ARCH Builders Services

06/07/2025

𝑭𝒖𝒍𝒍 𝑭𝒓𝒐𝒎 𝒐𝒇 𝑶𝑷𝑪 𝒂𝒏𝒅 𝑷𝑪𝑪
𝑶𝑷𝑪: 𝑶𝒓𝒅𝒊𝒏𝒂𝒓𝒚 𝑷𝒐𝒓𝒕𝒍𝒂𝒏𝒅 𝑪𝒆𝒎𝒆𝒏𝒕.
𝑷𝑪𝑪: 𝑷𝒐𝒓𝒕𝒍𝒂𝒏𝒅 𝑪𝒐𝒎𝒑𝒐𝒔𝒊𝒕𝒆 𝑪𝒆𝒎𝒆𝒏𝒕.

11/04/2025

ঢাকার সব গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল: চিকিৎসা সেবা হাতের মুঠোয়!

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহর, যেখানে প্রতিনিয়ত লাখো মানুষের জীবন চলমান—চিকিৎসা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, বাণিজ্যসহ নানা প্রয়োজনে। এই বিশাল জনসংখ্যার স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল। সঠিক সময়ে সঠিক হাসপাতাল নির্বাচন করতে পারাটা জরুরি। তাই আজ আমরা নিয়ে এসেছি ঢাকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় হাসপাতালগুলোর বিস্তারিত ঠিকানা, যোগাযোগ নাম্বার ও সেবা সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

সরকারি হাসপাতালসমূহঃ

১. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (DMCH)
ঠিকানা: বাকশীবাজার, ঢাকা-১০০০
ফোন: ৮৬২৬৮১২
বিশেষত্ব: দেশের সবচেয়ে বড় সরকারি হাসপাতাল। জেনারেল মেডিসিন, সার্জারি, গাইনি, শিশু, নিউরো-সার্জারি সহ প্রায় সব ধরনের চিকিৎসা সেবা এখানে পাওয়া যায়।

২. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (BSMMU)
ঠিকানা: শাহবাগ, ঢাকা
ফোন: ০২-৯৬৬১০৫১
বিশেষত্ব: এটি দেশের প্রথম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়। উচ্চতর চিকিৎসা, এমডি ও এমএস কোর্সসহ বিশেষায়িত চিকিৎসার জন্য এটি সেরা একটি প্রতিষ্ঠান।

৩. শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঠিকানা: কলেজ গেট, শেরে বাংলা নগর
ফোন: ০২-৯১২২৫৬০
বিশেষত্ব: উন্নত সার্জারি ও চিকিৎসা সেবার জন্য খ্যাত। একটি সুসজ্জিত সরকারি হাসপাতাল।

৪. মিটফোর্ড হাসপাতাল (স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল)
ঠিকানা: নয়াবাজার, পুরান ঢাকা
ফোন: ০২-৭৩১০০৬১
বিশেষত্ব: পুরান ঢাকার মানুষের প্রধান ভরসা। দীর্ঘদিন ধরে রোগীদের সেবা প্রদান করছে।

৫. জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল
ঠিকানা: শেরে বাংলা নগর
ফোন: ০২-৯১২২৫৬০
বিশেষত্ব: হৃদরোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে অন্যতম নির্ভরযোগ্য কেন্দ্র।

৬. জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট
ঠিকানা: শেরে বাংলা নগর
ফোন: ০২-৯১১৮৩৩৬
বিশেষত্ব: চোখের সমস্যার জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসা সেবা।

৭. জাতীয় ক্যান্সার ইনস্টিটিউট
ঠিকানা: মহাখালী, ঢাকা
ফোন: ০২-৯৮৮০০৭৮
বিশেষত্ব: দেশের ক্যান্সার রোগীদের প্রধান চিকিৎসা কেন্দ্র।

৮. ঢাকা শিশু হাসপাতাল
ঠিকানা: শ্যামলী, ঢাকা
ফোন: ০২-৮১১৬০৬১
বিশেষত্ব: শিশুদের সকল ধরনের চিকিৎসার জন্য নির্ভরযোগ্য একটি প্রতিষ্ঠান।

৯. মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঠিকানা: মুগদা, ঢাকা
বিশেষত্ব: সম্প্রতি প্রতিষ্ঠিত হলেও করোনা সময়ে দারুণ ভূমিকা রেখেছে।

১০. কুয়েট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঠিকানা: তেজগাঁও
বিশেষত্ব: সরকারি হাসপাতাল হিসেবে সাধারণ চিকিৎসা সেবা প্রদান করে।

বেসরকারি হাসপাতালসমূহঃ

১. ইউনাইটেড হাসপাতাল
ঠিকানা: গুলশান-২
ফোন: ০২-৮৮৩৬০০০
বিশেষত্ব: আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা সেবা। ক্যান্সার, হৃদরোগ, কিডনি ট্রান্সপ্লান্টসহ জটিল চিকিৎসায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

২. স্কয়ার হাসপাতাল
ঠিকানা: পান্থপথ
ফোন: ০২-৯১৩০৪৭৭
বিশেষত্ব: সবধরনের আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা ও দক্ষ ডাক্তারদের সমন্বয়ে একটি সেরা হাসপাতাল।

৩. এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকা (সাবেক অ্যাপোলো)
ঠিকানা: বসুন্ধরা
ফোন: ১০৬৭৮
বিশেষত্ব: আন্তর্জাতিক চিকিৎসকদের সমন্বয়ে পরিচালিত হয়। জটিল অপারেশন, এনআইসিইউ, হৃদরোগ বিভাগে খ্যাতনামা।

৪. ল্যাবএইড হাসপাতাল
ঠিকানা: ধানমন্ডি
ফোন: ০২-৯৬৬৪১৮১
বিশেষত্ব: উচ্চ মানের ডায়াগনস্টিক সুবিধা ও সার্জিক্যাল বিশেষজ্ঞরা চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকেন।

৫. বারডেম জেনারেল হাসপাতাল
ঠিকানা: সেগুনবাগিচা
ফোন: ০২-৯৬৬১৫৫১
বিশেষত্ব: ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিখ্যাত। ইনডোর ও আউটডোর সেবার পাশাপাশি রয়েছে রিসার্চ ল্যাব।

৬. ইবনে সিনা হাসপাতাল
ঠিকানা: ধানমন্ডি, কাকরাইল, উত্তরা
ফোন: স্থানভেদে ভিন্ন
বিশেষত্ব: কম খরচে ভালো সেবা, ডায়াগনস্টিক সুবিধা ও নানা শাখায় চিকিৎসা সেবা।

৭. পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতাল
ঠিকানা: ধানমন্ডি, উত্তরা, মিরপুর
ফোন: ০২-৯৬৭৫৯২৭
বিশেষত্ব: দেশের সবচেয়ে বড় ডায়াগনস্টিক চেইন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসা ব্যবস্থা।

৮. শেফা হাসপাতাল
ঠিকানা: মিরপুর
বিশেষত্ব: সাধারন চিকিৎসা ও গাইনি বিভাগে পরিচিত।

৯. আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঠিকানা: ধানমন্ডি
ফোন: ০২-৮৬৩১৭২৩
বিশেষত্ব: ছাত্রদের প্রশিক্ষণ ও জনসাধারণের চিকিৎসা সেবা একত্রে পরিচালনা করে।

১০. হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতাল
ঠিকানা: এস্টার্ন হাউজ, মতিঝিল
ফোন: ০২-৯৩৩৮৮১০
বিশেষত্ব: অভিজ্ঞ নার্সিং ও সেবা মানের কারণে ব্যাপক পরিচিতি।

পরিশেষে বলবো:
ঢাকায় চিকিৎসা সেবা সহজলভ্য হলেও কখন কোথায় যেতে হবে, কী ধরনের চিকিৎসা কোথায় পাওয়া যায়, সেটা আগে থেকেই জেনে রাখা অনেক জরুরি। এই পোস্টের মাধ্যমে আপনাকে যদি উপকার হয়, তাহলে পোস্টটি শেয়ার করে আপনার বন্ধুদেরও জানিয়ে দিন।

আপনার মতামত বা কোনো হাসপাতালের অভিজ্ঞতা থাকলে, কমেন্টে জানান!
স্বাস্থ্যই সম্পদ—সেই সম্পদ রক্ষায় সঠিক চিকিৎসার সঠিক ঠিকানা জেনে রাখুন।

Types of Bridge 🌉🌉
23/03/2025

Types of Bridge 🌉🌉

বিশ্বের শীর্ষ ১০ টি উঁচু ভবনের কাউন্টডাউন দেখুন:১. দুবাই ক্রিক টাওয়ার দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত ( 1300 মিটার উচ্চতায় ব...
23/03/2025

বিশ্বের শীর্ষ ১০ টি উঁচু ভবনের কাউন্টডাউন দেখুন:
১. দুবাই ক্রিক টাওয়ার দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত ( 1300 মিটার উচ্চতায় বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা হতে পারে! )
২. সৌদি আরবের জেদ্দায় জেদ্দা টাওয়ার।
৩. দুবাইতে বুর্জ খলিফা।
৪. জাকার্তায় সিগনেচার টাওয়ার, ইন্দোনেশিয়া।
৫. সাংহাইয়ের সাংহাই টাওয়ার।
৬. সৌদি আরবের মক্কাতে আব্রাজ আল-বাইত ক্লক টাওয়ার।
৭. গুয়াংডং এর শেনঝেন এ একটি ফিন্যান্স সেন্টার পিং করছি।
৮. চীনের তিয়ানজিন এ গোল্ডিন ফাইন্যান্স ১১৭।
৯. লোটে ওয়ার্ল্ড টাওয়ার সিওলে, দক্ষিণ কোরিয়ার।
১০. নিউ ইয়র্ক শহরের ওয়ান ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার।

ARCH Builders Services

ফুটিং (Footing) বিল্ডিং নির্মাণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি ভিত্তিমূলের ওজন মাটিতে সুষমভাবে স্থানান্তর করতে সহায়তা করে...
10/02/2025

ফুটিং (Footing) বিল্ডিং নির্মাণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি ভিত্তিমূলের ওজন মাটিতে সুষমভাবে স্থানান্তর করতে সহায়তা করে। নিচে ফুটিং সম্পর্কে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর দেওয়া হলো:
১. ফুটিং কী?
~ফুটিং হলো কংক্রিটের তৈরি ভিত্তি যা স্তম্ভ বা দেয়ালের ওজনকে মাটিতে স্থানান্তর করে এবং স্থাপনার স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে।
২. ফুটিং কেন গুরুত্বপূর্ণ?
~ফুটিং মাটির সহনশীলতার উপর ভিত্তি করে ওজন সুষমভাবে স্থানান্তর করে, যাতে ভবন স্থিতিশীল থাকে এবং দেবে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে।
৩. ফুটিংয়ের প্রকারভেদ কী কী?
~ফুটিংয়ের প্রধান প্রকারভেদগুলো হলো:
একক ফুটিং (Single Footing)
যৌথ ফুটিং (Combined Footing)
ফালা ফুটিং (Strip Footing)
রাফট ফুটিং (Raft Footing)
পাইল ফুটিং (Pile Footing)
৪. ফুটিং ডিজাইন করার সময় কী বিষয় বিবেচনা করতে হয়?
~মাটির ধরন ও সহনশীলতা
লোডের পরিমাণ
কাঠামোর ধরণ
পরিবেশগত প্রভাব
৫. একক ফুটিং কী?
~একক ফুটিং একটি পৃথক ভিত্তি যা একটি নির্দিষ্ট স্তম্ভের ওজন বহন করে এবং এটি ছোট বা মাঝারি আকারের ভবনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
৬. যৌথ ফুটিং কী?
~যৌথ ফুটিং দুটি বা ততোধিক স্তম্ভের জন্য একক ভিত্তি ব্যবহার করে। এটি সাধারণত তখন ব্যবহার হয় যখন স্তম্ভগুলো খুব কাছাকাছি থাকে।
৭. ফালা ফুটিং কী?
~ফালা ফুটিং একটি দীর্ঘ ফুটিং যা দেয়াল বা সারিবদ্ধ স্তম্ভের নিচে স্থাপন করা হয়। এটি সাধারণত বড় ভবন বা প্রাচীরের জন্য ব্যবহৃত হয়।
৮. রাফট ফুটিং কী?
~রাফট ফুটিং একটি বৃহৎ ভিত্তি যা পুরো ভবনের নিচে থাকে। এটি তখন ব্যবহৃত হয় যখন মাটির সহনশীলতা কম হয়।
৯. ফুটিংয়ের সঠিক গভীরতা কীভাবে নির্ধারণ করা হয়?
~ফুটিংয়ের গভীরতা নির্ধারণের সময় মাটির ধরন, ভূমিকম্পপ্রবণতা, কাঠামোর ওজন এবং স্থানীয় আবহাওয়ার প্রভাব বিবেচনা করা হয়।
১০. ফুটিং নির্মাণে কোন উপকরণ ব্যবহার করা হয়?
~ফুটিং নির্মাণে সাধারণত কংক্রিট, রড (Rebar), সিমেন্ট, বালি এবং খোয়া ব্যবহার করা হয়।
゚

~ রডের গায়ে B 500 CWR বা B 500 DWR কেন লেখা থাকে? 🤔আমরা সবাই জানি, রড কনস্ট্রাকশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কিন্তু অ...
04/02/2025

~ রডের গায়ে B 500 CWR বা B 500 DWR কেন লেখা থাকে? 🤔

আমরা সবাই জানি, রড কনস্ট্রাকশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কিন্তু অনেকেই খেয়াল করেন, রডের গায়ে B 500 CWR, B 500 DWR, B 600 DWR ইত্যাদি লেখা থাকে।

➡️ এই লেখাগুলোর মানে কী?
➡️ কেন এগুলো গুরুত্বপূর্ণ?
➡️ এগুলো বুঝে না কিনলে কী সমস্যা হতে পারে?

আমি একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সহজভাবে এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করছি, যাতে আপনারা সবাই বুঝতে পারেন!

🔹 B 500 CWR / B 500 DWR / B 600 DWR এর ব্যাখ্যা

✅ B → বোঝায় এটি reinforcement bar (Rebar), যা কংক্রিটের সাথে ব্যবহার করা হয় ভবনের শক্তি বাড়ানোর জন্য।

✅ 500/600 → এটি রডের yield strength নির্দেশ করে, যা 500 বা 600 MPa (Megapascal)।
📌 অর্থাৎ, এই রডটি 500 বা 600 মেগাপ্যাসকেল পর্যন্ত টেনশন বা চাপ সহ্য করতে পারে।

✅ CWR (Cold Worked Ribbed) →
🔹 ঠান্ডা প্রক্রিয়াজাতকরণ করা রড
🔹 শক্তিশালী কিন্তু নমনীয়তা তুলনামূলক কম
🔹 সাধারণ কনস্ট্রাকশনের জন্য ভালো

✅ DWR (Ductile Worked Ribbed) →
🔹 বেশি নমনীয় ও বাঁকানো সহজ
🔹 ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় বেশি ব্যবহৃত হয়
🔹 বড় ব্রিজ, হাই-রাইজ বিল্ডিং ও নিরাপদ স্ট্রাকচারের জন্য উপযুক্ত

🔹 কোন রড কখন ব্যবহার করবেন?

✅ B 500 CWR → শক্তিশালী কিন্তু তুলনামূলকভাবে কম নমনীয় রড।
✅ B 500 DWR → শক্তিশালী এবং বেশি নমনীয়, তাই ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় বেশি ব্যবহার করা হয়।
✅ B 600 DWR → অতিরিক্ত শক্তিশালী, যা মেগা স্ট্রাকচার, ব্রিজ ও টানেলের জন্য উপযুক্ত।

⚠️ প্রকৌশলগতভাবে কোনটি ভালো?

✔️ যদি বেশি নমনীয়তা দরকার হয় (ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা, ব্রিজ, উঁচু ভবন ইত্যাদি) তাহলে B 500 DWR বা B 600 DWR বেছে নিন।

✔️ যদি সাধারণ কনস্ট্রাকশন হয় এবং অতিরিক্ত নমনীয়তার দরকার না হয় তাহলে B 500 CWR ব্যবহার করা যায়।

📌 ভুল রড মানে দুর্বল ভবন!
📌 সঠিক রড বেছে না নিলে ভবিষ্যতে বড় ক্ষতি হতে পারে!

তাই দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ নিয়ে প্রকল্পের সম্পূর্ণ ড্রয়িং ও ডিজাইন নিশ্চিত করতে আপনাদের পাশে আছে ARCH Builders Services.
যোগাযোগ:
ARCH Builders Services
Engr. Md. Fazle Rabbi
01795-658034


রডের ল্যাপিং ও ওজন নির্ণয় করার সহজ হিসাবঃ==============================সাধারণত বাজারে যেসব রড পাওয়া যার সেগুলোর একটি নি...
26/01/2025

রডের ল্যাপিং ও ওজন নির্ণয় করার সহজ হিসাবঃ
==============================

সাধারণত বাজারে যেসব রড পাওয়া যার সেগুলোর একটি নির্দিষ্ট Length থাকে। যখন এর বেশী Length এর দরকার হয় তখন রডের ল্যাপিং দেয়া হয়। এই ল্যাপিং এর Length এর পরিমান কিছু সূত্র মেনে হয়;


কলাম : 40D; D = রডের ডায়া
শিয়ার ওয়াল : 40D
লিফট কোর ওয়াল : 40D


বীম : 60D
স্ল্যাব : 60D

কলামে ল্যাপিং এর পরিমানঃ
==================
16 মিমি = 40x16 = 640 মিমি 2'-2"
20 মিমি = 40x20 = 800 মিমি 2'-8"
22 মিমি = 40x22 = 880 মিমি 3'-0"
25 মিমি = 40x25 = 1000 মিমি 3'-4"
32 মিমি = 40x32 = 1280 মিমি 4'-3"

বীমের ল্যাপিং এর পরিমানঃ
=================
16 মিমি = 60x16 = 960 মিমি 3'-2"
২০ মিমি = 60x20 = 1200 মিমি 4'-0"
২২ মিমি = 60x22 = 1330 মিমি 4'-5"
২৫ মিমি = 60x25 = 1500 মিমি 5'-0"

স্ল্যাবের ল্যাপিং এর পরিমানঃ
=================
10 মিমি = 60x10 = 600 মিমি 2'-0"
12 মিমি = 60x12 = 720 মিমি 2'-5"
তবে বাস্তবে কাজ করার সময় কম বেশী হতে পারে।

রডের পরিমান নির্ণয় করার পদ্ধতিঃ
=====================
10 mm = 0.62 kg/m = 3 suta
12 mm = 0.89 kg/m = 4 suta
16 mm = 1.58 kg/m = 5 suta
20 mm = 2.48 kg/m = 6 suta
22 mm = 2.98 kg/m = 7 suta
25 mm = 3.85 kg/m = 8 suta

উপরে যে Convert System দেয়া হয়েছে, এর প্রতিটি যদি আপনার জানা থাকে তাহলে বাস্তবে কাজ করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে। যেমন, ইঞ্জিনিয়ারিং সিস্টেমে রডের আন্তর্জাতিক হিসাব করা হয় kg/m এ। আবার বাংলাদেশে সাধারন লেবারদের সাথে কাজ করার সময় এই হিসাব জানা একান্তই জরুরী এছাড়া ও নিম্নোক্ত বিষয় টিও জেনে রাখতে পারেন।

8 mm -7 feet -1 kg
10 mm -5 feet -1 kg
12 mm -3.75 feet - 1 kg
16 mm -2.15feet -1kg
20 mm -1.80feet -1kg
22mm -1.1feet -1kg

এছাড়া এই সুত্রটির মাধ্যমেও রডের ওজন বের করতে পারেন।

#ফুটে
প্রতি ফুটে ওজন নির্নয়ের জন্য ( রডের ডায়া^2 /532)

#মিটারে
প্রতি মিটারে ওজন বের করতে হলে ( mm^2/162.2 )

শেয়ার দিয়ে নিজের প্রোফাইলে রাখুন।
#কন্সট্রাকশন_টিপস #বাংলা_ইঞ্জিনিয়ারিং #রডের_হিসাব #সিভিল_ইঞ্জিনিয়ার_বাংলাদেশ #বিল্ডিং_কন্সট্রাকশন #কলাম_ডিজাইন #ইঞ্জিনিয়ারিং_টিপস #সিভিলইঞ্জিনিয়ারিং

25/01/2025

ছাদে রড বিছানো এর বিস্তারিত:

১৷ মেইন রড:
মেইন রড অবশ্যই শর্ট ডিরেকশনে (যে পাশে দৈর্ঘ্য কম) দেওয়া হবে।
এই রডের উপরে বাইন্ডার রড বসানো হবে।

২। বাইন্ডার রড:
বাইন্ডার রড দেওয়া হবে লং ডিরেকশনে (যে পাশে দৈর্ঘ্য বেশি)।
এটি মেইন রডের উপর আড়াআড়ি বসবে।

৩। রডের অবস্থান:
মেইন রড খাঁচার বাইরে থাকবে, উপরে-নিচে।
বাইন্ডার রড খাঁচার ভিতরে থাকবে।

৪। স্লাব বা ছাদের ক্ষেত্রে টপের পরিমাণ:
প্রান্তে এক্সট্রা টপ:
স্লাবের দৈর্ঘ্যের ৪ ভাগের ১ ভাগ (L/4) দিতে হবে।

৫। মাঝের সাপোর্টে এক্সট্রা টপ:
স্লাবের দৈর্ঘ্যের ৩ ভাগের ১ ভাগ (L/3) দিতে হবে।

৬। স্লাব বা ছাদের ক্ষেত্রে ক্রাংক রডের পরিমাণ:
প্রান্তে ক্রাংক:
স্লাবের দৈর্ঘ্য অনুযায়ী, প্রান্তে ক্রাংক দেওয়া হবে L/5 পরিমাণে। (যেমন, ২০ ফুট স্লাব হলে, ক্রাংক রড ৪ ফুট করে কাটতে হবে।)

৭। মাঝের সাপোর্টে ক্রাংক:
স্লাবের মাঝের সাপোর্টে ক্রাংক পরিমাণ দেওয়া হবে L/4।

দ্রষ্টব্য: কোথায় কী ব্যবহার করতে হবে, তা সাধারণত ডিজাইনার নির্ধারণ করেন। তবে ডিজাইনের মধ্যে যদি কিছু না দেওয়া থাকে, তাহলে এই নিয়ম অনুসরণ করা যেতে পারে।
বাস্তব কাজের সময়ে পরিমাণ কিছুটা কম-বেশি হতে পারে।

ARCH Builders Services
Engr. Md. Fazle Rabbi
01795-658034

゚


✅খুব সহজেই Soil Test এর N ভেল্যু দেখে জেনে নিন মাটির অবস্থা....=====================================✅ N value 2 বা এর কম...
24/01/2025

✅খুব সহজেই Soil Test এর N ভেল্যু দেখে জেনে নিন মাটির অবস্থা....
=====================================

✅ N value 2 বা এর কম হলে Very Soft মাটি বুঝতে হবে , যার ভার বহন ক্ষমতা প্রতি বর্গমিটারে মাত্র 2 টন।
✅ N value 2-5 হলে Soft মাটি, ভারবহন ক্ষমতা 2-5 Ton/ Sqm.
✅ N value 5-9 হলে Medium মাটি, ভারবহন ক্ষমতা 5-10 T/ Sqm
✅ N value 9-17 হলে Stiff বা শক্ত মাটি, ভারবহন ক্ষমতা 10-20T/ Sqm
✅ N value 17-33, Very Stiff বা খুবই শক্ত মাটি, ভারবহন ক্ষমতা 20-40 T/ Sqm
✅ N value 33 এর উপরে হলে Hard বা খুবই কঠিন মাটি বুঝতে হবে, যার ভার বহন ক্ষমতা বর্গমিটার 40 Ton এর উপরে
⏩Reff.......BNBC, Soil & Foundation⏪

কতটুকু জমির জন্য কতটি বোরহোল করতে হবে❓
✅ ৩ কাঠা পর্যন্ত জমির জন্য ৩ টি।
✅ ৩-৫ কাঠার জন্য ৫টি।
✅ ৫-১০ কাঠার জন্য ৮ টি বোরহোল প্রযোজ্য।
⏩Reff..BUET, TESTING OF MATERIALS AND SERVICES.⏪

Soil Test কি❓
সয়েল টেস্ট’ এর বাংলা অর্থ হলো মাটি পরীক্ষা, তবে ইঞ্জিনিয়ারিং ভাষায় স্থাপনা বা বিল্ডিং এর ভূনিন্মস্থ মাটির পরীক্ষা করাকে ‘সয়েল টেস্ট’ বা ‘সাব-সয়েল ইনভেস্টিগেশন’ বলে।

Soil Test কেন করা হয়❓
ভূনিন্মস্থ মাটির নিরাপদ #ভারবহন ক্ষমতা নিরুপণের জন্য সয়েল টেস্ট করা হয়। মনে রাখবেন যে কোন ধরনের স্থাপনা যেমন, আবাসিক ভবন, বাণিজ্যিক ভবন, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মন্দির, হাসপাতাল, শপিং কমপ্লেক্স, ব্রিজ-কালভার্ট, সড়ক-মহাসড়ক, রেললাইন, এয়ারপোর্ট, পাওয়ার প্লান্ট ইত্যাদি ডিজাইনের জন্য সয়েল টেস্ট অপরিহার্য।

তবে আমাদের দেশের মাটির নিরাপদ ভার বহন ক্ষমতা বর্গমিটারে ৯-১০ টন থাকে বলে প্রকৌশলীগন সাধারনত Structure (এক দুইতলা ভবন) এর জন্য সয়েল টেস্ট রেফার করেন না, এই হালকা ভবনগুলোর ফাউন্ডেশনে এর থেকে বেশি লোড আসে না। তবে অবশ্যই তিনের অধিক ভবনের জন্য সয়েল টেস্ট জরুরী।

মনে রাখবেন সয়েলটেস্ট ছাড়া ডিজাইন করা আর ডাক্তারের #প্রেসক্রিপশন ছাড়া ঔষধ খাওয়া একই কথা। ইহা ছাড়া ভূনিন্মস্থ মাটির বৈশিষ্ট্য জানা কারও পক্ষে সম্ভব নয়, একমাত্র সয়েল টেস্ট রিপোর্ট দেখেই একজন প্রকৌশলীর পক্ষে বলা সম্ভব স্থাপনা সুরক্ষার জন্য কি ধরনের ফাউন্ডেশন প্রয়োজন ।

Soil Test কিভাবে করা হয়❓
আমাদের দেশে সাধারনত ওয়াশ বোরিং পদ্ধতিতে সয়েল ইনভেস্টিগেশনের কাজ করা হয়। এই পদ্ধতিতে পানির সাহায্যে ২” ব্যাসের পাইপকে হ্যামারিং করে মাটির অভ্যন্তরে প্রবেশ করানো হয়। প্রতি ৫ ফুট বা ১.৫ মিটার পর পর মাটির নমুনা এবং ঘাতের সংখ্যা (N) কাউন্ট করা হয়।

প্রতি ৫ ফুট পর পর পরবর্তী ১.৫ ফুট বা ১৮ ইঞ্চি পাইপ মাটির অভ্যন্তরে প্রবেশ করানো সময় N এর মান লিপিবদ্ধ করতে হয়, তবে এই ১৮ ইঞ্চির মধ্যে প্রথম ৬ ইঞ্চির জন্য ঘাত সংখ্যা বিবেচনায় নেওয়া হয়না।
অর্থাৎ পরবর্তী ১২ ইঞ্চি প্রবেশের জন্য যতগুলো আঘাতের প্রয়োজন হয় সেই সংখ্যাই হলো N এর মান। যদি ১২ ইঞ্চি ঢুকাতে ১৫ বার ঘাতের প্রয়োজন হয় তবে N এর মান হবে ১৫। এই N এর মান মাটির লেয়ার ভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়, যেমন প্রথম ১০-১৫ ফুটের মধ্যে N এর মান থাকে খুবই কম হয়।
⏩ N এর মান ১৫ এর উপরে পেলে বুঝতে হবে শক্ত মাটি লেয়ার⏪

Soil Test করার সময় সর্তকতা সমূহ কি কি❓
✅ হ্যামারের ওজন ৬৩.৫ কেজি কিনা নিশ্চিত করতে হবে এবং ইহা ৩০ ইঞ্চি উচ্চতা থেকে ড্রপিং হচ্ছে কিনা?
✅ প্রতি ৫ ফুট পর পর আলাদা আলাদ প্যাকেটে নমুনা মাটি সংরক্ষন করছে কিনা?
✅ N Value সঠিকভাবে কাউন্ট এবং লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে কিনা?
⏩ মাটি ভাল থাকলেও কমপক্ষে ৬০ ফুট পর্যন্ত স্যাম্পল কালেকশন করা উত্তম ⏪

Soil Test কাদের দিয়ে করাবেন❓
✅ যাদের নিজস্ব ল্যাব রয়েছে এবং
✅ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সয়েল প্রকৌশলী রয়েছে।

কোম্পানি ভেদে প্রতিটি বোরহোলের জন্য ৬ থেকে ২০ হাজার পর্যন্ত নেওয়া হয়, তবে কেউ যদি মাত্র ৬ হাজার টাকায় করে দেওয়ার প্রস্তাব দেয় তবে বুঝতে হবে আপনি তার কাছ থেকে কখনোই প্রকৃত রিপোর্ট পাবেন না।
জেনে রাখুন BUET থেকে টেস্ট করালে শুধু মাত্র একটি বোরহোলের জন্য খরচ পরবে ৭০-৮০ হাজার টাকা, যেখানে Physical & Index Properties, Compaction and Density Tests, Direct Shear Tests, Triaxle Shear Tests, Strength and Deformation Characteristics, Permeability and Seepage Characteristics ইত্যাদি টেস্ট সমূহ করতে ৮-২০ হাজার টাকা চলে যাবে।

সুতরাং শুধু মাত্র ৬ হাজার টাকায় কেবল মাত্র অন্যজনের #কপি করা রিপোর্টই পাওয়া সম্ভব।

#মাটিপরীক্ষা

ARCH Builders Services
Engr. Md. Fazle Rabbi
01795-658034

বীমঃ* বীম কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী?উ: বীম এক প্রকার আনুভূমিক কাঠামো, যা এক বা একাধিক খুটি,কলাম,পিলার,দেওয়াল ইত্যাদি উ...
20/01/2025

বীমঃ
* বীম কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী?
উ: বীম এক প্রকার আনুভূমিক কাঠামো, যা এক বা একাধিক খুটি,কলাম,পিলার,দেওয়াল ইত্যাদি উপর অবস্থান করে এবং এর আরোপিত লোডকে সাপোর্ট এ স্থানান্তরিত করে।

বীম ৫ প্রকার।যথা-
i)সাধারণভাবে স্থাপিত বীম
ii)ক্যান্টিলিভার বীম
iii)ঝুলন্ত বীম
iv)আবদ্ধ বীম
v)ধারাবাহিক বীম

#সাধারণভাবে_স্থাপিত_বীম(Simply Supported beam):যে সকল বীমের উভয় প্রান্ত মুক্ত অবস্থায় সাপোর্টের উপর অবস্থান করে লোড বহন করে তাকে সাধারণভাবে স্থাপিত বীম(Simply Supported beam)বলে।

#ক্যান্টিলিভার_বীম(Cantilever beam):যে সকল বীমের একপ্রান্ত দৃঢ় ভাবে আবদ্ধ এবং অন্য প্রান্ত মুক্ত অবস্থায় থেকে লোড বহন করে তাকে ক্যান্টিলিভার বীম(Cantilever beam)বলে।

#ঝুলন্ত_বীম(Over hanging beam):যে সকল বীমের এক প্রান্ত বা উভয় প্রান্তই সাপোর্টের বাহিরে বাড়ানো অবস্থায় লোড বহন করে।তাকে ঝুলন্ত বীম(Over hanging beam)বলে।

#আবদ্ধ_বীম(Fixed beam):যে সকল বীমের উভয় প্রান্তই সাপোর্টের সাথে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ থাকা অবস্থায় লোড বহন করে তাকে আবদ্ধ বীম(Fixed beam)বলে।

#ধারাবাহিক_বীম(Continuous beam):যেসকল বীম একাধিক সাপোর্টের উপর অবস্থান করে এর উপর আরোপিত লোড বহন করে থাকে ধারাবাহিক বীম(Continuous beam)বলে।

২.বীমে কী কী ধরননের লোড কাজ করে?
উ: ৩ ধরনের লোড কাজ করে।যথা-
i)কেন্দ্রিভূত লোড
ii)সমভাবে বিস্তৃত লোড
iii)অসমভাবে বিস্তৃত লোড

৩.বীমের উপর কী কী লোড ক্রিয়া করে?
উ: বীমের উপর ৩ ধরনের লোড ক্রিয়া করে।যথা-
i)নিশ্চল ভর
ii)সচল ভর
iii)পারিপার্শ্বিক ভর

৪.বীম কি ধরনের ফোর্স ফেল করে?
উ: টেনশন ফোর্স।

৫. বীমে স্টিরাপ কেন ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: শিয়ার ফোর্স প্রতিরোধে এবং ডায়াগোনাল টেনশনকে চেক দেওয়ার জন্য ।

৬.বীমের চাপ এলাকা (Compression zone) ও টান এলাকা (Tension zone)কাকে বলে?
উ: বীমের নিরপেক্ষ অক্ষ থেকে সর্ব উপরি তল পর্যন্ত এলাকা কে চাপ এলাকা বা Compression zone বলে।

নিরপেক্ষ অক্ষ থেকে সর্বনিম্ন তল পর্যন্ত এলাকাকে টান এলাকা বা Tension zone বলে।

৭.স্টিরাপ প্রয়োগ করেও কখন বীমে ব্যর্থ রোধ করা যায় না?
উ:কোন R.C.C বীমে সৃষ্ট শিয়ার পীড়নের মান কংক্রিট ও স্টীলের অনুমোদনযোগ্য শিয়ার পীড়নের মানের চেয়ে বেশি হলে।

৮.লোডের কারনে R.C.C বীম কিভাবে ব্যর্থ হতে পারে?
উ:৩ ভাবে ব্যর্থ হতে পারে।যথা-
i)প্রসারণ স্টীলে ব্যর্থ
ii)সংকোচন কংক্রিটে ব্যর্থ
iii)প্রসারন স্টিল ও সংকোচন কংক্রিট একই সাথে ব্যর্থ

৯.ক্যান্টিলিভার বীমের প্রধান রড কোথায় ব্যবহার করা হয়?
উ: মোমেন্টের মান সবসময় ঋণাত্মক হয় বলে প্রধান রড বিমের উপরিভাগে দেয়া হয়।

১০.টি-বীম কাকে বলে?
উ: বীম এবং স্ল্যাব একত্রে ঢালাই করলে এবং বীম ও স্ল্যাব সম্মিলিত অংশ দেখতে T এর মত হয়,একে টি-বীম বলে।

১১.বীমে সর্বনিম্ন কভারিং কত ধরা হয়?
উ: ১.৫"।

১২. বীম তদন্ত কেন করা হয়?
উ: বীমের প্রকৃত পীড়নদ্বয় অর্থাৎ fc ও fs এর মান নির্নয় করে বীম আরোপিত লোডে নিরাপদ কিনা যাচাই করার জন্য বীম তদন্ত করা হয়।

১৩. বীমে ব্যবহৃত রডের ক্র‍্যাংক করার পদ্ধতিটা কি?
উ: সাধারণভাবে স্থাপিত উভয় প্রান্তে সাপোর্ট থেকে L/7 দুরত্বে এবং আংশিক অবিচ্ছিন্ন বীমের অবিচ্ছিন্ন প্রান্তে এবং ধারাবাহিক বীমের উভয় প্রান্তে সাপোর্ট থেকে L/5 দুরত্বে ক্র‍্যাংক করা হয়।

১৪.বীমের শাটারিং এ খাড়া দিক ও তলার ঠেকনা কতদিন পর খোলা হয়?
উ: খাড়া দিক ১-২ দিন পর এবং ঠেকনা ৭ দিন পর।

১৫.বীমের আর সি সি কাজে কী হারে রড ব্যবহার করা হয়?
উ: ১%-২% হারে।

১৬.বীমে বা স্ল্যাবে ক্র‍্যাংক বার কেন ব্যবহার করা হয়?
উ : ঋণাত্মক বেন্ডিং মোমেন্ট ও সাপোর্টের কাছাকাছি সর্বাধিক শিয়ার ফোর্সকে প্রতিরোধের জন্য ।

১৭.ঢালাই এর আগে কি কি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে?
উ: ঢালাইয়ের আগে ফর্মওয়ার্ক, রডের সঠিক অবস্থান,স্পেসিংঅর্থাৎ ড্রইং মোতাবেক হয়েছে কিনা,ক্লিয়ার কভার চেক, বেশি উচু থেকে কংক্রিট না ঢালা,বৃষ্টির দিন হলে পলিথিনের ব্যবস্থা রাখা,ভালোভাবে ভাইব্রেটর করা,সর্বোপরি ঢালাই পর্যন্ত সাথে থাকা।

১৮.বীমে বা স্ল্যাবের এক্সটা টপ কেন ব্যবহার করা হয়?
উত্তর :লোডের তীব্রতা হ্রাস করার জন্য ।

১৯.কনসিল বীম কি ?

উত্তর : কনসীল বীম এর অন্য একটি নাম হলো হিডেন বীম। স্ল্যাবের সমান পুরুত্বের বীমকে কনসীল বীম বলা হয়ে থাকে।

#বিস্তারিত :
মুলত ফ্লাট স্ল্যাবে কলাম বরাবর যেভাবে স্ট্রীপ চিন্তা করে অতিরিক্ত রিইনফোর্সমেন্ট দেয়া হয়, এমন চিন্তা থেকেই এই কনসীল বীমের ধারণা এসেছে। তবে ইঞ্জিনিয়ারিং এ এই কনসীল বীম হিসাবে আসলে তেমন কিছু নেই।

200 মিমি এর নিচের পুরত্বের কোন ছাদে এই জাতীয় বীম ব্যবহার করা উচিত না। তবে সবসময়ই এই কনসীল বীম পরিহার করে চলা উচিত।

যদি করতেও হয় তাহলে শুধু বীম নয়, পুরো স্ল্যাব সহ মডেলটি এনালাইসিস করতে হবে।

কনসীল বীমের জন্য কলামের পাঞ্চিং শেয়ার অবশ্যই চেক করে নিতে হবে।

Address

Naogaon
6500

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ARCH Builders Services posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share