21/09/2026
ছাদ ঢালায় বিষয়ে কিছু কথাঃ- (ছবি আমাদের তত্ত্বাবধয়নে চলমান ফজলে রাব্বি টাওয়ার, কুমারপাড়া, রাজশাহী প্রজেক্ট এর আমাদের উপস্থিতিতে ঢালায় চলাকালীন ও পূর্বে ক্যমেরাবন্দী করা।)
১) ছাদ প্রস্তুতের পূর্বে ডিজাইন ভালোভাবে স্টাডি করে ছাদের থিকনেস ঠিক রাখতে বটম শাটারিং যেভাবে করা প্রয়োজন তাঁর সকল প্রস্তুতি নিতে হবে।
২) বীমের ও ছাদের বটম শাটারিং এ পানি লিক না করতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে।
৩) কাঠের উপরে স্টীল শিট দিয়ে শাটারিং করলে সেক্ষেত্রে পুরো শিটে মুবিল লাগিয়ে নিতে হবে।
৪) শিটে মুবিল মাখাতেগিয়ে খেয়াল রাখতে হবে যেনো রেইনফোর্সমেন্ট বারগুলোতে মুবিল লেগে না থাকে, লেগে থাকলে তা মুছাতে হবে।
৫) শাটারিং এর নিচে পর্যাপ্ত সাপোর্ট নিশ্চিত করত হবে।
৬) ডিজাইন অনুযায়ী ছাদের রেইনফোর্সমেন্ট বার এর সঠিক স্পেসিং, বীম রেইসফোর্সমেন্ট, বীম এক্সট্রা টপ এন্ড মিডল বটম, স্ল্যাব এক্সট্রা টপ, মিডল এক্সট্রা বটম(ডিজাইনে উল্লেখ থাকলে), ক্লিয়ার কাভার, বীম ও স্লাব থিকনেস, ডাকজোন এন্ড সাইজ, আওট-সাইট শাটারিং, স্টেয়ার এন্ড স্লাব জয়েন্ট ইত্যাদি সকলবিষয় ঢালায়ের আগের দিন পর্যন্ত ধাপে ধাপে চেক করতে হবে।
৭) ঢালায়ের আগে অবশ্যই ছাদ লেভেলিং করে নিতে হবে।
৮) ছোট বড় ব্লকগুলো ভালোভাবে চেক করে নিতে হবে।
৯) ঢালায়ের আগে প্রতিটি কলামে রেফারেন্স পয়েন্ট নির্ধারিত করে ঢালায়ের থিকনেস মার্ক নির্ধারণ করতে হবে।
১০) ঢালায়ের দিন পুরো ছাদ ধুয়ে নিতে হবে। বিশেষ করে যেস্থানে যখন যখন ঢালায় হবে সে স্থানটি ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে।
১১) অনেকে বীম ও কলাম জয়েন্টে সিমেন্ট মিশ্রিত পানি(ঘোলা পানি) ছিটায়। এতে উপকারের বীপরিতে ক্ষতি আছে।(এ বিষয়ে বিস্তারিত এখানে বিবৃতি সম্ভব না।)
১২)যে স্থানে ঢালায় শুরু করা হয় সে স্থানের কলাম পয়েন্টগুলো আগে ঢালায় করে নিতে হবে। তারপর সাথে সাথে ঐ স্থানের বীম ও স্লাবগুলে ঢালায় করতে হবে। অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে পুরো ছাদের বীম ও কলাম আগে ঢালায় করে তারপর যেনো স্লাব ঢালায়ের প্রস্তুতি না নেয়। অর্থাৎ যে স্থানের কলাম-বীম ঢালায় হলো আগে সেই স্থানের স্ল্যাব ঢালায় সমাপ্তি করতে হবে।