Unico

Unico Online Shopping in Bangladesh has never been easier. As bangladesh's online shopping landscape is expanding every year,

Unico is one of the best online Shopping store in Bangladesh that features different type of products at affordable prices. Online shopping in dhaka, chittagong, khulna, sylhet and other big cities are also gaining momentum. Unico is among the best online store for online shopping in bangladesh that promises fast, reliable and convenient delivery of products to your doorstep. Unico Will be the tru

sted online shop in Bangladesh. Our aims to provide a trouble-free shopping experience for the people of Bangladesh

হাসিতে ভরা ছিল একটি জীবন।হার্ট এটাকে হঠাৎ করেই চির বিদায় নিয়ে চলে গেল তাহমিনা।এক মুহূর্তে থেমে গেল একটি পরিবারের সব আলো,...
24/12/2025

হাসিতে ভরা ছিল একটি জীবন।হার্ট এটাকে হঠাৎ করেই চির বিদায় নিয়ে চলে গেল তাহমিনা।এক মুহূর্তে থেমে গেল একটি পরিবারের সব আলো, সব আশা।কিন্তু বাবার ভালোবাসা থামেনি।

মেয়ের অন্ধকার কবরে যেন ভয় না পায়—
এই ভেবে বাবা শুয়ে আছেন কবরের পাশেই।
মাটির নিচে থাকা মেয়েটার জন্যও বাবার বুকটা আজ ছায়া হয়ে আছে।

এই পৃথিবীতে হয়তো আর কোনো ভাষা নেই
যা বাবার এই ভালোবাসার গভীরতা বোঝাতে পারে।মৃত্যুও যেখানে আলাদা করতে পারে না—
সেখানে বাবা–মেয়ের সম্পর্ক সত্যিই অকৃত্রিম, অমলিন, অমর।

হে আল্লাহ, তাহমিনাকে জান্নাতের ফুলে ঘেরা শান্তি দান করুন। আমিন
(সংগৃহীত পোস্ট)

#বাবা_মেয়ের_ভালোবাসা
#তাহমিনা
#হৃদয়বিদারক
#চিরবিদায়
#অকৃত্রিম_ভালোবাসা
#মৃত্যুর_পরেও_ভালোবাসা
#দোয়া
#বাংলাদেশ

একজন ব্যক্তির মুখের ভাষা তার হৃদয়ের পরিচয় দেয়।
15/12/2025

একজন ব্যক্তির মুখের ভাষা তার হৃদয়ের পরিচয় দেয়।

অলসতা যখন বিপদ ডেকে আনেবাইকের মালিকানা পরিবর্তন না করার জন্য ফেঁসে গেছেন হাদির গু-লির মামলায় । চিন্তা করা যায় 😞হাদিকে ...
15/12/2025

অলসতা যখন বিপদ ডেকে আনে
বাইকের মালিকানা পরিবর্তন না করার জন্য ফেঁসে গেছেন হাদির গু-লির মামলায় । চিন্তা করা যায় 😞

হাদিকে গু-লি করার সময় যে মোটরসাইকেল ব্যবহার করা হয়েছিল সেটার মালিক আব্দুল হান্নানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ হান্নানকে আদালতে তোলা হলে তিনি কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বলেন, ‘আমাকে গ্রেপ্তারের পর র‍্যাবকে বলেছিলাম, শোরুমে নিয়ে চলেন তাহলে সব সত্যি বেরিয়ে আসবে। কিন্তু তারা নিয়ে যায়নি। থানায় এসে পুলিশকেও বলেছিলাম শোরুমে নিয়ে যেতে। বলেছিলাম তদন্ত করেন, সব বেরিয়ে যাবে।

হান্নান বলেন, আমি এ হোন্ডা মিরপুর মাজার রোড থেকে কিনেছিলাম। তবে হাতে সমস্যা হওয়ায় পরিবার থেকে বাইক চালাতে নিষেধ করেছিল। এ জন্য বাসায় বাইকটি পড়ে ছিল। পড়ে থাকলে বাইকটি নষ্ট হয়ে যাবে ভেবে একটি শোরুমে বিক্রি করি এবং আমি নাম চেঞ্জ করে দিবো বলেছিলাম। তারা দুই মাস আগে কল দিয়েছিল, কিন্তু অসুস্থ থাকায় মালিকানা পরিবর্তন করার জন্য যেতে পারিনি। আদালতে হান্নানের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিল না। শুনানি শেষে আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

সামান্য কিছু টাকা ও অলসতার কারণে মালিকানা পরিবর্তন না করেই অনেকেই আমরা মোটরসাইকেল চালিয়ে বেড়াই। কোন দিন যে আমাদের অবস্থা হান্নানের মতো হবে সেটা বলা যাবে না। তাই যত দ্রুত সম্ভব কেউ মালিকানা পরিবর্তন না করে মোটরসাইকেল ব্যবহার করলে দ্রুত নাম পরিবর্তন করে নেন।

--- Collected

কেবল দুইজন বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার ফটোগ্রাফ পাওয়া যায়, তাদের একজন ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর। সহযোদ্ধারা বারবার বলতে...
12/12/2025

কেবল দুইজন বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার ফটোগ্রাফ পাওয়া যায়, তাদের একজন ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর।

সহযোদ্ধারা বারবার বলতেন, আপনি অসতর্ক যুদ্ধ করেন, বেপরোয়া যুদ্ধ করেন। আত্মরক্ষার কথা ভাবেন না। সহযোদ্ধারা বলতেন, উনি যেনো মরিয়া হয়ে ছিলেন শহিদ হবার জন্য।

শহিদি মৃত্যু তাঁর হাতে ধরা দিয়েছিল ১৪ই ডিসেম্বর সকাল নয়টায়।

যুদ্ধরত অবস্থায় মহানন্দা নদীর তীরে শত্রুর গুলিতে লুটিয়ে পড়েন অসম্ভব সুদর্শন এই লোকটি। মাত্র ৪৮ ঘন্টার জন্য দেখতে পারলেন না বিজয়।

---

সত্যিই বলতেসি। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে মাত্র দুজন বীরশ্রেষ্ঠর খুব স্পষ্ট, স্টুডিওতে তোলা বা ফরমাল ফটোগ্রাফ সচরাচর চোখে পড়ে। তাঁদের একজন ফ্লাইট ল্যাফটেন্যান্ট মতিউর রহমান, আর অন্যজন —ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর।

ছবিতে শান্ত, সৌম্য আর মায়াবী যে চোখ দুটো আমাদের দিকে তাকিয়ে থাকে, কে জানত সেই চোখের মালিকের ভেতরে লুকিয়ে ছিল এক ভয়ংকর বারুদ?

বরিশালের বাবুগঞ্জের সন্তান মহিউদ্দিন তখন পাকিস্তানে কর্মরত। চোখের সামনে মাতৃভূমির ওপর নিপীড়ন মেনে নিতে পারেননি। তাই জুলাই মাসে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে শিয়ালকোট সীমান্ত হয়ে পালিয়ে এসেছিলেন রণাঙ্গনে। যোগ দিয়েছিলেন ৭ নম্বর সেক্টরে, দায়িত্ব নিয়েছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহকুমা মুক্ত করার।

কিন্তু রণাঙ্গনে মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ছিলেন এক বিস্ময়ের নাম। তার সহযোদ্ধা এবং অধীনস্থ মুক্তিযোদ্ধারা প্রায়ই শঙ্কিত হয়ে পড়তেন। কারণ, তাদের কমান্ডার যুদ্ধ করতেন সব নিয়ম উপেক্ষা করে, একেবারে সামনে থেকে।

যুদ্ধের সাধারণ নিয়ম হলো— নিজে সেফ জোনে থেকে কভার ফায়ার দেওয়া বা কমান্ড করা। কিন্তু মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ছিলেন মৃত্যুঞ্জয়ী। সহযোদ্ধারা তাকে বারবার অনুরোধ করতেন, "স্যার, আপনি মাথা নিচু করুন, আপনি আরেকটু সাবধানে থাকুন। আপনি মারা গেলে আমাদের কী হবে?"

উত্তরে তিনি কেবল হাসতেন। তাঁর কমরেডরা লিখে গেছেন- কখনো কখনো মনে হতো, তিনি যেন কোনো এক অলৌকিক টানে বা আধ্যাত্মিক নেশায় শহিদি মৃত্যুকে খুঁজে ফিরছেন।

তার ক্ষিপ্রতা আর বেপরোয়া সাহস দেখে মনে হতো, হয় বিজয়, নয়তো মৃত্যু—তৃতীয় কোনো পথ তার জানা নেই।

দিনটি ছিল ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর। বিজয়ের সূর্য তখন আক্ষরিক অর্থে পূর্বাকাশে উঁকি দিচ্ছে। চারদিকে পাকিস্তানি বাহিনী কোণঠাসা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর মুক্ত করার চূড়ান্ত পরিকল্পনা করলেন তিনি। সিদ্ধান্ত নিলেন, মহানন্দা নদী অতিক্রম করে শত্রুর ঘাঁটিতে সরাসরি আঘাত হানবেন।

ভোরবেলা। কুয়াশায় মোড়ানো মহানন্দার তীর।

সহযোদ্ধাদের নিয়ে নদী পার হয়ে তিনি অবস্থান নিলেন রেহাইচর এলাকায়। তীব্র গুলিবর্ষণ চলছে। যথারীতি সবার আগে, সবার সামনে ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর। এক হাতে এসএমজি, অন্য হাতে গ্রেনেড। বাঙ্কারের পর বাঙ্কার দখল করে এগিয়ে যাচ্ছেন। পাকিস্তানি বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছে।

ঘড়িতে তখন সকাল ৯টা।

বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে তিনি যখন শেষ আঘাতটি হানার জন্য মাথা তুললেন, ঠিক তখনই শত্রু পক্ষের একটি স্নাইপার বুলেট বা মেশিনগানের গুলি সরাসরি বিদ্ধ করল তার কপালে। যে চোখ দিয়ে তিনি স্বাধীন বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই চোখের নিচেই আঘাত হানল ঘাতক বুলেট। মহানন্দার পাড়ে লুটিয়ে পড়লেন বাংলার সূর্যসন্তান।

রক্তে লাল হয়ে গেল মহানন্দার পানি। অথচ তিনি জানলেন না, আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা। মাত্র ৪৮ ঘণ্টা পর তার প্রিয় জন্মভূমি বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে মাথা তুলে দাঁড়াবে। তিনি জানলেন না, তার রক্তে কেনা স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে।

১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হলো। স্বাধীন বাংলার পতাকা উড়ল। কিন্তু সেই পতাকা দেখার জন্য ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর আর বেঁচে রইলেন না। ছোট সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হলো।

আজও সেখানে গেলে মনে হয়, এই অকুতোভয় বীর হয়তো আক্ষেপ করছেন—"ইশ, আর একটু যদি সময় পেতাম! বিজয়ের উল্লাসটা যদি একবার দেখে যেতে পারতাম!"

এই মায়াবী ছবিটার দিকে তাকালে বুকের ভেতরটা হাহাকার করে ওঠে। এত সুন্দর একটা জীবন, এত বড় একটা আত্মত্যাগ— সবই ছিল আমাদের এই পতাকার জন্য।

--- কালেক্টেড

৩ সন্তানকে এতিম করে মা চলে গেছেন পরপারে, বাবা বাংলাদেশ পুলিশের এস.আই। দুই ছেলে একসঙ্গে হলেন BCS ক্যাডার,একজন পুলিশ ক্যাড...
12/12/2025

৩ সন্তানকে এতিম করে মা চলে গেছেন পরপারে, বাবা বাংলাদেশ পুলিশের এস.আই। দুই ছেলে একসঙ্গে হলেন BCS ক্যাডার,একজন পুলিশ ক্যাডার অন্যজন শিক্ষা। আর ছোট ছেলে মেডিকেলে পড়াশোনা করছে।

বাবার জীবদ্দশায় তিনি সবসময় সন্তানদের বলতেন,সততা আর পরিশ্রম কখনো বৃথা যায় না।বাবার শেখানো মূল্যবোধই সন্তানদের জীবনের পথ দেখিয়েছে। একটি পরিবার প্রমাণ করলো—অর্থ নয়, সত্যিকারের শিক্ষা, নিষ্ঠা আর মূল্যবোধই মানুষের ভাগ্য বদলে দেয়।

এ গল্প শুধু একটি পরিবারের নয় এটা আমাদের সবার জন্য অনুপ্রেরণা।মন থেকে চেষ্টা করলে, পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক, সাফল্য একদিন দরজায় কড়া নাড়বেই।

Note:Photo Generated by Ai

--- collected

অনেকে বছর পর বছর না জেনেই পেটের ভেতর কৃমি নিয়ে ঘুরে বেড়ান। কিন্তু শরীর  বারবার ছোট ছোট সংকেত পাঠায়, যেন বলতে চায়  আমাকে ...
12/12/2025

অনেকে বছর পর বছর না জেনেই পেটের ভেতর কৃমি নিয়ে ঘুরে বেড়ান।

কিন্তু শরীর বারবার ছোট ছোট সংকেত পাঠায়, যেন বলতে চায় আমাকে একটু খেয়াল করো! দেহে কৃমি থাকলে যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে:-
১.খেতে ইচ্ছে কমে যাওয়া বা অস্বাভাবিক বেশি ক্ষুধা
২.পেট ব্যথা, গ্যাস, হজমে গোলমাল
৩.ওজন কমে যাওয়া বা খুব ধীরে বাড়া
৪.ত্বকে ফুসকুড়ি, চুলকানি, অ্যালার্জির মতো সমস্যা
৫.রাতে ঘুম কম হওয়া

ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে দাঁত ঘষা, ক্ষুধামন্দা, খিটখিটে স্বভাব

১.শরীরে দুর্বলতা, এনার্জি কমে যাওয়া
২.রক্তশূন্যতা (বিশেষ করে হুকওয়ার্মে)

অনেকে ভাবেন এগুলো তো নরমাল! কিন্তু আসলে এগুলো শরীরের SOS সিগন্যাল। কৃমি শরীরের পুষ্টি খেয়ে নেয়, রক্ত কমায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে।

তাহলে মুক্তি কিভাবে মিলবে?

১. নিয়মিত ডিওয়ার্মিং (কৃমির ওষুধ খাওয়া)

বয়স অনুযায়ী সাধারণত ৬ মাসে একবার কৃমির ওষুধ খেতে হয়।
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সাধারণত Albendazole 400 mg বা Mebendazole ব্যবহৃত হয়।
শিশুদের ক্ষেত্রে ওজন ও বয়স অনুযায়ী ওষুধ নির্ধারণ করতে হয়।

২. হাত ধোয়ার অভ্যাস

টয়লেট ব্যবহারের পরে

রান্নার আগে

খাবারের আগে

বাইরে থেকে এসে

সাবান দিয়ে ২০ সেকেন্ড ভালোভাবে হাত ধোয়া কৃমি প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

৩. সবজিগুলো ভালোভাবে ধুয়ে রান্না করা

মাটিতে থাকা ডিম বা লার্ভা অনেক সময় খাদ্যের মাধ্যমে শরীরে ঢুকে যায়।

৪. নখ ছোট রাখা

নখের নিচে কৃমির ডিম জমে থাকে
বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে।

৫. পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা (বেডশিট, বালিশের কভার পরিষ্কার রাখা)

Pinworm এর মতো কৃমি বিছানা বা পোশাকেও ছড়িয়ে পড়ে।

কেন সচেতনতা জরুরি?
কৃমি
বাচ্চাদের গ্রোথ কমিয়ে দেয়,
রক্তশূন্যতা বাড়ায়,
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমায়,
এমনকি মানসিক শারীরিক বিকাশেও প্রভাব ফেলে।

দরিদ্র বাবা ৫ লাখে বিক্রি করেনি সন্তানকে। সে এখন ডাক্তার। গুজরাটের ভাবনগর জেলার গোরখি গ্রাম। এক দরিদ্র কৃষক পরিবারের উঠো...
12/12/2025

দরিদ্র বাবা ৫ লাখে বিক্রি করেনি সন্তানকে। সে এখন ডাক্তার। গুজরাটের ভাবনগর জেলার গোরখি গ্রাম। এক দরিদ্র কৃষক পরিবারের উঠোন। সেখানে দাঁড়িয়ে আছে অদ্ভুত দর্শন একদল লোক। তারা এসেছে একটি সার্কাস দল থেকে। তাদের লোলুপ দৃষ্টি পরিবারের ১০ বছরের ছোট ছেলেটির দিকে। ছেলেটির নাম গণেশ বরইয়া। জন্ম থেকেই সে ‘ডোয়ার্ফিজম’ বা বামনত্বের শিকার। তার উচ্চতা মাত্র ৩ ফুট।

সার্কাসের লোকেরা গণেশের বাবার সামনে ৫ লাখ টাকার নোটের বান্ডিল ছুড়ে দিল। তারা বলল, “আপনার এই ছেলের কোনো ভবিষ্যৎ নেই। ও কোনো কাজ করতে পারবে না। আমাদের কাছে বিক্রি করে দিন, জোকার হিসেবে ওকে আমরা কাজে লাগাব।” ৫ লাখ টাকা এক দরিদ্র কৃষকের জন্য অনেক কিছু। কিন্তু গণেশের বাবা টাকার দিকে তাকাননি। তিনি ছেলেকে বুকে জড়িয়ে ধরে গর্জন করে উঠলেন— "আমার ছেলে পণ্য নয়। ও সার্কাসের জোকার হবে না, ও মানুষের মতো মানুষ হবে।"

সেই দিনই ঠিক হয়ে গিয়েছিল গণেশের ভাগ্য। বাবার সেই জেদ ছেলের শিরায় শিরায় ছড়িয়ে পড়ল। কিন্তু পথটা ছিল কণ্টকাকীর্ণ। স্কুলে সবাই তাকে নিয়ে হাসাহাসি করত, কিন্তু গণেশ পড়াশোনায় ছিলেন তুখোড়। ২০১৮ সালে তিনি ডাক্তারি পড়ার প্রবেশিকা পরীক্ষায় (NEET) ভালো নম্বর পেয়ে পাস করলেন।

কিন্তু আসল ভিলেন হয়ে দাঁড়াল ‘মেডিক্যাল কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া’ (MCI)। তারা সাফ জানিয়ে দিল— "৩ ফুট উচ্চতা এবং ৭২ শতাংশ শারীরিক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে তুমি ডাক্তার হতে পারবে না। জরুরি পরিস্থিতিতে তুমি রোগীর নাগাল পাবে না।"

গণেশের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হওয়ার উপক্রম। কিন্তু তিনি হাল ছাড়ার পাত্র নন। তার স্কুলের অধ্যক্ষ ডা. দলপৎ কাটারিয়া এবং তার আইনজীবী তাকে সাহস দিলেন। শুরু হলো এক অসম আইনি লড়াই। গুজরাট হাইকোর্ট তাকে ফিরিয়ে দিল। মামলা গড়ালো ভারতের সুপ্রিম কোর্টে।

দীর্ঘ এক বছর পর, ২০১৮ সালে ভারতের সর্বোচ্চ আদালত রায় দিল— শারীরিক উচ্চতা মেধার মাপকাঠি হতে পারে না। গণেশ জিতলেন। তিনি এমবিবিএস-এ ভর্তি হলেন।

কিন্তু যুদ্ধ শেষ হলো না। মেডিক্যাল কলেজে ক্লাসের বেঞ্চে বসতে তার কষ্ট হতো, প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসে টেবিলের নাগাল পেতেন না। সহপাঠীরা তাকে কোলে তুলে টেবিলে বসাত। পরীক্ষার খাতায় তার ছোট আঙুল দিয়ে দ্রুত লিখতে পারতেন না। প্রথম বর্ষে তিনি ফেল করলেন। কিন্তু এবারও তিনি লড়লেন। বিশেষ অনুমতি নিয়ে রাইটার (Writer) এবং অতিরিক্ত সময় আদায় করলেন। এরপর আর তাকে পেছনে তাকাতে হয়নি।

আজ ২০২৫ সাল। ভাবনগরের স্যার টি জেনারেল হাসপাতালের করিডোর দিয়ে গটগট করে হেঁটে যান সাদা অ্যাপ্রন পরা এক ডাক্তার। তার উচ্চতা মাত্র ৩ ফুট, গলার স্টেথোস্কোপটা প্রায় মাটিতে ঠেকে যায়। রোগীরা প্রথমে তাকে দেখে চমকে যায়, কেউ কেউ বিশ্বাসই করতে চায় না ইনি ডাক্তার। কিন্তু যখন তিনি নিখুঁতভাবে রোগ নির্ণয় করেন, তখন সবাই শ্রদ্ধায় মাথা নত করে।

তিনি গণেশ বরইয়া। ২৫ বছর বয়সী এমবিবিএস ডাক্তার। তিনি জানেন তার সীমাবদ্ধতা, তাই তিনি জটিল সার্জারি করেন না। কিন্তু তিনি প্রমাণ করেছেন, ইচ্ছাশক্তি থাকলে মানুষকে মাপা হয় উচ্চতা দিয়ে নয়, কাজ দিয়ে।

যাকে একদিন সমাজ ৫ লাখ টাকায় কিনতে চেয়েছিল, আজ তার মূল্য কোটি টাকারও বেশি। কারণ তিনি আজ শুধু ডাক্তার নন, তিনি হাজারো মানুষের বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা।

স্যালুট ডা. গণেশ বরইয়া।

--- কালেক্টেড

পঞ্চগড়ের সবুজ চায়ের পাতার মান নিয়ে কোনোক্রমেই ছাড় দেয়া হবেনা। নিয়মিত মোবাইল কোর্ট চলছে। পঞ্চগড়ের চা শিল্পের স্বার্থে সব ...
12/12/2025

পঞ্চগড়ের সবুজ চায়ের পাতার মান নিয়ে কোনোক্রমেই ছাড় দেয়া হবেনা। নিয়মিত মোবাইল কোর্ট চলছে। পঞ্চগড়ের চা শিল্পের স্বার্থে সব ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হবে। সামনে আরো কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। মানহীন সবুজ চা পাতা পাওয়া গেলে কারখানা বন্ধ করে দেয়া হবে বললেন জেলা প্রশাসক জনাব কাজী মোঃ সায়েমুজ্জামান মহোদয়।
১১ ই ডিসেম্বর ২০২৫ তেতুলিয়া উপজেলা এবং পঞ্চগড় সদর উপজেলায় বাংলাদেশ চা আইন, ২০১৬ এর অধীন মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। বাংলাদেশ চা আইন, ২০১৬ এর ৩৪ ধারা ভঙ্গের অপরাধে ৩২ ধারা অনুযায়ী অপরাধ আমলে নিয়ে ২৯ ধারায় পাঁচটি চা ফ্যাক্টরিকে মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। যেসব ফ্যাক্টরিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে অর্থদণ্ড আদায় করা হয় তার তালিকা-

১.সুরমা পূর্ণিমা টি ফ্যাক্টরি, তেতুলিয়া - ৫০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
২.রয়েল টি ফাক্টরি, তেতুলিয়া - ১০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
৩.ইউরো -এশিয়া টি ফ্যাক্টরি, পঞ্চগড় সদর - ২০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
৪.মরগেন টি ফ্যাক্টরি, পঞ্চগড় সদর - ২০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড
৫.মলি টি ফ্যাক্টরি, পঞ্চগড় সদর - ২০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড।

সব মিলিয়ে আজকেই এক লাখ বিশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক জনাব Kazi Saemuzzaman বলেন চা চাষিদের বলবো নিজেদের সর্বনাশ ডেকে আনবেন না। জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে ভালো মানের সবুজ চা পাতা সরবরাহ করুন। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট চাষিকে আইনের আওতায় আনা হবে।
কারখানায় কেউ মান হীন পাতা কিনবেন না, কেউ মান হীন পাতা সরবরাহ করবেন না।
পঞ্চগড়ের চায়ের ভাল মান ধরে রাখতে
জেলা প্রশাসন পঞ্চগড় ও চা বোর্ড পঞ্চগড়ের
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অভিযান চলমান থাকবে।
জেলা প্রশাসন পঞ্চগড়
জেলা পুলিশ, পঞ্চগড় - District Police,Panchagarh
বাংলাদেশ চা বোর্ড।
চা বোর্ড পঞ্চগড়।

একদম ঠিক কথা।
12/12/2025

একদম ঠিক কথা।

রিভার্স গিয়ার নেই! যে প্রাণীটি চাইলেও কখনো পেছনের দিকে হাঁটতে পারে না।আপনি কি জানেন, ক্যাঙ্গারু পৃথিবীর সেই গুটিকয়েক প...
12/12/2025

রিভার্স গিয়ার নেই! যে প্রাণীটি চাইলেও কখনো পেছনের দিকে হাঁটতে পারে না।
আপনি কি জানেন, ক্যাঙ্গারু পৃথিবীর সেই গুটিকয়েক প্রাণীর একটি, যারা শারীরিকভাবে পেছনের দিকে হাঁটতে অক্ষম? 🤯

এর কারণ হলো তাদের শরীরের অদ্ভুত গঠন। তাদের বিশাল ও শক্তিশালী পেছনের পা এবং মোটা পেশীবহুল লেজ অনেকটা 'ট্রাইপড' বা তিন পায়া স্ট্যান্ডের মতো কাজ করে। এই ভারী লেজটিই তাদের পেছনের দিকে নড়াচড়া করতে বাধা দেয়।

প্রকৃতি তাদের এমনভাবেই তৈরি করেছে যে, তারা আক্ষরিক অর্থেই শুধু সামনের দিকেই এগিয়ে যেতে পারে। আর একারণেই অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় প্রতীকে (Coat of Arms) ক্যাঙ্গারু ব্যবহার করা হয়েছে—যা 'সবসময় সামনে এগিয়ে যাওয়া' বা অগ্রগতির প্রতীক! 🔥

শিক্ষাটা দারুণ, তাই না? শুধুই সামনে এগিয়ে চলা।

--- Collected

ছেলেটি সুন্নি মুসলমান। মেয়েটি সনাতনী হিন্দু।১৯৮৪ সাল। ভারতীয় উপমহাদেশ তখন জাতিহিংসার আগুনে জ্বলছে। ইন্দিরা গান্ধীর হত্যা...
12/12/2025

ছেলেটি সুন্নি মুসলমান। মেয়েটি সনাতনী হিন্দু।
১৯৮৪ সাল। ভারতীয় উপমহাদেশ তখন জাতিহিংসার আগুনে জ্বলছে। ইন্দিরা গান্ধীর হত্যার পর সমগ্র দেশ যেন প্রতিহিংসার ঘোলাটে বাতাসে আবদ্ধ।

দিল্লির এক ছোট্ট দুই কামরার ঘর। খানকয়েক বন্ধু জন্মদিনের সেলিব্রেশনে মেতে উঠেছে। আকাশ মেঘলা, বাতাসে অদ্ভুত এক অনিশ্চয়তা। খোলা চুলে, হাসি ঝলমলে চোখে নাচছে এক মেয়ে—গৌরী। তার সেই হাসিতে যেন জ্যোৎস্নার কাঁচের টুকরো ঝলকে ওঠে।

ঠিক এক পাশে দাঁড়িয়ে বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকে এক ঝাঁকড়া চুলের কিশোর। শরতের আকাশের মতো গভীর তার চোখ। এক ঘর ভিড়েও তার চোখ ঠিক আটকে গেছে এক মানুষের চোখে। সেই মুহূর্তে দেশের হিংসা, ধর্ম, রক্ত—কিছুই স্পর্শ করতে পারে না তাকে।
কী অপরূপ নাচ করে মেয়েটি!

ঘন্টাখানেক দাঁড়িয়ে থাকার পর বুকের ভিতরের তুফান সামলে সে এগিয়ে এলো। কাঁপা কণ্ঠে বলল—
“আমি কি আপনার সাথে একটু নাচ করতে পারি? আমার নাম… শাহরুখ।”

যুবকটির বাবা মীরতাজ মহম্মদ—স্বাধীনতা সংগ্রামী। সীমান্ত গান্ধী নামে পরিচিত খান আব্দুল গফ্ফর খাঁ’র সাথেও লড়েছিলেন তিনি। মাত্র পনেরো বছর বয়সে বাবাকে হারায় শাহরুখ। তবুও চোখে তখন স্বপ্নের আগুন।

গৌরীর সঙ্গে দেখা হতে থাকে মাঝেমধ্যে। আলাপ বাড়ে, বন্ধুত্বের হাত ধরে জন্ম হয় প্রেমের।
কিন্তু গৌরী তখন ডানায় ভর করে উড়তে চায়, কোনো বাঁধন মানতে চায় না। হঠাৎ শহর ছেড়ে উধাও সে—গন্তব্য মুম্বাই। পেছনে পড়ে থাকে দিল্লির সেই ছোট্ট ঘর, এক কিশোর আর তার অগণিত স্বপ্ন… পকেটে মাত্র আধছেঁড়া দশটাকার নোট।

বন্ধুদের থেকে ধার করা সামান্য টাকা নিয়ে শাহরুখও ছুটে গেল মুম্বাই। সারাদিন সমুদ্রের ধারে খুঁজল তাকে—শেষ দশটাকাও খরচ করে ফেলল এক অটোরিকশায়। যখন ভেবেছিল সব শেষ… ঠিক তখনই যেন ভাগ্য লিখে দিল এক মহাকাব্য—
গৌরী দাঁড়িয়ে ছিল সামনে।

সেই বিশ্বাসই জন্ম দিল এক রূপকথা।
এক ভালোবাসা, যা ধর্ম-জাত-সমাজ-কানুনের বহু ওপরে।

আজ প্রায় ৪০ বছর পর—
যে কিশোর একদিন অটোর ভাড়ায় সব হারিয়ে ফেলেছিল,
আজ সেই কিশোরই ভারতের মুম্বাই শহরকে স্থায়ী ঠিকানা করেছে নিজের সাফল্যের স্বাক্ষরে।
ঘামের ইট দিয়ে বানিয়েছে স্বপ্নের রাজপ্রাসাদ।
আজ সেই কাঙাল কিশোরই বলিউডের রাজা।

শাহরুখ খান—
এ শুধু ভারতের সফলতম অভিনেতার নাম নয়।
এ সেই স্বপ্নযোদ্ধার নাম, যে দুই চোখে চাঁদ দেখে হাত বাড়িয়ে সেটি ছুঁয়ে ফেলেছে।
এ সেই বিশ্বাসের নাম—
যা প্রত্যেকটা ছেঁড়া জামা, প্রত্যেকটা ফুটো চপ্পল, প্রত্যেকটা দরিদ্র কিশোরের মনে বলে—

“স্বপ্ন দেখো। চেষ্টা করো।
তুমি-ও পারবে আকাশ ছুঁতে।”

যতদিন এই দেশে একটুও স্বপ্নজীবী শিশু থাকবে,
ততদিন শাহরুখ খান— থাকবে তাদের রূপকথার দেবতা হয়ে।

তুমি স্রেফ সুপারস্টার নও—
তুমি এই উপমহাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ স্বপ্নের নাম। 💜🌿


#শাহরুখ_খান


--- Collected

কুড়াল হারানো সেই সৎ কাঠুরে অনেকদিন পর তার স্ত্রীকে নিয়ে বনে বেড়াতে গেছে।কাঠুরের স্ত্রী সেই নদীটি দেখতে ইচ্ছা প্রকাশ ক...
12/12/2025

কুড়াল হারানো সেই সৎ কাঠুরে অনেকদিন পর তার স্ত্রীকে নিয়ে বনে বেড়াতে গেছে।

কাঠুরের স্ত্রী সেই নদীটি দেখতে ইচ্ছা প্রকাশ করলো।নদীর ধারে গিয়ে হঠাৎ কাঠুরের স্ত্রী পানিতে পড়ে ডুবে গেল। কাঠুরে কান্না শুরু করেছে।

তার কান্না শুনে আবারও সেই জলপরীটা এলো এবং নদীতে বউ ডুবে যাওয়ার বিষয়টি বললো। তারপর জলপরী নদীতে ডুব দিয়ে অতি রূপবতী রাজকন্যার মতো এক মেয়েকে পানি থেকে তুলে বলল, "এই কি তোমার স্ত্রী ?"

কাঠুরে বলল, "জ্বি এই আমার স্ত্রী।" জলপরী বলল, "ভালো করে দেখে তারপর বলো।"

কাঠুরে বলল, "আর দেখতে হবে না। এই আমার স্ত্রী।"

জলপরী বলল, " আগের বার তোমার সততা দেখে মুগ্ধ
হয়েছিলাম। এখন তুমি এটা কী করলে ? রূপবতী মেয়ে দেখে নিজের স্ত্রীকে ভুলে গেলে ?"

তখন কাঠুরে বলল, "আমি বাধ্য হয়ে বলেছি এইটাই আমার স্ত্রী। যদি না বলতাম, আপনি এরচেয়ে একটু কম সুন্দর আরেকটা মেয়ে তুলতেন।

আমি যদি বলতাম এই মেয়ে না। আপনি সবশেষে আমার স্ত্রীকে তুলতেন এবং আগের বারের মতো আমার সততায় মুগ্ধ হয়ে তিনজনকেই আমাকে দিয়ে দিতেন। এই কারণে প্রথমবারই বলেছি এটা আমার স্ত্রী।

আমি নিতান্তই গরিব মানুষ। তিন বউকে পালবো
কীভাবে ? আর একটা বউকেই সামলাতে পারিনা, সেখানে তিনটা বউ হলে তো আমাকেই নদীতে ঝাপ দিয়ে আ'ত্ম'হ'ত্যা করতে হবে।

এবারও কাঠুরের সততা দেখে জলপরী মুগ্ধ হলো এবং পানি থেকে তুলে তিনটাকে তো দিলোই সাথে নিজেও তাকে বিবাহের প্রস্তাব দিলো! সৎ কাঠুরিয়া ৪ স্ত্রী নিয়ে ঘরে ফিরলো!

Address

4/2 Gobindopur, Shonir Akhra
Dhaka
1236.

Telephone

+8801674882462

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Unico posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Unico:

Share