Nurul omet

Nurul omet Work hard dream big

01/09/2026

জয় বাংলা ✊

23/08/2026
22/08/2026

প্রিয় কোম্পানীগন্জবাসী,
আপনারা আমার মুজিবীয় সালাম ও শুভেচ্ছা গ্রহন করবেন।
অত্যন্ত ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের কাছে
লিখছি। আপনারা নিশ্চয় অবগত আছেন-বিগত ৫ আগষ্ট’ ২০২৪ থেকে আজ অবধি আমাদের দলের কোম্পানীগন্জের নেতাকর্মীরা অত্যান্ত শান্তিপূর্ণভাবে এলাকায় বসবাস করছে। কিন্তু তারপরও বার বার জেল জুলুম অত্যাচার নির্যাতনের স্বীকার হচ্ছে আমার অসহায় নেতাকর্মীরা। আমাদের ক্ষমতার টানা ১৫ বৎসর ৭ মাসে আমাদের প্রতিপক্ষের সব নেতাকর্মীরা কোম্পানীগন্জে বসবাস করেছে।
তখন আমরা কি পরমতসহিষ্ণু রাজনীতির দৃষ্টান্ত স্হাপন করিনি? গতকাল রাত ৮ টার সময় সিরাজপুর ইউনিয়নে বড় রাজাপুরের শহীদ কামাল উচ্ছ বিদ্যালয়ের পাশের চা দোকান থেকে চা খেয়ে ফিরার পথে রাজাপুর ব্রীজের উপর বি এন পি-জামাতের মুখোশধারী সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা সরকারী মুজিব কলেজ ছাএলীগের সহ সভাপতি আরমান,মহাজনদিঘীর যুবলীগ কর্মী শাকিল ও সম্রাটের উপর হামলা করে। এতে আরমানের হাত পা গুড়িয়ে দেয় এবং শাকিল ও সম্রাট গুরুতর আহত হয়। বর্তমানে আরমান হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর প্রহর গুনছে। আমি এই নারকীয় হামলার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। প্রতিহিংসাপরায়ন দলের কাছে প্রতিহিংসার বিচার ছেয়ে কোন লাভ নেই। জননেএী শেখ হাসিনার বাংলাদেশে রাজসিক প্রত্যাবর্তনের পর রাজনৈতিকভাবে এই সশস্ত্র হামলার প্রতিশোধ নিবো ইনশাআল্লাহ। জয় বাংলা।
আবদুল কাদের মির্জা
সভাপতি,কোম্পনীগন্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সাবেক ভি পি মুজিব মহাবিদ্যালয় ছাএ সংসদ এবং মেয়র বসুরহাট পৌরসভা। নোয়াখালী।

22/08/2026

#শেখ হাসিনার আলোকিত বাংলাদেশ আজকে অন্ধকারে নিমজ্জিত -ওবায়দুল কাদের।

#একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা দিবসের আলোচনায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের প্রায় ৬ মিনিটের বক্তব্যের মধ্যে উপরে উল্লেখিত কথার সূত্র ধরেই নিম্নোক্ত বিষয়গুলো জোরালো আজকের প্রেক্ষাপটে....

#আওয়ামী লীগের শাসনামলে বাংলাদেশ ছিলো উন্নয়ন, সম্ভাবনা ও অগ্রগতির একটি আলোকিত বাংলাদেশ। ভবিষ্যতের স্বপ্ন জাগানিয়া পথে এগিয়ে যেতে দেখেছি।
#পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, বিদ্যুৎ অবকাঠামোগত উন্নয়ন দেশের সক্ষমতার নতুন পরিচয় তৈরি করেছিল,কিন্তু আজ সেই অগ্রগতির পাশাপাশি সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনের নানা সংকট আমাদের গভীরভাবে ভাবিয়ে তুলছে।
#রাজনৈতিক অস্থিরতা, সহিংসতা, প্রতিহিংসা ও বিভাজন মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে অনিশ্চিত করে তুলছে।
অর্থনৈতিক চাপ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও কর্মসংস্থানের সংকট গ্যাস বিদ্যুৎ সহ নানা সংকট সাধারণ মানুষের মনে উদ্বেগ বাড়ছে।
তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশা ও অনিশ্চয়তায় ভুগছে। #রাজনৈতিক,সামাজিক অবস্থান থেকে
মতের ভিন্নতা যেখানে গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হওয়ার কথা ছিলো সেখানে বাংলাদেশ আজ উল্টো পথে এগুচ্ছে।
সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার জায়গা সংকুচিত আজ। জাতির অগ্রযাত্রাও আজ বাধাগ্রস্ত ।
#উন্নয়নের অবকাঠামো যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ মানুষের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা।
মানুষের মুখের হাসিই হতে পারতো উন্নয়নের সবচেয়ে বড় মাপকাঠি অথচ সেখানে নেই আজ মানুষের হাসি।
#হারানো বাংলাদেশকে আবার আলোকিত করতে হলে একমাত্র শেখ হাসিনাকেই দরকার, গত দুই বছরে মানুষ পদে পদে বুঝতে পারছে ।
সময় এখন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হবার পাশাপাশি নাগরিক সমাজ ও তরুণ প্রজন্মকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
পরিশেষে অন্ধকার যত গভীরই হোক, সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্ব থাকলে আলোর পথ আবারও তৈরি করা সম্ভব।
তাই আজকের বাংলাদেশকে হতাশার অন্ধকারে নয়—ন্যায়, মানবিকতা, শান্তি ও উন্নয়নের আলোয় নতুন করে গড়ে তোলাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।
#ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে জ্বলে উঠুক বাংলাদেশের প্রতিটি ঘর,প্রতিহিংসা নয়, দেশ ও জনগণের আস্থা অর্জনই হোক একমাত্র অবলম্বন এবং বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা হোক আমাদের আলোর বর্তিকা।
#জয় বাংলা #জয় বঙ্গবন্ধু

15/08/2026
15/08/2026

প্রিয় দেশবাসী
সালাম শুভেচ্ছা ও রক্তিম অভিনন্দন!

শোকাবহ ১৫ আগস্ট; আজ জাতীয় শোক দিবস।১৯৭৫ সালের এইদিনের কালরাত্রিতে ঘটেছিল ইতিহাসের সেই কলঙ্কজনক ঘটনা। সাম্রাজ্যবাদের পদলেহি কুত্তা মোসতাকের নেতৃত্বে কিছু উচ্ছৃংখল ও বিপথগামী সৈনিকের হাতে সপরিবারে প্রাণ দিয়েছিলেন বাঙ্গালি জাতির ইতিহাসের হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান, স্বাধীনতার মহান স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। নৃশংস এ ঘটনায় বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে সেদিন আরও যারা প্রাণ হারিয়েছিলেন তারা হলেন। বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বড় ছেলে শেখ কামাল, মেঝ ছেলে শেখ জামাল, ছোট ছেলে শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল, রোজী জামাল, ভাই শেখ নাসের ও কর্ণেল জামিল। ইতিহাসের এই বর্বরোচিত হত্যাকা-ে সেদিন আরো প্রাণ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ ফজলুল হক মনি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, শহীদ সেরনিয়াবাত, শিশু বাবু, আরিফ রিন্টু খানসহ অনেকে। ধানমন্ডির ঐতিহাসিক ৩২ নম্বরের বাড়িতে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু নিহত হলেও সেদিন পরম করুণাময় আল্লাহ তায়ালার অসীম কৃপায় দেশে না থাকায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে। বঙ্গকন্যা মহামানবী শেখ হাসিনা ও ছোটো আপা শেখ রেহানা।
ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা যায়, সমগ্র পৃথিবীতে যত নৃশংস খুনের ঘটনা ঘটেছে ১৫ আগস্টের ভয়াল ঘটনা সব কিছুকেই ছাড়িয়ে গিয়েছিল। সেদিন অবুজ শিশু, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী, প্রতিবন্ধী কেউই ঘাতকদের হাত থেকে রেহাই পায়নি। বিশ্ব বিবেক এ খুনের ঘটনায় স্তম্ভিত হয়ে যায়। পরবর্তীতে বিশ্বাস ঘাতক খন্দকার মোশতাক এবং জেনারেল জিয়া দীর্ঘদিন সাংবিধানিক ইনডেমনিটি দিয়ে অপরাধীদের আড়াল করে রাখে। এমনকি তাদেরকে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে বিচারের উর্ধ্বে স্থান দেয়া এবং রাজনৈতিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত করার অপচেষ্টাও চালানো হয়। দীর্ঘদিন গোটা জাতিকে জাতির জনকের হত্যার কলংকে কলঙ্কিত করে রাখা হয়। জেনারেল জিয়া স্বপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যার মোসতাকের এনডেমটি অধ্যাদেশ যদি আইনে পরিণত করে বঙ্গবন্ধুর বিচারের পথ বন্ধ না করতো। তাহলে ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্রগ্রাম সার্কিট হাউজে জেনারেল জিয়াকে এইভাবে জীবন দিতে হত না। হত্যায় হত্যা ডেকে আনে। যে বিপদগামী সেনা কর্মকর্তারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে সেই বিপদগামী সেনা কর্তারা জিয়াকে হত্যা করেছ। একটি জাতির স্থপতিকে সপরিবারে খুনের ঘটনার পর অপরাধীদের দাম্ভিকতা প্রদর্শন পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল ঘটনা। সেই কালরাতকে বৈধতা দেয়ার জন্য জাতির সামনে সুপরিকল্পিত ভাবে হিরো হিসেবে উপস্থাপন এর নগ্ন পায়তারা চালানো হয়। নেপথ্য কারণ হিসেবে বাকশালকে দায়ী করার অপচেষ্টা এখনো সুচতুর ভাবে জারি রাখা হয়েছে। অথচ বাকশাল ছিলো জাতিকে অর্থনৈতিক ভাবে মুক্তি দেয়ার জন্য বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বিপ্লব। বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করতেন অর্থনৈতিক মুক্তি ছাড়া প্রকৃত স্বাধীনতা অর্থহীন। এজন্য যুদ্ধপরবর্তী দেশে অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য বঙ্গবন্ধু সকল রাজনৈতিক মতকে দেশের অর্থনীতি বিনির্মান এর স্বার্থে বাকশাল এর মাধ্যমে একতাবদ্ধ করতে চেয়েছিলেন। এই বাকশালের সদস্য জিয়াউর রহমান সাহেবও হয়েছিল। যদিও বাকশাল এর কার্যক্রম শুরু করার পূর্বেই ঘাতকেরা নৃশংস ভাবে জাতির পিতাকে হত্যা করে।বঙ্গবন্ধু যখন ঘোষনা দিলেন চিলির আলন্দের পরিণতিতে শেখ মুজিব কখনও সাম্রাজ্যবাদের কাছে মাথানত করবে না,বিশ্ব দুইশ্রেণীতে বিভক্ত শোষক আর শোষিত আমি শোষিত মানুষে পক্ষে আছি এবং আমি তিন তলার মানুষগুলিকে এক তলায় আনতে চাই ও বস্তির মানুষগুলিকে এক তলায় আনতে চাই ঠিক তখনি বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে। পরবর্তীতে সেই নৃশংসতারই ধারাবাহিকতা ৩'রা নভেম্বর কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয় বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।
এই ঘটনার পেছনেও জেনারেল জিয়ার ক্ষমতালিপ্সু নির্লিপ্ততা দায়ী।

দীর্ঘদিন বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা ও ছোটো আপা শেখ রেহানাকে ১৫'ই আগষ্টের সেই নির্মমতা ও বিচারহীনতার মর্মান্তিক বেদনা বয়ে বেড়াতে হয়েছে। শুধু তাই নয়, জাতির কাছে পিতা, মাতা, ভাই ও স্বজন হারানোর বিচার চেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়েছে তাঁদের। কিন্তু রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাঁদের এই মর্মযাতনা কেউ অনুভব করেনি। সময়ের পালাবদলে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর এ হত্যাকান্ডের বিচারের পথ উন্মুক্ত হয়। অনেক জটিলতায় বিচার সম্পন্ন হলেও রায় কার্যকর করতে আরো ১০ বছর লেগে যায়। ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ক্ষমতায় আসার পর বহু প্রতীক্ষিত বিচারের রায় কার্যকর করা হয়। জাতি মুক্তি লাভ করে কলঙ্কময় সেই অভিশাপ থেকে। দীর্ঘ্য ২১ বছর বিচারহীনতার অবসান ঘটে মহামানবী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে।
আজ আমি সেইদিনের সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি জানাই অতল গভীর শ্রদ্ধা। পাশাপাশি আমাদের নেতাকর্মীদেরকে বলবো- আপনারা মন শক্ত রাখুন। যেই শেখ হাসিনা ২১ বছর পরে জাতির পিতার হত্যার বিচার করেছেন, সেই মহামানবী শেখ হাসিনা এখনো বেচে আছেন। ৫'ই আগষ্টের পর থেকে যেই নির্মমতায় পুলিশ বাহিনী সহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদেরকে হত্যা, গুম,খুন করা হচ্ছে। ইনশাআল্লাহ সকল অবিচারের বিচার মহামানবী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অচিরেই সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করা হবে।
পরিশেষে বলবো-

যতদূরে যাও পাখি, দেখা হবে ফের।
স্বাধীন ঐ আকাশটা শেখ মুজিবের।
তোমার অতল গভীর স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা হে পিতা।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু,জয়তু শেখ হাসিনা।
শ্রদ্ধাসহ,
আবদুল কাদের মির্জা,
মেয়র,বসুরহাট পৌরসভা,
সাবেক ভি পি,মুজিব মহাবিদ্যালয়।নোয়াখালী।

বিনম্র শ্রদ্ধা।
15/08/2026

বিনম্র শ্রদ্ধা।

Address

Street 874
Doha

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nurul omet posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nurul omet:

Shortcuts

Share

Category