New Vision Eco City

New Vision Eco City It's a premier housing project located in Taranagar, Keraniganj, Dhaka. https://maps.app.goo.gl/vvVxFzjMue3QWKQo9

New Vision Eco City is planned as an exclusive Eco-friendly city nestled across 300+ acres besides Mohammadpur & Dhanmondi at a distance of only 08 km (approx) from National Parliament. The project is envisioned to be a self-contained city for premium living, infusing art and quality by devoting significant effort to landscaping, infrastructure and amenities. Utilities and road network has already

been established connecting to the central hub making this project a prime destination for the future. Eco City is envisioned to have an ecologically friendly environment, Eco city is our response to climate change. Eco city has been visualized to stand clear of the potential threats that climate change could bring. Establishing environmentally friendly waste disposal plant and planting significant greenery are amongst many other efforts to make this city habitable. Dhaka city is one of the most polluted and populated cities in the world, New Vision Eco City could be your next dream destination.

নিউ ভিশন ইকো সিটিতে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের নিজস্ব ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ ও মিলনমেলা! 🌿ব্যস্ততা ভুলে প্রকৃতির মা...
28/08/2026

নিউ ভিশন ইকো সিটিতে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের নিজস্ব ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ ও মিলনমেলা! 🌿

ব্যস্ততা ভুলে প্রকৃতির মাঝে কাটানো একটা দিন একইসাথে নির্মল আনন্দের, পারস্পারিক বন্ধনের এবং নতুন করে প্রাণশক্তি পাবার সুযোগ করে দেয়। ঠিক এমন এক প্রাণবন্ত পরিবেশের সাক্ষী হলো নিউ ভিশন ইকো সিটি।

সম্প্রতি নিউ ভিশন ইকো সিটির ৮০ ফিট প্রশস্ত প্রধান সড়ক সংলগ্ন বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ-এর নিজস্ব ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে সফলভাবে সম্পন্ন হলো এক বর্ণাঢ্য বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। আগামীর ক্যাম্পাসকে সবুজে সুশোভিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন চারা রোপণে।

বৃক্ষরোপণ শেষে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে পাশেই অবস্থিত সামার ভিলেজ ইকো রিসোর্ট-এ।

দিনের সেরা মুহূর্তগুলো:

সবুজায়ন উদ্যোগ: ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরির অঙ্গীকার নিয়ে বৃক্ষরোপণ।

আনন্দঘন মিলনমেলা: রিসোর্টের মনোরম আবহে সহকর্মী ও বন্ধুদের প্রাণখোলা আড্ডা ও স্মৃতিচারণ।

মাঠজুড়ে স্পোর্টস: সুবিশাল প্লে গ্রাউন্ডে খেলাধুলা, উদ্দীপনা আর হাসিমুখের কোলাহল।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও প্রকৃতির এক অনন্য মেলবন্ধন হতে যাচ্ছে নিউ ভিশন ইকো সিটির এই প্রাঙ্গণ।

📸 অনুষ্ঠানের কিছু চমৎকার মুহূর্ত ফ্রেমবন্দী রইলো আপনার জন্য!

সবুজে ঘেরা এমন প্রাণবন্ত পরিবেশের অংশ হতে আপনিও ঘুরে যান আজই। বিস্তারিত জানতে ইনবক্স করুন।

কত ফুট রাস্তার পাশে জমি কিনছেন?জমির দাম শুনে ভালো লাগল।Location-ও পছন্দ হলো।কিন্তু রাস্তা কত ফুট—সেটা কি খেয়াল করেছেন?জম...
24/08/2026

কত ফুট রাস্তার পাশে জমি কিনছেন?
জমির দাম শুনে ভালো লাগল।
Location-ও পছন্দ হলো।
কিন্তু রাস্তা কত ফুট—সেটা কি খেয়াল করেছেন?

জমি কেনার সময় রাস্তার প্রস্থকে অনেকেই ছোট বিষয় মনে করেন। অথচ ভবিষ্যতে যাতায়াত, গাড়ি চলাচল, বাড়ির ডিজাইন এবং পুরো এলাকার পরিবেশ—সবকিছুর সঙ্গেই রাস্তার প্রস্থের সম্পর্ক রয়েছে।

ধরুন, একই ধরনের দুটি Plot—

👉 একটির সামনে ২৫ ফুট রাস্তা
👉 অন্যটির সামনে ৫০ ফুট রাস্তা

দুটির ক্ষেত্রেই গাড়ি নিয়ে যাতায়াত সহজ। কিন্তু ৫০ ফুট রাস্তা সাধারণত বেশি খোলা জায়গা, তুলনামূলক স্বাচ্ছন্দ্যময় চলাচল এবং বড় পরিসরের neighbourhood-এর অনুভূতি দিতে পারে।

আবার শুধু রাস্তা যত বড়, জমি তত ভালো—এমন সরল সিদ্ধান্তও ঠিক নয়।

জমি বাছাইয়ের সময় দেখুন—

✔ রাস্তার প্রস্থ কত?
✔ রাস্তা বাস্তবে কতটা ব্যবহারযোগ্য?
✔ রাস্তার সঙ্গে Plot-এর অবস্থান কেমন?
✔ আশপাশের পরিকল্পনা কী?
✔ ভবিষ্যতে এই এলাকার infrastructure কীভাবে গড়ে উঠবে?

অর্থাৎ, জমি কেনার সময় শুধু Plot-এর মাপ নয়—Plot-এ পৌঁছানোর রাস্তার মাপও দেখুন।

আর এই জায়গাতেই Planned Project-এর গুরুত্ব।

New Vision Eco City, Taranagar, Keraniganj-এ রয়েছে ২৫, ৩০, ৪০, ৫০, ৬০ ও ৮০ ফুট প্রশস্ত রাস্তার ব্যবস্থা।

আপনি হলে ২৫ ফুট, ৫০ ফুট নাকি ৮০ ফুট রাস্তার পাশে Plot বেছে নিতেন?
কমেন্টে আপনার পছন্দটা জানান। 👇

এমন বাস্তবধর্মী তথ্য পেতে পেইজে Follow দিয়ে সাথে থাকুন।

কম দামে জমি কিনে পরে কি বেশি খরচ হচ্ছে? 🤔জমির দাম তুলনা করার আগে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি:‘ওখানে জমির দাম কম!’—হাউজিং প্রক...
23/08/2026

কম দামে জমি কিনে পরে কি বেশি খরচ হচ্ছে? 🤔

জমির দাম তুলনা করার আগে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি:

‘ওখানে জমির দাম কম!’—হাউজিং প্রকল্পের জমি কিনতে গেলে এই কথাটাই কি আমাদের সিদ্ধান্তের সবচেয়ে বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়?

অথচ শুধু দাম কম-বেশি দিয়ে দুটি হাউজিং প্রকল্পের প্রকৃত মূল্য বিচার করা যায় না।

কোথাও জমির দাম তুলনামূলক কম। কিন্তু রেজিস্ট্রি পেতে সময় লাগছে। কোথাও হ্যান্ডওভার হতে দেরি হচ্ছে। কোথাও আবার রাস্তা, বিদ্যুৎ বা অন্যান্য উন্নয়ন শেষ হতে সময় লাগছে। ফলে জমি কেনার পর বাড়ি করার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতেও অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

বাস্তবতা হলো—কম দামের জমির সঙ্গে অনেক সময় অপেক্ষার মূল্যও যুক্ত থাকে।

আর যে জমি দ্রুত রেজিস্ট্রি, দ্রুত হ্যান্ডওভার এবং বাড়ি নির্মাণের জন্য তুলনামূলকভাবে প্রস্তুত—তার দাম স্বাভাবিকভাবেই বেশি হতে পারে।

তাই শুধু “কত টাকা কাঠা?” নয়, প্রশ্ন হওয়া উচিত— এই দামের বিনিময়ে আমি আসলে কী পাচ্ছি?”

প্রত্যেক হাউজিং প্রকল্প একটি অন্যটি থেকে আলাদা-
📍 লোকেশন
🛣️ সড়ক যোগাযোগ
🏘️ প্রকল্পের ডিজাইন ও পরিকল্পনা
⚡ বিদ্যুৎ ও অন্যান্য ইউটিলিটি
🌳 কমিউনিটি সুবিধা
🏗️ প্রকল্পের বর্তমান উন্নয়ন
📑 রেজিস্ট্রি ও হ্যান্ডওভারের প্রস্তুতি
🏠 বাড়ি নির্মাণের উপযোগিতা

এসব বিষয় মিলিয়েই একটি প্রকল্পের প্রকৃত অবস্থান ও মূল্যায়ন করতে হয়।

একটি জমি আজ সস্তা হতে পারে, কিন্তু সেখানে বাড়ি করতে যদি আরও কয়েক বছর অপেক্ষা করতে হয়—তাহলে সেই অপেক্ষার সময়, অতিরিক্ত খরচ এবং সুযোগের মূল্যও হিসাবের মধ্যে রাখা উচিত।

তাহলে সঠিক সিদ্ধান্ত কীভাবে নেবেন?

শুধু একটি প্রকল্পের অফিসে বসে সিদ্ধান্ত না নিয়ে এলাকার একাধিক হাউজিং প্রকল্প সরেজমিনে ঘুরে দেখুন।

তাহলেই বুঝতে পারবেন—

কোন প্রকল্প কতটা উন্নত,
কোনটির যোগাযোগ ব্যবস্থা কেমন,
কোথায় বাস্তবে বাড়ি নির্মাণ শুরু হয়েছে,
কোন কোম্পানি তাদের প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবায়ন করতে পেরেছে এবং
কোন প্রকল্পের জমি আপনার প্রয়োজন ও বাজেটের সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

কারণ জমি কেনা শুধু আজকের দামের সিদ্ধান্ত নয়; এটি আগামী দিনের জীবনযাপনের সিদ্ধান্তও।

‘জমির দাম বাড়ে কিসে?’—এই সিরিজে আমরা তাই শুধু জমির দাম নয়, জমির প্রকৃত মূল্য বোঝার বিষয়গুলো নিয়েই আলোচনা করছি।

আপনি শুধু New Vision Eco City নয়, কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন হাউজিং প্রকল্পে প্লট নেওয়ার সম্ভাবনা, সুবিধা-অসুবিধা ও কোন বিষয়গুলো যাচাই করা উচিত—এসব জানতে চাইলে আমাদের নক করতে পারেন।

আপনার সিদ্ধান্তটা যেন শুধু কম দামের ওপর নয়, সঠিক মূল্যের ওপর হয়—সেই বিষয়ে সহযোগিতা করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

#জমির_দাম_বাড়ে_কিসে

সড়ক যোগাযোগ ও জমির মূল্যবৃদ্ধির রসায়নজমির দাম বৃদ্ধিতে অন্যতম প্রধান ও ভূমিকা রাখে উন্নত সড়ক যোগাযোগ। স্কুল, কলেজ, অফিস,...
13/08/2026

সড়ক যোগাযোগ ও জমির মূল্যবৃদ্ধির রসায়ন

জমির দাম বৃদ্ধিতে অন্যতম প্রধান ও ভূমিকা রাখে উন্নত সড়ক যোগাযোগ। স্কুল, কলেজ, অফিস, কাঁচাবাজার কিংবা মূল শহরের সাথে একটি আবাসিক এলাকার যাতায়াত কতটা সহজ ও আরামদায়ক, তার ওপর সরাসরি নির্ভর করে অত্র এলাকার জমির বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বাজারদর।

বিষয়টা সবাই কমবেশি জানেন। কিন্তু প্রসঙ্গ যখন এমন দাঁড়ায়—"ভবিষ্যতে এই এলাকার সড়ক যোগাযোগ ঠিক কেমন হবে?"—তখন অনেকেই দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যান। ফলে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করে ফেলেন।

বর্তমান স্থবিরতা ও ভবিষ্যতের সুযোগ

আজ যেখানে সড়ক যোগাযোগ দুর্বল, স্বাভাবিকভাবেই সেখানে জমির দাম এখনও নাগালের মধ্যে। কিন্তু মনে রাখা জরুরি, সরকার বা নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী যখনই প্রজেক্টের সাথে মূল শহরের সংযোগ সড়ক নির্মিত হবে, তখন জমির দাম কিন্তু রাতারাতি এক লাফেই নাগালের বাইরে চলে যাবে। তাই স্মার্ট বিনিয়োগকারীরা ভবিষ্যৎ সংযোগ পরিকল্পনাকেই বেশি গুরুত্ব দেন।

এদিক দিয়ে নিউ ভিশন ইকো সিটি প্রজেক্ট সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে। এই প্রজেক্টের পূর্বপাশ দিয়ে ৩০০ ফিট প্রশস্ত ওয়েস্টার্ন বাইপাস এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে সাভার-হেমায়েতপুর থেকে ঢাকা-মাওয়া সড়কে যুক্ত হয়ে নারায়নগঞ্জ পর্যন্ত চলে যাবে। এছাড়া মোহাম্মদপুর থেকে কলাতিয়া বাজার পর্যন্ত চার লেনের সড়কটি নিউ ভিশন ইকো সিটির দক্ষিণ পাশ দিয়ে চলে গিয়েছে। দুই পাশের বড় দুই সড়কের সাথে কানেকটিভিটির কারণে নিউ ভিশন ইকো সিটিকে প্রিমিয়াম হাউজিং প্রজেক্টে পরিণত করেছে।

জমির মূল্য নির্ধারণে সড়ক যোগাযোগের আরও কিছু দিক

সড়ক যোগাযোগ কেবল দূরত্ব কমায় না, এটি একটি এলাকার সামগ্রিক জীবনযাত্রার মান এবং বাণিজ্যিক সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। যোগাযোগের সাথে জমির দাম বৃদ্ধির আরও কিছু কার্যকর দিক নিচে আলোচনা করা হলো:

গণপরিবহনের সহজলভ্যতা ও যাতায়াত খরচ: কেবল সড়ক তৈরি হওয়াই শেষ কথা নয়, সেই সড়কে বাস, মেট্রোরেল বা এক্সপ্রেসওয়ের মতো গণপরিবহন ব্যবস্থা চালু হলে যাতায়াত খরচ ও সময় দুটোই কমে যায়। যা সাধারণ চাকুরিজীবী ও পরিবারের কাছে এলাকাটিকে বসবাসের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় করে তোলে।

বাণিজ্যিক সম্প্রসারণ ও কর্মসংস্থান: প্রশস্ত সড়ক থাকলে খুব দ্রুতই রাস্তার দুপাশে সুপারশপ, ব্যাংক-বীমা, হাসপাতাল এবং রেস্তোরাঁ গড়ে ওঠে। এলাকাটি যত দ্রুত বাণিজ্যিক রূপ নেয়, প্লটের চাহিদা ও রেট তত দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

জরুরি সেবা পৌঁছানোর সুবিধা: ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স বা নিরাপত্তাবাহিনীর গাড়ি সহজে ও দ্রুত প্রবেশ করতে পারা যেকোনো আধুনিক আবাসনের পূর্বশর্ত। ভালো রাস্তা এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, যা প্রপার্টির ভ্যালু বাড়ায়।

ড্রেনেজ ও ইউটিলিটি নেটওয়ার্ক: প্রশস্ত রাস্তার নিচ দিয়েই তৈরি করা হয় পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও ড্রেনেজ লাইন। অর্থাৎ, সড়কের প্রসস্ততা পরোক্ষভাবে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন এবং আধুনিক নাগরিক সুবিধার নিশ্চায়ক।

অভ্যন্তরীণ সড়ক ও আলো-বাতাসের সমীকরণ

শুধু মূল শহরের সাথেই নয়, প্রজেক্টের ভেতরের রাস্তা কতটা প্রশস্ত—সেটিও কিন্তু প্লটের দাম এবং জীবনযাত্রার মান নির্ধারণে সমান গুরুত্বপূর্ণ। সংকীর্ণ রাস্তা ভবিষ্যতের যানজট ও বিড়ম্বনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

এই দিক থেকে ‘নিউ ভিশন ইকো সিটি’ বহুদূর এগিয়ে। প্রজেক্টটিতে রাখা হয়েছে সর্বনিম্ন ২৫ ফিট প্রশস্ত রাস্তা। এছাড়া প্রয়োজন অনুযায়ী রয়েছে ৩০, ৪০, ৫০ এবং ৮০ ফিট পর্যন্ত প্রশস্ত রোড নেটওয়ার্ক। এই চওড়া রাস্তাগুলো কেবল গাড়ি চলাচলই সহজ করবে না, বরং প্রতিটি প্লটে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস ও মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করে আপনার বসবাসকে করবে স্বাস্থ্যকর ও নান্দনিক।

তাই সড়ক উন্নয়নের সঠিক পূর্বাভাস যারা আগেভাগে বুঝতে পারেন, আবাসন বিনিয়োগে জয়টা শেষ পর্যন্ত তাদেরই হয়।

জমির দাম বৃদ্ধি পায় কিসে?
আজ ছিল ২য় পর্ব

১ম পর্ব দেখতে আমাদের পেইজ ভিজিট করুন এবং এমন পোস্ট নিয়মিত পেতে পেইজে লাইক দিয়ে ফলোয়ার হয়ে থাকুন।

জমির দাম বৃদ্ধি পায় কিসে? পর্ব ০১পাশাপাশি দুটো হাউজিং প্রজেক্টের দাম শুনে অনেকে বুঝে উঠতে পারেন না এত পার্থক্য কেনো? আস...
12/08/2026

জমির দাম বৃদ্ধি পায় কিসে?
পর্ব ০১

পাশাপাশি দুটো হাউজিং প্রজেক্টের দাম শুনে অনেকে বুঝে উঠতে পারেন না এত পার্থক্য কেনো? আসুন আগামী কয়েক পর্বে সেটা বুঝার চেষ্টা করি। আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় 'বিদ্যুৎ সংযোগ'!

নিঃসন্দেহে হাউজিং প্রজেক্টে বিদ্যুৎ সংযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্যুৎ সুবিধা না থাকলে বাড়ি নির্মাণ করা সম্ভব হয় না। কারণ নির্মাণকাজ এখন পুরোপুরি বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল।

বিদ্যুৎ সংযোগের সাথে সাথে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে আলো আসে। রাতের হাউজিং প্রজেক্ট আলোকিত থাকে। সেফটি ও সিকিউরিটির জন্য বৈদ্যুতিক আলো এবং সিকিউরিটি ক্যামেরা অবশ্যই লাগবে।

কান টানলে যেমন মাথা আসে, তেমনি বিদ্যুতের লাইনও উন্নয়নের জোয়ার আনে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আপনি যেখানে জমি কিনতে যাচ্ছেন, সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ আছে তো?

এখানে আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। আপনি ভাবছেন আগে বিদ্যুতের লাইন আসুক, তারপর কিনবো। এটা কিন্তু হিতে বিপরীত হতে পারে। কারণ বিদ্যুৎ সংযোগ আসা মাত্রই জমির দাম বেড়ে যাবে।

তাই খুঁজে দেখুন, হাউজিং প্রজেক্টে বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপন করা হচ্ছে কি না। কোম্পানির প্ল্যান কী? প্রজেক্ট ঘুরে কথা ও কাজের মিল পাচ্ছেন কি না?

আমাদের পোস্ট নিয়মিত পেতে পেইজে লাইক দিয়ে ফলোয়ার হয়ে থাকুন।

#জমিরদাম #প্লট #হাউজিংপ্রজেক্ট

অপেক্ষার শেষ রোদসারা দিনের প্যাঁচাল পেছনে ফেলে আসাদ যখন দরজায় কড়া নাড়ল, তখন তার শরীরজুড়ে স্রেফ ক্লান্তি। সে চায় একটু নীর...
10/08/2026

অপেক্ষার শেষ রোদ

সারা দিনের প্যাঁচাল পেছনে ফেলে আসাদ যখন দরজায় কড়া নাড়ল, তখন তার শরীরজুড়ে স্রেফ ক্লান্তি। সে চায় একটু নীরবতা, একটা ফ্যানের ঠান্ডা বাতাস আর একটুখানি নিস্তব্ধতা।

কিন্তু দরজা খুলতেই নীলার মুখে যে আলোটা ফুটে উঠল, তা কোনো ক্লান্তি চেনে না। সারাদিনের জমানো একাকীত্ব, ছোট ছোট কত শত কথা যে নীলার মনে জমে আছে!

অথচ আসাদের পকেটের মুঠোফোনটা সে আনন্দ সইতে দিল না। বেজেই চলল অনবরত। একের পর এক নোটিফিকেশনের টুংটাং শব্দে ঘরের বিষণ্ণ নিস্তব্ধতা টুটে গেল। অভ্যাস নাকি কর্পোরেট জীবনের এক অদৃশ্য জাঁতাকল—আসাদ নিজেও জানে না। ক্লান্ত হাত দুটো অগত্যা আবার স্ক্রিনের ওপর দৌড়াতে লাগল। মেইল পাঠানো, মেসেজের জবাব দেওয়া, মিসড কল ব্যাক করা... আসাদ যখন ফোনের স্ক্রিনে বুঁদ, নীলা তখন চুপচাপ পাশ থেকে উঠে গেল।।

তার পায়ের শব্দে যতটা না দুঃখ ছিল, তার চেয়ে বেশি ছিল এক গভীর অভিমান। সেই অভিমান সহজে গলবার নয়। 'সারাদিন পর ঘরে ফিরেও কি তোমার হুশ হয় না, আসাদ?'

দিন যায়, সপ্তাহের পর সপ্তাহ গড়ায়। ধীরে ধীরে নীলার সেই মিষ্টি অভিমানগুলো ঠাঁই নেয় এক বিষণ্ণ নীরবতায়। আর চেঁচামেচি করে না সে, ফোন বাজলে আর বিরক্ত হয়ে উঠে যায় না। সে যেন এক অদ্ভুত বাস্তবতা মেনে নিতে শুরু করেছে। আসাদ বোঝে, নীলার এই দূরে সরে যাওয়াটা ঠিক স্বাভাবিক নয়। কিন্তু সে বাধ্য। প্রমোশন, টার্গেট আর বসের প্রেসারে যে তার নিঃশ্বাস নেওয়ারও ফুরসত নেই!

তবে ঝড়টা উঠল একদিন খুব শান্ত এক সন্ধ্যায়। ফোনটা টেবিলে রেখে আসাদ যখন কপালে হাত দিয়ে বসেছিল, নীলা তার পাশে এসে বসল। চোখের দিকে তাকিয়ে খুব সাধারণ, কিন্তু ধারালো দুটো বাক্য ছুড়ে দিল, "রাতদিন এই যে শরীর জ্বালিয়ে অফিসের জন্য খাটছো—আমাদের জন্য সত্যি কি কিছু করছো আসাদ? এই মাথা খাটানো, এই সব চিন্তা কেবল বসের কোম্পানির জন্য? আমাদের একটা ভবিষ্যতের কথা কবে ভাববে? সারাজীবন কি চার দেয়ালের এই ভাড়া বাসাতেই আমাদের সময় ফুরিয়ে যাবে?"

কথাগুলো যেন কোনো বজ্রপাতের মতো আসাদের মাথায় এসে পড়ল। হঠাৎ যেন হুশ হলো আসাদের। সত্যিই তো! কার জন্য এই ছোটাছুটি? সারাদিন পর ঘরে ফিরে যে মানুষটার সাথে দুটো মনের কথা বলা দরকার ছিল, তাকেই সে দূরে ঠেলে দিয়েছে কাজের দোহাই দিয়ে। নিজেদের একটা ভবিষ্যৎ, একটা গুছানো জীবনের কোনো ছকই তো সে আঁকেনি! নীলার কথাগুলো যদি সে আগে মন দিয়ে শুনত, যদি নিজেদের সম্পর্ক আর জীবনটাকে অফিসের ফাইলগুলোর মতো একটু সময় দিত—আজ হয়তো গল্পটা অন্যরকম হতো।

গভীর এক আফসোস আর অনুশোচনার সাগরে ডুব দিল আসাদ। আসাদের সেই অসহায় চোখের পানে তাকিয়ে নীলা এবার আর মুখ ফিরিয়ে নিল না। তার ঠোঁটের কোণে ফুটে উঠল অবিশ্বাস্যরকম মিষ্টি হাসি। মৃদু গলায় বলল, "উঁহু! অনুতাপ করে সময় নষ্ট কোরো না। এখনো কোনো দেরি হয়নি। চলো, গল্পটা আজ থেকেই নতুন করে শুরু করি। কারণ, আজ যদি শুরু না করি... তবেই সত্যিকারের দেরি হয়ে যাবে।"

#কেরানীগঞ্জ #জমি #প্লট #ফ্ল্যাট

হাউজিং প্রজেক্টে প্লট বা ফ্ল্যাটের মালিক হওয়ার ৪টি সহজ উপায়নিজের মাথা গোঁজার ঠাঁই বা ভবিষ্যতের নিরাপদ বিনিয়োগ—যে উদ্দেশ্...
09/08/2026

হাউজিং প্রজেক্টে প্লট বা ফ্ল্যাটের মালিক হওয়ার ৪টি সহজ উপায়

নিজের মাথা গোঁজার ঠাঁই বা ভবিষ্যতের নিরাপদ বিনিয়োগ—যে উদ্দেশ্যেই হোক না কেন, আবাসন খাতে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই ভাবেন হাউজিং প্রজেক্টে প্লট বা ফ্ল্যাট কেনা হয়তো জটিল কোনো প্রক্রিয়া। কিন্তু সঠিক পরিকল্পনা জানা থাকলে নিজের সাধ্যের মধ্যেই একটি নিজস্ব ঠিকানার মালিক হওয়া সম্ভব। কীভাবে?

১. একক প্লট ক্রয়

আপনি যদি সম্পূর্ণ স্বাধীনতা পেতে চান, তবে নিজেই প্লট কিনতে পারেন। সাধারণত হাউজিং প্রজেক্টে ৩, ৫, ৬ কিংবা ১০ কাঠার বিভিন্ন সাইজের প্লট কিনতে পাওয়া যায়।

২. প্লট কিনে ডেভেলপার কোম্পানির সাথে যৌথ চুক্তি

অনেক সময় নিজস্ব জমিতে বাড়ি বানানোর মতো বিশাল অঙ্কের নগদ অর্থ বা সময় হাতে থাকে না। এই সমস্যার সবচেয়ে চমৎকার সমাধান হলো প্লট কিনে তা কোনো নির্ভরযোগ্য ডেভেলপার কোম্পানিকে বুঝিয়ে দেওয়া।

৩. কয়েকজন মিলে যৌথভাবে (শেয়ারে) জমি ক্রয় ও ভবন নির্মাণ

স্বল্প বাজেটে নিজস্ব ফ্ল্যাটের মালিক হওয়ার জন্য এটি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। বন্ধু, আত্মীয় বা পরিচিত সমমনা কয়েকজন মিলে যৌথভাবে জমি কিনে বিল্ডিং বানিয়ে ফ্লোর ভাগ করে নেয়া যায়।

৪. ডেভেলপার প্রজেক্ট থেকে শেয়ারের মাধ্যমে ফ্ল্যাট বুকিং

এটাকে বলা যেতে পারে জমির শেয়ার কিনে ফ্ল্যাটে উঠা। এখানে জমি ক্রয় এবং বিল্ডিং বানানোর মূল উদ্যোক্তা হয় ডেভেলপার কোম্পানি।

আপনার বর্তমান বাজেট, আয় এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনার ওপর নির্ভর করছে আপনি এর মধ্যে কোনো পদ্ধতিটি বেছে নেবেন। যেকোনো অপশনে যাওয়ার আগে জমির কাগজপত্র, হাউজিং এবং ডেভেলপার কোম্পানির বিশ্বস্ততা ভালোভাবে যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিন।

#জমি_ক্রয় #ফ্ল্যাট_বিক্রি #আবাসন_প্রকল্প #প্লট_বিক্রি #রিয়েল_এস্টেট #আবাসন

পূর্বাচল নাকি কেরানীগঞ্জ?১৯৯৫ সালে শুরু হয় পূর্বাচল নতুন শহর এলাকা। রাজউকের এই প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৩ সালে। ৬,১৫...
07/08/2026

পূর্বাচল নাকি কেরানীগঞ্জ?

১৯৯৫ সালে শুরু হয় পূর্বাচল নতুন শহর এলাকা। রাজউকের এই প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৩ সালে। ৬,১৫০ একর জায়গার বিশাল আবাসিক প্রকল্প। প্রায় ২৫ হাজার প্লট হস্তান্তরও হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত আবাসিক ভবন তৈরি হয়েছে ৫০০ এরও কম।

একটি শহর শুধু রাস্তা আর প্লটের সমষ্টি নয়। একটি শহর তখনই জীবন্ত হয়, যখন সেখানে মানুষ বসবাস করে, শিশু স্কুলে যায়, রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা পায়, ব্যবসা-বাণিজ্য গড়ে ওঠে, গণপরিবহন চলে এবং নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে পূর্বাচলে এখনো পর্যাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেই, মানসম্মত হাসপাতাল নেই, বাণিজ্যিক কার্যক্রম সীমিত, গণপরিবহন ব্যবস্থা অপর্যাপ্ত এবং বসবাসের জন্য প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা গড়ে ওঠেনি। ফলে যাঁরা প্লট পেয়েছেন, তাঁদের অধিকাংশই সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পাচ্ছেন না।

কেরানীগঞ্জে নতুন দিগন্ত

পূর্বাচলের সাথে কেরানীগঞ্জের তুলনা চলে না। কারণ দুই এলাকায় ব্যক্তির যার যার পছন্দ ও প্রয়োজনের বিষয় রয়েছে। তবে কেরানীগঞ্জ বেশ দ্রুত আগাচ্ছে। হাউজিং প্রজেক্টের বড় প্রয়োজন হচ্ছে ঢাকার সাথে যাতায়াত। আপকামিং যেসব সরকারি সড়ক উন্নয়ন কর্মসূচি আছে তাতে কেরানীগঞ্জ সুবিধাজনক অবস্থায় আছে।

#ইনার রিং রোড: গাবতলী থেকে সদরঘাট পর্যন্ত বিস্তৃত ইনার রিং রোড।
#ওয়েস্টার্ন বাইপাস এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: হেমায়েতপুর থেকে শুরু হয়ে ঢাকা-মাওয়া সড়ক ছেদ করে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত সংযোগ।
#চার লেনের সংযোগ সড়ক: মোহাম্মদপুর থেকে কলাতিয়া পর্যন্ত চার লেনের আধুনিক সড়ক।

এসব মেগা প্রজেক্ট কেরানীগঞ্জকে ভবিষ্যতে যাতায়াতের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সুবিধাজনক ও সম্ভাবনাময় করে তুলেছে। এছাড়া হাসপাতাল, স্কুল, বাজার ও অন্যান্য নাগরিক সুবিধা কেরানীগঞ্জে এখনই আছে। চাহিদার আলোকে ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ।

অনেকে ভাবেন সড়ক উন্নয়ন কবে হবে ঠিক নেই! কথা সত্য। এজন্য হয়তো কেরানীগঞ্জে জমির দাম এখনও তুলনামূলক কম। রাস্তাঘাট হয়ে গেলে তো আর এই দামে পাওয়া যাবে না। তখন হয়তো আফসোস করতে হবে।

বাস্তবতা হচ্ছে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ সামলাতে ঢাকার বাইরে হাউজিং প্রকল্প বৃদ্ধি করতেই হবে। তাই হাউজিং প্রজেক্ট কবে আলোর মুখ দেখবে এটা নিয়ে অস্বস্তি থাকলেও কেরানীগঞ্জে জমির ভ্যালু যে আকাশ ছুঁবে এ ব্যাপারে সন্দেহ নেই। অথচ দেরি করলে এখন ১০ কাঠার প্লটের বদলে তখন জমির শেয়ার কিনে ফ্ল্যাটে উঠে সন্তুষ্ট থাকতে হবে।

তাই আজই নিশ্চিত করুন আপনার ভবিষ্যতের ঠিকানা

রাস্তাঘাট ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্পন্ন হয়ে গেলে জমির দাম সাধারণের সাধ্যের বাইরে চলে যাবে। তাই সময়ক্ষেপণ না করে আজই সরেজমিনে কেরানীগঞ্জের সম্ভাবনাময় প্রকল্পগুলো ঘুরে দেখুন, আইনি নথিপত্র যাচাই করুন এবং আপনার বাজেটের মধ্যে পছন্দের প্লটটি নিশ্চিত করে একটি নিরাপদ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলুন।

নিজের জমিতে করি শখের চাষাবাদএক খন্ড জমি থাকার এটাই নেয়ামত #কেরানীগঞ্জ  #জমি  #প্লট  #কৃষি  #চাষাবাদ
01/08/2026

নিজের জমিতে করি শখের চাষাবাদ
এক খন্ড জমি থাকার এটাই নেয়ামত

#কেরানীগঞ্জ #জমি #প্লট #কৃষি #চাষাবাদ

বাসায় কথা দিয়েছি... 👌এই তো সেদিন! ফ্ল্যাটের বারান্দায় বসে সন্ধ্যা নামার মুখে, অর্কিডগুলো যেন একটু যত্ন চাইল। টবে ছোট এক...
29/07/2026

বাসায় কথা দিয়েছি... 👌

এই তো সেদিন! ফ্ল্যাটের বারান্দায় বসে সন্ধ্যা নামার মুখে, অর্কিডগুলো যেন একটু যত্ন চাইল। টবে ছোট একটু জায়গা—কতক্ষণইবা মন ভরে? হঠাৎ মিসেসের কথা, "এতো বাগান তুমি কোথায় করবে? এমন একটা জায়গা খুঁজি, যেখানে মনের সুখে চাষাবাদ করা যাবে।"

হৃদয়ে এমন একটা আকাঙ্ক্ষা বহুদিনের। ধানমন্ডির ঘিঞ্জি ইট-কাঠের জঙ্গল আর ধোঁয়ার চাদর ছেড়ে, কেরানীগঞ্জের বুক চিরে যাওয়া প্রশস্ত রাস্তার পাশে এমন একটি শান্তির নীড়! শান্ত, স্নিগ্ধ কেরানীগঞ্জ, যেখানে গাছের পাতা বাতাসে দোলে, নীরবতা সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে—যেন এক ভিন্ন জগত। সেখানেই হবে আমাদের ডুপ্লেক্স বাগান বাড়ি।

ইকো সিটির কথা শুনেছি। সবুজের সমারোহ, প্রশান্ত পরিবেশ, আর পরিকল্পিত সব সুযোগ-সুবিধা—যেন সব কিছু মিলিয়েই তৈরি হয়েছে এটি। প্রশস্ত রাস্তাগুলো দিয়ে ঘুরে বেড়ানো আর সবুজ পরিবেশে প্রকৃতির খুব কাছাকাছি থাকা। মনটা যেন তখনই জুড়িয়ে গেলো। এবার এই ছুটির দিনে মনের মতো প্লট খোঁজ করার প্রতিজ্ঞা করলাম বাসায়।

ধানমন্ডির কংক্রিট থেকে কেরানীগঞ্জের সবুজ, এ যেন এক স্বপ্নের যাত্রা। আর ইকো সিটি হলো সেই স্বপ্নের শুরু। একদিন সেখানেই হবে ডুপ্লেক্স বাগান বাড়ি, যেখানে নিজের মতো করে মনের সুখে চাষাবাদ করা যাবে, যেখানে প্রতিদিনের জীবনে আসবে প্রকৃতির স্পর্শ। সেই সবুজ দিনগুলোর অপেক্ষা!

#ডুপ্লেক্সবাগানবাড়ি #ইকোসিটি #কেরানীগঞ্জ #বাগানবিলাস #প্রকৃতিরছোঁয়া #তারানগর

Address

Ati Bazar-Kalatiya Road
Dhaka
1312

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when New Vision Eco City posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to New Vision Eco City:

Shortcuts

Share