?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবে তাকে দলিল বলে।
ভূমির পরিমাপঃ
ডেসিমেল বা শতাংশ বা শতকঃ
*************************
১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট
১ শতাংশ =১০০০ বর্গ লিঙ্ক
১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা = ২১৭৮ বর্গফুট
১০ শতাংশ = ৬ কাঠা = ৪৩৫৬ বর্গফুট
১০০ শতাংশ = ১ একর =৪৩৫৬০বর্গফুট
কাঠা পরিমাপঃ
****************
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট/৭২১.৪৬ বর্গফুট
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ/৮০.১৬ বর্গগজ
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০.৫ কাঠা =১ একর
একরের পরিমাপঃ
******************
১ একর = ১০০ শতক
১ একর = ৪৩,৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ৪,৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ১০ বর্গ চেইন = ১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
১ শতক = ০.৫ গন্ডা বা ৪৩৫.৬০ বর্গফুট
বিঘা পরিমাপঃ
*************
১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট /১৪৫২০বর্গফুট
১ বিঘা = ৩৩,০০০ বর্গলিঙ্ক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ/১৬১৩ বর্গগজ
১ বিঘা = ২০ কাঠা
৩ বিঘা ৮ ছটাক = ১.০০ একর
লিঙ্ক পরিমাপঃ
****************
১লিঙ্ক = ৭.৯ ইঞ্চি /৭.৯২ ইঞ্চি
১লিঙ্ক =০.৬৬ ফুট
১০০ লিঙ্ক = ৬৬ ফুট
১০০ লিঙ্ক = ১ গান্টার শিকল
১০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ শতক
১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ একর
কানি একর শতকে ভূমির পরিমাপঃ
*****************************
১ কানি = ২০ গন্ডা
১ গন্ডা = ২ শতক
১ শতক =২ কড়া
১ কড়া = ৩ কন্ট ১ কন্ট = ২০ তিল
ফুট এর হিসাবঃ
*****************
১ কানি = ১৭২৮০ বগফুট
১ গন্ডা = ৮৬৪ বফু
১ শতক= ৪৩৫.৬০ বফু
১ কড়া = ২১৭.৮ বফু
১ কন্ট = ৭২ বফু
১ তিল= ৩.৬ বফু
বর্গগজ/বর্গফুট অনুযায়ী শতাংশ ও একরের পরিমাণঃ
****************************
৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর
৪৩৫৬০ বর্গফুট= ১ একর
১৬১৩ বর্গগজ= ১ বিঘা
১৪৫২০বর্গফুট = ১ বিঘা
৪৮.৪০ বর্গগজ = ০১ শতাংশ
৪৩৫.৬০ বর্গফুট= ০১ শতাংশ
৮০.১৬ বর্গগজ= ১ কাঠা
৭২১.৪৬ বর্গফুট = ১ কাঠা
৫.০১ বর্গগজ = ১ ছটাক
২০ বর্গহাত = ১ ছটাকা
১৮ ইঞ্চি ফুট= ১ হাত
শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন।

সহজেই চিনুন সিমেন্টের ভালো খারাপসিমেন্ট এক ধরণের বাইন্ডিং ম্যাটেরিয়াল যা পানির সংমিশ্রণে কংক্রিট, মর্টার বা মসলা, প্লাস্...
05/06/2023

সহজেই চিনুন
সিমেন্টের ভালো খারাপ
সিমেন্ট এক ধরণের বাইন্ডিং ম্যাটেরিয়াল যা পানির সংমিশ্রণে কংক্রিট, মর্টার বা মসলা, প্লাস্টার ইত্যাদি বিভিন্ন কাজে বালি এবং খোঁয়ার সংযোগ ঘটায়।
সিমেন্টের ধরণ :
BDS EN 197-1:2003 স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী সিমেন্ট মূলত ৫ (পাঁচ) ধরণের হয়ে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশে আমরা সচরাচর ৩ (তিন) ধরণের সিমেন্ট পেয়ে থাকি।
01.সাধারণ পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট (Ordinary Portland Cement – CEM I)
02.পোর্টল্যান্ড কম্পোজিট সিমেন্ট (Portland Composite Cement – CEM II)
03.ব্লাস্ট ফার্নেস সিমেন্ট (Blast Furnace Cement – CEM III)
এছাড়াও এক্সপোর্টের জন্য ফ্লাই অ্যাশ সিমেন্ট এবং সৌন্দর্য্য বর্ধন কাজের জন্য হোয়াইট সিমেন্ট বাংলাদেশে পাওয়া যায়।
বাড়ি নির্মাণের জন্য কি ধরণের সিমেন্ট দরকার?
ল্যাবরেটরীতে পরীক্ষণের মাধ্যমে সিমেন্টের ন্যূনতম শক্তি ২৮ দিনে যদি৩৬২০psi (PCC) , ৪০৬০ psi (OPC) পাওয়া যায় তাহলে সেই সিমেন্ট বাড়ি নির্মাণের কাজে ব্যবহার করা যাবে।
ভাল সিমেন্ট চিনতে ল্যাবরেটরি পরীক্ষার পাশাপাশি কিছু হাতে-কলমে পরীক্ষাও আছে, নিম্নে কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করা হলো যেগুলোর মাধ্যমে আপনি সরাসরিই সিমেন্ট ভালো-খারাপ বুঝতে পারবেন।।।।।।।
ক) ভাল মানের সিমেন্টের ব্যাগে হাত প্রবেশ করালে ঠাণ্ডা অনুভূত হবে। কিন্তু বর্তমানে সিমেন্ট ফ্যাক্টরিতে সিমেন্ট প্রস্তুতের পরপরই সরবরাহ করা হয় বলে সিমেন্টের ব্যাগ গরম থাকে।
খ) এক মুঠো সিমেন্ট হাতে নেয়ার পর হাতের তালুতে একটি স্তুপ তৈরি করা হলে যদি তা অপরিবর্তিত থাকে তবে তা ভাল সিমেন্ট।
গ) এক মুঠো সিমেন্ট নিয়ে পানিতে ফেললে তা যদি সাথে সাথে পানিতে তলিয়ে যায় এবং কোন অংশ পানিতে ভেসে না থাকে তবে বুঝতে হবে ঐ সিমেন্ট ভাল মানের।
ঘ) ভাল মানের সিমেন্ট হাতের মধ্যে নিয়ে মুষ্টি বন্ধ করে পানির ট্যাপের নিচে ধরলে অথবা কিছু পানি মুষ্টির উপর ঢাললে যাতে করে মুঠোর ফাঁক দিয়ে পানি প্রবেশ করে সিমেন্ট ভিজতে পারে তখন হাতের ভেতর তাপমাত্রা বাড়ছে বলে অনুভূত হবে।
ঙ) দু-আংগুলের মাঝে সিমেন্ট নিয়ে ঘর্ষণ করলে যদি রেশমের মত মসৃণ অনুভূত হয় তাহলে ঐ সিমেন্ট ভাল বলে গণ্য হবে।
এই রকম আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে পেইজে ফলো দিয়ে রাখতে পারেন। আশা করি আপনাদের উপকারে আসবে।

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১৩০ টি শব্দের অর্থ তাছাড়া দলিলে লিখিত  অনেক শব্দ আছে, যার সংক্ষিপ্ত রুপ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এমনও ...
01/05/2023

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১৩০ টি শব্দের অর্থ তাছাড়া দলিলে লিখিত অনেক শব্দ আছে, যার সংক্ষিপ্ত রুপ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এমনও কিছু শব্দ আছে যা খুব কম ব্যবহার হয়। যারা পুরাতন দলিলের ব্যবহৃত শব্দের অর্থ বোঝেন না,তাদের জন্য আমার এই লেখাটিঃ-

১. মৌজা = গ্রাম।

২. জে.এল নং = মৌজা নং/গ্রাম নম্বর।

৩. ফর্দ = দলিলের পাতা।

৪. খং = খতিয়ান।

৫. সাবেক = আগের/পূর্বের বুজায়

৬. হাল = বর্তমান।

৭. বং = বাহক, অর্থাৎ যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম
লিখে।

৮. নিং = নিরক্ষর।

৯. গং = আরো অংশীদার আছে।

১০. সাং = সাকিন/গ্রাম।

১১. তঞ্চকতা = প্রতারণা।

১২. সনাক্তকারী = যিনি বিক্রেতাকে চিনে।

১৩. এজমালী = যৌথ।

১৪. মুসাবিদা = দলিল লেখক।

১৫. পর্চা = বুঝারতের সময় প্রাথমিক খতিয়ানের যে
নকল দেওয়া হয় তাকে পর্চা বলে।

১৬. বাস্তু = বসত ভিটা।

১৭. বাটোয়ারা = বন্টন।

১৮. বায়া = বিক্রেতা।

১৯. মং = মবলগ/মোট

২০. মবলক = মোট।

২১. এওয়াজ = সমপরিমাণ কোন কিছু বদলে
সমপরিমাণ কোন কিছু বদল করাকে এওয়াজ
বলে।

২২. হিস্যা = অংশ।

২৩. একুনে = যোগফল।

২৪. জরিপ = পরিমাণ।

২৫. এজমালী = কোনো ভূমি বা জোতের একাধিক
শরীক থাকিলে তাহাকে এজমালী সম্পত্তি বা
এজমালী জোত বলে।

২৬. চৌহদ্দি = সীমানা।

২৭. সিট = নকশার অংশ বা মৌজার অংশের
নকশাকে সিট বলে।

২৮. দাখিলা = খাজনার রশিদ।

২৯. নক্সা = ম্যাপ।

৩০. নল = জমি পরিমাপের নিমিত্তে তৈরী অংশ দণ্ড।

৩১. নাল = চাষাবাদের উপযোগী ভূমি।

৩২. পিং = পিতা।

৩৩. জং = স্বামী।

৩৪. দাগ নং = জমির নম্বর।

৩৫. এতদ্বার্থে = এতকিছুর পর।

৩৬. স্বজ্ঞানে = নিজের বুঝ মতে।

৩৭. সমূদয় = সব কিছু।

৩৮. ইয়াদিকৃত = পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে
শুরু করিলাম।

৩৯. পত্র মিদং = পত্রের মাধ্যমে।



৪০. বিং = বিস্তারিত।

৪১. দং = দখলকার।

৪২. পত্তন = সাময়িক বন্দোবস্ত।

৪৩. বদল সূত্র = এক জমি দিয়া অন্য জমি গ্রহণ করা।

৪৪. মৌকুফ = মাপ।

৪৫. দিশারী রেখা = দিকনির্দেশনা।

৪৬. হেবা বিল এওয়াজ = কোন জিনিসের পরিবর্তে
ভূমি/জমি দান করাকে হেবা বিল এওয়াজ বলে।

৪৭. বাটা দাগ = কাটা দাগ এটি ভগ্নাংশ আকারে
থাকে, যার উপরের সংখ্যা আগের দাগ এবং
নিচের সংখ্যা এই দাগের বাটা।

৪৮. অধুনা = বর্তমান।

৪৯. রোক = নগদ।

৫০. ভায়া = বিক্রেতার পূর্বের ক্রয়কৃত দলিল।

৫১. দান সূত্র = কোনো ভূমি দলিল মূলে দান করিলে
দান গ্রহণকারী দান সূত্রে ভূমির মালিক বলিয়া
গন্য হয়।

৫২. দাখিল খারিজ = কোনো জোতের ভূমি ও জমা
হইতে কতেকাংশ ভূমির খরিদ্দার ওয়ারিশ সূত্রে
প্রাপ্ত ব্যাক্তিকে পৃথকভাবে নাম জারি করিয়া দিলে
তাহাকে দাখিল খারিজ বলে।

৫৩. তফসিল = তালিকা, কোনো দলিলের নিম্নভাগে
লিখিত সম্পত্তির তালিকাকে তফসিল বলে।

৫৪. খারিজ = যখন কোনো সরকার বা জমিদার
কোনো প্রজাকে তাহার অংশীদারের জমা হইতে
পৃথকভাবে খাজনা দিবার অনুমতি দেন তখন
তাহাকে খারিজ বলে।
#ভূমিপরামর্শক পেইজে লাইক দিয়ে সাথেই থাকুন
৫৫. খতিয়ান = প্রত্যেক মৌজার এক বা একাধিক
ভূমির জন্য একত্রে যে রেকর্ড সৃষ্টি করা হয়
তাহাকে খাতিয়ান বলা হয়। খতিয়ানে তৌজি
নম্বর, পরগনার নাম, জে.এল বা গ্রামের নাম,
খতিয়ান নম্বর, স্বত্ত্বের বিবরণ মালিকের নাম,
তাহার পিতা ও গ্রামের নাম, দাগ নম্বর, প্রত্যেক
দাগের উত্তর সীমানা, ভূমির প্রকার অর্থাৎ (ডাঙ্গা,
ধানী, ডোবা, পতিত, গর্ত, হালট, ইত্যাদি)
দখলকারের নাম, ভূমির ষোল আনা পরিমাণ,
হিস্যা ও হিস্যা মত পরিমাণ একর লিখিত থাকে।

৫৬. জরিপ = সাধারণত কর নির্ধারণ ভিত্তিতেই এই
সার্ভে করা হইয়া থাকে।

৫৭. এওয়াজ সূত্র = সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা
জিনিসের বদলে সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা
জিনিস প্রাপ্ত হইলে তাহাকে এওয়াজ সূত্রে প্রাপ্ত
বলা হয় ইহাকে বদল সূত্রও বলে।

৫৮. অছিয়তনামা = যদি কোনো ব্যাক্তি মৃত্যুর পূর্বে
তাহার ওয়ারিশ বা আত্বীয় স্বজনকে তার স্থাবর-
অস্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা সম্পর্কে দলিল মূলে
কোনো নির্দেশ দিয়া যান তবে তাহাকে
অছিয়তনামা বলে। মৃত্যুর পর উক্ত অছিয়ত
প্রবলের জন্য জেলা জজ সাহেব হইতে অনুমতি
লইতে হয় হিন্দু ধর্মে উহাকে উইল বলে।

৫৯. তফসিল = বিক্রিত জমির তালিকা।

৬০. নামজারী = অন্যান্য অংশীদার থেকে নিজের নাম
খতিয়ানে খোলাকে নামজারী বলে।

৬১. অধীনস্থ স্বত্ত্ব = উপরিস্থিত স্বত্ব বা জমিদারী
স্বত্বের অধীনে কোনো স্বত্ত্ব সৃষ্টি করিলে তাহাকে
অধীনস্থ স্বত্ত্ব বা নীচস্থ স্বত্ত্ব বলে।

৬২. আলামত = ম্যাপের মধ্যে গাছপালা, বাড়ীঘর,
মন্দির, মসজিদ, গোরস্থান, জলভূমি, ইত্যাদি
বুঝাইবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে আলামত বলে।

৬৩. আমলনামা = কোনো ব্যক্তি অন্যের নিকট হইতে
কোনো ভূমি নিলাম বা খোস – খরিদ করিয়া
ভূমিতে দখল লওয়ার যে দলিল প্রাপ্ত হয় তাহাকে
আমনামা বলে।

৬৪. আসলি = মূল ভূমি।

৬৫. আধি = উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক ভূমির মালিক,
অর্ধেক প্রজায় রাখিলে তাহাকে আধি বা বর্গ
বলে।

৬৬. ইজারা = ঠিকা। নির্দিষ্ট খাজনায় নির্দিষ্ট সময়ের
জন্য তালুক বা মহলাদির বন্দোবস্ত দেওয়া বা
নেওয়া।

৬৭. ইয়াদদন্ত = স্মারকলিপি।

৬৮. ইন্তেহার = ঘোষণাপত্র।

৬৯. এস্টেট = ১৭৯৩ সালে সরকার বাহাদুর যে সমস্ত
মহাল স্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দিয়াছেন তাহাদিগকে
জমিদারী বা এস্টেট বলে।

৭০. ওয়াকফ = ধর্মীয় কাজের উদ্দেশ্যে আল্লাহর নামে
উৎসর্গকৃত সম্পত্তি।

৭১. কিত্তা = চারিটি আইন দ্বারা বেষ্টিত ভূমি খন্ডকে
এক একটি কিত্তা বা পট বলে।

৭২. কিস্তোয়ার জরিপ = গ্রামের অন্তর্গত জমিগুলো
কিত্তা কিত্তা করে জরিপ করার নাম কিস্তোয়ার

৭৩. কিস্তি = নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী টাকা দিবার
অঙ্গীকার বা ব্যবস্থা।

৭৪. কায়েম স্বত্ত্ব = চিরস্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দেওয়া
ভূমিকে কায়েম স্বত্ত্ব বলে।

৭৫. কবুলিয়ত = মালিকের বরাবরে স্বীকারোক্তি
করিয়া কোনো দলিল দিলে তাহাকে বকুলিয়ত
বলে। কবুলিয়াত নানা প্রকার। যথা- রায়তি, দর
রায়তি, কোর্ফা ও আদি বর্গা কবুলিয়াত।

৭৬. কটকোবালা = সুদের পরিবর্তে মহাজনের দখলে
জমি দিয়া টাকা কর্জ করত: যে দলিল দেওয়া হয়
তাহাকে কটকোবালা বল।

৭৭. কান্দা = উচ্চ ভূমি। গোবামের সন্নিকটস্থ ভূমিকেও
কান্দা বলে।

৭৮. কিসমত = মৌজার অংশকে কিসমত বলে।

৭৯. কোলা ভূমি = বসত বাড়ীর সংলগ্ন নাল জমিকে
কোলা ভূমি বলে।

৮০. কোল = নদীর কোনো ছোট অংশ তাহার প্রধান
স্রোতের সহিত বা হইতে সংযুক্ত হইয়া গেলে
তাহাকে কোল বলে।

৮১. খানাপুরী = প্রাথমিক স্বত্ত্ব লিপি। ইহা রেকর্ড অব
রাইটস তৈরির ধাপ। খসড়া ও খতিয়ানের কলাম
বা ঘর পূরণ করাই ইহার কাজ।

৮২. খামার = ভূম্যধিকারী খাস দখলীয় ভূমিকে খামার,
খাস-খামার, নিজ জোত বা কমত বলে।

৮৩. খাইখন্দক = ডোবগর্ত, খাল, নালা ইত্যাদি চাষের
অযোগ্য ভূমিকে খাইখন্দক বলে।

৮৪. খিরাজ = কর, খাজনা।

৮৫. খানে খোদা = মসজিদ।

৮৬. খসড়া = জমির মোটামুটি বর্ণনা।

৮৭. গর বন্দোবস্তি = যে জমির কোনো বন্দোবস্ত
দেওয়া হয় নাই।

৮৮. গরলায়েক পতিত = খাল, নালা, তীরচর, ঝাড়,
জঙ্গল ইত্যাদি অনাবাদি ভূমিকে গরলায়েক পতিত
বলে।

৮৯. গির্বি = বন্ধক।

৯০. চক = থক বসত ম্যাপের এক একটি পটকে চক
বলে।

৯১. জমা বন্দী = খাজনার তালিকা।

৯২. চাকরাণ = জমিদার বাড়ীর কাজ-কর্ম নির্বাহ
করণার্থে ভোগ-দখল করিবার নিমিত্তে যে জমি
দেওয়া হয় তাহাকে চাকরাণ বলে।

৯৩. চাঁদা = জরিপ কার্যে নির্দিষ্ট করা স্টেশনকে চাঁদা
বলে।

৯৪. চটান = বাড়ীর সন্নিকটস্থ উচ্চ পতিত স্থানকে
চটান বলে।

৯৫. চালা = উচ্চ আবাদি ভূমি (পুকুরের পাড় ইত্যাদি)

৯৬. চর = পলিমাটি গঠিত ভূমি।

৯৭. জবর-দখল = জোরপূর্বক দখল।

৯৮. জমা = এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে
খাজনা দেওয়া হয় তাহাকে এক একটি জমা বলে।

৯৯. জোত = এক প্রকার প্রজাস্বত্ত্ব।

১০০. জজিরা = নাব্য নদীতে যে দ্বীপ গঠিত হয়
তাহাকে জজিরা বলে।

১০১. জায়সুদী = হস্তান্তরকরণ ক্ষমতা ব্যতীত কিয়ং
কালের জন্য বন্ধক। অর্থাৎ মহাজনের নিকট
বন্ধক দিয়া যদি এই মর্মে টাকা কর্জ করা যায়,
যে যতদিন পর্যন্ত আসল টাকা পরিশোধ না হইবে
ততদিন পর্যন্ত মহাজন উক্ত জমি ভোগ-দখল
করিতে থাকিবেন, তবে তাহাকে জায়সুরি বলে।

১০২. জালি = এক প্রকার ধান যাহা জলাভূমিতে
জন্মে।

১০৩. টেক = নদী ভগ্নস্থান ভরাট হইয়া যে পয়স্তি
উৎপন্ন হয় তাহাকে টেক বলে।

১০৪. টাভার্স = ঘের জরিপ।

১০৫. ঠিকা রায়ত = নির্দিষ্ট মেয়াদে সাময়িকভাবে
দখলকারকে ঠিক রায়ত বলে অথবা যে
রায়তের কোনো দখলি স্বত্ত্ব নেই।

১০৬. ঢোল সহরত = কোনো ক্রোক, নিলাম ইস্তেহার বা
দখলি পরওয়ানা সরজমিনে ঢোল পিটাইয়া
জারি করাকে ঢোল সহরত বলে।

১০৭. তামিল = আদেশ মোতাবেক রেকর্ড সংশোধন
করা।

১০৮. তামাদি = খাজনা আদায় করার নির্দিষ্ট সময়
অতিক্রম হইলে তাহাকে তামাদি বলে।

১০৯. তুদাবন্দী = সীমানা নির্দেশ।

১১০. তহশিল = খাজনাদি আয়ের নিমিত্ত নির্দিষ্ট
এলাকাকে তহশিল বলে।

১১১. তলবানা = সমন জারির সময় পিয়নকে প্রদত্ত
ফিস।

১১২. তলববাকী = বকেয়া খাজনা আদায়ের কিস্তি।

১১৩. তালুক = নিম্নস্থ স্বত্ত্ব।

১১৪. তরমিম = শুদ্ধকরণ।

১১৫. তরতিব = শৃংখলা।

১১৬. তৌজি = ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তীয়
ভূমির জন্য কালেক্টরীতে যে রেজিষ্ট্রী বই থাকে
তাহাকে তৌজি বলে। প্রত্যেক তৌজির ক্রমিক
নম্বর থাকে। জমিদারের অধীন প্রজার
জোতকেও তৌজি বলা হয়।

১১৭. দিয়ারা = পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।

১১৮. দর পত্তনী = পত্তনীর অধীন।

১১৯. দখলী স্বত্ত্ব বিশিষ্ট প্রজা = দখলদার হিসেবে যে
প্রজার স্বত্ত্ব আছে।

১২০. দশসালা বন্দোবস্ত = দশ বৎসরের মেয়াদে
বন্দোবস্ত দেওয়াকে দশসালা বন্দোবস্ত বলে।

১২১. দিয়ারা = পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।

১২২. দাগ নম্বর = মৌজা নকশায় প্রত্যেক প্লটের যে
সিরিয়াল নম্বর বসান হয়,তাহাকে দাগ নম্বর
বলে।

১২৩. দরবস্ত = সমুদয়।

১২৪. নথি = রেকর্ড।

১২৫. দেবোত্তর = দেবতাদিগকে প্রদত্ত নিষ্কর ভূমি।

১২৬. দেবিচর = যে সকল বালুচর সাধারণ জোয়ারের
পানিতে ডুবিয়া যায় তাহাদিগকে দেবিচর বলে।

১২৭. দিঘলি = নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা আদায়কারী
একপ্রকার প্রজা।

১২৮. নক্সা ভাওড়ন = পূর্ব জরিপ অনুসারে গ্রামের
সীমাগুলো এখন আর ঠিক মতো পাওয়া যায়
না। ফলে সীমানা লইয়া প্রায়ই জমিদারের মধ্যে
ঝগড়া বাঁধে। পূর্বের ফিল্ডবুক অনুসারে প্রত্যেক
লাইনের মাপ ও বিয়ারিং লইয়া, লাইনটি প্রথমে
যেখানে যেভাবে ছিল, তা চিহ্নিত করিয়া, কোন
জমি কোন মৌজার অন্তর্গত,তাহা ঠিক করার
নামই,নক্সা ভাওড়ান বা রিলেইং বাউন্ডারীজ।

১২৯. নামজারী = ভূম্যধিকারী সরকারের সাবেক
নামের পরিবর্তে খরিদ্দার অথবা ওয়ারিশ সূত্রে
প্রাপ্ত ব্যক্তির নাম রেজিস্ট্রী করাকে নামজারী
বলে।

১৩০. নাম খারিজ বা জমা খারিজ = ১৬ আনা
জোতার মোট জমা হইতে নামজারীকৃত
ওয়ারিশ বা খরিদ্দারের দখলীয় জমির জমা ১৬
আনা জোতার জমার হার অনুসারে জাম ভাগ
করিয়া দিয়া পৃথক জমা সৃষ্টি করাকে নাম
খারিজ বা জাম খারিজ বলে।

13/03/2023

আলহামদুলিল্লাহ সম্পূর্ণ কমপ্লিট হয়েছে।
প্রজেক্ট সালঃ ২০২২
ক্লায়েন্টঃ খান ইস্তাক সৈকত ।
প্রজেক্ট ঠিকানাঃ জলিশা, দুমকী, পটুয়াখালী ।
প্রজেক্ট এর নির্মাণ এরিয়াঃ-
১) নিচতলা ৭৯০ স্কয়ারফিট
প্রজেক্ট ব্যায়ঃ প্রায় ১৩ লাখ থেকে ১৪ লাখ টাকা।
অসাধারন এই বাড়িটি নির্মিত হচ্ছে পটুয়াখালী জেলার দুমকী উপজেলায়। আমাদের অভিজ্ঞ আর্কিটেক্ট ও ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা অত্যাধুনিক স্থাপত্যশৈলি এবং নিপুন হাতে ডিজাইন করা হয়েছে এই বাড়িটি।
বাড়িটিতে যা যা রয়েছে -
নিচতলাঃ
১) ২ টি বেড রুম।
২) ডাইনিং রুম ।
৩) ওপেন কিচেন।
৪) ১টা কমন টয়লেট।
৫) বারান্দা।
আমাদের সেবাসমূহ:
ইন্টেরিওর ডিজাইন।
আর্কিটেকচারাল ডিজাইন।
ল্যান্ডস্কেপ ডিজাইন।
দক্ষ ও অভিজ্ঞ ইন্টেরিয়র আর্কিটেক্টস, ইন্টেরিয়র ডিজাইনার, আর্কিটেক্টস, ইঞ্জিনিয়ার, থ্রিডি ভিজুয়ালাইজার, অ্যানিমেটরস, গ্রাফিক ডিজাইনারস, আর্টিস্টস এবং টেকনিশিয়ানদের সমন্বয়ে টিম গঠিত।
নিজস্ব দক্ষ ও অভিজ্ঞ মিস্ত্রি।
কাজ চলাকালীন সময়ে অভিজ্ঞ ডিজাইনার/সুপারভাইজার দ্বারা সুপারভাইসকৃত।
হাই কোয়ালিটির ফিনিশিং এবং কাজের সর্বোচ্চ মান।
সময়মতো প্রজেক্ট হেন্ড-ওভার প্রদান।
আমাদের সাথে যে কোন সময় যোগাযোগ করুন
01751-514142
01916664747
[email protected]
Office: 51/A/11 West Raja Bazar, Dhaka 1207

ডুপ্লেক্স বাড়িপ্রজেক্ট সালঃ ২০২1প্রজেক্ট স্ট্যাটাসঃ নির্মাণ কাজ চলমান।ক্লায়েন্টঃ তারেক সাজ্জাদ । প্রজেক্ট ঠিকানাঃ মিঠাপ...
16/02/2023

ডুপ্লেক্স বাড়ি
প্রজেক্ট সালঃ ২০২1
প্রজেক্ট স্ট্যাটাসঃ নির্মাণ কাজ চলমান।
ক্লায়েন্টঃ তারেক সাজ্জাদ ।
প্রজেক্ট ঠিকানাঃ মিঠাপুকুর,রংপুর ।
প্রজেক্ট এর নির্মাণ এরিয়াঃ-
১) নিচতলা 1600 স্কয়ারফিট
2) প্রথম তলা ১১৫০ স্কয়ারফিট

প্রজেক্ট ব্যায়ঃ প্রায় ৪০ লাখ থেকে ৪৫ লাখ টাকা।
অসাধারন এই বাড়িটি নির্মিত হচ্ছে রংপুর জেলার মিঠাপুকুর । আমাদের অভিজ্ঞ আর্কিটেক্ট ও ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা অত্যাধুনিক স্থাপত্যশৈলি এবং নিপুন হাতে ডিজাইন করা হয়েছে এই বাড়িটি।
বাড়িটিতে যা যা রয়েছে -
নিচতলাঃ
১) ৪ টি বেড রুম।
২) ড্রয়িং রুম ।
৩) ডাইনিং রুম ।
৪) ওপেন কিচেন।
৫) ১টা কমন টয়লেট।
৬) ২টা এটাস্ট টয়লেট।
৭) ২টা বারান্দা।

প্রথম তলাঃ
১) ২ টি বেড রুম।
২) ড্রয়িং রুম ।
৩) ১টা কমন টয়লেট।
৪) ২টা বারান্দা।
৫) ওপেন টেরাস।

আমাদের সেবাসমূহ:
ইন্টেরিওর ডিজাইন।
আর্কিটেকচারাল ডিজাইন।
ল্যান্ডস্কেপ ডিজাইন।
দক্ষ ও অভিজ্ঞ ইন্টেরিয়র আর্কিটেক্টস, ইন্টেরিয়র ডিজাইনার, আর্কিটেক্টস, ইঞ্জিনিয়ার, থ্রিডি ভিজুয়ালাইজার, অ্যানিমেটরস, গ্রাফিক ডিজাইনারস, আর্টিস্টস এবং টেকনিশিয়ানদের সমন্বয়ে টিম গঠিত।
নিজস্ব দক্ষ ও অভিজ্ঞ মিস্ত্রি।
কাজ চলাকালীন সময়ে অভিজ্ঞ ডিজাইনার/সুপারভাইজার দ্বারা সুপারভাইসকৃত।
হাই কোয়ালিটির ফিনিশিং এবং কাজের সর্বোচ্চ মান।
সময়মতো প্রজেক্ট হেন্ড-ওভার প্রদান।
আমাদের সাথে যে কোন সময় যোগাযোগ করুন
01751-514142
01916664747
[email protected]
Office: 51/A/11 West Raja Bazar, Dhaka 1207

প্রজেক্ট সালঃ ২০২২প্রজেক্ট স্ট্যাটাসঃ নির্মাণ কাজ চলমান।ক্লায়েন্টঃ খান ইস্তাক সৈকত । প্রজেক্ট ঠিকানাঃ জলিশা, দুমকী, পটুয়...
07/02/2022

প্রজেক্ট সালঃ ২০২২
প্রজেক্ট স্ট্যাটাসঃ নির্মাণ কাজ চলমান।
ক্লায়েন্টঃ খান ইস্তাক সৈকত ।
প্রজেক্ট ঠিকানাঃ জলিশা, দুমকী, পটুয়াখালী ।
প্রজেক্ট এর নির্মাণ এরিয়াঃ-
১) নিচতলা ৭৯০ স্কয়ারফিট

প্রজেক্ট ব্যায়ঃ প্রায় ১৩ লাখ থেকে ১৪ লাখ টাকা।
অসাধারন এই বাড়িটি নির্মিত হচ্ছে পটুয়াখালী জেলার দুমকী উপজেলায়। আমাদের অভিজ্ঞ আর্কিটেক্ট ও ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা অত্যাধুনিক স্থাপত্যশৈলি এবং নিপুন হাতে ডিজাইন করা হয়েছে এই বাড়িটি।

বাড়িটিতে যা যা রয়েছে -
নিচতলাঃ
১) ২ টি বেড রুম।
২) ডাইনিং রুম ।
৩) ওপেন কিচেন।
৪) ১টা কমন টয়লেট।
৫) বারান্দা।

আমাদের সেবাসমূহ:
ইন্টেরিওর ডিজাইন।
আর্কিটেকচারাল ডিজাইন।
ল্যান্ডস্কেপ ডিজাইন।

দক্ষ ও অভিজ্ঞ ইন্টেরিয়র আর্কিটেক্টস, ইন্টেরিয়র ডিজাইনার, আর্কিটেক্টস, ইঞ্জিনিয়ার, থ্রিডি ভিজুয়ালাইজার, অ্যানিমেটরস, গ্রাফিক ডিজাইনারস, আর্টিস্টস এবং টেকনিশিয়ানদের সমন্বয়ে টিম গঠিত।
নিজস্ব দক্ষ ও অভিজ্ঞ মিস্ত্রি।
কাজ চলাকালীন সময়ে অভিজ্ঞ ডিজাইনার/সুপারভাইজার দ্বারা সুপারভাইসকৃত।
হাই কোয়ালিটির ফিনিশিং এবং কাজের সর্বোচ্চ মান।
সময়মতো প্রজেক্ট হেন্ড-ওভার প্রদান।

আমাদের সাথে যে কোন সময় যোগাযোগ করুন
01751-514142
01916664747

[email protected]
Office: 51/A/11 West Raja Bazar, Dhaka 1207

ফুটিং (Footing) সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যনির্মাণ কাজের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হচ্ছে, এজন্য ফুটিং এর কাজ করার ক্ষেত্...
27/09/2021

ফুটিং (Footing) সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

নির্মাণ কাজের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হচ্ছে, এজন্য ফুটিং এর কাজ করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে এবং নানা বিষয় খেয়াল রেখে কাজ করতে হবে।

প্রয়জনীয় যন্ত্রপাতি /ম্যাটেরিয়ালসের তালিকা
-------------------------------------------------------------------
নির্মাণ কাজ শুরু করার আগে সব ধরনের যন্ত্রপাতি ও ম্যাটেরিয়ালস মজুদ রাখতে হবে। না হয় কাজ শুরুর পরে কোন যন্ত্রপাতি ও ম্যাটেরিয়ালস না থাকলে আপনাকে অনেক ঝামেলা পোহাতে হবে।

প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির মধ্যে আছে

১। পলিথিন, ইট, বালি, খোয়া, সিমেন্ট, রড,২৪ গেজের জি.আই তার ইত্যাদি

২। কোদাল, বেলচা, টুকরি।(মাটি কাটার জন্য)
৩। ২"বাই ৩" সাইজের কাঠের ডাসা, প্লেন সীট( ফুটিং এর মাটি কাটার পর মাটির ভাঙন আটকানোর জন্য)

৪। ট্রিপল ( বৃস্টি নামলে যেন ফুটং এর মাটি রক্ষা করা যায়)।

৫। সাবমারসিবল অথবা জেট পাম্প ( পানি নিষ্কাশন করার জন্য)।

যদি আপনার সাইটের মাটির অবস্থা খারাপ হয় তবে আপনি চেষ্টা করবেন যে দিন ফুটিং এর মাটি কাটবেন সেইদিনই ফুটিং ঢালাই করার।

কাজের বিবরণঃ
----------------------------------------------------
১। ড্রইং অনুযায়ী ফুটিং এর লে-আউট দিন।

২। মাটি ফুটিং এর আকার অপেক্ষা বেশি কাটুন।

******* যদি মাটি কাটার গভীরতা ৫ ফিটের অধিক হয় তবে মাটি স্লোপ করে কাটুন। মাটি কখনো খাড়া ভাবে কাটবেন না। এতে মাটি ভেঙে যাবার সম্ভাবনা থাকে।

৩। মাটি কাটার সময় অবশ্যই ঢালাই এর গভীরতা সোলিং এবং স্যান্ড ফিলিং এর হিসাব করে নিবেন।

৪। মাটি কাটার সময় পানি উঠতে পারে।তাই মাটি কাটার সময় সুবিধাজনক স্থানে ছোট পিটের মত গর্ত করেন।যেন সেখানে পাম্প লাগিয়ে সহজেই আপনি পানি নিষ্কাসন করতে পারেন।

৫। মাটি কাটা হয়ে গেলে প্লেন সীট ও কাঠের সাহায্যে মাটিতে ঠেক দিন।যাতে মাটি ভেঙে পরতে না পারে।

৬। এবার স্যান্ড ফিলিং,পলিথিন লেয়িং ও সোলিং এর পর ইটের মুখ সিমেন্ট বালি দিয়ে মেরে দিন।

৭। এবার গ্রিড লাইন অনুযায়ী সঠিক ভাবে শাটারিং করুন।
(আগে শাটার করলে বেজের রডের খাচা সঠিকস্থানে স্থাপন করতে সুবিধা হয়)।

৮। ফুটিং সাইজ ৬ ফিটের মত হলে তার রডের জালি আগেই রেডি করে রেখে দিন। আর পরে শুধু জায়গামত নামিয়ে দিন।

৯। যদি ফুটিং সাইজ বড় হয় তবে সঠিক মাপে রড কেটে নামিয়ে সস্থানে রড বাধুন।

১০। এবার কলামের রডের খাচা ফুটিং এর রডের জালির উপরে নামান এবং গ্রিড লাইন অনুযায়ী সঠিকভাবে স্থাপন করুন।

১১। কলামের রডের খাচাকে সোজাভাবে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় ঠেকনা দিন।

১২। এবার ফুটিং এ পানি জমে থাকলে তা নিষ্কাশন করুন।

১৩। এবার কংক্রিট রেডি করে ঢালাই করুন।

১৪। কংক্রিট উপর থেকে ফেলা যাবে না অবশ্যই ডোঙা বানিয়ে ফেলতে হবে।

১৫। ঢালাই খুব দ্রুত করতে হবে। কেননা ঢালাইয়ের আগে পানি নিষ্কাশন করার পর পুনরায় পানি উঠে আসার আগেই ঢালাই কাজ সম্পাদান করতে পারলে ভাল।

Address

51/A/11 West Rajabazar
Dhaka
1205

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 19:00
Wednesday 10:00 - 19:00
Thursday 10:00 - 19:00
Saturday 10:00 - 19:00
Sunday 10:00 - 19:00

Telephone

+8801751514142

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Studio Incenso posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Studio Incenso:

Share