Raj Gallery

Raj Gallery আসসালামু আলাইকুম
রাজ গ্যালারী পক্ষ থেকে
আপনাকে স্বাগতম..!

21/10/2025

আলহামদুলিল্লাহ
Tecno Spark 20c
Touch Not Working ok
ধন্যবাদ Gsm Rahat ভাইকে
ওনার ট্রেনিং সেন্টার থেকে ট্রেনিং নেওয়ার
পর থেকে আলহামদুলিল্লাহ আমার কাজের
মান অনেক বাড়ছে ।

16/06/2025

OPPO A16 Frp Unlock MRT Tool

30/03/2025
নতুন দোকান
25/01/2025

নতুন দোকান

Android phone battery connector Details
21/11/2024

Android phone battery connector Details

Resistor রোধক বা রেজিস্টর  তড়িৎ বর্তনীতে ব্যবহৃত, দুই প্রান্ত বিশিষ্ট একপ্রকার তড়িৎ যন্ত্রাংশ। এর কাজ হলো তড়িৎ প্রবাহ...
19/11/2024

Resistor
রোধক বা রেজিস্টর তড়িৎ বর্তনীতে ব্যবহৃত, দুই প্রান্ত বিশিষ্ট একপ্রকার তড়িৎ যন্ত্রাংশ। এর কাজ হলো তড়িৎ প্রবাহকে বাধা দেয়া বা রোধ করা। রোধক যে ধর্মের জন্য তড়িৎ প্রবাহকে বাঁধা প্রদান করে তাকেই রোধ বলে। তড়িৎ বর্তনীতে থাকা অবস্থায় রোধক তার দুই প্রান্তের মধ্যে বিভব পার্থক্য সৃষ্টি করার মাধ্যমে তড়িৎ প্রবাহকে বাধা দেয়।

প্রতীক ও একক:
রোধকে R দিয়ে প্রকাশ করে হয়ে থাকে। এর একক ওহম (Ω) ।
ইলেকট্রনিক সার্কিট এ সাধারণত চার ধরনের রেজিস্টর ব্যবহার করা হয়। যথা-

1.কার্বন কম্পোজিশন রেজিস্টর।
2.কার্বন ফিল্ম রেজিস্টর।
3.মেটাল ফিল্ম রেজিস্টর।
4.ওয়্যার উন্ড রেজিস্টর।
1. কার্বন কম্পোজিশন রেজিস্টর: এ ধরনের রেজিস্টর রেডিও, টেলিভিশন, টেপ রেকর্ডার এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্র সমূহে ব্যবহার করা হয়। পরিবর্তনশীল কার্বন রেজিস্টর সাধারণত কন্ট্রোল পদ্ধতিতে ব্যবহৃত হয়। এদের পাওয়ার রেটিং 1/8W হতে 1W হয়।
2. কার্বন ফিল রেজিস্টর: এটি কার্বন কম্পোজিশন রেজিস্টর এর মতোই সাধারণ কাজে ব্যবহৃত হয়। তবে এর স্টাবিলিটি এবং পাওয়ার রেটিং কার্বন কম্পোজিশন রেজিস্টর এর তুলনায় বেশি হওয়ায় যে সকল ক্ষেত্রে স্টাবিলিটি এবং পাওয়ার খরচ বেশি হয় সেসব ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। এদের পাওয়ার রেটিং 1/4W হতে 2W হয়।
3. মেটাল ফিল্ম রেজিস্টার: এটি অধিকতর সূক্ষ্ম কাজে যেমন- রেডিও, টিভি এর ভলিউম কন্ট্রোল এ এটি ব্যবহৃত হয়। এর স্টাবিলিটি এবং পাওয়ার রেটিং কার্বন কম্পোজিশন ও কার্বন ফিলম রেজিস্টর এর তুলনায় বেশি।

4. ওয়্যার উন্ড রেজিস্টর: এ ধরনের রেজিস্টর উচ্চ তাপ বিকিরণকারী বলে যে সকল ক্ষেত্রে অনেক বেশি পাওয়ার লস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, সেসব ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এছাড়া যে ক্ষেত্রে কম মানের রেজিস্টর দরকার সে ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহৃত হয়। এদের পাওয়ার রেটিং 2W হতে বহু শত ওয়াট পর্যন্ত হতে পারে।

Diode,এর কাজ কি?এটি একটি ইলেকট্রনিক উপাদান যা শুধুমাত্র এক দিকে স্রোতের প্রবাহকে অনুমতি দেয়, যাই হোক না কেন স্রোতের মান...
19/11/2024

Diode,এর কাজ কি?

এটি একটি ইলেকট্রনিক উপাদান যা শুধুমাত্র এক দিকে স্রোতের প্রবাহকে অনুমতি দেয়, যাই হোক না কেন স্রোতের মান অ্যানোড-বাউন্ড প্রান্ত থেকে ক্যাথোড-বাউন্ড প্রান্ত পর্যন্ত সরানো হয়, এবং আলো এবং চার্জিং সার্কিটে মোবাইল ডিভাইসে ব্যবহার করা হয় (ডি)।

ডায়োডের প্রকারভেদ

1) জেনার ডায়োড একটি নির্দিষ্ট ভোল্টেজে কারেন্ট ইনস্টল করে এবং চার্জ জেনার (ডিজেড) এর মত অতিরিক্ত কারেন্ট ডিসচার্জ গ্রাউন্ড।

2) একটি তেজস্ক্রিয় ডায়োেড আলো জ্বলে যখন বর্তমান এর ভিতরে চলে যায় (এলইডি)।

3) একটি বাইনারি জেনার ডায়োেড একটি প্রদত্ত প্রচেষ্টায় বিপরীতভাবে পরিচালিত হয়, যেখানে বর্তমান ক্যাথোড প্যাসিভ প্রান্ত থেকে অ্যানোড অধস্তন প্রান্ত পর্যন্ত চলে যায়।
ডায়োড ত্রুটিপূর্ণ

1) হালকা সার্কিটে, একটি আলো একটি ফ্ল্যাশ সৃষ্টি করতে পারে যখন একটি ফিল্টার (লিকেজ) থাকে, এই ক্ষেত্রে, এটি উভয় দিক থেকে একটি আলাদা রিডিং দেয় এবং পরিবর্তন করা উচিত, এবং ক্ষতি হলে, আলোর বৃত্ত স্থায়ীভাবে পৃথক

হয়।

২) চার্জিং সার্কিটে, ক্ষতির ক্ষেত্রে, চার্জিং প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়, এবং লিকেজ (লিকেজ) এর ক্ষেত্রে, চার্জিং ভোল্ট চোরাকারবারী হয় এবং প্রয়োজনীয় ভোল্ট চার্জিং এসিতে পৌঁছায় না, ফলে চার্জিং প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়ে যায়।

ডায়োড (ইউনিফর্ম) ইনস্টল করার দিক

পোলার ডায়োড এবং যখন ক্ষতিগ্রস্ত হয় তখন একই আকারের সাথে প্রতিস্থাপন করা উচিত এবং ডায়োডের দিক বিবেচনা করা হয় ইনস্টলেশনের সময় যেখানে ডায়োডের এক পাশে একটি পাতলা লাইন স্থাপন করা হয়, ডায়োডের ক্ষেত্রে পরিবর্তনের সময় কোন কারেন্ট
নেই এবং সার্কিট কাজ করা বন্ধ করে দেয়।
কিভাবে ডায়োড পরিমাপ করতে হয়।

যন্ত্র থেকে পাওয়ার উৎসটি ব্যাটারি বা পম্প্রে সরিয়ে এবং অ্যাফোমিটারকে বেলের অবস্থান (ডাইওড) এ সমন্বয় করে আলাদা করুন, তারপর অ্যাফোমিটারের উভয় প্রান্তকে ডাইওডের উভয় প্রান্তে রেখে এবং বিপরীত প্রান্ত আবার, এবং পরিমাপের ফলাফল নিম্নরূপ:

১) ডায়োড একটি ঘন্টা দেয় উভয় ক্ষেত্রেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এটি একটি বৃত্তের মধ্যে থাকা অবস্থায় পরীক্ষা করা যেতে পারে যেখানে যখন অ্যাফোমিটারের উভয় প্রান্ত এটি বাজারে সেট করার পরে স্থাপন করা হয়, আমরা দেখি যে এটি দিকে একটি পড়া দেয় এবং যেখানে অ্যানফোমিটারের উভয় প্রান্ত একটি পড়া দেওয়া উচিত নয় বা একটি পড়া দেওয়া উচিত নয় কম পড়া, তাই এটি অক্ষত, যখন আলোকিত ডায়োেড দিকে আলো হয় এবং যখন অ্যাফোমিটারের উভয় প্রান্ত এর বিপরীত হয়, তখন এটি আলোকিত হওয়া উচিত।

২) ডায়োড দুটি ক্ষেত্রে সমান পড়ার সুযোগ দেয়, একটি ঘন্টা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়ে।

৩) ডাইওড দুটি ক্ষেত্রেই পড়ার সুযোগ দেয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

৪) ডায়োড এক দিকে পাঠ দেয় এবং অন্য দিকে অসীমতা অক্ষত থাকে।

5) ডায়োড একটি ফিল্টার আছে (লিকেজ) তুলনায় ডায়োড একটি ভিন্ন কোণ থেকে একটি পড়া দেয়..!

সিরিজ এবং প্যারালাল সংযোগ। সিরিজ সংযোগ)উপাদানগুলি বর্তমান প্রবাহের জন্য একক পথে প্রান্ত থেকে প্রান্তে সংযুক্ত থাকে।  মোট...
19/11/2024

সিরিজ এবং প্যারালাল সংযোগ।

সিরিজ সংযোগ)
উপাদানগুলি বর্তমান প্রবাহের জন্য একক পথে প্রান্ত থেকে প্রান্তে সংযুক্ত থাকে। মোট ভোল্টেজ উপাদানগুলির মধ্যে ভাগ করা হয় এবং প্রতিটি উপাদানের একই কারেন্ট থাকে।

প্যারালাল সংযোগ
উপাদান দুটি বৈদ্যুতিকভাবে সাধারণ নোডের সাথে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে। প্রতিটি উপাদান জুড়ে ভোল্টেজ একই, এবং মোট কারেন্ট হল পৃথক উপাদানগুলির মাধ্যমে প্রবাহের সমষ্টি।
***সিরিজ সার্কিটের সুবিধাঃ
১। সিরিজ সার্কিটের সমস্ত লোড একটিমাত্র সুইচ দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
২। সিরিজ সার্কিটের সাহায্যে কিছু কিছু বৈদ্যুতিক লোডকে উচ্চ ভোল্টেজের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায় ।

***সিরিজ সার্কিটের অসুবিধাঃ
১। সিরিজ সার্কিটের একটি বাতি ফিউজ হলে বা একটি লোড নষ্ট হলে সমস্ত বাতি বা লোড অকেজো হয়ে পড়ে।
২। সিরিজ সার্কিটে সরবরাহ ভোল্টেজ সমস্ত লোডে ভাগ হয়ে যাওায় প্রতিটি লোডে সামান্য ভোল্টেজ পায়, ফলে লোড গুলো কাজ করতে পারে না।
৩। প্রতিটি লোডকে আলাদাভাবে নিয়ন্ত্রন করা যায়
***প্যারালাল সার্কিটের সুবিধাঃ
১। প্রতিটি বাতি বা লোডকে পৃথক পৃথক সুইচ দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
২। সার্কিটের যেকোনো বাতি বা লোড নষ্ট হয়ে গেলে অন্যগুলোর কোনো অসুবিধা হয় না।
৩। প্রতিটি লোড সরবরাহের সমান ভোল্টেজ পাওয়ায় সবগুলো লোড ঠিকমত কাজ করে।

***প্যারালাল সার্কিটের অসুবিধাঃ
১। প্যারালাল সার্কিটের কোনো অসুবিধা নেই বললেই চলে। তবে প্রতিটি লোডকে পৃথক পৃথকভাবে নিয়ন্ত্রণের জন্য সুইচের সংখ্যা বেশি লাগে।

ক্যাপাসিটর কি? কিভাবে কাজ করে?একটি ক্যাপাসিটর মূলত একটি বৈদ্যুতিক চার্জ স্টোরেজ ডিভাইস বা একটি বৈদ্যুতিক প্যাসিভ ডিভাইস ...
19/11/2024

ক্যাপাসিটর কি? কিভাবে কাজ করে?

একটি ক্যাপাসিটর মূলত একটি বৈদ্যুতিক চার্জ স্টোরেজ ডিভাইস বা একটি বৈদ্যুতিক প্যাসিভ ডিভাইস যা চার্জ সংরক্ষণ করতে পারে। এর বাংলা অর্থ হল ধারক অর্থাৎ যা বৈদ্যুতিক চার্জ ধারণ করে। আর দুটি পরিবাহী প্লেটের মধ্যে একটি নন-পরিবাহী পদার্থ (ডাইইলেকট্রিক) বসিয়ে দুটি প্লেটকে আলাদা করে যে যন্ত্রটি তৈরি করা হয় তাকে ক্যাপাসিটর বলে।
এটি একটি রিচার্জেবল ব্যাটারির সাথে তুলনা করা যেতে পারে। একমাত্র পার্থক্য হল এটির চার্জ ধরে রাখার ক্ষমতা অনেক কম। হতে পারে যে এক সেকেন্ডের এক হাজার ভাগের চেয়ে অনেক কম। সার্কিটের ক্যাপাসিটরগুলি একটি উৎস থেকে বৈদ্যুতিক শক্তি বা চার্জ সংরক্ষণ করে। এর আরেকটি জনপ্রিয় নাম হল কনডেন্সার।
Capacitor-এর গঠন:
একটি অন্তরক বা অস্তরক দ্বারা পৃথক দুটি ইলেক্ট্রোড বা কন্ডাক্টর নিয়ে গঠিত। সহজ কথায়, একটি ক্যাপাসিটর দুটি পরিবাহী স্তরের মধ্যে একটি অস্তরক উপাদান নিয়ে গঠিত। ডাইলেক্ট্রিকগুলি কাগজের প্লাস্টিক, মাইকা, সিরামিক, গ্লাস ভ্যাকুয়াম বা প্রয়োজনমতো বাতাস থেকে তৈরি করা হয়।
Capacitor-এর প্রকারভেদ:
ক্যাপাসিটর প্রধানত 2 প্রকার;
Variable Capacitor (পরিবর্তশীল).
Fixed Capacitor (স্থির ক্যাপাসিটর).
Variable Capacitor:
ভ্যারিয়েবল ক্যাপাসিটরের ক্যাপাসিট্যান্স পরিবর্তন করা যায়। এগুলো সাধারণত এক বা একাধিক মুভিং প্লেটের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়। প্লেটের অবস্থান পরিবর্তন করে ক্যাপাসিট্যান্স পরিবর্তন করা যায়। এই ক্যাপাসিটর রেডিও টিউনে ব্যাবহার করা হয়। ভ্যারিয়েবল বা পরিবর্তশীল ক্যাপাসিটর তিন ধরনের হয়ে থাকে।
যেমন:
1.Trimmer Variable Capacitor.
2.Pedder Variable Capacitor.
3.Gang Variable Capacitor.
Fired Capacitor:
এই প্রকার ক্যাপাসিটরের ক্যাপাসিট্যান্স স্থির থাকে পরিবর্তন করা যায় না। ডাই-ইলেক্ট্রিক ক্যাপাসিটর হিসেবে ফিক্সড ক্যাপাসিটর বা স্থির ক্যাপাসিটর বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে।
যেমন:-
Oil Type Capacitor.
Electrolyte Type Capacitor.
Paper Type Capacitor.
Maiko Type Capacitor.
Ceramic Type Capacitor.
Air Type Capacitor.
Plastic Flim Capacitor.
Glass Type Capacitor.
Poly carbonate Capacitor.
Polyester Capacitor.
Steelflex Capacitor.
Tantalum Capacitor.
পোলারিটি অনুসারে ক্যাপাসিটর কে আবার ২ ভাগ এ ভাগ করা হয়েছে:
পোলারাইজড ক্যাপাসিটর (Polar Capacitors).
নন-পোলারাইজড ক্যাপাসিটর (Non-Polar Capacitors).
পোলারাইজড ফিক্সড ক্যাপাসিটর:
পোলারাইজড ক্যাপাসিটর সার্কিটে নেগেটিভ এবং পজেটিভ ডিরেকশন অনুসারে সংযোগ করতে হয়।

নন পোলারাইজড ফিক্সড ক্যাপাসিটর:
নন পোলারাইজড ক্যাপাসিটরের কোন পোলারিটি নেই তাই সার্কিটে এটি পজেটিভ বা নেগেটিভ যেকোন ডিরেকশনে কানেক্ট করা যায়। বর্তমানে স্মার্ট সার্কিটের এ ধরনের ক্যাপাসিটর থাকে। বিশেষ করে মোবাইল ফোনের সার্কিটে এই ধরনের ক্যাপাসিটর শুধু থাকে ।
ক্যাপাসিটরে ক্ষমতাকে ফ্যারাড এ প্রকাশ করা হয়। ফ্যারাডকে ইংরেজী অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। ফ্যারাড যেহেতু অনেক বড় একটি একক তাই একে প্রয়োজনমত অনেক সময় মাইক্রো- ফ্যারাড(uF), পিকো-ফ্যারাড(PF) এবং ন্যানো- ফ্যারাড(nF) প্রকাশ করা হয়ে থাকে।
ক্যাপাসিটরের ব্যবহার:
ফ্লোরোসেন্ট বাতির পাওয়ার ফ্যাক্টর উন্নতি করার জন্য প্যারালালে সংযোগ দেওয়া হয়।
দুইটি বাতির একটিতে সিরিজে ক্যাপাসিটর সংযোগ করা হয়। স্টোরসকোপিক ইফেক্ট মিনিমাইজ করার জন্য ব্যাবহার করার জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
সিংগেল ফেজ মোটরের স্টারটিং টর্ক বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করা হয়।
পাওয়ার ফ্যাক্টর উন্নতি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
স্পার্কিং কমানোর জন্য পেট্রোল গাড়িতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
এসি কারেন্ট ফিল্টারিং করার জন্য ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয়।
অল্টারনেটিং কারেন্ট সার্কিটে, মোটর ফ্যান, টিউব লাইট ও ইন্সট্রুমেন্টে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
ডাইরেক্ট কারেন্ট রেডিও, টিভি, ভিসিপি, ভিসিআর, কম্পিউটার, বাস, ট্রাক ও অটোমোটিভ সার্কিটে ব্যাবহার হয়ে থাকে।
এ.সি ও ডি.সি কন্ট্রোল সার্কিটে ব্যবহার হয়ে থাকে।
বিদ্যুৎ সঞ্চয় করে রাখে।
ডিসি একমুখী প্রবাহ বন্ধ করে এবং এসি প্রবাহ প্রবাহিত করে।
পাওয়ার স্টেশনে পাওয়ার ফ্যাকটর কানেকশনে ব্যবহৃত হয়।
যে কোন ইলেকট্রনিক সার্কিটে ট্রানজিয়েন্ট ফেনোমেনা প্রতিরোধে।
পালসেটিং ডিসিকে ফিল্টারিং করে রিপল কমানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
হাই-পাস, লো-পাস ফিল্টার ইত্যাদি সার্কিটে।
ক্লাম্পার সার্কিটে।
RC কাপলিং সার্কিটে।
টাইম ডিলে সার্কিটে ব্যবহার করা যায়।
বেতার যন্ত্রের টিউন্ড সার্কিটে (LC Tank circuit) ।
সিঙ্গেল ফেজ ইন্ডকশন মোটরে (বাড়ীতে ব্যবহৃত সিলিং ফ্যান) দুই কয়েলের মধ্যে ফেজ ডিফারেন্স সৃষ্টিতে।
চার্জ স্টোরিং এর ক্ষেত্রে।
DC কারেন্ট ব্লকিং এর মাধ্যমে AC কারেন্ট পরিবহনের ক্ষেত্রে।
Power factor এর মান বাড়াতে।
Single phase motor গুলোকে চালু করতে।
Current rectify করার সময় smooth output দিতে পারে (Current Filter করতে সক্ষম)
By-pass capacitor হিসেবে ব্যাবহার করা যায়। যার মাধ্যমে সার্কিটের নির্দিষ্ট কোনো স্থানে সময়মত current প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

ট্রানজিস্টর কি, কিভাবে কাজ করে?ট্রানজিস্টরঃ ট্রানজিস্টর একটি তিন টার্মিনাল, তিন লেয়ার এবং দুই জাংশন বিশিষ্ট সেমিকন্ডাক্ট...
19/11/2024

ট্রানজিস্টর কি, কিভাবে কাজ করে?

ট্রানজিস্টরঃ
ট্রানজিস্টর একটি তিন টার্মিনাল, তিন লেয়ার এবং দুই জাংশন বিশিষ্ট সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা ইনপুট সিগনালের শক্তি বৃদ্ধি করে বিভিন্ন কাজ সমাধান করে।

দুইটি পি-টাইপ সেমিকন্ডাক্টরের মাঝে একটি এন-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর বা দুইটি এন-টাইপ সেমিকন্ডাক্টরের মাঝে একটি পি-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর স্থাপন করে ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়।

দুই শ্রেনীর অর্ধপরিবাহী (N-টাইপ ও P-টাইপ) দিয়ে ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়।

এতে একটি P-টাইপ সাবস্টাক্টের উভয় পার্শ্বে একটি করে N-টাইপ স্থাপন করে N-P-N বা N-টাইপ সাবস্ট্র্যাট উভয় দিকে একটি করে P-টাইপ স্থাপন করে P-N-P জংশন তৈরি করা হয়।

গঠন অনুসারে ট্রানজিস্টর দুই প্রকারঃ
১. পি.এন.পি. ট্রানজিস্টর (PNP Transistor)
২. এন.পি.এন. ট্রানজিস্টর (NPN Transistor)

কিভাবে কাজ করেঃ

ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক সার্কিট বা বর্তনীতে বিবর্ধক(amplifier) ও সুইচ হিসেবে ব্যবহহৃত হয়।

ট্রানজিস্টর বানানোর পদ্ধতিকে বলা হয় 'ফেব্রিকেশন' (Fabrication)
এখানে শুধু NPN ট্রানজিস্টর নিয়ে আলোচনা করব। NPN ট্রানজিস্টরের ৩টি টার্মিনাল থাকে –
১. কালেক্টর (Collector)
২. বেস (Base) এবং
৩. ইমিটার (Emitter)
Base এর মধ্য দিয়ে পাঠানো কারেন্ট Emitter দিয়ে নির্গত হয়। ট্রানজিস্টর তখন Collector থেকে Emitter এর দিকে কারেন্ট টানতে থাকে। অর্থাৎ কালেক্টর থেকে ইমিটারের মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত হয়। বেস-ইমিটার কারেন্ট(Ib) আসলে কালেক্টর-ইমিটার কারেন্টকে (Ic) নিয়ন্ত্রণ করে।
অনেকটা পানির কল ছাড়ার মত- ট্যাপ না ঘুরালে যেমন পানি বের হয়না, তেমনি বেসের মধ্য দিয়ে কারেন্ট না পাঠালে কালেক্টর থেকে এমিটারের দিকে কারেন্ট প্রবাহিত হয় না।

কালেক্টর-ইমিটার কারেন্ট, বেস-ইমিটার কারেন্টের চাইতে অনেক বেশি।

ট্রানজিস্টরের মডেলভেদে কালেক্টর-ইমিটার কারেন্ট(IC), বেস-ইমিটার কারেন্টের(IB) চাইতে ৫০-৪০০গুণ বড় হতে পারে। এর মানে হচ্ছে আপনি Base-এ মাইক্রো- অ্যাম্পিয়ার কারেন্ট দিয়ে কালেক্টর থেকে মিলি-অ্যাম্পিয়ার কারেন্ট পেতে পারেন।

পাওয়ার ট্রানজিস্টর গুলোর বেলায় কালেক্টর কারেন্ট অ্যাম্পিয়ার রেঞ্জেও হতে পারে।
এখানে অবশ্য ভোল্টেজের একটা ব্যাপার আছে , Base-Emitter সংযোগ আসলে একটা ডায়োডের মত কাজ করে। Base-Emitter-এর ভোল্টেজের পার্থক্য যখন +০.৭ভোল্ট হয় কেবল তখনই ট্রানজিস্টর চালু হয় অর্থাৎ বেস-ইমিটার এবং কালেক্টর-ইমিটার বিদ্যুৎ প্রবাহ শুরু হয়। এটাকে বলা হয় Threshold Voltage বা Turn on voltage।

02/11/2024

Digital Mic to Universal Mic
3,4,6 pin Mic Convert 2pin Mic

31/10/2024

ইমোতে ভিডিও কলে এখন আর
কেউ স্ক্রিনশট নিতে পারবে না।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Raj Gallery posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share