ZS Construction

ZS Construction Make a decision
Take the keys.

New ProjectShahalam Cottage.Kutumbpur, Chandina, Cumilla.
02/09/2025

New Project
Shahalam Cottage.
Kutumbpur, Chandina, Cumilla.

ভেদাভেদ মুছে পাক না মানুষ মানবিকতার স্পর্শ, মানুষ শুধু হোক মা মানুষ,  "শুভ নভবর্ষ"
14/04/2025

ভেদাভেদ মুছে পাক না মানুষ
মানবিকতার স্পর্শ,
মানুষ শুধু হোক মা মানুষ,
"শুভ নভবর্ষ"

বাড়ি তৈরির হিসাব২০২৫ সালের একটি বাড়ি তৈরি করতে গেলে কত টাকা খরচ হতে পারে তার একটি হিসাব দেব। অনেক সময় বাড়ির ডিজাইনের...
11/03/2025

বাড়ি তৈরির হিসাব
২০২৫ সালের একটি বাড়ি তৈরি করতে গেলে কত টাকা খরচ হতে পারে তার একটি হিসাব দেব। অনেক সময় বাড়ির ডিজাইনের উপর বা বাড়ির তৈরির স্থানের উপর বাড়ির নির্মাণ খরচ কম-বেশি হতে পারে। তবে আমি আপনাদেরকে একটি মোটামুটি ধারণা দেব যে একটি বাড়ি তৈরি করতে গেলে আনুমানিক কত টাকা খরচ হতে পারে। আশা করি, আপনারা এই ফলাফলের মাধ্যমে আপনার বাড়ি তৈরির হিসাব বের করতে পারবেন।
বাড়ি তৈরির প্রথম ধাপ হলো বাজেট নির্ধারণ। বাজেটের মধ্যে নির্মাণের সমস্ত খরচ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
১) ভূমি খরচ
বাড়ি তৈরি করার জন্য প্রথমে জমির প্রয়োজন। যদি আপনার জমি না থাকে, তাহলে আপনাকে জমি কিনে নিতে হবে। আর যদি জমি থেকে থাকে, তাহলে জমির মূল্য এখানে যোগ হবে না, এখানে শুধু বিল্ডিং বা নির্মাণের খরচই যোগ হবে।
২) নকশা খরচ
বাড়িটি কয় তলা হবে এবং বাড়ির ডিজাইন কেমন হবে, তার ওপর বাড়ির ডিজাইন খরচ নির্ভর করে। যদি কম খরচে বাড়ির ডিজাইন করতে চান, আমরা বাংলাদেশের সকল প্রান্তে কাজ করে থাকি আমাদের আছে অভিজ্ঞ প্রফেশনাল আর্কিটেক্ট ও ইঞ্জিনিয়ার টিম। আমরা দিচ্ছি বিল্ডিং ডিজাইন থেকে শুরু করে বিল্ডিং নির্মাণ শেষ করা পর্যন্ত সুবিধা।
মোবাইল: +৮৮০১৭০১০১৫০৩৫(হোয়াটসঅ্যাপ)
৩) নির্মাণ খরচ
একতলা বাড়ি বা ডুপ্লেক্স বাড়ির জন্য প্রতি স্কয়ার ফিট ২২০০ টাকা থেকে ২৫০০ টাকার মতো খরচ হতে পারে, যা স্থান এবং বাড়ির ডিজাইন অনুযায়ী কম-বেশি হতে পারে।
যদি ধরি, একটি ডুপ্লেক্স বাড়ির মোট স্কয়ার ফিট হচ্ছে ১৫০০ স্কয়ার ফিট। তাহলে হিসাব হবে:
১৫০০ × ২২০০ = ৩৩,০০,০০০ টাকা।
অর্থাৎ, ডুপ্লেক্স বাড়িটি তৈরি করতে প্রায় ৩৩ লক্ষ টাকা আমুমানিক খরচ হবে।
আবাসিক ৩ তলা থেকে ৬ তলা পর্যন্ত বাড়ির নির্মাণ প্রতি বর্গ ফুট এ সর্বনিম্ন ২৫০০ থেকে ২৮০০ টাকা খরচ হয়।
আবাসিক ৭ তলা থেকে ৮ তলা পর্যন্ত বাড়ির নির্মাণ প্রতি বর্গ ফুট এ সর্বনিম্ন ২৭০০ থেকে ৩০০০ টাকা খরচ হয়।
আবাসিক ৯ তলা থেকে ১০ তলা পর্যন্ত বাড়ির নির্মাণ প্রতি বর্গ ফুট এ সর্বনিম্ন ৩০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা খরচ হয়।
৪) অতিরিক্ত খরচ
এর মধ্যে ইলেকট্রিসিটি, প্লাম্বিং, ইন্টেরিয়র ডিজাইন, আসবাবপত্র এবং অন্যান্য খরচ অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। সাধারণত এটি ১০-১৫% হয়ে থাকে।
বাড়ি নির্মাণ খরচ বা বাড়ি তৈরির হিসাব
আমরা ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রতি স্কয়ার ফিটে কত টাকা খরচ হবে, তার যদি আরো বিস্তারিত হিসাব বের করতে চাই, মানে কোন খাতে কত টাকা খরচ হবে। আমরা যে একটি প্রাথমিক হিসাব করেছিলাম যে ১৫০০ স্কয়ার ফিট বাড়ির জন্য ৩৩ লাখ টাকা খরচ পড়বে, তা কোন খাতে কত টাকা খরচ পড়বে, তার একটা ডেমো আমরা নিচে প্রকাশ করছি।
ভিত্তি ও কাঠামো = ৩৫% (১,১৫৫,০০০ টাকা)
ইটের কাজ = ১০% (৩৩০,০০০ টাকা)
ফ্রেম ও কাঠের কাজ = ৫% (১৬৫,০০০ টাকা)
প্লাস্টার = ৪% (১৩২,০০০ টাকা)
টাইলস ও ফ্লোর সংক্রান্ত কাজ = ৭% (২৩১,০০০ টাকা)
বৈদ্যুতিক ও সেনেটারী সরঞ্জামাদি = ৬% (১৯৮,০০০ টাকা)
রঙ এর কাজ = ৩% (৯৯,০০০ টাকা)
রান্নঘর ও টয়লেট এর সাজসজ্জা = ৩% (৯৯,০০০ টাকা)
অ্যালুমিনিয়াম ও জানালার ফ্রেমিং এর সাজসজ্জা = ৭% (২৩১,০০০ টাকা)
মিস্ত্রি খরচ= ২০% (৬৬০,০০০ টাকা)
মোট খরচ = ১০০% (৩৩ লক্ষ টাকা)
উপসংহার
২০২৫ সালে একটি ১৫০০ বর্গফুটের বাড়ি তৈরির জন্য আনুমানিক খরচ প্রায় ৩৩ লক্ষ টাকা হতে পারে। তবে, স্থান, ডিজাইন এবং অন্যান্য বিষয়ের উপর নির্ভর করে এই খরচে পরিবর্তন আসতে পারে। তাই সঠিক বাজেট তৈরির জন্য স্থানীয় বাজার ও নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই তথ্য আপনাকে সাহায্য করবে আপনার বাড়ি তৈরির পরিকল্পনা করতে। সকল খরচ বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী কম বেশি হতে পারে।
Bangladesh & Consultant
Construction
Engr. Sabbir Hasan
Mobile: +8801701`015035 (WhatsApp )

New ProjectSanika's Cottage.Konapara,Ashulia,Savar,Dhaka.
30/01/2025

New Project
Sanika's Cottage.
Konapara,Ashulia,Savar,Dhaka.

ফ্লোর টাইলস লাগানোর নিয়ম: ১।প্রথমে ফ্লোর চিপিং কর এবং ধুয়ে পরিস্কার করে পাতলা সিমেন্ট গ্রাউটিং করতে হবে পুরোনো ফ্লোর হলে...
23/01/2025

ফ্লোর টাইলস লাগানোর নিয়ম:

১।প্রথমে ফ্লোর চিপিং কর এবং ধুয়ে পরিস্কার করে পাতলা সিমেন্ট গ্রাউটিং করতে হবে পুরোনো ফ্লোর হলে।

২। যদি হোমোজিনিয়াস টাইলস হয় তবে টাইলস ভেজানোর দরকার নেই

৩। শুকনা মশলা ১:৩ রেশিওতে বানাতে হয় কারন ফ্লোরে অনেক কিছুর লোড পড়ে ও ব্যবহার হয় বেশী ।

৪। যথারিতি স্যনিটারী লাইন যদি নীচ দিয়ে যায় তবে লিকেজ ও প্রেসার চেক কর এর পর লেভেল পায়া কর।

৫। দরজার নীচে যেন ১/২” ক্লিয়ার থাকে সে মত পায়া হবে এর পর শুকনা মশলা ফ্লোরে ছড়িয়ে দিয়ে এর উপর টাইলস বসিয়ে লেভেল কর প্রয়োজন মত উঠানো, নামানো, সরানো যা প্রয়োজন করবে এর পর লেভেল ওকে হলে টাইলস সরিয়ে সিমেন্ট পানি মিশ্রিত গ্রাউটিং শুকনা মসলার উপর দিয়ে ঢেলে ভেজা বানাইয়ে নিয়ে মাঝে মাঝে কর্নি দিয়ে উক্ত মসলা কেটে কেটে রাফ করে দিবে এর পর টাইলস বসাতে হবে, প্রয়োজন মত রাবার হেমার দিয়ে হালকা হিট কর এবং লেভেল ফাইনাল কর ঠিক আগের নিয়মে ফাকা,পরিস্কার, কিউরিংকরতে হবে।

৬। সব টাইলস যেন এক লাইনে থাকে শর্টপিস যেন দৃষ্টি কটু না লাগে এরুপ ব্যবহার করবে আর বাথরুম হলে স্লোপ দিতে হবে খুব ক্লোজ করে ধর ৫ ‘ এ ১”।

৭। ফ্লোর টাইলস এর মসলার পুরুত্ব ফ্লোর লেভেলের উপর নির্ভর করবে তাই ছাদ ঢালাইয়ের সময় ই ছাদের টপ লেভেল সমান রাখতে হবে নতুবা টাইলস করার সময় মসলার পুরুত্ব বেড়ে যাবে এতে লোড ও নির্মান ব্যয় বেড়ে যাবে।

৮। ১ থেকে ১.৫” পুরুত্ব ফ্লোরের ক্ষেত্রে এলাওবেল।

৯। বাথরুম কিচেনের বেলায় কমোডের অংশ,ওয়েষ্ট ওয়াটার পাইপের জায়গা,ফিটিংসের,ও হাউস, বার্নার স্ল্যাব এর জায়গায় টাইলস লাগাতে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে আর কোনার টাইলস জয়েন্টে দুটো টাইলস আর সাইড গুলো V শেইপে কেটে নেবে একে মুখোমুখি মিলে যাবে একে টাইলসের চোজ করা বলে।

সতর্কতা :
১) সারফেসকে ২/১ দিন পানি দিয়ে কিউরিং করতে হবে এবং শুকাতে হবে এভাবে কয়েদিন করতে হবে। নতুবা সারফেস মর্টারের পানি শোষন করে নেবে ফলে পানি ছাড়া মর্টারের সাথে টাইলসের বন্ড হবে না অথবা টাইলস বসানোর কয়েকদিনের মধ্যেই মর্টার – টাইলস বন্ড ছেড়ে দেবে।

২) মর্টারকে সঠিক নিয়মে ও রেশিওতে মিক্সিং করতে হবে প্রথম থেকে ভেজা বালি ব্যবহার করা যাবে না। কারণ বালির সাথে সিমেন্ট মিসবে না। আমাদের মিস্ত্রী হেলপার সঠিকভাবে মর্টার পেস্টিং করতে চায়না অনেক জায়গায় দেখছি মর্টার ভেজানোর পর বালির কালার রয়েগেছে সেই অবস্থায় মর্টার কাজে লাগাচ্ছে। মর্টার এমনভাবে মিক্সিং করতে হবে যেন পেস্ট গ্রে কালার ধারন করে। নতুবা বন্ডিং দূর্বল হবে।

৩) আধা ভেজা মর্টার লেভেলের পর যখন এর উপর টাইলস বসানোর জন্য সিমেন্ট গোলানা পানি বা গ্রাউট দিবে তখন সেই গ্রাউটিং মিশ্রিত মর্টার বেডকে কর্ণি দিয়ে কেটে কেটে আধাভেজা মর্টারের ভেতর গ্রাউটিং ঢোকাতে হবে এখানেই আসল খেলা কারণ এই অবস্থায় মর্টার নেড়েচেড়ে মেশানোর সুযোগ নেই তাই প্রথম ড্রাই মর্টার তৈরীর সময়ই উত্তমরুপে মিশ্রণ সমুহ মেশাতে হবে। অন্যথায় এখানে সাময়িকভাবে বন্ডিং হলেও একসময় বন্ড ছেড়ে দেবে ফলে টাইলস উঠে যাবে।

৪) টাইলস করার পর দুটো টাইলসের মাঝে যে ফাঁকা জায়গা রাখা হয় সেটা পাতলা টিন বা স্ক্রেপ বা পাতলা কর্ণির মাথা দিয়ে যতটা সম্ভব গবীর করে পরিস্কার করতে হবে যাতে কিউরিং এর পানি ঢোকে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো যে কোন মিশ্রণের একটা ক্যামিক্যল রিয়েকশন থাকে যার বিক্রিয়ায় একপ্রকার গ্যাস তৈরি হয়। এখন টাইলসের নীচে যে মর্টার ব্যবহার হয়। তাতে থাকে সিমেন্ট আমরা জানি সিমেন্টের মধ্যে নানা প্রকার উপাদান মিশ্রীত যা পানির সাথে বিক্রিয়া করে ফলে তাপতো উৎপন্ন হয়ই সাথে গ্যাসও উৎপন্ন হয় । অন্যান্ন মর্টার পানি মিশিয়ে উন্মুক্ত রাখা হয় বলে আমরা টের পাইনা।
কিন্তু ফ্লোর টাইলসের ক্ষেত্রে আধাভেজা মর্টারে সিমেন্ট পানি দিয়েই কিন্তু টাইলস বসিয়ে ফেলি ফলে এর মধ্য রিয়েকশান হয়ে রেজাল্ট (গ্যস) বের হওয়ার সুযোগ পায়না সেটা বের হওয়ার জন্যই দুটো টাইলসের মাঝের ফাঁক যা ৭ দিন রাখলে ভাল নতুবা ৩-৪ দিন। অনেক সময় শোনা যায় টাইলস লাগানোর কয়েকবছর পর প্রচন্ড শব্দে ফেটে যাচ্ছে আসলে এর কারণ হচ্ছে এই গ্যস এটা রেখেই যখন ফাঁক বন্ধ করা হয় তখন আস্তে আস্তে এটা স্টোর হতে থাকে একসময় তাপে ও চাপে এটা বিস্ফোরিত হয়।

৫) চটের বস্তা বা পানি জমিয়ে কিউরিং করতে হবে যাতে টাইলসের নীচের মর্টার আস্তে আস্তে পানি শোষনের সময় ও সুযোগ পায়। পানি সার্বক্ষনিক রাখলে টাইলসের নীচের পুরো সারফেসে পানি যাওযার সুযোগ পাবে।

ওয়াল টাইলস লাগানোর নিয়ম:১। টাইলস ওয়ালের হলে সর্ব প্রথম টাইলস গুলো পানিতে ভেজান ১-২ ঘন্টা কারন ইটের মত এগুলো ও পানি শোষন ...
22/01/2025

ওয়াল টাইলস লাগানোর নিয়ম:

১। টাইলস ওয়ালের হলে সর্ব প্রথম টাইলস গুলো পানিতে ভেজান ১-২ ঘন্টা কারন ইটের মত এগুলো ও পানি শোষন করে ।

২। ওয়াল ভেজান প্রয়োজন মত যেন ওয়াল টাইলসের মসলার পানি শোষন করতে না পারে

৩।দেয়ালের বাড়তি ইট গুলো ভেংগে নিন আর রাফ হিসাব করে দেখেন পূর্ন টাইলস কোথায় পড়বে আর শর্ট পিস কোথায় পড়বে

৪।শর্ট পিস সব সময় দরজার পিছনে দেবেন যাতে দরজা খুললে ঢাকা পড়ে যায়

৫। স্যনিটারি লাইন পানি দিয়ে চেক করুন লিকেজ আছে কিনা বা প্রেসার কেমন না হলে পরে টাইলস ভাংগা লাগবে।

৬। মসলা তৈরী করতে হবে ১:৪ ক্ষেত্র বিশেষে ১:৩ ও করা হয় এর পর দেয়ালে পায়া বা লেভেল করুন আর টাইলস লাগানো শুরু করুন।

৭। খেয়াল রাখবেন সব টাইলস যেন সমান হয় আর ২ টাইলস এর মাঝে ১-২ সুতা ফাকা থাকে

৮। টাইলস এর নীচে মসলা ঠিক মত মানে পুরো টাইলসএই যেন মসলা লাগানো হয় অন্যথা শুকালে আওয়াজ করবে আর অল্প আঘাতেই ওই অংশ ভেঙ্গে পড়বে।

৯। টাইলস সময়ই মার্কিন কাপড় দিয়ে অবশ্যই পরিস্কার করে নেবেন সাথে সাথে না হলে করার পরে উঠবেনা বা অতিরিক্ত ঘষাঘষিতে টাইলস ডিসকালার বা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

১০। শর্টপিস করার সময় টাইলস কার্টার দিয়ে খুব সাবধানে কাটতে হবে অন্যথা টাইলসের নিকেল উঠে যাবে।

১১। মসলার থিকনেস ১/২” থেকে ক্ষেত্র বিশেষে ১” পর্যন্ত এলাও তবে সব নির্ভর করবে ওয়ালের লেভেলের উপর।

১২। টাইলস করার ১২ ঘন্টা পর থেকে কিউরিং করবেন।

১৩। ৫/৭ দিন পর টাইলস ধুয়ে শুকিয়ে ফাঁকা জায়গাগুলোতে ফুটিং করবেন এর পূর্বে করলে মসলার ভেতরকার গ্যাস বের হতে না পারলে টাইলস ফেটে যাবে।

১৪।ওয়াল টাইলস সব সময় উপর থেকে নীচের দিকে করে আসলে টেকনিক্যলি সুবিধা পাওয়া যায়।

১৫। টাইলস নির্বাচনের সময় অবশ্যই সমান মাপের টাইলস নির্বাচন করবেন এবং একই রকমের টাইলস একবারে কিনে ফেলবেন।

Address

Konapara, Zirani, Ashulia, Savar
Dhaka
1349

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ZS Construction posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share