20/07/2025
ইন্টেরিমের আছে ছয়মাস, তারা লীগের বিচারে জোর না দিয়ে জাতিধ্বংসের কার্যালয় স্থাপনে এতো মরিয়া কেন? বিশেষ করে ব্যাপক প্রতিবাদের মুখে ইস্যুটা থেকে একবার সরে আসার পর আবার কেন তারা কারো সাথে আলোচনা না করেই এটা চালু করে দিলো?
ড. ইউনুস ভাবছে নির্বাচিত সরকার আসলে কার্যালয় না হবার পসিবিলিটি বেশি। এজন্য তার মনিব আমেরিকার প্রতি কৃতজ্ঞতাস্বরূপ কার্যালয়টা করে দিলো। ড. ইউনুসের কাছে দেশের চেয়ে পশ্চিমাদের স্বার্থ রক্ষা জরুরি।
লীগের বিচারে ফোকাস করতে পারলে ড. ইউনুসের সামনে একটা সুযোগ ছিলো সম্মানের সাথে বিদায় নেবার। কিন্তু, তিনি আমেরিকার দালাল হিসাবে বিদায় নেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শহীদের রক্তের সাথে গাদ্দারির পাওনা জনগণ আপনাকে বুঝিয়ে দেবে ইনশাআল্লাহ।
আমরা কার্যালয়ের বিরোধিতা করি কয়েকটা কারণে,
১। কার্যালয় কোন উন্নত দেশে নেই। যে দেশগুলোতে এই কার্যালয় আছে, সবগুলো যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ। এই কার্যালয়কে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও আরাকান কেন্দ্রিক মার্কিন স্ট্র্যাটেজির একটা পার্ট মনে করি আমরা।
২। এই কার্যালয় মানবাধিকারের নামে এলজি প্রোমোট করে, এটা অজানা কোন বিষয় নয়। অলরেডি জাতিসংঘের দূত তার পুটু-পার্টনারকে সাথে আনার ঘোষণা দিছে ওপেনলি।
৩। ইন্টেরিম গংগি নাটক ফিরিয়ে এনেছে যাতে কার্যালয়েন প্রতিবাদ কম হয়। তারা জানে আগেরবার মূল প্রতিবাদটা ইসলামপন্থীদের কাছ থেকেও এসেছিলো। এজন্য ইন্টেরিম গংগিনাটক ফিরিয়ে এনে ইসলামপন্থীদের চাপে রাখতে চায়।
৪। এই কার্যালয় আসলে বিশ্বের কোথাও কোন কার্যকরি ভূমিকা রাখতে পারে নাই। গাযায় গনহত্যা চলছে, পাশের দেশেও মুসলিম নিধন চলছে, আরাকানে রহিঙ্গা গনহত্যা চলছে - কোথাও এ কার্যালয় নেই। ইয়েমেন, সিরিয়া ও সুদানে এ কার্যালয় মূলত মুসলমানদের বিপক্ষেই কাজ করছে।
প্রিয় ভাই বোনেরা! বাংলাদেশে জাতিধ্বংসের এ কার্যালয় হলে তারা এ ভূখন্ডের মুসলমানদের স্বার্থের বিরুদ্ধেই কাজ করবে - এটা লিখে রাখতে পারেন৷
আপনি আজ চুপ থাকলে তার মাশুল দিবে আপনার পরবর্তী প্রজন্ম। প্রতিবাদে শামিল হোন।