19/01/2026
রাসূল ﷺ দুনিয়া থেকে বিদায় নেওয়ার পর মদিনায় নেমে এসেছিল ভয়াবহ খরা ও দুর্ভিক্ষ। চারদিকে হাহাকার। অসহায় মানুষ ছুটে গিয়েছিলেন উম্মুল মুমিনীন সায়্যিদাহ আয়েশা (রাঃ)-এর কাছে—কী করবেন, কোথায় যাবেন?
তিনি বললেন,
💚 নবীজী ﷺ–এর কবরের উপরে আকাশের দিকে একটি খোলা পথ করে দাও, যেন তাঁর আর আকাশের মাঝে কোনো পর্দা না থাকে।
মানুষ তাই করল।
আর ঠিক তখনই… 🌧️
আকাশ খুলে বৃষ্টি নামল।
মাটি সবুজ হয়ে উঠল।
পশুগুলো সুস্থ ও সবল হয়ে গেল।
পুরো মদিনা আনন্দে ভরে উঠল।
এই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মৃতিতে পরবর্তীতে উসমানীয়রা মসজিদের গম্বুজ নির্মাণ করেন এবং একটি বিশেষ টাইল বসান—যেন ইতিহাস কখনো ভুলে না যায়, রহমতের উৎস কোথায়। 🕌
আরেক সময়, ইয়াজিদের আক্রমণের দিনে মদিনায় প্রকাশ্যে আজান দেওয়া নিষিদ্ধ ছিল, মসজিদে নামাজও বন্ধ।
কিন্তু তাবেয়ী সাঈদ ইবন মুসাইয়্যিব (রহঃ) বলেন—
“আমি মসজিদের ভেতর লুকিয়ে থাকতাম। নামাজের সময় চিনতাম কীভাবে জানো?
কারণ আমি আজান শুনতাম…
রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর রওজা মুবারক থেকেই।”
ভাবুন তো…
যদি আপনি মদিনায় যান এক শুকনো হৃদয় নিয়ে—
যেখানে আছে দুঃখ, একাকীত্ব, অন্ধকার আর ক্লান্তি—
তাহলে রাসূল ﷺ–এর সামনে দাঁড়িয়ে একবার সালাম দেওয়া আপনার সাথে কী করবে?
💖 তা বদলে দেবে আপনার দুনিয়া।
🌙 তা বদলে দেবে আপনার আখিরাত।
কারণ তিনি শুধু একজন নবী নন—
তিনি আজও রহমত।
আজও সান্ত্বনা।
আজও আলো।
©️ সংগৃহীত