26/02/2026
🪰🪰ভোজনরসিক 🪰🪰..
তাই তো বলি- তিনি এতো দ্রুত পালান কীভাবে? উনার রয়েছে হাজার দশেক চোখ। আমরা যেভাবে দুনিয়াটা দেখি তার চেয়ে বেশি ডাইমেনশনে তিনি দুনিয়াটা দেখতে পান। একটা কিছু দেখলে আমাদের চেয়ে সাত গুণ দ্রুত সেটা প্রসেস করতে পারেন। আমরা যদি সেকেন্ডে ছবির ৬০টা ফ্রেম দেখতে পাই, তিনি দেখেন ২৫০টা। আপনি দেখেন দ্রুত গতিতে ধাবমান একটা মানুষ, তিনি দেখেন স্লো মোশনে। আপনি আর তিনি যদি সিনেমা দেখতে বসেন তিনি খুব বিরক্ত হবেন। কারণ তিনি দেখবেন ছবিগুলো খুব আস্তে আস্তে পর্দায় আসছে। উনার প্রসেসর আমাদের চেয়ে অনেক অ্যাডভান্স বলেই ভবিষ্যতে কী ঘটতে যাচ্ছে তিনি তা সহজেই ধরে ফেলেন। তিনি আমাদের চেয়ে দ্রুত প্রসেস করতে পারেন বলেই সহজেই পালাতে পারেন।
তিনি সর্বদিকে দেখতে পান। চোখগুলোর সাজানোর কায়দাটা দেখুন, তাহলেই বুঝবেন। উনারা আবার রাতে চোখ খুলেই ঘুমাতে পারেন ঘন্টার পর ঘন্টা।
মজার ব্যাপার হচ্ছে, পুরুষ মশাইদের ঠিক চোখের মাঝে হাই রেজুলেশনের লাভ স্পট আছে যাতে তারা প্রেমিকাদের ওড়ার সময় ওদের ভাবসাব দেখে প্রেম নিবেদন করতে পারেন। আমরা আলট্রাভায়োলেট আলো দেখতে না পেলেও উনি কিন্তু দেখতে পান।
উনারা কিন্তু নিজেদের পরিচ্ছন্ন রাখতে সদা তৎপর! খেয়াল করে দেখবেন যখনই উনি বসে থাকেন সামনের দুহাত দিয়ে চোখ পরিস্কার করতেই সদা ব্যস্ত। আর উনি সব ডাইমেনশনে উড়তে পারেন।
আরও মজার ব্যাপার হচ্ছে, ওনাদের পায়ে টেস্ট বাড আছে। মানে, খাওয়ার আগে খাবারের ওপর হেটে পা দিয়ে স্বাদ চেখে দেখেন। ভালো লাগলে উনাদের মুখ থেকে লালা আর এনজাইম খাবারে ঢেলে দেবেন, মানে বমি করেন। তারপর স্ট্র-র মতো টিউব দিয়ে শুষে খাবেন, কারণ ওনারা কঠিন জিনিষ খেতে পারেননা। স্বাদ জ্ঞানও কিন্তু টনটনে।
আপনারা দেখেছেন হয়তো, ওরা মাঝে মাঝে মুখের সামনে তরল জিনিষে ফু দিয়ে বুদবুদের মতো তৈরি করে। আসলে তখন বাতাসে তরলটাকে শুকিয়ে ঘন করে, যাতে খেতে বেশি স্বাদ লাগে- এই আর কী? কাজেই বুঝতেই পারছেন উনারা যখন খাবার খেতে বসেন, তারপর চলে যাওয়ার সময় খাবারে আমাদের জন্য কী ত্যাগ করে যান।😇
ছবিতে যার মুখ দেখতে পাচ্ছেন তিনি আমাদের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। তখনই ওনার ছবি তুলে রাখা। চার মিলিমটার সাইজ- হাউজ ফ্লাই।