গাছের কথা ফুলের কথা

  • Home
  • গাছের কথা ফুলের কথা

গাছের কথা ফুলের কথা প্রিয় ফুল আর গাছের কথা জানাই আমরা। ফুল, পাখি আর প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এই আয়োজন। Just a Flower lover. Not an expert on Flowers.

Pardon me if i couldn't mention all the flowers name. Thank you for connecting with us. :)

বড় বড় কর্পোরেট মনোপলিগুলো যখন ছোট কোনো রাইভাল কোম্পানিকে কিনে নেয় বা টেকওভার করে, তখন তারা সরাসরি গিয়ে ওই কোম্পানির এমপ্...
03/08/2026

বড় বড় কর্পোরেট মনোপলিগুলো যখন ছোট কোনো রাইভাল কোম্পানিকে কিনে নেয় বা টেকওভার করে, তখন তারা সরাসরি গিয়ে ওই কোম্পানির এমপ্লয়িদের ছাঁটাই করে না। তারা বাইরে থেকে একজন নতুন সিইও বা হ্যাটচেট ম্যান নিয়োগ দেয়, যার একমাত্র কাজ হয় কোম্পানির ভেতরে চরম রিস্ট্রাকচারিং করা এবং পুরনো সব লয়্যাল কর্মীদের বের করে দেওয়া।

এই নতুন সিইও ঠিক ওই রেসিরো দোরকোর মতো কাজ করে, সে সব গালি শোনে, সব মানুষের ঘৃণা নিজের ঘাড়ে নেয়। কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার বা আসল মালিকরা তখন একদম চুপ করে ব্যাকগ্রাউন্ডে বসে থাকে। যখন সব ছাঁটাই শেষ হয়ে যায় এবং কোম্পানিটা পুরোপুরি স্লিম আর প্রফিটেবল হয়ে যায়, তখন বোর্ড অফ ডিরেক্টরস হঠাৎ করে ওই সিইওকে বরখাস্ত করে দেয়।

তারা মিডিয়ায় বিবৃতি দেয় যে, এই সিইওর পলিসি কোম্পানির কালচারের সাথে যাচ্ছে না, তাই তাকে সরিয়ে দেওয়া হলো। এতে সাধারণ এমপ্লয়িরা ভাবে মালিকপক্ষ খুব ভালো, তারা আমাদের কষ্ট বুঝে ওই সিইওকে তাড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু আসল কাজটা তো বোর্ড মেম্বারদের নির্দেশেই হয়েছিল।

সুতরাং, শ্যাডো এলিটরা কখনোই নিজেদের হাত নোংরা করে না, তারা সবসময় একটা ফ্রন্টম্যান বা বলির পাঁঠা ব্যবহার করে।

আন্তর্জাতিক জিওপলিটিক্সেও দেখবেন পরাশক্তিগুলো কোনো দেশে যখন নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায়, তারা সরাসরি ইনভলভ হয় না। তারা ওই দেশেরই কোনো একজন দুর্নীতিবাজ নেতাকে সাপোর্ট দিয়ে ক্ষমতায় বসায় এবং তাকে দিয়ে দেশের সব রিসোর্স চুষে নেয়। যখন সাধারণ মানুষের ক্ষোভ চরমে পৌঁছায়, তখন ওই পরাশক্তিরাই আবার হিউম্যান রাইটসের ধুয়া তুলে ওই নেতাকে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে দেয়।

এতে তারা সাধারণ মানুষের চোখে হিরো হয়ে যায় এবং নতুন আরেকটা পুতুল সরকার বসানোর সুযোগ পেয়ে যায়।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ লেখাটা নেয়া হয়েছে, The Prince-বইয়ের সপ্তম অধ্যায়ের এনালাইসিস থেকে।

Master the forbidden strategies of power, war and manipulation. Get Bengali translations of The Prince, Art of War & 48 Laws of Power with exclusive Inner Circle access.

স্থান : চট্টগ্রাম গর্ভে ৯ মাসের অনাগত সন্তান। যে সময়টায় একজন মায়ের সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তা, যত্ন আর ভালোবাসার প্রয়োজন...
12/07/2026

স্থান : চট্টগ্রাম

গর্ভে ৯ মাসের অনাগত সন্তান।
যে সময়টায় একজন মায়ের সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তা, যত্ন আর ভালোবাসার প্রয়োজন, সেই সময়েই বন্যার পানি থেকে জীবন বাঁচানোর শেষ আশ্রয় হিসেবে তাঁকে গাছে উঠতে হয়েছে।

এর চেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য আর কী হতে পারে?

মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে প্রশংসনীয় উদ্যোগ টাঙ্গাইল–ময়মনসিংহ মহাসড়কের মধুপুর বনাঞ্চল অংশে সড়ক পারাপারের সময় প্...
09/07/2026

মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে প্রশংসনীয় উদ্যোগ

টাঙ্গাইল–ময়মনসিংহ মহাসড়কের মধুপুর বনাঞ্চল অংশে সড়ক পারাপারের সময় প্রায়ই বিভিন্ন বন্যপ্রাণী দুর্ঘটনার শিকার হয়ে প্রাণ হারায়। এই সমস্যা সমাধানে বন বিভাগ একটি কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

জাতীয় উদ্যান রেঞ্জের আওতাধীন মহাসড়কের উভয় পাশে পাঁচটি স্থানে সুউচ্চ গাছের সঙ্গে বিশেষ কৌশলে নির্মাণ করা হয়েছে পাঁচটি রোপওয়ে (ক্যানোপি করিডোর)। এসব করিডোরের মাধ্যমে বানরসহ অন্যান্য গাছে বসবাসকারী বন্যপ্রাণী মাটিতে না নেমেই নিরাপদে এক পাশ থেকে অন্য পাশে চলাচল করতে পারছে।

এই উদ্যোগের ফলে একদিকে যেমন বন্যপ্রাণীর প্রাণহানি কমবে, তেমনি বনাঞ্চলের প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

🌿 প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।

আগামী কয়েক দশকে পৃথিবীর সম্ভাব্য ভয়ানক যে সংকটের ব্যাপারে খুব কমই আলোচনা হচ্ছে! বিষয়টা যুদ্ধ নয়, পারমাণবিক অস্ত্র নয়...
04/07/2026

আগামী কয়েক দশকে পৃথিবীর সম্ভাব্য ভয়ানক যে সংকটের ব্যাপারে খুব কমই আলোচনা হচ্ছে!

বিষয়টা যুদ্ধ নয়, পারমাণবিক অস্ত্র নয়, এমনকি জলবায়ু পরিবর্তনও একা নয়। বিষয়টা হলো- পোকামাকড়ের নীরব বিলুপ্তি। বিখ্যাত জীববিজ্ঞানী E.O. Wilson এর মতে- যদি পৃথিবী থেকে মানুষ একদিন হঠাৎ বিলুপ্ত হয়ে যায়, তবে প্রকৃতি হয়তো দশ হাজার বছর আগের সমৃদ্ধ ভারসাম্যে ফিরে যাবে। কিন্তু যদি পৃথিবী থেকে সব পোকামাকড় হারিয়ে যায়, তাহলে পুরো পৃথিবীর ইকোসিস্টেম কলাপস করবে।

কথাটা শুনতে অতিরঞ্জিত মনে হতে পারে। কিন্তু রিসার্চগুলো কী বলছে জানেন?

মাত্র ২৭ বছরে সংরক্ষিত এলাকাগুলোতে উড়ন্ত পোকামাকড়ের মোট বায়োমাস ৭৫ শতাংশেরও বেশি কমে গেছে! এটা শুধু পোকামাকড়ের সমস্যা নয়। এর অর্থ হলো পরাগায়ন কমে যাওয়া, উদ্ভিদের বৈচিত্র্য কমে যাওয়া, পাখির খাদ্য কমে যাওয়া, এবং ধীরে ধীরে পুরো খাদ্যশৃঙ্খলের দুর্বল হয়ে পড়া। এরই প্রভাব দেখা যাচ্ছে অন্য প্রাণীদের মধ্যেও।

গত কয়েক দশকে কিছু অঞ্চলের মাটিতে কেচো/ গোবরে পোকার পরিমাণ ৫০-৯০ ভাগ কমে গেছে। এদেরকে বলা হয় মাটির নীরব ইঞ্জিনিয়ার। কেচো মাটিকে খুঁড়ে নরম করে, ছোট সুড়ঙ্গ তৈরি করে। ফলে পানিগুলো মাটির ভেতর ঢুকতে পারে। গোবরে পোকা পশুর মল মাটির নিচে পুঁতে জৈব সার তৈরি করে। জৈব পদার্থ দ্রুত ভেঙে মাটিতে মিশিয়ে এরা মাটির কার্বন চক্রকে সচল রাখে। ফলে নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান ন্যাচারালিই মাটিতে তৈরি হয়।

প্রশ্ন হলো, এর জন্য দায়ী কারণগুলো কি কি? এর প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে- কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহার, বন উজাড়, আবাসস্থল ধ্বংস, জলবায়ু পরিবর্তন, দূষণ, এবং আমাদের বর্তমান ভোগবাদী জীবনযাত্রা।

আজ আমরা হয়তো ছোট্ট মৌমাছি, প্রজাপতি বা গোবরে পোকা হারানোর খবরকে গুরুত্ব দিচ্ছি না। কিন্তু ন্যাচার কখনো রাতারাতি কলাপস করে না। প্রথমে ছোট প্রাণীরা হারিয়ে যায়। যেটা হয়তো কেউ গুরুত্বের চোখে দেখে না, তারপর সেই প্রভাব সরাসরি পড়ে উদ্ভিদ এবং ফসলের উপর। তারপর পাখিরা ধীরেধীরে বিলুপ্ত হতে থাকে। সবশেষ মানুষের খাদ্য, অর্থনীতি এবং অস্তিত্বের উপর এর সরাসরি প্রভাব দেখা যায়।

আমরা যদি সত্যিই আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী রেখে যেতে চাই, তাহলে শুধু বিক্ষিপ্ত কিছু ইনিশিয়েটিভ যথেষ্ট না। আমাদের এমন একটি লাইফস্টাইল ডেভলপ করতে হবে যা জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকির কারণ না হয়।

সমুদ্র সৈকতের বালুর উপর প্রতিটি চিহ্ন যেন একেকটি জীবনের স্বাক্ষর।সেখানে হেঁটে যাওয়া প্রতিটি প্রাণী নিজের অস্তিত্বের গল্...
04/07/2026

সমুদ্র সৈকতের বালুর উপর প্রতিটি চিহ্ন যেন একেকটি জীবনের স্বাক্ষর।

সেখানে হেঁটে যাওয়া প্রতিটি প্রাণী নিজের অস্তিত্বের গল্প লিখে রেখে যায়, আর সেই গল্প পড়তে জানলে বোঝা যায় প্রকৃতি কত নিখুঁতভাবে ভারসাম্য বজায় রাখে।

সম্ভবত পৃথিবীকে বদলানোর সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্তগুলো শুরু হয় আমাদের প্রতিদিনের ছোট ছোট অভ্যাস থেকে।

আমরা পৃথিবীতে কী ধরনের চিহ্ন রেখে যেতে চাই — সেই উত্তরটা হয়তো আমাদের হাতেই আছে।

মনে মনে বহুদূর চলে গেছিশক্তি চট্টোপাধ্যায় মনে মনে বহুদূর চলে গেছি– যেখান থেকে ফিরতে হলে আরো একবার জন্মাতে হয়জন্মেই হাঁটত...
27/06/2026

মনে মনে বহুদূর চলে গেছি
শক্তি চট্টোপাধ্যায়

মনে মনে বহুদূর চলে গেছি– যেখান থেকে ফিরতে হলে আরো একবার জন্মাতে হয়
জন্মেই হাঁটতে হয়
হাঁটতে-হাঁটতে হাঁটতে-হাঁটতে
একসময় যেখান থেকে শুরু করেছিলাম সেখানে পৌঁছুতে পারি
পথ তো একটা নয়–

তবু, সবগুলোই ঘুরে ফিরে ঘুরে ফিরে শুরু আর শেষের কাছে বাঁধা

নদীর দু-প্রান্তের মূল
একপ্রান্তে জনপদ অন্যপ্রান্ত জনশূণ্য
দুদিকেই কূল, দুদিকেই এপার-ওপার, আসা-যাওয়া, টানাপোড়েন-
দুটো জন্মই লাগে

মনে মনে দুটো জন্মই লাগে

হে পরম করুণাময়,  হে জমিন ও আসমানের মালিক...আমরা এই নিষ্পাপ জানটার জন্য আপনার কাছে বিচার চাই, যাকে বিনা কারণে গলায় ইট বেঁ...
26/06/2026

হে পরম করুণাময়,
হে জমিন ও আসমানের মালিক...
আমরা এই নিষ্পাপ জানটার জন্য আপনার কাছে বিচার চাই, যাকে বিনা কারণে গলায় ইট বেঁধে পানিতে চুবিয়ে হত্যা করা হয়েছে... ওর অপরাধ একটাই যে- ও মানুষকে বিশ্বাস করেছিল! বিশ্বাস করেছিল বলেই ওর সাথে মানুষ এটা করতে পারলো।

ওরা নিজেদের হয়ে ইনসাফ চাইতে পারেনা।। ওদের আত্মীয় পরিজন নাই, যারা ওদের হয়ে বিচার চাইবে।

আমরা ওর হয়ে আপনার কাছে বিচার চাই... ন্যায় বিচার চাই.... এই দুনিয়াতে বিচার চাই, ওই দুনিয়াতেও বিচার চাই।

আর ফরিয়াদ জানাই আপনার দরবারে হে পরম করুণাময়... আপনি আমার দেশের জালিম মানুষগুলির অন্তরে দয়া দেন। আপনি আমার দেশের নিষ্ঠুর মানুষগুলির মনে মনুষত্য দেন। আপনি আমার দেশে রাক্ষসের মত লোকগুলিকে মানুষ বানায়ে দেন... এই দেশের নিষ্পাপ সকল জানকে, সকল শিশু আর বোবা প্রাণীকে আপনি হেফাজত করেন এই পিশাচদের হাত থেকে হে আল্লাহ...

আমিন।

রামিসার ঘটনার খুব ছোট্ট একটা জিনিস শেয়ার করি যেটা মেয়ে সন্তানের অভিভাবকদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় আমার । রামিসার ঘ...
20/05/2026

রামিসার ঘটনার খুব ছোট্ট একটা জিনিস শেয়ার করি যেটা মেয়ে সন্তানের অভিভাবকদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় আমার ।

রামিসার ঘটনাটা পড়ার সময় আমি চিন্তা করছিলাম রামিসাকে ফ্ল্যাটে নিয়ে গিয়েছিলো কে ?

ধর্ষক সোহেল রানা ? কিভাবে ? চকলেটের লোভ দেখিয়ে ? অথবা ভিন্ন কিছু হলে সেটা কি!

কিন্তু আজ জবানবন্দিতে প্রকাশ হলো ,

"সোহেল রানা না বরং তার স্ত্রী স্বপ্নাই রামিসাকে ফ্ল্যাটে ডেকে নিয়ে যায় । আদর করে বাসায় ঢুকায়ে তারপর দরজা লক করে দেয় । "

বাচ্চারা সাধারণত অল্পতেই মিশুক হয় । তাদের একটা চিপস, একটা পছন্দের খেলনা , একটা চকলেট দিয়ে বশ করে নেওয়া যায় ।

তারপর এসব যদি দেয় মেয়ে কেউ, তাহলে তো বশ করার তাবিজ আরও বেশি কাজ করে ।

গতকাল যখন ঘটনার বর্ণনা দিয়েছিলাম ,

'ধর্ষকের স্ত্রী ধর্ষণ করতে সহায়তা করেছে ,
রামিসাকে হ*ত্যা করতে সহায়তা করেছে ,
এমনকি রামিসার দেহ থেকে মাথা আলাদা করতেও সে সহযোগিতা করেছে -

তখন অনেকেই আশ্চর্য হয়ে প্রশ্ন করেছে ,
একজন মেয়ে হয়ে কি আসলেই এরকম করা সম্ভব ?

আসলেই তা সম্ভব , তা-ই করা হয়েছে।

কলকাতার মেডিকেল কলেজের মৌমিতার ঘটনার কথা মনে আছে?

ধারণা করা হয়েছিলো , মৌমিতাকে যখন ধর্ষণ করা হচ্ছিলো তখন তার দুই সহকর্মী হাত চেপে ধরেছিল।

সেখানে একজন মেয়ে ছিলো । মৃত মৌমিতার পাশে এমন একটা ক্লিপ পাওয়া গিয়েছিলো যেটা মৌমিতার ছিলো না ।

মৌমিতাকে এত নিষ্ঠুরতম উপায়ে ধর্ষণ করা হয়েছিলো যে তার চোখের মণি থেকে পানির বদলে রক্ত বের হয়েছিলো ।

কার সামনে? একজন মেয়ের সামনে ।

রামিসাকেও যখন ধর্ষণ করেছিলো তার যোনী থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিলো ।

একজন মেয়ে হয়ে ধর্ষকের স্ত্রী স্বপ্নার এই ব্যথা বোঝার কথা । বাঁধা দেওয়ার কথা । স্বপ্না তা করে নি।

উল্টো এই নিষ্ঠুর নরপিশাচকে গ্রিল কেটে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছে ।

ইভেন কুমিল্লায় তনু হত্যার তদন্তের পর সিআইডি এখন সন্দেহ করছে , তনু হত্যায়ও একজন নারী জড়িত ছিলো ।

তিনজন পুরুষের সিমেন বাদেও তনুর জামায় আরেকজনের রক্ত পাওয়া গেছে সম্প্রতি ।

এসব ঘটনার পর একটা লাইন জেনারাইলাইজ করা হয় , ' মেয়েরাই মেয়েদের বড় শত্রু...

এটুকু কতটুকু সত্য অথবা কতটুকু মিথ্যা তা জেনারাইলজ করার ভার যার যার জীবন কেন্দ্রিক থাকুক ।

আমি আপাতত এটুকু বলতে চাই - শুধু মহিলা / নারী/ মেয়ে বলে আপনার সন্তানকে যার তার সাথে মিশতে দিবেন না ।

এখন আর শুধু পুরুষ নয় - নারীও এখন নিরাপত্তাহীনতার সিম্বল আপনার মেয়ের জন্য ।

আপনার বাচ্চাকে হরহামেশাই পাশের ফ্ল্যাটে চলে যেতে দিবেন না । ইভেন সমবয়সী ছেলে/ মেয়ে বাচ্চা থাকলেও ।

৬-১৪ বছর বয়সী মেয়েদের যারা যৌন নিপীড়ন হয় এদের বেশিরভাগকেই এই ব্যাড টাচ করা হয় খেলাধুলার ছলে , টিভিতে কার্টুন দেখানোর লোভ দেখায়ে অথবা চকলেট/খেলনা দিয়ে বশ করে ।

এসব করে হরহামেশাই গ্রামে ধর্ষণ হচ্ছে । যারা দুয়েক বেলা পত্রিকার পাতা উল্টান তারা জানবেন ।

আপনার সন্তানকে কেউ আদর স্নেহ করবে ?
সমস্যা নেই । সেটা আপনার সামনেই করতে দেন ।

আপনার আড়ালে গিয়ে কারো বাসায় খেলা করা, কার্টুন দেখা এগুলা এখন রিস্ক জোন যদি সে বাসায় পুরুষ থাকে ।

এখনকার বাচ্চারাও অনেক আধুনিক । গতকাল একটা পোস্ট দেখলাম ,

' সমবয়সী এক বাচ্চা ছেলে তার মেয়ে ক্লাসমেটকে ব্যাড টাচ করে । অভিভাবককে বিচার দেওয়া হইলো।

অভিভাবক বাচ্চার সামনেই মেয়ের মা'কে উল্টো কাউন্টার দিতেছে , "বাচ্চারা অত বুঝে নাকি । এ বয়সে এসব হয় । আপনি এতো সিরিয়াস কেনো হচ্ছেন?"

ভাবতে পারেন? এই হইলো পুরুষ সন্তানদের অভিভাবকদের অবস্থা।

তাই বলি , আপনার সন্তানকে সময় দেন । রিলসের দুনিয়া থেকে বের হয়ে তা'র সাথে খেলেন ।

সন্তানকে সতর্ক করেন - আপনি না থাকলে কারো কাছেই যাওয়ার দরকার নেই ।

না দোকানী মামার কাছে , না আসক্রিম মামার কাছে , না পাশের বাচ্চা ছেলে বন্ধুর কাছে ।

আপনার মনে হইতে পারে , এসব আচরণ অস্বাভাবিক ঠেকবে পরিচিত মানুষদের কাছে ।

আমি বলি ভদ্রতা তুলে রাখুন ফ্রিজে, তাজা থাকুক ।

জাস্ট এটুকু মাথায় রাখুন , আজকাল যা ঘটছে তাও কি আদৌ স্বাভাবিক কিছু ?

নাহয় এ কোন কলিযুগে আমরা বসবাস করি যেখানে মেয়েদের সহযোগিতায় মেয়ে ধর্ষণ করা হচ্ছে , হত্যা করা হচ্ছে!

শেষে এটুকুই বলি , Create your own safe-zone circle and live a safe life with your family.

লেখাঃ ' আলোকশূন্য নক্ষত্র'

10/05/2026

হাম কি ধনী‌দের বাচ্চা‌দের হয়না? যত শিশু মারা গেল, সব কি গরী‌বের বাচ্চা? একটা ধনীর শিশু মারা গেলে হয়ত টনক নড়‌তো।

কি গাছ জানেন?বেশ সুগন্ধি ফুল।
20/03/2026

কি গাছ জানেন?
বেশ সুগন্ধি ফুল।

Address

Bangladesh

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গাছের কথা ফুলের কথা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to গাছের কথা ফুলের কথা:

Shortcuts

  • Want your business to be the top-listed Contractor?

Share