07/07/2026
আমরা প্রায় সবাই নিউওটনের সেই বিখ্যাত তৃতীয় সুত্রটি জানি, "প্রত্যেক ক্রিয়ার একটি সমান এবং বিপরীতে প্রতিক্রিয়া থাকে"। তেমনই প্রতিটি কাজের কিছু সুবিধা এবং অসুবিধাও থাকে।
এই ঘাস/ লতানো গাছের সুবিধা অনেক তবে কিছু অসুবিধাও আছে। প্রথমে সুবিধাগুলো তুলে ধরা হচ্ছে।
এই গাছ পুরো ভবনের তাপমাত্রা ৩-৫ ডিগ্রি কমিয়ে দেবে। যার ফলে বিদ্যুতের ব্যাবহার কম হওয়ার কারনে আর্থিক সাশ্রয় হবে। এই সাশ্রয়ের পরিমান পুরো ভবনের মাসিক হিসেবে প্রায় ৮০-৯০ হাজার টাকা নূন্যতম, যা বাৎসরিক হিসেবে ১০-১১ লক্ষ টাকা। দেয়ালে রংয়ের খরচ বাঁচিয়ে দেবে। দেয়ালে আলো প্রতিফলিত হয়ে তাপ বিকিরণ রোধ করায় পরিবেশের তাপমাত্রা ২-৩ ডিগ্রি কম অনুভূত হবে। গাছ কার্বন শোষণ করে পরিবেশে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়াবে। পরিবেশের জীব-বৈচিত্র্য বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
এবার আসি অসুবিধার কথায়। যারা প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে নিজেকে খাপ খাওয়াতে অস্বস্তি বোধ করেন, তাদের জন্য পোকামাকড় একটি বড় সমস্য। এছাড়া দীর্ঘ মেয়াদে দেয়ালের ক্ষতি (যদিও সেটা ২০ বছরের আগে প্রভাব ফেলবে না। তাছাড়া বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের অর্ধের টাকায় এই কাজ নতুন করে করিয়ে নেয়া সম্ভব)। পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা এবং রক্ষনাবেক্ষনের জন্য মাসিক কিছু খরচের বিষয় রয়েছে।
তবে সর্বোপরি প্রকৃতিকে আমরা দূরে সরিয়ে না দিয়ে যদি সহমর্মিতার সাথে সহবস্থান করতে পারি তবেই আমরা টিকে থাকবো। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, নিজেদের স্থায়িত্ব টিকিয়ে রাখতে প্রকৃতির সহায়তা মানুষেরই প্রয়োজন। সব ধ্বংস হলেও প্রকৃতি আবার নিজের অবস্থানে ফিরে আসবে, কিন্তু মানুষের জন্য সেটা খুব একটা সহজ কাজ হবে না।