Shilpo

Shilpo শিল্প
শিল্পী মনের খোরাক মিটায়...

তেলাকুচা এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। সাধারণ ঝোপে-জঙ্গলে এই ভেষজ উদ্ভিদের দেখা মেলে। এটি লতানো উদ্ভিদ। এটি গাঢ় সবুজ রঙের নর...
02/09/2020

তেলাকুচা এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। সাধারণ ঝোপে-জঙ্গলে এই ভেষজ উদ্ভিদের দেখা মেলে। এটি লতানো উদ্ভিদ। এটি গাঢ় সবুজ রঙের নরম পাতা ও কাণ্ডবিশিষ্ট একটি লতাজাতীয় বহুবর্ষজীবী। স্থানীয় ভাবে একে ‘কুচিলা’, তেলা, তেলাকচু, তেলাহচি, তেলাচোরা, কেলাকচু, তেলাকুচা বিম্বী ইত্যাদি নামে ডাকা হয়। অনেক অঞ্চলে এটি সবজি হিসেবে খাওয়া হয়। গাছটির ভেষজ ব্যবহারের জন্য এর পাতা, লতা, মূল ও ফল ব্যবহৃত হয়। তেলাকুচায় প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন আছে।
ভেষজ গুণ

তেলাকুচা ফলে আছে ‘মাস্ট সেল স্টেবিলাইজিং’, ‘এনাফাইলেকটিক-রোধী’ এবং ‘এন্টিহিস্টামিন’ জাতীয় উপাদান। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় তেলাকুচা বহুল ব্যবহার রয়েছে কুষ্ঠ রোগের ক্ষেত্রে তেলাকুচার বহুল ব্যবহার রয়েছে।
সাধারণ জ্বরের ক্ষেত্রে তেলাকুচা ব্যবহার করা যেতে পারে। সর্দিজনিত জ্বরে পাতা ও মূলের রস ২-৩ চামচ একটু গরম করে সকাল-বিকেল খেলে ২-১ দিনেই জ্বরভাব কেটে যায়। ঋতু পরিবর্তনের ফলে, বিশেষ করে শীতের আগে ও পরে যাদের সর্দিজ্বর হয়, তারা যদি আগে থেকেই এ পাতার ও শিকড়ের রস একটু গরম করে সকাল-বিকেল সেবন করে, তবে এই জ্বর আক্রমণের ভয় থাকে না।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে তেলাকুচা কার্যকর ভূমিকা নেয়। ডায়াবেটিস রোগীরা নিয়মিত তেলাকুচার ঝোল খেলে উপকার পাবেন।
এ ছাড়া শোথ (ইডিমা), হাঁপানি, ব্রংকাইটিস ও জন্ডিস রোগের ক্ষেত্রে তেলাকুচার ব্যবহার রয়েছে।
পেটে এমন কিছু গেছে যে এখনই বমি করানো দরকার। এ ক্ষেত্রে ৫-৬ চামচ পাতার রস খাইয়ে দিলে বমি হয়ে পেট থেকে অবাঞ্ছিত বস্তু বেরিয়ে আসবে।
অত্যন্ত বায়ু বা পিত্তবৃদ্ধি হয়ে যদি মাথা গরম হয়, মাথা ধরে বা রাতে ভালো ঘুম না হয় অথবা অত্যধিক রোদে মাথা ধরে, সে ক্ষেত্রে তেলাকুচা পাতার রস কপালে মাখলে অথবা তেলের সঙ্গে মিশিয়ে মাথায় দিলে ওই সব উপসর্গে শান্তি হয়।
রক্ত আমাশয় বা সাদা আমাশয়ে এর পাতার রস চিনি-সহ সেবনে উপকার হয়।

থানকুনি আমাদের দেশের খুব পরিচিত একটি ভেষজ গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। এর ল্যাটিন নাম সেন্টালা আকিয়াটিকা। থানকুনি পাতা দেশের সর্বত...
02/09/2020

থানকুনি আমাদের দেশের খুব পরিচিত একটি ভেষজ গুণসম্পন্ন উদ্ভিদ। এর ল্যাটিন নাম সেন্টালা আকিয়াটিকা। থানকুনি পাতা দেশের সর্বত্র পাওয়া যায়। রোগ চিকিৎসার অঙ্গনে থানকুনি পাতার অবদান অপরিসীম। প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বহু রোগের উপশম হয় এর ভেষজ গুণ থেকে। খাদ্য হিসাবে এই পাতা সরাসরি খেলে রোগ নিরাময়ে যথার্থ ভূমিকা রাখতে পারে। অঞ্চলভেদে থানকুনি পাতাকে টেয়া, মানকি, তিতুরা, থানকুনি, আদামনি, ঢোলামানি, থুলকুড়ি, মানামানি, ধূলাবেগুন, আদাগুনগুনি নামে ডাকা হয়।
উপকারিতা
জ্বর

থানকুনি পাতার রস ১ চামচ ও শিউলি পাতার রস ১ চামচ মিশিয়ে প্রতি দিন সকালে খেলে জ্বর সারে।
পেটের পীড়া

অল্প পরিমাণ আমগাছের ছাল, আনারসের কচি পাতা ১টি, কাঁচা হলুদের রস, ৪/৫ টি থানকুনি গাছ শিকড়সহ ভালো করে ধুয়ে একত্রে বেটে রস করে খালি পেটে খেলে পেটের পীড়া ভালো হয়। ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এটা আরও বেশি কার্যকর।
পাঁচড়া রোধ

কাঁচা হলুদের রস চা চামচের ২ চামচ, থানকুনি পাতার রস ২/৩ চামচ একত্রে মিশিয়ে শরীরে মাখলে পাঁচড়া রোগ ভাল হয়।
গ্যাস্ট্রিক

আধ কেজি দুধে ১ পোয়া মিশ্রি ও আধা পোয়া থানকুনি পাতার রস একত্রে মিশিয়ে প্রতি দিন সকালে ১ সপ্তাহ খেলে গ্যাস্ট্রিক ভালো হয়।
হজমশক্তি বৃদ্ধি

বেগুন/পেঁপের সাথে থানকুনি পাতা মিশিয়ে শুক্তো রান্না করে প্রতি দিন ১ মাস খেলে হজমশক্তি বৃদ্ধি পায়।
রক্ত দূষণ রোধে থানকুনি

প্রতি দিন সকালে খালি পেটে ৪ চা চামচ থানকুনি পাতার রস ও ১ চা চামচ মধু/ মিশিয়ে ৭ দিন খেলে রক্ত দূষণ ভালো হয়।
বাক স্ফুরণে

যে সব বাচচা কথা বলতে দেরি করে অথবা অস্পষ্ট, সে ক্ষেত্রে ১ চামচ করে থানকুনি পাতার রস গরম করে ঠান্ডা হলে ২০/২৫ ফোঁটা মধু মিশিয়ে ঠান্ডা দুধের সাথে কিছু দিন খাওয়ালে অসুবিধাটা সেরে যায়।
খুসখুসে কাশি

২ চামচ থানকুনির রস সামান্য চিনিসহ খেলে সঙ্গে সঙ্গে খুসখুসে কাশিতে উপকার পাওয়া যায়। ১ সপ্তাহ খেলে পুরোপুরি ভালো হয়ে যাবে।
আমাশয়

প্রতি দিন সকালে ৫/৭ টি থানকুনি পাতা চিবিয়ে ৭ দিন খেলে আমাশয় ভালো হয়। অথবা, থানকুনি পাতা বেঁটে পাতার রসের সাথে চিনি মিশিয়ে দু’ চামচ দিনে দু’ বার খেলে আমাশয় ভালো হয়।
পেট ব্যথা

থানকুনি পাতা বেঁটে গরম ভাতের সাথে খেলে পেট ব্যথা ভাল হয়।
লিভারের সমস্যা

প্রতি দিন সকালে থানকুনির রস ১ চামচ, ৫/৬ ফোঁটা হলুদের রস (বাচ্চাদের লিভারের দোষে) সামান্য চিনি ও মধুসহ ১ মাস খেলে লিভারের সমস্যা ভালো হয়।

সূত্র: চিরঞ্জীব বনৌষধি –শিবকালী ভট্টাচার্য, হেলথ বিডি সহ অন্যান্য ওয়েবসাইট

নিম একটি ঔষধি গাছ। এর ডাল, পাতা, রস, সবই কাজে লাগে। নিম একটি বহু বর্ষজীবী ও চিরহরিৎ বৃক্ষ। পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্রই নিম গাছ...
02/09/2020

নিম একটি ঔষধি গাছ। এর ডাল, পাতা, রস, সবই কাজে লাগে। নিম একটি বহু বর্ষজীবী ও চিরহরিৎ বৃক্ষ। পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্রই নিম গাছ পাওয়া যায়। এই গাছ প্রাপ্তবয়স্ক হতে সময় নেয় ১০ বছর। নিম গাছ সাধারণত উষ্ণ আবহাওয়া প্রধান অঞ্চলে ভালো হয়।

নিমের পাতা থেকে আজকাল প্রসাধনীও তৈরি হচ্ছে। কৃমিনাশক হিসেবে নিমের রস খুবই কার্যকর। নিমের কাঠ খুবই শক্ত। এ কাঠে কখনও ঘুণ ধরে না। পোকা বাসা বাঁধে না। উইপোকা খেতে পারে না। এ কারণে নিম কাঠের আসবাবপত্রও তৈরি করা হচ্ছে আজকাল। এ ছাড়া প্রাচীনকাল থেকেই বাদ্যযন্ত্র বানানোর জন্য নিমকাঠ ব্যবহার করা হচ্ছে। নিমের এই গুণাগুণের কথা বিবেচনা করেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিমকে ‌‘একুশ শতকের বৃক্ষ’ বলে ঘোষণা করেছে।

সুস্থ গাছ, সুন্দর ফলন।বাগান স্বপ্নে মনের চলন...  শিল্প থেকে নিন উৎকৃষ্ট মানের গাছ। শিল্প আপনার স্বপ্নের বাগান সাঁজাতে উদ...
01/09/2020

সুস্থ গাছ, সুন্দর ফলন।
বাগান স্বপ্নে মনের চলন...
শিল্প থেকে নিন উৎকৃষ্ট মানের গাছ। শিল্প আপনার স্বপ্নের বাগান সাঁজাতে উদগ্রিব... ❤️💙❤️

নিয়মিত তুলসী পাতা খেলে কোন কোন সমস্যা এড়াতে পারবেন, জানেন?বছর কুড়ি আগেও প্রতিটা বাড়িতে একটা তুলসী তলা থাকত। ঠাকুমা দিদিম...
01/09/2020

নিয়মিত তুলসী পাতা খেলে কোন কোন সমস্যা এড়াতে পারবেন, জানেন?

বছর কুড়ি আগেও প্রতিটা বাড়িতে একটা তুলসী তলা থাকত। ঠাকুমা দিদিমাদের হাত ধরে কচিকাঁচারা সন্ধে হলেই প্রণাম করে আসত তুলসী বেদীতে। আর সকাল হলেই একটা পাতা ছিঁড়ে নিয়ে মুখে পুরে না দিলেই বাড়ির বড়দের বকুনি চলত খুব। সে সব দিন আজ নেই। ফ্ল্যাট বাড়ির জানলায় বাড়তি জায়গা থাকলে কখনও কখনও এটা ওটা গাছ রাখা হয় ঠিকই, কিন্তু তুলসী পাতা চেনা হয়ে ওঠে না কারোর। অথচ প্রাচীন কাল থেকে তুলসীর ভেষজ গুণ নিয়ে আলোচনা করে এসেছেন মুনি ঋষিরা।

জেনে নেওয়া যাক তুলসীর কিছু গুণ
শ্বাস প্রশ্বাসের সমস্যা
ঠান্ডা লাগলে তুলসী পাতা ম্যাজিকের মতো কাজ করে। গলার সব রকম সমস্যায় তুলসী পাতা ব্যবহৃত হয়।
হার্টের অসুখ

তুলসী পাতায় আছে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই উপাদানগুলো হার্টকে বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্ত রাখে সহায়তা করে। তুলসী পাতা হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়ায় ও এর স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

আরও পড়ুন, চায় পে চর্চা, চায় পে রূপচর্চাও
মানসিক চাপ
তুলসীর ভিটামিন সি ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করে। এই উপাদানগুলো নার্ভকে শান্ত করে। এ ছাড়াও তুলসী পাতার রস শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
মাথা ব্যথা

মাথা ব্যথা ও শরীর ব্যথা কমাতে তুলসী খুবই উপকারী। এর বিশেষ উপাদান মাংশপেশীর খিঁচুনি রোধ করতে সহায়তা করে।
আরও পড়ুন, বাচ্চার মনঃসংযোগ বাড়াবেন কী ভাবে?
বয়স রোধ করা

ভিটামিন সি, ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস ও এসেন্সিয়াল অয়েলগুলো চমৎকার অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের হিসেবে কাজ করে যা বয়সজনিত সমস্যাগুলো কমায়। তুলসী পাতাকে যৌবন চিরকাল ধরে রাখার টনিক ও মনে করেন কেউ কেউ।
রোগ নিরাময় ক্ষমতা
তুলসী গাছের ঔষধি-গুণাবলি সমৃদ্ধ গাছ। তুলসীকে নার্ভের টনিক বলা হয় এবং এটা স্মরণশক্তি বাড়ানোর জন্য বেশ উপকারী। এটি শ্বাসনালী থেকে শ্লেষ্মাঘটিত সমস্যা দূর করে। তুলসী পাতা পাকস্থলীর ও কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

আরও পড়ুন, কোন সমস্যায় কী ভাবে ব্যবহার করবেন অ্যালোভেরা?
পোকার কামড়
তুলসী পাতা হল প্রোফাইল্যাক্টিভ যা পোকামাকড় কামড়ে দিলে উপসম করতে সক্ষম। পোকার কামড়ে আক্রান্ত স্থানে তুলসী পাতার তাজা রস লাগিয়ে রাখলে পোকার কামড়ের ব্যথা ও জ্বলা থেকে কিছুটা মুক্তি পাওয়া যায়।

ফিভারফিউজ্বর-জাড়ি সারাতে ফিভারফিউয়ের জুড়ি মেলা ভার। মাথায় প্রচন্ড ব্যথা? দেরি না করে কিছুটা ফিভারফিউয়ের পাতা ছিঁড়ে চি...
01/09/2020

ফিভারফিউ
জ্বর-জাড়ি সারাতে ফিভারফিউয়ের জুড়ি মেলা ভার। মাথায় প্রচন্ড ব্যথা? দেরি না করে কিছুটা ফিভারফিউয়ের পাতা ছিঁড়ে চিবিয়ে নিন। অথবা চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে পান করুন। ব্যথা নিমেষে গায়েব হবে।

ডেইজিসদৃশ ফুলের অধিকারী এই উদ্ভিদটি চাষ করলে কেবল এর ওষধি উপকারই নয়, সেইসঙ্গে আপনি পাবেন ফুলের মনমাতানো সৌন্দর্যও। হজমে ...
01/09/2020

ডেইজিসদৃশ ফুলের অধিকারী এই উদ্ভিদটি চাষ করলে কেবল এর ওষধি উপকারই নয়, সেইসঙ্গে আপনি পাবেন ফুলের মনমাতানো সৌন্দর্যও। হজমে সমস্যা,ত্বকে সংক্রমণ ক্যামোলিন সহজেই সমাধান করে দিতে পারে ছোটখাটো সমস্যা।

পুদিনা পাতাকেও পবিত্র হিসাবে মনে করেন অনেক ধর্মাবলম্বীরাআমাদের পিৎজা বা পাস্তা সসে যে জিনিসটা সবচেয়ে আগে পাওয়া যাবে, ত...
01/09/2020

পুদিনা পাতাকেও পবিত্র হিসাবে মনে করেন অনেক ধর্মাবলম্বীরা

আমাদের পিৎজা বা পাস্তা সসে যে জিনিসটা সবচেয়ে আগে পাওয়া যাবে, তা হলো এই পুদিনা পাতা, কিন্তু অর্থোডক্স খৃষ্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে এবং গ্রীক চার্চে এটি একটি পবিত্র ভেষজ হিসাবে গণ্য করা হয়।

পুদিনা ইংরেজি নাম 'বাসিল' এসেছে গ্রীক শব্দ 'রাজকীয়' থেকে।

অর্থোডক্স খৃষ্টানরা বিশ্বাস করেন, যেখানে যিশু খৃষ্টের রক্ত পড়েছিল, সেখানেই এই গাছটির জন্ম হয়েছিল। এ কারণেই খৃষ্ট ধর্মের অনেক অনুষ্ঠানে পুদিনা পাতার উপস্থিতি দেখা যায়।

পবিত্র পানি পরিশোধন করতে যাজকরা পুদিনা পাতার ব্যবহার করেন এবং ধর্মসভায় পুদিনা গাছ ভেজানো পানি ছিটানো হয়।

চার্চের বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ক্রসের সঙ্গে পুদিনা গাছ থাকে এবং ছোট ছোট ডালপালা হাতে হাতে দিয়ে দেয়া হয়।

অনেকে এসব ডালপালা পানিতে ভিজিয়ে রাখেন, যাতে সেটি নতুন শেকড় ছাড়ে, যাতে পরে তারা সেগুলো আশীর্বাদ হিসাবে নিজেদের বাড়িতে লাগিয়ে রাখতে পারেন।

ধর্মীয় আর চিকিৎসা, উভয় কাজেই তুলসী গাছের ব্যবহার রয়েছেহিন্দু ধর্মে বলা হয়, কৃষ্ণ এবং তার ভক্তদের সেবা করার জন্য বৃন্...
01/09/2020

ধর্মীয় আর চিকিৎসা, উভয় কাজেই তুলসী গাছের ব্যবহার রয়েছে

হিন্দু ধর্মে বলা হয়, কৃষ্ণ এবং তার ভক্তদের সেবা করার জন্য বৃন্দাবনের একজন অভিভাবক হিসাবে দেবী বিরিন্দাই তুলসী পাতা হিসাবে জন্ম নেন। আবার প্রাচীন গ্রন্থে বলা হয়, কৃষ্ণ নিজেই তাকে তুলসী আকারে গ্রহণ করেছেন।

ফলে যেখানেই এই গাছটির জন্ম হোক না কেন, সেটিকে পবিত্র বলে বিবেচিত বৃন্দাবনের মাটি বলেই মনে করা হয়, যেখানে এই গাছটি প্রচুর পরিমাণে জন্মে থাকে।

সারা পৃথিবী জুড়ে লক্ষ লক্ষ হিন্দু তাদের প্রতিদিনের ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে, মন্দিরে বা বাসায়, তুলসী গাছের পাতা ব্যবহার করেন।

31/08/2020
15/08/2020
Happy Eid Mubarak! Wishing everyone happy stay safe and pray to your Almighty.
31/07/2020

Happy Eid Mubarak! Wishing everyone happy
stay safe and pray to your Almighty.

Address

189 Fakirapool, Khabir Plaza(3rd Floor) Room #D-4. Motijheel
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shilpo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category

শিল্প

শিল্পী মনের খোরাক মিটায়...