সার্ভেয়ার আব্দুল কাদির আকন্দ

  • Home
  • সার্ভেয়ার আব্দুল কাদির আকন্দ

সার্ভেয়ার আব্দুল কাদির আকন্দ সরকারি সনদ প্রাপ্ত ডিজিটাল ভূমি জরিপকারক
মোবাইল :-
01728286008
01978286008
09638286008
09696486008

02/07/2023

→ জমির পরিমাপ ←

1 বিঘা = 14,400 বর্গফুট
1 বিঘা = 1600 বর্গগজ
1 বিঘা = 20 কাঠা
1 বিঘা = 1 বর্গরাশি
1 বিঘা = 33 শতক
1 কাঠা = 720 বর্গফুট(18")
1 কাঠা = 80 বর্গগজ
1কাঠা= 1.65 শতক/শতাংশ
1 কাঠা = 16 ছটাক
1 বিঘা= 20 কাঠা
1 একর= 60.5 কাঠা
1 একর = 3 বিঘা 8 ছটাক
1 একর=43560 বর্গফুট
1 একর= 60.5 কাঠা
1 একর= 100 শতক
1একর= 4840 বর্গগজ
1 একর= 10 বর্গ চেইন
1 চেইন= 22 গজ
1 বর্গ চেইন= 484 বর্গগজ
1 ছটাক= 0.10313 শতক
1 ছটাক= 45.54বর্গফুট (18")
1 ছটাক= 5.01বর্গগজ
1 বর্গগজ= 9বর্গফুট
1 বর্গফুট= 144 বর্গ ইঞ্চি
1 বর্গ কিমি=247 একর
1 বর্গমাইল= 640 একর
1 শতক = 65.45 বর্গ ইঞ্চি
1 শতক = 435.6 বর্গফুট
1 শতাংশ=100 অযুতাংশ
1 শতাংশ=48.40 বর্গগজ
5 শতাংশ= 3 কাঠা
10 শতাংশ= 4356 বর্গফুট
1 বর্গমিটার=1.196 বর্গগজ
1 বর্গমিটার=10.76 বর্গফুট (প্রায়)
1 হেক্টর=2.47 একর (প্রায়)
1 হেক্টর=7.47 বিঘা
1 হেক্টর= 10000 বর্গমিটার
1 হেক্টর= 100 এয়র
1 এয়র= 100 বর্গমিটার
1 বর্গ মাইল= 640 বর্গ একর
1 বর্গহাত = 1 গণ্ডা।
4 বর্গহাত = 4 গন্ডা = 9 বর্গফুট = 0.84 বর্গমিটার।
1 ছটাক= 20 গণ্ডা
1 কাঠা= 66.89 বর্গমিটার।
1 বিঘা = 1337.8 বর্গমিটার
1 একর = 4046.24 বর্গমিটার।
1 শতক =1000 বর্গ কড়ি।
1 বর্গমাইল = 1936বিঘা।
10 ঘন মিটার = 1 ঘন স্টেয়র।
10 ঘন স্টেয়র = 1 ডেকাস্টেয়র।
1 স্টেয়র = 35.3 ঘনফুট।
1 ডেকাস্টেয়র =13.08 ঘনগজ।
💖

27/06/2023

কিছুদিনের মধ্যেই আমাদের এলাকায় জরিপ আসতেছে, অতএব নিচের ধারনাটুকু সবার থাকা প্রয়োজন।

“পর্চা”, “দাগ”, “খতিয়ান”, “মৌজা”, “জমা খারিজ”, “নামজারি”, “তফসিল” ইত্যাদি বিষয়ের ডেফিনেশন? এবং জেনে নিন ভূমি বিষয়ক জরুরী সব তথ্য..

১!“নামজারী” বা মিউটেশন কাকে বলে?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।

২!“জমা খারিজ”কাকে বলে?
যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।

৩!“খতিয়ান” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “খতিয়ান” বলে।

খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক। আমাদের দেশে CS, RS, SA এবং সিটি জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। এসব জরিপকালে ভূমি মালিকের তথ্য প্রস্তত করা হয়েছে তাকে “খতিয়ান” বলে। যেমন CS খতিয়ান, RS

৪! ভূমি জরিপ/রেকর্ড কাকে বলে?

ভূমি জরিপ হচ্ছে ভূমির মালিকানা সম্বলিত ইতিহাসের সরেজমিন ইতিবৃত্ত।
আইনী সংজ্ঞা হচ্ছে, The Survey Act, 1875 এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী সরকারের জরিপ বিভাগ সরেজমিন জরিপ করে ভূমির মালিকানার যে বিবরণ
এবং নকশা তৈরী করে তাই রেকর্ড বা জরিপ। অর্থাৎ রেকর্ড বা জরিপ হচ্ছে মালিকানার বিরবণ এবং নকশার সমন্বয়। একটি ভূমির মালিক কে এবং তার সীমানা কতটুকু এটা ভূমি জরিপের মাধ্যমে নকশা/ম্যাপ নির্ণয় করা হয়। এই নকশা এবং ম্যাপ অনুসারে মালিকানা সম্পর্কিত তখ্য যেমন ভূমিটি কোন মৌজায় অবস্থিত, এর খতিয়ান নাম্বার, ভূমির দাগ নাম্বার, মালিক ও দখলদারের বিবরণ ইত্যাদি প্রকাশিত হয় যাকে খতিয়ান বলে। রেকর্ড বা জরিপ
প্রচলিতভাবে খতিয়ান বা স্বত্ত্বলিপি বা Record of Rights (RoR) নামেও পরিচিত। রেকর্ড বা জরিপের ভিত্তিতে ভূমি মালিকানা সম্বলিত বিবরণ খতিয়ান হিসেবে পরিচিত। যেমন CS খতিয়ান, RS খতিয়ান, ইত্যাদি। আমাদের দেশে পরিচালিত ভূমি জরিপ বা রেকর্ড গুলো হচ্ছে;

1. CS -Cadastral Survey (1888-1940)
2. SA- State Acquisition Survey (1956)
3. RS -Revitionel Survey (1965-1976)
4. PS – Pakistan Survey
5. BS- Bangladesh Survey (1990)

18/03/2023

কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?
➥১. পর্চা বা খতিয়ান।
➥২. দলিল।
➥৩. ম্যাপ বা নকশা।
এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি বিক্রয়, হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন হতে নানান সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজপত্র সংগ্রহে রাখার জন্য সরকারি নানান দপ্তর রয়েছে, যারা ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখে। এখন আপনার কাজ হল, ঐ সকল দপ্তরগুলো কে নিশ্চিত করে তাদের শরণাপন্ন হওয়া ও কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করা।
নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো, কোথায়, কীভাবে এবং কত সময়ের ভেতরে আপনি জমির খতিয়ান, দলিল ও নকশা সংগ্রহ করবেন।
➥প্রথমত,আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন.?
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত চারটি অফিসে পাবেন। তা হলো,
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।

➤ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।

➤উপজেলা ভূমি অফিস
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতেও খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।

➤জেলা ডিসি অফিস
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

➤সেটেলমেন্ট অফিস
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
❖প্রশ্নঃ খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর। তবে সিটি জরিপের জন্য 100 টাকা খরচ হবে।
➥দ্বিতীয়ত, আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন?
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।
১/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
২/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

➤উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

➤জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
❖ প্রশ্নঃ দলিল তুলতে কত টাকা খরচ হয়.?
উত্তরঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
➥ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা কোথায় পাবেন?
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।

➤জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।
সংগ্রহ করতে যা লাগবে আবেদন ফরম + 20 টাকার কোর্ট ফি এবং 500 টাকা নগদ জমা বাবদ বা ডি.সি.আর বাবদ। অর্থাৎ 530 টাকায় মৌজা ম্যাপ তুলতে পারবেন।

➤ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়। ম্যাপ তুলতে খরচ আবেদন ফরম + কোর্ট ফি + ডি.সি.আর মোট= ৫৫০/= টাকা মাত্র।

❖প্রশ্নঃ ম্যপ তুলতে কতদিন সময় লাগে?
উত্তরঃ আবেদন করার দিন হতে, ৫-৮ কার্য দিবসের ভিতরে ম্যাপ সরবরাহ করা হয়।

জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধারনাঃ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার১ কাঠা = ১.৬৫ শত...
25/11/2022

জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধারনাঃ
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ
১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০ কাঠা = ১ একর
১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার
১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টর
কানি পরিমাপক
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা
১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা=৪০০০০ বর্গলিংক
১ কানি = ২৪ কাঠা
বিঘা পরিমাপক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি
১ বিঘা =২০ কাঠা
১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার
১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি
৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড
৭৪১ বিঘা=১৪৮২০ কাঠা=১০৬৭০৪০০ বর্গফুট =৯৯১৬৭২ বর্গমিটার= ১বর্গকিলোমিটার=
২৪৭একর
৭.৪১বিঘা=১৪৮.২কাঠা=১০৬৭০৪ বর্গফুট =৯৯১৩ বর্গমিটার=১ হেক্টর=২.৪৭একর
জেনে নিন খতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কি?
পাকি পরিমাপক
১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র
১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ =৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ শতাংশ =১৯৩.৬ বর্গহাত
২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের
একর পরিমাপক
১ একর = ১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬৯ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক
১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৬৮০ হেক্টর
৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)
২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটার
হেক্টর পরিমাপক
১ হেক্টর=২.৪৭একর
১ হেক্টর = ৭.৪১বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৮.২কাঠা
১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার =৯৯১৩ বর্গমিটার
১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ
১ হেক্টর = ১.৪৭ একর
১ আয়ের = ২৮.৯ বিঘা
১ হেক্টর = ২৪৭.১০৫ শতক
১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত
১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ
১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা
১ হেক্টর = ১০০ আয়ের গন্ডা পরিমাপক ১ গন।

19/11/2022

ভূমি জরিপ শিক্ষার প্রাথমিক জ্ঞান
আমিন কাহাকে বলে?

আমিন আরবী শব্দ। এটার অর্থ বিশ্বাসী বা সত্য রক্ষক। যে ব্যক্তি বিশ্বস্ত তার মাধ্যমে শুদ্ধভাবে জায়গা জমির পরিমাপ, ভাগ বণ্টন ও সীমানা নির্ধারণ করে দিতে পারেন আমাদের দেশের প্রচলিত ভাষায় তাকে আমিন বলে।



জরিপবিদ্যা কি? উৎপত্তি কোথায় ও কিভাবে?

যে বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করলে শুদ্ধভাবে জায়গা জমির পরিমাপ, ভাগ বণ্টন ও সীমানা নির্ধারণ করা যায় তাকে জরিপবিদ্যা বলে।

জরিপের উৎপত্তি মিশর দেশ। মিশরের নীল নদে প্রতিবছর বন্যা হতো, এই বন্যার ফলে পলি মাটির চাপে নদীর তীরবর্তী জমিগুলোর সীমানা নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতো বা তলিয়ে যেত। বন্যা পরবর্তী সময়ে জমির সীমানা নিয়ে কৃষকদের মধ্যে বিবাদের সৃষ্টি হতো । এই বিবাদ নিরসনকল্পে জমির সীমানার সঠিকতা বজায় রাখার জন্য জরিপের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়, ফলে জরিপের উৎপত্তি ঘটে। যে সকল মণীষী জরিপ বিজ্ঞান প্রণয়নের জন্য বিশেষ অবদান রাখেন তাদের মধ্যে ইউক্লিড, পিথাগোরাস ও এরিস্টোটলের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।



জরিপ বলতে কি বুঝায়?

যে প্রক্রিয়া বা কলা কৌশলের সাহায্যে কতকগুলো সুনির্দিষ্ঠ বিন্দু, রেখা বা বস্তুর আপেক্ষিকতায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্ররিমাপ গ্রহণের মাধ্যমে ভূ-পৃষ্ঠের বিভিন্ন বিন্দু, রেখা বা বস্তুর অবস্থান দেখিয়ে নকশা তৈরী করা হয় সে প্রক্রিয়া বা কলাকৌশলকে ভুমি জরিপ বলে।

১৮৭৫ সালের সার্ভে আইন অনুযায়ী মৌজা ভিত্তিক নকশা প্রণয়ণ এবং ১৯৫০ সনের প্রজাস্বত্ব আইন ও ১৯৫৫ সনের প্রজাস্বত্ব বিধিমালা মোতাবেক ভূমির মালিকানা সম্পর্কিত খতিয়ান (স্বত্বলিপি) বা ভূমির রেকর্ড প্রস্তুত করা হয়।

মৌজা ভিত্তিক নকশা ও রেকর্ড প্রস্তুতের এই কার্যক্রমকে ভূমি জরিপ বলে।



ভূমি জরিপের তিনটি উদ্দেশ্যঃ

ক। জমির নকশা বা সীট তৈরী করে জমির অবস্থান ও শ্রেণী নির্ণয় করা।

খ। খতিয়ান তৈরীর মাধ্যমে জমির সঠিক মালিকানা নির্ধারণ করে মালিকানা হালনাগাদ করা।

গ। সরকারের খাজনার পরিমাণ নির্ধারণ করা।



পৃথিবীর আকারের উপর ভিত্তি করে জরিপকে ২ ভাগে ভাগ করা যায়

যথাঃ ১। ভূ-মন্ডলীয় জরিপ। ২। সমতলীয় জরিপ।

কাজের প্রকৃতি অনুসারে জরিপ ৩ প্রকার,

যথাঃ ১। ভূমি জরিপ ২। সামুদ্রিক জরিপ ৩। জ্যোতিষীয় জরিপ।

জরিপের ব্যবহৃত যন্ত্রের উপর ভিত্তি করে জরিপকে নিম্নরূপে ভাগ করা যায়।

যথাঃ

১। শিকল জরিইপ

২। প্লেইন টিবিল জরিপ

৩। কম্পাস জরিপ

৪। থিওডোলাইড জরিপ ।

শিকল জরিপের ধাপগুলো নিম্নরূপঃ

১। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ

২। ষ্টেশন বিন্দু নির্বাচন

৩। ষ্টেশন বিন্দু চিহ্নিত করণ

৪। ভিত্তি রেখা নির্বাচন

৫। নকশা তৈরীকরণের জন্য বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ

৬। জরিপলিপি লিখন

৭। পূর্ণ নকশা তৈরী করা

৮। নকশাতে কালি দেওয়া।

গান্টার চেইন বা গান্টার শিকলঃ

শিকল জরিপে সরজমিনে পরিমাপের একক হিসাবে গান্টার চেইন বা গান্টার শিকল ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

কম্পাস জরিপঃ

উন্নয়নশীল দেশে বা উন্নত দেশ সমূহে কোন উন্নয়ন মূলক প্রকল্প গ্রহণ করার পূর্বে এটার জন্য চিন্তা ভাবনা করে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা আবশ্যক। এই সিদ্ধান্তে পৌছাতে হলে প্রয়োজন উপযুক্ত ভূমি এবং অন্যান্য যা কিছু প্রয়োজন তা হল সূক্ষ্ম মাপ এবং নকশা প্রণয়ণ সূক্ষ্ণ পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়া কোন প্রকল্প হাতে নেওয়া যায় না। এটার জন্য চাই সকল প্রকার সুযোগ সবিধা, যেন কোন প্রকল্পের কাজ শুরূ করলে এটা অকালে ধবংসপ্রাপ্ত না হয় । যেমন একটি পুকুর খনন করতে হলে এটার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও গভীরতা কি পরিমাণ হলে সঞ্চিত অর্থের সাথে কাজটি সমাধা হবে, দক্ষ সার্ভেয়ার দ্বারা সার্ভে করলে নির্ভূল জায়গা জমির পরিমাপ,ভাগ বন্টন ও সীমানা নির্ধারণ করে নেই। এই জরিপ পদ্ধতি না থাকলে আমাদের মধ্যে সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে সর্বদাই ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকতো। তাই আমাদের এই বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক সুনাগরিকের দায়িত্ব ও কর্তব্য।

শিকল কত প্রকার ও কি কি?

শিকল দুই প্রকার । যথা

ক। গান্টার শিকল

খ। স্থপতি শিকল বা ইঞ্জিনিয়ারিং শিকল

ক। গান্টার শিকলঃ ফরাসী বিজ্ঞানী ডঃ এডমন্ড গান্টার সাহেব এই শিকল আবিস্কার করেন। তার নাম অনুসারে এই শিকলের নাম করণ করা হয় গান্টার শিকল। এই শিকল ২২ গজ বা ৪৪ হাত বা ৬৬ ফুট বা ৭৯২ ইঞ্ছি বা ২০.১২ মিটার লম্বা । এই শিকল ১০০ লিংক লম্বা এবং ১০০ ভাগে ভাগ করা । প্রতি ভাগকে লিংক বা কড়ি বলে। প্রতি লিংক এর দৈর্ঘ্য ০.৬৬ ফুট বা ৭.৯২ ইঞ্ছি ।আমাদের দেশে এই শিকলই ব্যবহার করা হত...

এই শিকলের

১০০ লিংক = ৬৬ ফুট

৫০ লিংক = ৩৩ ফুট

২০ লিংক = ১৩.২০ ফুট বা ১৩ ফুট ২ ইঞ্ছি প্রায়

১০ অংক = ৬.৬০ ফুট বা ৬ ফুট ৭ ইঞ্ছি প্রায়

৫ লিংক = ৩.৩০ ফুট বা ৩ ফুট ৪ ইঞ্চি

১ লিংক = ০.৬৬ ফুট বা ৭ দশমিক ৯২ ইঞ্চি



দিয়ারা জরিপঃ

দরিয়া বা সাগর/ নদি থেকে দিয়ারা শব্দের উৎপত্তি। কোন জায়গা যদি ভেঙ্গে সাগর বা নদী গর্ভ বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকস্তি বলে আবর যখন চর জাগে তাকে পয়স্তি বলে । যখন পয়স্তি বা চর জাগা জমি জরিপ করা হয় তখন ঐ জরিপকে দিয়ারা জরিপ বলে।

জাল দলিল শনাক্তের জন্য আগেকার ক্যালেন্ডার প্রয়োজন হয়ে থাকে,যদি দলিলটি পুরাতন হয়ে থাকে আসলে যে দিন দেখিয়ে দলিল করা হয়েছে ...
12/11/2022

জাল দলিল শনাক্তের জন্য আগেকার ক্যালেন্ডার প্রয়োজন হয়ে থাকে,
যদি দলিলটি পুরাতন হয়ে থাকে আসলে যে দিন দেখিয়ে দলিল করা হয়েছে সেটা সরকারি কোন ছুটির দিন ছিল কিনা দেখার জন্য। ১৯৭৩ সাল থেকে কোন এক ব্যক্তি সংগ্রহ করে রেখেছিলেন।

- ১৯৮২ সাল পর্যন্ত সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছিল রবিবার।
- ১৯৮৩ ও ১৯৮৪ সালে প্রথম বারের মত শুক্র-শনি ছুটি চালু হয়।
- ১৯৮৫ - ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত শুধুমাত্র শুক্রবার ছুটি ছিল।
-১৯৯৮ সাল থেকে আবারও শুক্র-শনি ছুটি চালু হয় যেটা ২০০১ পর্যন্ত ছিল।
- ২০০২ সাল থেকে শনিবার এর ছুটি বাতিল হয়,
যা পরে ২০০৬ সাল থেকে আবারও চালু করে এবং এখন পর্যন্ত যা টিকে আছে।

09/11/2022

🔴জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধারনাঃ

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ
১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০ কাঠা = ১ একর
১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার
১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টর
কানি পরিমাপক
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা
১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা=৪০০০০ বর্গলিংক
১ কানি = ২৪ কাঠা
বিঘা পরিমাপক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি
১ বিঘা =২০ কাঠা
১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার
১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি
৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড
৭৪১ বিঘা=১৪৮২০ কাঠা=১০৬৭০৪০০ বর্গফুট =৯৯১৬৭২ বর্গমিটার= ১বর্গকিলোমিটার=
২৪৭একর
৭.৪১বিঘা=১৪৮.২কাঠা=১০৬৭০৪ বর্গফুট =৯৯১৩ বর্গমিটার=১ হেক্টর=২.৪৭একর
জেনে নিন খতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কি?
পাকি পরিমাপক
১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র
১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ =৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ শতাংশ =১৯৩.৬ বর্গহাত
২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের
একর পরিমাপক
১ একর = ১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬৯ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক
১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৬৮০ হেক্টর
৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)
২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটার
হেক্টর পরিমাপক
১ হেক্টর=২.৪৭একর
১ হেক্টর = ৭.৪১বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৮.২কাঠা
১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার =৯৯১৩ বর্গমিটার
১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ
১ হেক্টর = ১.৪৭ একর
১ আয়ের = ২৮.৯ বিঘা
১ হেক্টর = ২৪৭.১০৫ শতক
১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত
১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ
১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা
১ হেক্টর = ১০০ আয়ের গন্ডা পরিমাপক ১ গন।

পড়া শেষে Done লিখুন

আলহামদুলিল্লাহ 🤲নিজেকে সরকারি খাতার আমিন ( সার্ভেয়ার ) বলার যোগ্যতা অর্জন করলাম।Registration No  :-  3001061443  (A+)Ses...
01/11/2022

আলহামদুলিল্লাহ 🤲
নিজেকে সরকারি খাতার
আমিন ( সার্ভেয়ার )
বলার যোগ্যতা অর্জন করলাম।
Registration No :- 3001061443 (A+)
Session :- January - June, 2022

মুসলিম ফারায়েজ নীতিঃ১। স্ত্রীর দুই অবস্থাঃ(ক) মৃত ব্যাক্তির সন্তান না থাকলে ১/৪,( খ) আর থাকলে ১/৮ অংশ পাইবে।২। স্বামীর দ...
30/10/2022

মুসলিম ফারায়েজ নীতিঃ

১। স্ত্রীর দুই অবস্থাঃ
(ক) মৃত ব্যাক্তির সন্তান না থাকলে ১/৪,
( খ) আর থাকলে ১/৮ অংশ পাইবে।

২। স্বামীর দুই অবস্থাঃ
(ক) স্ত্রীর মৃত্যুর পর সন্তান না থাকলে ১/২,
( খ) আর থাকলে ১/৪ অংশ পাইবে।

৩। কন্যার তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র কন্যা থাকলে ১/২ ,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) পুত্র কন্যা একসাথে থাকলে ২:১ অনুপাতে পাইবে।

৪। পিতার তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত্যু ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র বা পুরুষ শ্রেনী বর্তমানে থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) পুরুষ শ্রেনি না থাকলে এবং কন্যা বা পৌত্রী বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে থাকলে( ১/৬+অবশিষ্ট) অংশ পাইবে,
(গ)পুরুষ বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে না থাকলে অবশিষ্ট সকল অংশ পাইবে।

৫। মায়ের তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত্যু ব্যক্তির সন্তান বা একাধিক ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির যদি কোন সন্তান না থাকে বা ভাইবোন ২ জনের কম থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে,
(গ) স্বামী বা স্ত্রীর সাথে পিতা মাতা উভয়ে থাকলে , মৃত্যু ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে স্বামী বা স্ত্রীর অংশ দেয়ার পর বাকি সম্পত্তির ১/৩ অংশ পাইবে।

৬। বৈপিত্রীয় ভাইবোনদের তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র বৈপিত্রীয় ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ,
(খ) একাধিক থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে
(গ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র,পিতা বা দাদা থাকলে বঞ্ছিত হইবে।

৭। পৌত্রীগনের ছয় অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র পৌত্রী থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ) মৃত্যু ব্যক্তির পৌত্রী ও পৌত্র একই সাথে থাকলে অংশীদার হইবে,
(চ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির পুত্র থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে।

৮। সহোদরা বোনদের পাঁচ অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) সহোদরা বোনের সাথে সহোদরা ভাই থাকলে আসাবা হইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা বা পৌত্রী থাকে তাহলে সহোদরা বোনগন ১/৬ অংশ পাইবে। একাধিক কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে অংশীদার হইবে,
(ঙ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুরুষ শ্রেনীর ওয়ারিশ থাকলে সহোদরা বোনগন বঞ্ছিত হইবে।

৯। বৈমাত্রিয় বোনদের সাত অবস্থাঃ
(ক) যদি মৃত্যু ব্যাক্তির সহোদরা বোন না থাকে ও একজন মাত্র বৈমাত্রিয় বোন থাকলে ১/২,
(খ)একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোনগণ বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ)যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে এবং বৈমাত্রিয় বোনের সাথে বৈমাত্রিয় ভাই থাকলে একএে অংশীদার হইবে।
(চ) মৃত্যু ব্যাক্তির কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগণ অবশিষ্ট অংশ পাইবে,
(ছ) মৃত্যু ব্যক্তির পুরুষ ওয়ারিশ থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগন বঞ্ছিত হইবে।

১০। দাদী নানীর ২ অবস্থাঃ
(ক) পিতৃ বা মাতৃ সম্পর্কের এক বা একাধিক যাহাই হোক ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির মাতা জীবিত থাকলে বঞ্ছিত হইবে। তবে পিতা জীবিত থাকলে দাদী বঞ্ছিত হইবে।

Address

Shishu Polli Road, Shaitalia, Tengra, Sreepur

1740

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সার্ভেয়ার আব্দুল কাদির আকন্দ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Contractor?

Share